আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

রূপগঞ্জে খাল দখল করে বাড়ি নির্মাণ

মাহাবুবুর রহমান রনি,  রূপগঞ্জ (নারায়নগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নারায়নগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার সাওঘাট এলাকায় সরকারী খাল দখল করে বাড়ি নির্মানের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গ্রামের পানি নিস্কাশনের একমাত্র খালটি ভরাট করে একের পর এক বাড়ি নির্মাণের প্রতিযোগীতায় নেমেছে স্থানীয় দখলদাররা। ছাত্রদল ও যুবদল নেতাদের মোটা অংকের টাকা দিয়ে সরকারী খালের উপর বাড়ি নির্মাণ করছে বলে জানান এলাকাবাসী। এতে এলাকার পানি নিস্কাশন না হওয়ায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। এতে শতশত পরিবার পানি বন্দি হওয়ার আশংকা রয়েছে। এলাকাবাসী জানায়, শত বছরের এ খালটি আগে আরও প্রশস্ত ছিল। দিনদিন এটি ভরাট হয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি আব্দুর রাজ্জাক ও জালাল মিয়া খালের উপর বালু ভরাট কওে বহুতল ভবন নির্মান করে। এতে খালটি বন্ধ হয়ে যায়। সাওঘাট গ্রামের পানি এ খাল দিয়েই টাটকী খালে এসে পরে। আবার বর্ষাকালে এ খাল দিয়ে পানি বিলে আসা যাওয়া করে। এ খালটি বন্ধ হয়ে গেলে গ্রামের প্রায় ১ হাজার পরিবার পানি বন্দিহয়ে পড়বে। পানি নিস্কাশন না হলে এক সপ্তাহের মধ্যে পুরু এলাকা পানিতে নিমজ্জিত হবে। ময়লা পানি ঘরে ঢুকে যাবে। এ গ্রামের অধিকাংশ মানুষ বাড়ি ভাড়ার উপর নির্ভরশীল। এখন খালটি ভরাট করে ফেলছে অনেকে। এতে করে পানি বন্ধ হয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হবে পাশাপাশি পরিবেশেরও ব্যাপক ক্ষতি হবে। এ ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী। গোলাকান্দাইল ইউনিয়র বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা ভুইয়া জানান, রূপগঞ্জের মাটি ও মানুষের নেতা বিএনপির নির্বাহী কমিটির সহ অর্থ-বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান ভুইয়ার নির্দেশ রূপগঞ্জের সরকারী খাল দখল মুক্ত করতে হবে। আমার নেতার নির্দেশ মতে এ খালটিও দখল মুক্ত করতে আমরা সব রকম সহায়তা করব। বিএনপি নেতা নুরুজ্জামান রাজা ও নাজমুল হাসান জানান, শত বছরের এ খালটি সারা গ্রামের পানি নিস্কাশনের জন্য ব্যবহৃত হয়। সরকারী খালের উপর এভাবে বাড়ি নির্মান দুঃখজনক। উপজেলা প্রশাসনকে অনুরোধ করব অতি শীঘ্রই যেন এ খালটি দখল মুক্ত করা হয়।স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জাকির হোসেন বলেন, এ খালটি উদ্ধার না হলে আমরা এলাকাবাসী কঠোর কর্মসূচী দিতে বাধ্য থাকব। এ বিষয়ে রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুল ইসলাম জানান, রূপগঞ্জে সরকারী খাল বা জমি উদ্ধারে অভিযান চলছে। এ খালটিও আমরা উদ্ধার করতে অভিযান পরিচালনা করব। সরকারী খাল ভরাটকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

বোয়ালখালীতে বসতঘর চুরি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীর বসতঘরে ভেন্টিলেটর ভেঙে নিয়ে গেছে নগদ টাকাসহ স্বর্ণালংকার। উপজেলার পোপাদিয়ার আকুবদন্ডী মিনা গাজী মাজার এলাকার প্রবাসী জয়নাল মাস্টারের ঘরে এ ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) সকালে পরিবারের সদস্যরা নগরী থেকে বাড়িতে এসে এ ঘটনা জানতে পারেন।

পরিবারের সদস্য প্রবাসী মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন মানিক জানান, তার বড় ভাই জয়নাল মাস্টার গত সপ্তাহে পরিবার নিয়ে নগরের হালিশহরে মেয়ের বাসায় বেড়াতে গিয়েছিলেন। তিনি বলেন, সেমি-পাকা ঘরের ভেন্টিলেটর ভেঙে চোরের দল প্রবেশ করেছে। তারা আলমারি ভেঙে প্রায় ২ ভরি স্বর্ণের গয়না ও নগদ ৫০ হাজার টাকা নিয়ে গেছে এবং ঘরের সমস্ত জিনিসপত্র এলোমেলো করে রেখেছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য মোহাম্মদ মামুন বলেন, ‘জয়নাল মাস্টার ঘরে না থাকার সুবাদে চোরের দল এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ করার জন্য ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যদের বলা হয়েছে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ