আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

তারেক রহমান রাজনৈতিক দর্শন চর্চা ও গবেষণা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে বিপ্লব উদ্যানে শ্রদ্ধাঞ্জলি

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তারেক রহমান রাজনৈতিক দর্শন চর্চা ও গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশ-এর ১৭ তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন উপলক্ষে চট্টগ্রাম নগরীর ষোলশহরস্থ বিপ্লব উদ্যানে সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন শেষে শনিবার সকাল ১১টায় এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা ও চেয়ারম্যান, চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সাবেক তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সহ-সম্পাদক আলমগীর নূর। এতে প্রধান অথিতি ছিলেন দৈনিক আমার দেশ ব্যুরো প্রধান জাহিদুল করিম কচি, আলোচনা সভা পরিচালনা করেন সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক নুরুল ইসলাম রিপন। বক্তব্য রাখেন, বিএনপি নেতা মহিউদ্দিন আজম খান, আতিকুর রহমান, ইকবাল হোসেন, মনিরুজ্জামান টিটু, হাজী আবদুর রহিম, মো. শফিকুর রহমান, আলাউদ্দিন, জান্নাতুন নঈম চৌধুরী রিকু, এডভোকেট ফরিদা আক্তার, পারভিন আক্তার চৌধুরী, কামরুন নেসা, হান্নান রহিম তালুকদার, মো. আব্দুল সাত্তার, মাওলানা নুরুল আবছার কাদেরী, স্বপন শিকদার, ইলিয়াস শিকদার, মো. হোসাইন বাপ্পি, ডা. আবদুল্লাহ, মোহাম্মদ মুছা, ইঞ্জিনিয়ার মাজেদুল, ইঞ্জিনিনিয়ার লোকমান হোসেন, মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মোহাম্মদ দেলোয়ার হোসাইন সাইদ, মোঃ শিপন, মো. আজাদ, নূর হোসেন, নুরুল করিম, মোহাম্মদ তুষার, নারী নেত্রী শারাবান তাহুরা কলি, শাজেদা ইয়াসমিন, খাদিজা বেগম, রেখা আকতার, খুরশিদা বেগম, সুফিয়া খাতুন, নাছিমা আকতার, রেশমি আকতার মিম, সুনিয়া সলতানা,তানজিলা আলম, সায়রা বেগম প্রমুখ।বক্তারা বলেন, তারেক রহমানের রাজরীতি ও দর্শন তরুন প্রজন্ম ও সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে সংগঠনটি কাজ করে যাচ্ছেন। এ সংগঠনের যাত্রা শুরু ১২ অক্টোবর-২০০৭, সুদীর্ঘ ১৭ বছর আগে চট্টগ্রাম থেকে শুরু হলেও এখন সারা দেশে এ সংগঠন সাংগঠনিক কাঠামো রয়েছে।
বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ চেতনা ও প্রচার নির্ভর কল্যাণমুখী, উদার গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থাপনা বিনির্মানের প্রয়াশে,শহীদ জিযার বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত ও সমাদৃত কালোত্তীর্ণ অনুপম রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনা ‘বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ, বহুদলীয় গণতন্ত্র এবং স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মানের দর্শন’ তরুণ সমাজ, নতুন প্রজন্ম সর্বোপরি আগামী প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার মাধ্যমে উদ্ভাবনশীল জ্ঞানভিত্তিক পরিশীলিত ব্যক্তিস্বার্থহীন নতুন ধারার রাজনীতি চর্চার চেতনা জাগ্রত করার মাধ্যমে ‘ রাজনীতি’কে গণমানুষের সর্বোচ্ছ আকাংখায় উন্নিত করার লক্ষ্যে ৪৭ তফা লক্ষ্য-উদ্দেশ্য-কর্মসূচী নিয়ে তারেক রহমান রাজনৈতিক দর্শন চর্চা গবেষণা কেন্দ্রের যাত্রা শুরু। এ সংগঠন আমাদের প্রথাগত রাজনীতির বাইরে রাজনীতি চর্চার পরিশীলিত রূপ।
এ সংগঠন ব্যক্তি তারেক রহমানকে নিয়ে কোন ধরণের গবেষণাধর্মী প্রতিষ্ঠান নয়। পুরো দেশবাসী জানে, তারেক রহমান একুশ শতকের বাংলাদেশের বিশাল রাজনৈতিক অঙ্গণে তথা উপমহাদেশের গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে তৃণমূল গণমানুষের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মুক্তির ক্ষমতায়নের এবং তারুণ্য নির্ভর গণমুখী রাজনৈতিক দর্শন’ উপহার দিয়েছেন। মূলতঃ রাজনীতি বিমুখ দেশের বিশালাকৃতির শিক্ষিত তরুণ, আগামী প্রজন্ম তথা দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে শহীদ জিয়ার কালজয়ী রাজনীতি সচেতন করে জাতীয়তাবাদী চেতনায় উদ্বুদ্ধ করে তারেক রহমানের তৃণমূল রাজনৈতিক দর্শন এর চর্চা, গবেষণা তথা অনুশীলনে একিভুত করে দেশের ব্যাপক গণ-মানুষের দৌড় গোড়ায় পৌঁছে দেয়ার যে সাংগঠনিক প্রক্রীয়া ; সে প্রক্রীয়ারই প্রতিশব্দ এবং প্রাতিষ্ঠানিক রূপ হচ্ছে ” তারেক রহমান রাজনৈতিক দর্শন চর্চা ও গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশ। যেহেতু, একুশ শতকের বাংলাদেশের রাজনীতিতে তৃণমূল তথা প্রান্তিক গণমানুষের ক্ষমতায়ন ও তরুণ এবং আগামী প্রজন্মের রাজনৈতিক দর্শন তত্ত্বের উদ্ভাবক জনাব তারেক রহমান সেহেতু ” তারেক রহমানের নামে গবেষণা কেন্দ্রের নামকরণ তরুণ প্রজন্মের রাজনীতির সাহসী ঠিকানা হিসেবে দিকনির্দেশনার প্রতিকীরূপ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিএনপি সরকারের ঘোষিত নতুন বাজেটে অর্থনৈতিক সংস্কার হবে না: নাহিদ ইসলাম

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিএনপি সরকারের ঘোষিত নতুন বাজেটে (প্রস্তাবিত) দেশের অর্থনৈতিক কোনো সংস্কার হবে না। তিনি বলেন, প্রস্তাবিত বাজেটে ৬ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকার রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে, যা মূলত বাস্তবতাবিবর্জিত। কারণ, বাংলাদেশের ইতিহাসে কখনোই এত রাজস্ব আদায় করা সম্ভব হয়নি।

বর্তমান যে কর বা রাজস্ব আদায়ের কাঠামো রয়েছে, তার মধ্য দিয়ে এই বিশাল লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা কোনোভাবেই সম্ভব নয়। শুক্রবার বিকেলে চট্টগ্রামের সার্কিট হাউসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। সরকারের এই বাজেটকে ‘উচ্চাভিলাষী’ আখ্যা দিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টির আহ্বায়ক বলেন, আমরা আশা করেছিলাম এই বাজেটের মাধ্যমে অর্থনীতিতে বড় ধরনের সংস্কার আসবে; কিন্তু বর্তমান বাজেটের যে রূপরেখা, তাতে কোনো অর্থনৈতিক সংস্কার সম্ভব হবে না।

বাজেটের কিছু ইতিবাচক দিক উল্লেখ করে তিনি বলেন, তারা কিছু সৃজনশীল জায়গা দেখিয়েছে। কিছু পণ্যের কর কমানো হয়েছে; শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এগুলো ইতিবাচক উদ্যোগ হলেও শেষ পর্যন্ত তা কতটা বাস্তবায়নযোগ্য হবে— তা নিয়ে বড় প্রশ্ন রয়েছে।
সম্প্রতি বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধির ঘটনাকে নজিরবিহীন উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, এত কম সময়ের ব্যবধানে আগে কখনো এভাবে বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হয়নি। বর্তমানে দ্রব্যমূল্যের যে ঊর্ধ্বগতি, তার লাগাম টেনে ধরতেই আমরা প্রতিটি বিভাগে ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে কর্মসূচি পালন করছি।

বাজেটে সুশাসনের অভাব ও দুর্নীতির ঝুঁকির কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই বাজেট কীভাবে দুর্নীতি বন্ধ করবে— তার কোনো সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা নেই। বড় বাজেট মানেই তা নিয়ে বড় ধরনের দুর্নীতি করারও সুযোগ তৈরি হওয়া। এই যে বিভিন্ন কার্ড বিতরণ কিংবা খাল খনন কর্মসূচির কথা বলা হচ্ছে; সেখানে ক্ষমতাসীন দলের এমপিরা বরাদ্দ পাচ্ছেন, কিন্তু বিরোধীদলীয় এমপিরা পাচ্ছেন না— তারা সেটি কীভাবে করছেন? অর্থাৎ কোথাও কোনো জবাবদিহিতা নেই। বাজেটে দুর্নীতি ও ঋণখেলাপিদের রুখতে কোনো কার্যকর পদক্ষেপের কথা বলা হয়নি।

প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের আনন্দ মিছিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জাতীয়বাদী যুবদল কেন্দ্রিয় নির্বাহী কমিটি পূর্ণাঙ্গ ঘোষিত হওয়ায় বিএনপির চেয়ারম্যান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানিয়ে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন এর নেতৃত্বে আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। আজ শনিবার (৬ জুন) সকালে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের উদ্যোগে শহরের বহরদ্দার হাট বাস টার্মিনাল থেকে শুরু হয়ে একটি বর্ণাঢ্য আনন্দ মিছিল বের করা হয়। মিছিলটি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মুরাদপুর চত্বরে এসে শেষ হয়। পরে সেখানে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

সমাবেশে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের যুগ্ম সম্পাদক দীপংকর ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ন সম্পাদক মোশাররফ হোসাইন, এতে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সহ দপ্তর সম্পাদক মোঃ শাহেদুল ইসলাম, সহ সম্পাদক সাইদুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম আজাদ, সদস্য শাখাওয়াত হোসেন টিপু, চান্দগাও থানা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহবায়ক আলী আজম মাসুম, আরিফ মহিউদ্দিন, মোহাম্মদ এরশাদ, মোহাম্মদ ফরহাদ, আলী আসমান, মোহাম্মদ ছাবের, ইমতিয়াজ নিশান, সহাব উদ্দিন শিহাব, মোহাম্মদ মোরশেদ, অহিদুল ইসলাম ওয়াহিদ, মো: খোরশেদ আলম, মো: মিনহাজ, জয়নাল আবেদীন মানিক, মোহাম্মদ আরিফ, আবদুর রহমান, আবদুল্লাহ আল মামুন, ওমর ফারুক, মোহাম্মদ দুলাল, মোহাম্মদ নুর নবী, আবদুল আজিজ, সহ চট্টগ্রাম মহানগর যুবদল,থানা ও ওয়ার্ড যুবদলের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মোশাররফ হোসাইন নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির নেতৃবৃন্দকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী, সুসংগঠিত ও গতিশীল করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তিনি বলেন, যুবদল দেশের গণতন্ত্র, ভোটাধিকার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ভবিষ্যতেও সংগঠনের আদর্শ ও কর্মসূচি বাস্তবায়নে তৃণমূল নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। নেতাকর্মীদের উপস্থিতিতে পুরো কর্মসূচি উৎসবমুখর পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশ শেষে নবগঠিত কেন্দ্রীয় কমিটির সফলতা কামনা করে এবং সংগঠনের সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও বেগবান করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা বা দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিএনপি এবং এর অঙ্গসংগঠনগুলোর মতো চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলও প্রায়ই আনন্দ মিছিল ও স্বাগত কর্মসূচি পালন করেছে।
কেন্দ্রীয় যুবদলের নবগঠিত পূর্ণাঙ্গ কমিটিকে স্বাগত জানাতে এবং দলীয় প্রধানকে অভিনন্দন জানিয়ে চট্টগ্রামের রাজপথে সংগঠনের নেতাকর্মীরা খণ্ড খণ্ড মিছিল সহকারে এই আনন্দ আয়োজনে অংশ নেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ