আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

চবির হলে গাঁজা সেবনকালে ৫ শিক্ষার্থী আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চবির হলে গাঁজা সেবনের সময় হাতেনাতে ধরা পড়েছে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী পাঁচ শিক্ষার্থী। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) আলাওল হলে মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২ টার দিকে আলাওল হলের ২৩৪ নম্বর রুম থেকে তাদের আটক করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি। নিরাপত্তা কর্মীদের উপস্থিতিতে ৪ জন থেকে গাঁজার প্যাকেট উদ্ধার করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর সাইদ বিন কামাল।
ধরা পড়া পাঁচ শিক্ষার্থী হলো- রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মোজাম্মেল হক, বাংলাদেশ স্টাডিজ বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মো. আনোয়ারুল ইসলাম, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মিজানুর রহমান, দর্শন বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের মো. টুটুল হাসান এবং ইসলামের ইতিহাস বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের মো. মানিক।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ মোজাম্মেল হক বিভিন্ন হলের দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীদের নিয়ে আলাওল হলের ২৩৪ নং কক্ষে নিয়মিত গাঁজার আসর বসান। সরেজমিনে দেখা যায়, তার সাথে আরো ৪ জন শিক্ষার্থী মাদক সেবন করছিলেন। ৪ জনের পকেটে পাওয়া গেছে মাদকের প্যাকেট।
হলে থাকা এক শিক্ষার্থী জানান, তিনি ২৩৪ নং রুমের পাশে দিয়ে যাওয়ার সময় একধরনের দুর্গন্ধ পান। পরে প্রক্টরকে বিষয়টি জানালে দুজন সহকারী প্রক্টর রুমে গিয়ে তাদের হাতেনাতে ধরেন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিসকো (ডিসেবল স্টুডেন্ট সোসাইটি অব চিটাগাং ইউনিভার্সিটি) সভাপতি শিহাব উদ্দিন বলেন, আজকের ঘটনায় যে পাঁচজন অপরাধী ধরা পড়েছে তাদের দায় আমাদের সংগঠন (ডিসকো) নিবে না। তিনি বলেন, আমাদের সংগঠন সবসময় মাদকের বিরুদ্ধে কাজ করেছে। আজকের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন যে সিদ্ধান্ত নিবে তাতে আমাদের সংগঠনের কোনো আপত্তি নেই। তবে আমাদের একটাই দাবি শিক্ষা বা অন্যান্য ক্ষেত্রে এর প্রভাব যেনো আমাদের উপর না পড়ে।
সহকারী প্রক্টর সাইদ বিন কামাল বলেন, শিক্ষার্থীদের সহায়তায় আমরা ৫ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধীকে গাঁজা সেবনে ধরেছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুযায়ী হল প্রশাসন এ বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ