আজঃ রবিবার ২৮ জুন, ২০২৬

বদিউল আলম স্মৃতি বিদ্যাপীঠ স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার

কক্সবাজার প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রামু গর্জনিয়ার পূর্ব জুমছড়ি বদিউল আলম স্মৃতি বিদ্যাপীঠ স্কুলের প্রতিষ্ঠাতা আবুল কাসেম ও প্রধান শিক্ষক আজিজ মওলার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র মূলক অপপ্রচার ও হয়রানিমূলক কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছেন অত্র বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও স্বজন’রা।
গতকাল বুধবার (৬ নভেম্বর) বেলা ১১ টার সময় অত্র
বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে মানববন্ধন করেন তারা। শিক্ষার্থীরা বলেন, কয়েকজন ব্যক্তি উদ্দেশ্যমূলক ভাবে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা ও আমাদের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে বিদ্যালয়ের সম্মান ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে অপপ্রচারকারীদের শাস্তি দাবি করেন তারা।

বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকরা জানান, “বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা আবুল কাসেম তার পিতার নামে এই বিদ্যালয়টি স্থাপন করাতে কিছু কুচক্রী মহল তা সহ্য করতে পারছেন না। প্রতিষ্ঠাতা তার পৈতৃক সম্পত্তিতে বিদ্যালয়টি নির্মাণ করেন। যাতে এই গর্জনিয়ার পূর্ব জুমছড়ির ছেলেমেয়েরা শিক্ষার আলো থেকে বঞ্চিত না হয়। অন্য বিদ্যালয় গুলো এখান থেকে একটু দূরে হওয়ায় এই বিদ্যালয়টি স্থাপন করেন আবুল কাসেম। তিনি তার পিতার নামানুসারে এই বিদ্যালয়ের নাম রাখেন। এটি নিয়েই মূলত একটি মহলের সাথে বেশকিছুদিন ধরে বিরোধ চলে আসছিলো।

স্বজন’রা জানান, গত মঙ্গলবার (০৫ নভেম্বর) মো: আয়ুব, কুতুব উদ্দিন, জিয়াউর রহমান,
জয়নাল আবেদীন, আবুল কাসেম, সৈয়দ নজরুল ইসলাম, মো: জুনায়েদ, হাসান,মোহাম্মদ আলী ও তার সহযোগীরা বিদ্যালয়ের মান ক্ষুন্ন করার জন্য আবুল কাসেম ও আজিজ মওলার বিরুদ্ধে একটি ষড়যন্ত্রমূলক মানববন্ধন করে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানায়। সাথে সাথে এ অপপ্রচারের সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানাচ্ছি।

আবু তাহের নামে এক স্থানীয় জানান, “মেম্বার কাশেম তাদের মানববন্ধনে বলেন আমার জায়গা জমি দখল করে আজিজ মওলা বিদ্যালয় নির্মাণ করেছেন। আসলে আমার জায়গা কেউ দখল করেনি। আমার খতিয়ানভুক্ত জায়গা আমার ভোগ দখলেই আছে।”

এনিয়ে গর্জনিয়া ২ নং ওয়ার্ডের মেম্বার আবুল কাসেমে’র সাথে একাধিক বার মুঠোফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে ফোন রিসিভ না করায় বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জাফর উল্লাহ খান’র মৃত্যুতে চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের শোক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

হালিশহর থানা যুবদলের সাবেক সদস্য সচিব হাবিবুল্লাহ খান রাজু’র পিতা জাফর উল্লাহ খান চিকিৎসাধীন অবস্থায় অদ্য ২৭ জুন শনিবার বিকাল ৩.৩০ মিনিটে চট্টগ্রামের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেছেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী, তিন ছেলে ও দুই মেয়ে সহ আত্মীয় স্বজন রেখে গেছেন।

জাফর উল্লাহ খানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহ-সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সভাপতি মোশাররফ হোসেন দীপ্তি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাবেক সহ-সভাপতি ও চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ শাহেদ। এক শোক বার্তায় নেতৃদ্বয় বলেন, জাফর উল্লাহ খানের মৃত্যুতে আমরা একজন নিবেদিত প্রাণ, সৎ ও মানবিক ব্যক্তিত্বকে হারালাম।

ব্যক্তি জীবনে তাঁর অবদান, সততা ও সমাজকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড সর্বদা স্মরণীয় হয়ে থাকবে। উনার প্রয়াণে যে শূন্যতার সৃষ্টি হয়েছে, তা সহজে পূরণ হওয়ার নয়। মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফিরাত ও শান্তি কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা ও আন্তরিক সহানুভূতি প্রকাশ করছি। মহান আল্লাহ তাআলা উনাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করুন এবং পরিবারকে এই শোক সইবার শক্তি দান করুন – আমিন।

বোয়ালখালীতে গৃহবধূর মরদেহ উদ্ধার

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীতে রুমা আক্তার সীমা (২৬) নামের এক গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার (২৬ জুন) দিবাগত রাত ১১টায় উপজেলার কধুরখীল শরীফপাড়ার আলী চান তালুকদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত সীমা শরীফপাড়ার প্রবাসী জানে আলমের স্ত্রী। তাদের সংসারের ৭ বছর বয়সী ১ ছেলে ও ২ বছর বয়সী ১ মেয়ে রয়েছে। নিহতের ভাই সাকিব জানান, তার বোনের স্বামী প্রবাসে রয়েছেন। শ্বশুর আগের স্ত্রী মারা যাওয়া দ্বিতীয় বিবাহ করেছেন। দুইজনে মিলে সীমাকে মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছিলো।

বোয়ালখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে গৃহবধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যপারে অপমৃত্যু মামলা দায়ের হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ