আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামে তাহসীন হত্যায় সন্ত্রাসী সাজ্জাদের দু’সহযোগীর রিমান্ড মঞ্জ

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রান মহানগরের চান্দগাঁও এলাকায় গুলি করে ব্যবসায়ী আফতাব উদ্দিন তাহসীন হত্যায় রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন একটি আদালত। মঙ্গলবার সন্ত্রাসী সাজ্জাদের দুই সহযোগী মো. হেলাল ও ইলিয়াছ হোসেন অপুর রিমান্ড মঞ্জুর করেন চট্টগ্রাম দ্বিতীয় মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট অলি উল্লাহর আদালত। এদের মধ্যে হেলালের ৩ দিন এবং অপুর একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর হয়েছে। তবে ওই হত্যার ‘মূলহোতা’ বুড়ির নাতি ছোট সাজ্জাদ এখনো অধরা।
এর আগে, গত ২৬ অক্টোবর তাদের গ্রেফতারের পর উভয়ের ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও চান্দগাঁও থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোমিনুল ইসলাম।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত ২১ অক্টোবর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নগরের চান্দগাঁও থানার অদূরপাড়া জাগরণী সংঘ ক্লাব সংলগ্ন একটি চায়ের দোকানে বসে ছিলেন স্থানীয় ইট ও বালু ব্যবসায়ী তাহসীন। এ সময় কালো একটি মাইক্রোবাসে দলবল নিয়ে গিয়ে তার ওপর কয়েক রাউন্ড গুলি চালায় শীর্ষ সন্ত্রাসী সাজ্জাদ প্রকাশ বুড়ির নাতি। এতে ঘটনাস্থলে তাহসীনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় সাজ্জাদসহ পাঁচজনকে আসামি করে চান্দগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন নিহতের বাবা মো. মুছা। পরে গত ২৫ অক্টোবর নগরের পাঁচলাইশ থানার হাদুমাঝিপাড়া এবং হাটহাজারী-রাউজান উপজেলায় অভিযান চালিয়ে মো. হেলাল এবং ইলিয়াছ হোসেন অপুকে গ্রেফতার করা হয়। পরদিন দিবাগত রাতে ঘটনাস্থল থেকেই গ্রেফতার করা হয় মো. এমরান নামে আরও একজনকে। যিনি ছিলেন মূলত নিহত তাহসীন সম্পর্কে তথ্যদাতা। গ্রেফতার হেলাল মামলার ৫ নম্বর এজাহারনামীয় আসামি।
এসআই মোমিনুল ইসলাম বলেন, চান্দগাঁওয়ে চাঞ্চল্যকর তাহসীন হত্যা মামলায় গ্রেফতার হেলাল ও অপুর ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত হেলালের ৩ দিন এবং অপুর একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন। তাদের আরো নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। হেলাল এবং অপু দুজনেই সাজ্জাদের সহযোগী হিসেবে কাজ করে। তিনি আরো বলেন, তাহসীন হত্যার ঘটনায় আমরা এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করেছি। তারা প্রত্যেকে প্রধান আসামি সাজ্জাদের সহযোগী। সাজ্জাদকে গ্রেফতারে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বাল্কহেড থেকে সাড়ে ৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেফদার-৫।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭। বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকার মো. ইমরান (২১), আনোয়ারার পূর্ব গহিরা এলাকার মো. আনিস (২৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ভাঙ্গারা এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫), আনোয়ারার করুশকুল এলাকার মো. আলী (৪৭) এবং লক্ষীপুরের রামগতি উপজেলার চর কলাকুপা এলাকার মো. রুবেল (২৭)।
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে কয়েকজন মাদক কারবারি মিয়ানমার থেকে সমুদ্রপথে একটি বাল্কহেডে করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা চট্টগ্রাম মহানগরীতে নিয়ে আসছে। খবর পেয়ে র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল বাল্কহেডটির পিছু নেয়।

এক পর্যায়ে বাল্কহেডটি ১৫ নম্বর ঘাটে নোঙর করে কয়েকজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে আটক করেন। পরে বাল্কহেডে তল্লাশি চালিয়ে ইঞ্জিন রুমে রাখা দুটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের লাশ মিলল ডোবায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের
লাশ মিলল ডোবায়
ছবি-৭
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরের বন্দর থানা এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম (৪৬) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত মঞ্জুর আলম ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কলসিদিঘির পাড় আলী মিয়া চেরাগের বাড়ির বাদশা মিয়ার ছেলে। তিন গাড়িচালক ছিলেন। বুধবার সকাল ১১টায় কলসিদিঘির পাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহতের শ্যালক মো. হাসান বলেন, গত ৬ মার্চ থেকে আমার দুলাভাই নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় আমরা থানায় জিডিও করেছিলাম। আমার দুলাভাইকে কেউ পরিকল্পিতভাবে কেউ মেরে ফেলে চলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তোফাজ্জল হোসাইন বলেন, কলসিদিঘির পাড় এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গত শুক্রবারে তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানতে পেরেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে কাজ চলছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ