আজঃ সোমবার ১৯ জানুয়ারি, ২০২৬

কিশোরগঞ্জে-আগুনে পুড়ল ৭ টি দোকান

স্টাফ রিপোর্টার, তৌহিদুল ইসলাম সরকর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কিশোরগঞ্জের-হোসেনপুরে আগুনে পুড়ে ৭ টি দোকান ভূষ্মিভুত হয়েছে। এতে প্রায় ৩ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। শুক্রবার ভোর পৌনে পাঁচটার দিকে পৌর এলাকার মিষ্টিপট্রি চৌ রাস্তায় এ ঘটনা ঘটেছে।
স্থানীয়রা জানান ,আলাল মিয়ার পিঁয়াজুর দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। টিন ও কাঠের দোকান হওয়ায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে হোসেনপুর ও কিশোরগঞ্জের ফায়ার সার্ভিসের ৪ টি ইউনিট এসে আগুন নিভানোর কাজ শুরু করে। ফায়ার সার্ভিস ও স্থানীয়রা ২ ঘন্টা ৪০ মিনিট চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

এ সময়ের মধ্যে কফিল মিয়ার ও জুয়েল মিয়ার হার্ডওয়্যারের দোকান ছাড়াও আল- আমিনের ওষুধের ফার্মেসী, কমিশনার রবি হোসেনের বৈশাখী খাবারের হোটেল, গোলাপ মিয়ার পিঁয়াজুর দোকান ও শুকলালের জুতার দোকান পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

হোসেনপুর ফায়ার সার্ভিসের সাব স্টেশন অফিসার শামছুল হক যদিও কোটি টাকার প্রাথমিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করেছেন। কিন্তু ব্যবসায়িগণ বলেন, আমাদের দোকানের নগদ টাকা ও মালামাল সবই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। যেখানে জুয়েল মিয়ার দাবী তাঁর দোকানেই দুই লাখ টাকা নগদ ছিলো ও কোটি টাকার উপরের হার্ডওয়্যারী সামগ্রী ছিলো।

এছাড়াও হার্ডওয়্যারী দোকানের কফিল মিয়া জানান, তার দোকানে নগদ আড়াই লাখ টাকা ও ৬০ লাক টাকার উপরের মালামাল ছিলো। আল- আমিনের ফিরোজা মেডিকেল হলে ৩ লাখ টাকা নগদ ও ৫০ লাখ টাকার মালামাল ছিলো।

মুদি দোকানি গোবিন্দ জানান, তার ৬ লাখ টাকা নগদ ও কোটি টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়েছে। জুতার দোকানের মালিক শুকলাল জানান, তার নগদ ১ লাখ টাকা, ২ লাখ টাকার স্বর্ণালংকার রক্ষিত ছিলো, যার সবই পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

স্থানীয়ীরা জানান, পাশেই পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের শাখা থেকে ফায়ার সার্ভিসের লোকজন গাড়িতে করে পানি আনার চেষ্টা করলে নদের পানি ময়লাযুক্ত ও পলিথিন বর্জ্যের কারনে ব্যর্থ হয়ে, পরে অন্য জায়গায় থেকে পানি সংগ্রহ করতে হওয়ায়, আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে ফায়ার সার্ভিসের আরও দেরি হয়। বিলম্ব না হলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কিছুটা কম হতো।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনার ফরিদপুরে হাত-পা বাঁধা স্কুলছাত্রীর লা’শ উদ্ধার; নিখোঁজের পাঁচ দিন পর।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

‎পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় নিখোঁজের পাঁচ দিন পর হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় এক স্কুলছাত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি এলাকাজুড়ে তীব্র চাঞ্চল্য ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

‎নিহত শিক্ষার্থীর নাম মোছা. সুরাইয়া খাতুন (১৩)। সে অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী এবং ফরিদপুর উপজেলার বি.এল. বাড়ি ইউনিয়নের জন্তিহার গ্রামের মো. স্বপন খানের মেয়ে।

‎পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) বিকেলে সুরাইয়া নিজ বাড়ির সামনে থেকে নিখোঁজ হয়। সম্ভাব্য সব স্থানে খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান না পাওয়ায় ১৬ জানুয়ারি (শুক্রবার) তার দাদা মো. আব্দুল জব্বার খান ফরিদপুর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।

‎জিডি করার দুই দিন পর, ১৮ জানুয়ারি (রবিবার) সকালে জন্তিহার ও পার্শ্ববর্তী বিলনলুয়া গ্রাম সংলগ্ন একটি বিল থেকে সুরাইয়ার লাশ উদ্ধার করা হয়। স্থানীয় কৃষকেরা জমিতে কাজ করতে গিয়ে পানিতে অর্ধনিমজ্জিত অবস্থায় হাত-পা ও মুখ বাঁধা লাশটি দেখতে পেয়ে গ্রামবাসীকে খবর দেন। পরে স্বজনেরা ঘটনাস্থলে এসে লাশটি সনাক্ত করেন। পরবর্তীতে থানা পুলিশ এসে লাশটি উদ্ধার করে।‎পরিবার সূত্রে জানা যায় মেয়েটি মানসিকভাবে কিছুটা অসুস্থ ছিল।

‎এ ঘটনায় পরিবারে শোকের মাতম চলছে। এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ও অসন্তোষ বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

‎এ বিষয়ে ফরিদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শামীম আকনজি বলেন, “লাশটি হাত পা বাধা অবস্থায় উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ঘটনাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।”

‎এর আগে নিখোঁজের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফরিদপুর থানার দায়িত্বপ্রাপ্ত তদন্তকারী কর্মকর্তা সাব-ইন্সপেক্টর নূর মোহাম্মদ সরকার জানিয়েছিলেন, “জিডিভুক্ত করে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।নাবালিকা শিক্ষার্থীর এমন মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ডে গোটা এলাকায় শোক ও ক্ষোভের ছায়া নেমে এসেছে।

আয়াল্যান্ডের সাথে বাংলাদেশের গ্রুপ বদলের প্রস্তাব নাকচ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতে না খেলার বিষয়ে এখনো অনড় বাংলাদেশ। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) আইসিসি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ তাদের খেলা শ্রীলঙ্কায় ফেলানোর এবং আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে গ্রুপ পরিবর্তনের প্রস্তাব দেয়। তবে এমন অনুরোধে রাজি না হওয়ার সিদ্ধান্ত আগেই জানিয়ে দিয়েছে আয়াল্যান্ড ক্রিকেট (সিআই)।

বাংলাদেশের গণমাধ্যমে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে গ্রুপ বদলের প্রস্তাব দিয়েছে; এমন খবর প্রকাশের পর এই অবস্থান জানাল আয়ারল্যান্ড।ক্রিকবাজকে দেয়া এক বিবৃতিতে আয়ারল্যান্ড ক্রিকেটের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আমরা চূড়ান্ত নিশ্চয়তা পেয়েছি যে নির্ধারিত সূচি অনুযায়ীই খেলা হবে। আমরা নিশ্চিতভাবেই গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কাতেই খেলব।’

চলতি টি–টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আয়ারল্যান্ড রয়েছে গ্রুপ সি–তে। এই গ্রুপে তাদের সঙ্গী সহ-আয়োজক শ্রীলঙ্কা, অস্ট্রেলিয়া, জিম্বাবুয়ে ও ওমান। অন্যদিকে বাংলাদেশ অবস্থান করছে গ্রুপ বি–তে, যেখানে তাদের প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ, ইংল্যান্ড, নেপাল ও ইতালি। এই গ্রুপের ম্যাচগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা কলকাতা ও মুম্বাইয়ে।
ভারতে যেতে অনিচ্ছুক বাংলাদেশের জন্য বিকল্প সমাধান হিসেবে আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে গ্রুপ বদলের প্রস্তাব তোলে বিসিবি। শনিবার ঢাকায় আইসিসির সঙ্গে বৈঠকে বিষয়টি আলোচনায় আনে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। তবে বিসিবির এই প্রস্তাব আইসিসি কিংবা আয়ারল্যান্ড, কারও কাছেই গ্রহণযোগ্য হয়নি বলেই ইঙ্গিত মিলছে।

আলোচিত খবর

নতুন রাজনৈতিক মুভমেন্ট এনপিএ’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গণতন্ত্র, সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার এবং প্রাণ, প্রকৃতি ও পরিবেশ সুরক্ষা এই পাঁচ মূলনীতি নিয়ে নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম ‘নেটওয়ার্ক ফর পিপলস অ্যাকশন-এনপিএ’র আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়েছে।আজ ১৬ জানুয়ারি শুক্রবার বিকেল চারটায় রাজধানীর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে প্ল্যাটফর্মটির ১০১ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কাউন্সিল ঘোষণা করা হয়।

কাউন্সিলের মুখপাত্র হয়েছেন ফেরদৌস আরা রুমী, নাজিফা জান্নাত ও তুহিন খান। তারা একেকজন একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য পালাক্রমে এই দায়িত্ব পালন করবেন।কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন- অনার্য মুর্শিদ, অনিক রায়, অনিকেত চার্বাক, অনিন্দ্য পন্ডিত, অনিরুদ্ধ রতন দাস, অনুপম সৈকত শান্ত, অপু সাহা, অমর্ত্য রায়, অলিউর সান, অলিক মৃ, আফজাল হোসেন, আতিকুর রহমান আতিক, আদ্রিতা কবির, আলমগীর কবির মিথুন, আসাদ রেহমান, আশিকুর রহমান অনিক, আহমেদ আন-নাবা, ইমতিয়াজ নাদভী, ইরফান আহমেদ, ইলোরা সুলতানা, ঋভু রহমান, কাওসার শাকিল, কাওসার হামিদ, কে এম সুফিয়ান, কৌশিক আহমেদ, খালিদ হাসান আলো, জাকারিয়া হোসেইন, জান্নাতুল মাওয়া আইনান, জাহিদ জামিল, জাহিদ হোসেন ইনকিয়াদ, টিপু গোস্বামী, তসলিম আহমেদ, তাসলিমা মিজি, তাহমীদুর আর চৌধুরী, তাহসিন আহমেদ অমি, নজরুল ইসলাম, নাজমুল আহমেদ, নাফিসা রায়হানা, নাশাদ ময়ুখ, নাসিরউদ্দিন টগর, নিসর্গ নিলয়, নীলা চাকমা, নূমান আহমাদ চৌধুরী, পারভেজ আলম, পুন্নি কবির, ফজলে রাব্বী খান তাজ, ফয়জুল্লাহ আনান, ফরহাদ নাইয়া, ফারিয়া জামান নিকি, ফেরদৌস আরা রুমী, বাকী বিল্লাহ, বিনয় আমিন, মঈনুল ইসলাম শুদ্ধ, মনোয়ার হোসেন নাইম, মাঈন আহমেদ, মাহবুবুর রহমান, মামুনুর রশিদ, মারুফ বিল্লাহ তন্ময়, মাসুদ রানা, মিম আরাফত মানব, মিতা নাহার, মীর মোকাররম শুভ, মীর হুযাইফা আল-মামদূহ, মুকুল ইসলাম, মুশফিকুর রহমান, মো. হাসিব, মোশফেক আরা শিমুল, মোহন বড়ুয়া, রঞ্জন কুমার দে, রহমত উল আলম, রাজীব চক্রবর্তী সুকান্ত, রাফসান আহমেদ, রাশেদুল কবীর রাফি, রাহাত মুস্তাফিজ, রাহুল দাস, রিয়াদুস সালেহীন জাওয়াদ, রেজওয়ান আমীন, রেজাউর রহমান রিন্টু, রৌদ্র তাপসী, শর্মী হোসেন, শামীম আরা নীপা, শেখ ফাতেমা খায়রুন, সমির সরকার, হাসান ইকবাল সজীব, সমির সরকার, সজীব তানভীর, সাখাওয়াত ফাহাদ, সাদ আহমেদ, সাদিক মোহাম্মদ আলম, সামি মোহাম্মদ, সালেহ রাব্বি, সেতু আরিফ, সৈয়দা নীলিমা দোলা, সোনিয়া আফরোজ যুথী, সৌরভ দেব, হাবিব ইমরান জনি, হাসান সালিহি এবং হাসান সোলাইমান।

নতুন মাত্রায় এফ্ল্যাটফর্মের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্যের মধ্যে রয়েছে: সর্বস্তরে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, সাম্য ও সমঅধিকার প্রতিষ্ঠা, সংবিধান সংস্কার, মৌলিক অধিকার নিশ্চিতকরণ, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানসমূহের সংস্কার এবং অর্থনৈতিক রূপান্তর।এসময় স্বাগত বক্তব্যে কাউন্সিলের সদস্য অনিক রায় বলেন- আমরা রাজনীতিকে কেবল ভাবাদর্শিক লড়াইয়ে পরিণত করতে চাই না। আবার ওয়েলফেয়ারের নামে পেট্র-ক্লায়েন্ট ভিত্তিক রাজনীতিও আমাদের লক্ষ্য নয়। আমরা চাই রাষ্ট্র ও নাগরিকের সম্পর্কের একটি মৌলিক রূপান্তর। আমরা চাই একটি মানবিক রাষ্ট্র, শক্তিশালী গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, ন্যায্য অর্থনীতি এবং সম্পদের সুষ্ঠু বণ্টন।তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি পুঁজির গণতান্ত্রিক বিকাশ, সামাজিক নিরাপত্তা এবং ন্যায়ভিত্তিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাই পারে এই দেশকে সত্যিকারের গণতান্ত্রিক ও মানবিক রাষ্ট্রে রূপান্তরিত করতে। এই কারণেই আমরা বলছি আমাদের পথ একটি সোশ্যাল ডেমোক্রেটিক মুভমেন্ট, সামাজিক গণতন্ত্রের আন্দোলন। এটি কেবল ক্ষমতার লড়াই নয় বরং সমাজকে সুসংহত ও গণতান্ত্রিক করে তোলা এবং মানুষের আত্মসামাজিক মুক্তি নিশ্চিত করার সংগ্রাম। যার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ একটি ন্যায্য ও মানবিক রাষ্ট্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ