আজঃ সোমবার ২২ জুন, ২০২৬

ঔষধ ব্যাবসায়ীকে গুলি করে হত্যা করলো বি এস এফ

আবু হানিফ মোহাম্মদ নোমান, শেরপুর জেলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মনসিংহের ধোবাউড়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফ এর গুলিতে রেজাউল করিম নামের এক বাংলাদেশি ওষুধ ব্যবসায়ী নিহত হয়েছেন, তিনি শেরপুর জেলা হাসপাতাল রোডের আরেক ঔষধ ব্যবসায়ী মুকুল মেডিসিনের স্বত্বাধিকারী মুকুল হোসেন এর শ্যালক, উপজেলার দক্ষিণ মাইজপাড়া ইউনিয়নের মুন্সিপাড়া বিজিবি ক্যাম্প এলাকার দীগলবাঘ সীমান্তের ১১৩৯/৯ এস পিলারের কাছে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রেজাউল শেরপুর সদর হাসপাতাল রোডের ওষুধ ব্যবসায়ী এবং ১২ নং কামারিয়া ইউনিয়নের পূর্ব আলীনাপাড়ার আব্দুস ছাত্তারের ছেলে। তিনি সল্পমূল্যে ওষুধ নেওয়ার জন্য নিয়মিত ভারতে যাতায়াত করতেন বলে জানা গেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর সীমান্তে বিকট গুলির আওয়াজ শোনা যায়। পরে খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রেজাউল করিম স্বল্পমূল্যে ওষুধ আনার জন্য অবৈধ পথে ভারতে প্রবেশ করেন। এ সময় ভারতের বিএসএফ সদস্যরা তাকে গুলি করে। পরে ওই মরদেহ তারা নিয়ে যায়।

মুন্সিপাড়া বিজিবি ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার হযরত আলী জানান, নিহত রেজাউল করিম অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন বলে তাদের ধারণা। সেখানে তিনি মারা গেছেন। বিএসএফের পক্ষ থেকে আমাদের একটি চিঠি দিয়েছে। তবে চিঠিতে মৃত্যুর কারণ বা কেন সে ভারতে প্রবেশ করেছে তা উল্লেখ্য করা হয়নি। আমরা শনিবার একটি চিঠি পাঠাব। কিন্তু আমাদের ক্যাম্প এলাকা দিয়ে মরদেহ আনার কোনো সুযোগ নেই। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।ধোবাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আল মামুন সরকার জানিয়েছেন, বিভিন্ন মাধ্যমে সীমান্তে নিহতের বিষয়টি শুনেছি। বিজিবির জোন অনুযায়ী ঘটনাটি নেত্রকোণা জেলার দুর্গাপুর উপজেলা সীমান্তের।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

রূপগঞ্জে কারখানায় ডাকাতির ঘটনায় মালামাল উদ্ধার \ দুই ডাকাত গ্রেফতার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নারায়ণগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো পৌরসভার দুইটি প্রিন্টিং কারখানায় ডাকাতি হওয়া মেশিনারিজ উদ্ধার ও ডাকাতদলের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করেছে রূপগঞ্জ থানা পুলিশ। আজ ২২ জুন ভোরে চট্টগ্রামের পাহাড়তলী ও আকবর শাহ থানা এলাকা থেকে ডাকাতি হওয়া মালামাল উদ্ধার ও তাদের গ্রেফতার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো চট্টগ্রামের আকবরশাহ থানার নিউ শহীদলেন এলাকার শামসুল আলমের ছেলে মুরাদ হাসান (৩৫) ও বোয়ালমারী থানার সর্বাতুলি এলাকার নাসির মিয়ার ছেলে রাসেল আহমেদ (৩২)।

পুলিশ জানায়, গত ১২ জুন রাতে রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবো পৌরসভার বরাবো এলাকার নিপুন সিনথেটিক লেদার ইন্ডাস্ট্রিজ ও এসডিকে প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং কারখানায় ২০-২৫ সদস্যের একদল ডাকাত নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে নৈশ্য প্রহরী আব্দুল মালেক, মোবাশ্বির ও হৃদয় হাসানকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে তারা চার ঘণ্টা থেকে পাঁচ ঘণ্টা লুটপাট চালায়। ডাকাতরা কারখানায় থাকা প্রিন্টিং মেশিন, কম্প্রেসার, রোলার, সেপ্রয়ার, ল্যাপটপ, শ্রমিকদের বেতনের নগদ টাকাসহ ৬৪ লাখ টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।

ডাকাতির ঘটনায় কারখানার মালিক ইকবাল হায়দার চৌধুরী বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। আধুনিক প্রযুক্তি ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রূপগঞ্জ থানা পুলিশ তদন্তের মাধ্যমে ডাকাতির ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে। পুলিশ গতকাল ২২ জুন রবিবার ভোরে চট্টগ্রামের পাহাড়তলী ও আকবর শাহ থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ডাকাতি হওয়া দুইটি কম্প্রেসার ও দু’টি মোটর উদ্ধার এবং ডাকাতদলের দুই সদস্যকে গ্রেফতার করে।

রূপগঞ্জ থানার ওসি এএইচএম সালাউদ্দিন বলেন, গ্রেফতারকৃতদের নারায়ণগঞ্জ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে। ডাকাতির ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেফতার ও লুট হওয়া বাকি মালামাল উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন :যোগ জীবনের প্রতিটি দিককে সমৃদ্ধ করে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে ভারতীয় সহকারী হাইকমিশনের উদ্যোগে ১২তম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপন করা হয়েছে। রোববার (২১ জুন) সন্ধ্যায় নেভি কনভেনশন সেন্টারে চট্টগ্রামের যোগব্যায়াম উৎসাহীদের সাথে এ দিবস উদযাপন করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের ( চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন। অনুষ্ঠানে ৮০০ অধিক জনসমাগম হয়।যেখানে সমাজের বিভিন্ন স্তরের সুধীজনরা অংশগ্রহণ করেন। কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন যোগ অনুশীলন পরিচালনা করেন।

সহকারী হাইকমিশনার শ্রী হারীশ কুমার তার স্বাগত বক্তব্যে বলেন, যোগ একটি প্রাচীন অনুশীলন, যার অর্থ হলো ‘যুক্ত হওয়া’ বা ‘একত্রিত হওয়া’। এটি দেহ, মন এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে এবং মানুষের সামগ্রিক সুস্থতা অর্জনে সহায়তা করে।
প্রায় ৫ হাজার বছর আগে ভারতীয় উপমহাদেশে এর উৎপত্তি হলেও যোগ কেবল শারীরিক ব্যায়াম বা বিভিন্ন ভঙ্গির অনুশীলনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এটি একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনধারা, যা শারীরিক প্রাণশক্তি, মানসিক স্বচ্ছতা এবং আধ্যাত্মিক প্রশান্তি বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

প্রতি বছর ২১ জুন বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক যোগ দিবস উদযাপিত হয়। ভারতের উদ্যোগে ইউনাইটেড নেশনস ২০১৪ সালে এই দিবসকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি প্রদান করে। এ বছরের প্রতিপাদ্য ‘সুস্থ বার্ধক্যের জন্য যোগ’, যা বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে সুস্বাস্থ্য, নমনীয়তা, মানসিক স্থিতি এবং জীবনীশক্তি বজায় রাখতে যোগের গুরুত্ব তুলে ধরে। নিয়মিত যোগাভ্যাস মানসিক চাপ কমায়, শরীরকে সক্রিয় রাখে এবং সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করে। তাই একটি সুস্থ, সুখী ও মর্যাদাপূর্ণ জীবন গঠনে যোগকে দৈনন্দিন জীবনের অংশ হিসেবে গ্রহণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি বলেন, যোগ আমাদের সকলকে সংযুক্ত করে ও একত্রিত করে। যখন যোগ জীবনযাত্রার অংশ হয়ে ওঠে, তখন তা মানব ঐক্যের ভিত্তি স্থাপন করে। যোগ আমাদের ভারসাম্যপূর্ণ জীবনযাপনের শিল্প শেখায় এবং মানসিক সুস্থতা থেকে শারীরিক সুস্থতার পথ দেখায়। এটি আমাদের শরীরকে নমনীয় হতে সাহায্য করে এবং আমাদের শক্তির মাত্রা উচ্চ রাখে। শারীরিক সুস্থতা থেকে শুরু করে মনের শান্তি পর্যন্ত, যোগ জীবনের প্রতিটি দিককে সমৃদ্ধ করে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ