আজঃ বৃহস্পতিবার ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

বউ কথা কও পাখি

আব্দুস সাত্তার সুমন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সবুজ ছায়ায় বাড়ি আমার
সুরের কন্ঠে ডাকি,
মগডালেতে বসে আছো
বউ কথা কও পাখি।

বউ কথা কও! বউ কথা কও!
গাছের ডালে বসে,
মধুর সুরে ডাকছো নাকি
অমন ভালোবেসে।

আসবে কি আজ আমার ঘরে
মিষ্টি বধু হবে?
ফুলের ডালা সাজিয়ে দিব
সঙ্গে তুমি রবে।

কদম গাছে তোমার বাসা
করে আমি দিবো,
হানিমুনে তোমাকে আমি
সুন্দরবনে নিবো।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিদায়ের সাজানো কফিন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

তুমি একবার ‘না’ বলো
আমি থেমে যাব
নি:শব্দ রাতের মতো
অসীমে মাঝে মিশে যাব ।

আমি হারিয়ে যাব
অনেক দূরে—
যেখানে কেউ খুঁজে পাবেনা
মায়া মমতাহীন গহীন অন্ধকারে ।

এই পৃথিবী আমার নয়
এই ফুলের বাগান আমার নয়
এখানে কেউ কারো নয়
শুধুই মিথ্যা মায়াময় ।

এখানে অবুঝ প্রেমের খেলা
এখানে ক্ষণিকের ফুলের মেলা
এখানে অজানা পথে চলা
এখানে ঝরা ফুলের মালা ।

এখানে চোখের জলে
কষ্টের ফুল ফোটে
এখানে বোবা কান্নায়
পাথরে ফুল ফোটে ।

আমি যাব চলে
অনেক অনেক দূরে,
কে যেন ডাকে মোরে
মায়া নদীর তীরে ।

আবার আসিব ফিরে
হারানো দিনের গানে
সকল কষ্ট ভুলে যাব
ক্ষণিকের মহামিলনে ।

যদি আর না ফিরি
এই সাজানো বাগানে,
একটি ফুল ছিটিয়ে দিও
বিদায়ের সাজানো কফিনে ।

রচনাকাল :২৭/৪/২০২৬

নানান আনন্দ ও আয়োজনে বর্ষবিদায় জানিয়ে নতুন বর্ষবরণে আন্তর্জাতিক বিশ্বতান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের চৈত্র সংক্রান্তি ১৪৩৩।বর্ষবিদায়ের মধ্যে দিয়ে বর্ষবরণের আয়োজন। চৈত্র সংক্রান্তি ১৪৩৩, ১৩ ও ১৪ এপ্রিল ২০২৬ উৎযাপিত হলো বাঙালির প্রাণের উৎসব নববর্ষ। এই উৎসবের আমেজ অন্যান্য উৎসবের তুলনায় ভিন্ন যা প্রত্যেক বাঙালির বাঙালী মনোভাবকে ফুটিয়ে তুলে।নানান রকম আয়োজনের মধ্যে দিয়ে প্রতিবারের ন্যায় এইবার ও চট্টগ্রাম শিল্পকলা একাডেমী, সি আর বি শিরীষ তলা, চন্দনাইশ,এপেক্স ক্লাব,বন্ধুই শক্তি ক্লাব -২০০০ চট্রগ্রাম থিয়েটার প্রাঙ্গণে তাদের বর্ষবিদায়ের সর্বকালের সবচেয়ে বেশি উৎসব পালন করেছেন আন্তর্জাতিক বিশ্বতান এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি নরেন সাহার নেতৃত্বে আন্তর্জাতিক বিশ্বতান টীম।

নাচ, গান, আবৃত্তি ও অভিনয় সব কিছু মিলিয়ে আন্তর্জাতিক বিশ্বতানের শিল্পীরা ফুটিয়ে তুলেছিলেন ও সাজিয়েছিলেন উৎসবটিকে।নৃত্য পরিচালনায় ছিলো হৃদিতা দাশ পূজা ও সংগীত লিড এ ছিলেন অনিক দাশ। এ সময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিভিন্ন সংগঠনের সদস্যগণ।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ