আজঃ বুধবার ৬ মে, ২০২৬

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সিন্ডিকেট ভাঙতে হবে- বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতা ও সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের মানববন্ধন

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সিন্ডিকেট ভাঙতে হবে- বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জনতা ও সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের মানববন্ধনবষম্য বিরোধী ছাত্র জনতা ও সাংবাদিক ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও সাংবাদিক অধিকার সুরক্ষায় মানববন্ধন আজ ২৭ অক্টোবর (রবিবার) বিকাল ৪ টায় চেরাগী মোড়ে সংগঠনের আহ্বায়ক কামরুল হুদার সভাপতিত্বে ও পরিষদের সদস্য সচিব এবিএম ইমরান’র পরিচালনায় অনুষ্ঠিত হয়।

মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সম্মিলিত পেশাজীবী পরিষদের সভাপতি জাহিদুল করিম কচি, আইএইচআরসি’র প্রেসিডেন্ট ও বিএনপি নেতা এম এ হাশেম রাজু, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের ভাইস প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার জাবেদ আবছার চৌধুরী, দৈনিক ভোরের ডাকের ব্যুরোচীফ কিরন শর্মা, এনডিএম কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির জনসংযোগ এবং সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক ও চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি মোহাম্মদ এমরান চৌধুরী, সাবেক মহানগর ছাত্র ও যুব নেতা সাজ্জাদ হোসেন ভুঁইয়া, নাগরিক ঐক্যের চট্টগ্রাম মহানগর যুগ্ম সমন্বয়ক মো: জামাল
উদ্দিন, কোতোয়ালী থানা যুবদল’র মুহাম্মদ আলাউদ্দিন, আকবরশাহ থানা যুবদল মোহাম্মদ উমর ফারুক ভুঁইয়া, এনডিএম চট্টগ্রাম মহানগর সহ সভাপতি নুরুল ইসলাম চৌধুরী, নুরুল হক মেম্বার, চাকতাই ট্রাক মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো: বেলাল হোসেন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির চট্টগ্রাম মহানগর প্রচার সম্পাদক মাওলানা দ্বীন মোহাম্মদ রব্বানী ও মহানগর ছাত্র আন্দোলন’র সভাপতি শরিফুল ইসলাম বাবু।

বক্তারা বলেন, জিনিসপত্রের মূল্য নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ এবং মূল্যবৃদ্ধির সিন্ডিকেট ভেঙে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে। এ সময় তারা দেশ থেকে অনিয়ম ও দুর্নীতি নির্মূল করে একটি স্বচ্ছ এবং জবাবদিহিমূলক সরকার ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠারও দাবি জানান।

মানববন্ধনে বক্তারা আরো বলেন, আন্তর্জাতিক বিভিন্ন শক্তিশালী নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার মডেল অনুসরণ করে দেশে একটি স্বচ্ছ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। দেশে সিন্ডিকেটভিত্তিক দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকরভাবে লড়াই করতে একটি বিশেষ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠান গঠন করতে হবে। এই প্রতিষ্ঠানের কাজ হবে বাজারে স্বচ্ছতা ও প্রতিযোগিতা নিশ্চিত করা এবং সিন্ডিকেট ভেঙে সুশাসন প্রতিষ্ঠা করা। তারা বলেন, দেশে একটি প্রতিযোগিতামূলক অর্থনীতি গড়ে তুলতে হবে, যেখানে একচেটিয়া নিয়ন্ত্রণ বা সিন্ডিকেটের স্থান থাকবে না। ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতিযোগিতা এবং ন্যায্যতা নিশ্চিতে অ্যান্টি-ট্রাস্ট আইন করে, ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে প্রতিযোগিতা এবং ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে হবে।

বক্তারা আরো বলেন, দুর্নীতি ও অনিয়ম মোকাবিলায় জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণের ব্যবস্থা করতে হবে। জনগণের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কার্যকর সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে ব্যাপক প্রচারাভিযান শুরু করতে হবে। সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে জনগণের প্রতি আরও বেশি জবাবদিহিমূলক হতে হবে। দেশের সব সরকারি প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম নিয়ে নিয়মিত প্রতিবেদন এবং মূল্যায়ন প্রকাশের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অর্জন করতে হবে।

বক্তারা আরো বলেন, সরকারি কর্মকর্তা ও জনপ্রতিনিধিদের নিয়মিতভাবে সম্পদের হিসাব প্রকাশের আইন বাস্তবায়ন করতে হবে। এটি দুর্নীতি রোধের একটি কার্যকরী পদক্ষেপ হিসেবে কাজ করবে। বিচার ব্যবস্থাকে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থেকে মুক্ত রাখতে হবে। বিচার ব্যবস্থাকেও সম্পূর্ণ স্বাধীন এবং রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে। গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে হবে এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা দিতে হবে। স্বাধীন গণমাধ্যমের মাধ্যমে দুর্নীতি এবং অনিয়ম তুলে ধরার পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

উপকূলে বাড়ছে বজ্রপাতের তাণ্ডব: জীবন রক্ষায় চাই বিশেষ সতর্কতা ও সচেতনতা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

​দক্ষিণাঞ্চলের শস্যভাণ্ডার হিসেবে পরিচিত খুলনা জেলার পাইকগাছাসহ উপকূলীয় উপজেলাগুলোতে এখন বোরো ধান কাটার মহোৎসব চলছে। তবে এই উৎসবের আমেজকে বিষাদে রূপ দিচ্ছে আকাশের ‘অগ্নিঝলক’ বা বজ্রপাত। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে এই অঞ্চলে বজ্রপাতের প্রকোপ আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যার প্রধান শিকার হচ্ছেন খোলা মাঠে কর্মরত কৃষকরা।

​পাইকগাছার বিস্তীর্ণ ফসলি মাঠ এবং লোনা পানির ঘের সংলগ্ন এলাকায় কোনো বড় গাছপালা বা উঁচু স্থাপনা নেই। ফলে বজ্রপাতের সময় খোলা মাঠে থাকা কৃষকরাই সরাসরি এর লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হচ্ছেন। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের মতে, বঙ্গোপসাগর থেকে আসা গরম ও আর্দ্র বাতাসের সাথে উত্তরের ঠান্ডা বাতাসের সংঘর্ষে এই উপকূলীয় অঞ্চলে মেঘের ঘর্ষণ বেশি হয়, যার ফলে বজ্রপাতের তীব্রতা ও সংখ্যা দুই-ই বাড়ছে।

​সাধারণত চৈত্র-বৈশাখ মাসে খুলনা অঞ্চলে দুপুরের পর থেকেই কালবৈশাখী ও বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকে। ঠিক এই সময়েই কৃষকরা ধান কাটা ও শুকানোর কাজে ব্যস্ত থাকেন। পাইকগাছার অনেক কৃষকের মতে, হঠাত মেঘ জমলে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার আগেই বজ্রপাত শুরু হয়ে যায়। কাছাকাছি কোনো পাকা দালান বা উঁচু গাছ না থাকায় তারা চরম জীবনের ঝুঁকিতে থাকেন।

​বজ্রপাত থেকে বাঁচতে উপকূলীয় এলাকার মানুষের জন্য বিশেষ কিছু পরামর্শ , আকাশে ঘন কালো মেঘ বা বিদ্যুৎ চমকানো শুরু করলে দ্রুত পাকা দালান বা টিনের চালের নিচে আশ্রয় নিন, বজ্রপাতের সময় মাছের ঘের, নদী বা খোলা ধানখেত থেকে দ্রুত সরে আসতে হবে, বড় গাছ বা বিদ্যুতের খুঁটির নিচে দাঁড়ানো সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ,ছাতা বা কাস্তের মতো ধাতব হাতলযুক্ত কোনো কিছু এ সময় ব্যবহার করবেন না, .কাজ করার সময় রাবারের জুতো বা গামবুট ব্যবহার করলে কিছুটা সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব, বজ্রপাতের সময় মোবাইল ফোন ব্যবহার করা এড়িয়ে চলুন।

​বজ্রপাতকে বর্তমানে জাতীয় দুর্যোগ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। সরকারি উদ্যোগে তালগাছ রোপণের পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে পর্যাপ্ত আশ্রয়কেন্দ্র নির্মাণ এখন সময়ের দাবি। পাইকগাছাসহ দক্ষিণাঞ্চলের কৃষকদের জীবন সুরক্ষায় মাঠ পর্যায়ে ব্যাপক সচেতনতামূলক প্রচার চালানোর জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন পরিবেশবিদরা।

কলমাকান্দায় ক্ষতিগ্রস্ত হাওর ও খাল পরিদর্শনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় ভারী বৃষ্টিপাতজনিত পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হাওর ও খাল এলাকা পরিদর্শন করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমান।৫ মে (মঙ্গলবার) দুপুরে তিনি উপজেলার খারনৈ ইউনিয়নের চিকন মাটিয়া, তেলেঙ্গা ও মেদি বিলসহ দমদমা খাল এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখেন এবং ক্ষয়ক্ষতির চিত্র পর্যবেক্ষণ করেন।

পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম মিকাইল ইসলাম, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম, খারনৈ ইউপি চেয়ারম্যান ওবায়দুল হক, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মমিনুল ইসলাম, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান, সমাজসেবক মজিবুর রহমান এবং প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ শামীমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমান জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ইতোমধ্যে সরকারি সহায়তা কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে তা আরও জোরদার করা হবে।

তিনি বলেন, “আমরা শুরু থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের পাশে আছি। ভারী বৃষ্টিপাত শুরুর দিন থেকেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও নেত্রকোনাসহ ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জিআর ক্যাশ ও চাল বিতরণের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। আজ থেকেই এসব সহায়তা কার্যক্রম বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হাওর ও খালের পুনর্বাসন এবং কৃষকদের সহায়তায় সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

আলোচিত খবর

ক্রুড অয়েলের সরবরাহ স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরবে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির ক্রুড অয়েল প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে পুরো রিফাইনারিতে। ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) সংকট কেটে যাওয়ায় উৎপাদনে ফিরছে রিফাইনারিটি।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭ মে থেকে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল আসার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, রিফাইনারিতে সাধারণত সৌদি আরবের এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারবান ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। প্রতিবছর চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি।

এতে করে প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর নজিরবিহীন ঘটনা।পরবর্তীতে বিকল্প রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি। এর অংশ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা হচ্ছে। জাহাজটি ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে এবং ৬ মে থেকে তেল খালাস শুরু হবে। ইস্টার্ন রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষে ৭ মে থেকে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ক্রুড অয়েলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসেই আরও একটি জাহাজ তেল নিয়ে দেশে আসার কথা রয়েছে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ