আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

রূপগঞ্জে খাল দখল করে বাড়ি নির্মাণ

মাহাবুবুর রহমান রনি,  রূপগঞ্জ (নারায়নগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নারায়নগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার সাওঘাট এলাকায় সরকারী খাল দখল করে বাড়ি নির্মানের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গ্রামের পানি নিস্কাশনের একমাত্র খালটি ভরাট করে একের পর এক বাড়ি নির্মাণের প্রতিযোগীতায় নেমেছে স্থানীয় দখলদাররা। ছাত্রদল ও যুবদল নেতাদের মোটা অংকের টাকা দিয়ে সরকারী খালের উপর বাড়ি নির্মাণ করছে বলে জানান এলাকাবাসী। এতে এলাকার পানি নিস্কাশন না হওয়ায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। এতে শতশত পরিবার পানি বন্দি হওয়ার আশংকা রয়েছে। এলাকাবাসী জানায়, শত বছরের এ খালটি আগে আরও প্রশস্ত ছিল। দিনদিন এটি ভরাট হয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি আব্দুর রাজ্জাক ও জালাল মিয়া খালের উপর বালু ভরাট কওে বহুতল ভবন নির্মান করে। এতে খালটি বন্ধ হয়ে যায়। সাওঘাট গ্রামের পানি এ খাল দিয়েই টাটকী খালে এসে পরে। আবার বর্ষাকালে এ খাল দিয়ে পানি বিলে আসা যাওয়া করে। এ খালটি বন্ধ হয়ে গেলে গ্রামের প্রায় ১ হাজার পরিবার পানি বন্দিহয়ে পড়বে। পানি নিস্কাশন না হলে এক সপ্তাহের মধ্যে পুরু এলাকা পানিতে নিমজ্জিত হবে। ময়লা পানি ঘরে ঢুকে যাবে। এ গ্রামের অধিকাংশ মানুষ বাড়ি ভাড়ার উপর নির্ভরশীল। এখন খালটি ভরাট করে ফেলছে অনেকে। এতে করে পানি বন্ধ হয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হবে পাশাপাশি পরিবেশেরও ব্যাপক ক্ষতি হবে। এ ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী। গোলাকান্দাইল ইউনিয়র বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা ভুইয়া জানান, রূপগঞ্জের মাটি ও মানুষের নেতা বিএনপির নির্বাহী কমিটির সহ অর্থ-বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান ভুইয়ার নির্দেশ রূপগঞ্জের সরকারী খাল দখল মুক্ত করতে হবে। আমার নেতার নির্দেশ মতে এ খালটিও দখল মুক্ত করতে আমরা সব রকম সহায়তা করব। বিএনপি নেতা নুরুজ্জামান রাজা ও নাজমুল হাসান জানান, শত বছরের এ খালটি সারা গ্রামের পানি নিস্কাশনের জন্য ব্যবহৃত হয়। সরকারী খালের উপর এভাবে বাড়ি নির্মান দুঃখজনক। উপজেলা প্রশাসনকে অনুরোধ করব অতি শীঘ্রই যেন এ খালটি দখল মুক্ত করা হয়।স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জাকির হোসেন বলেন, এ খালটি উদ্ধার না হলে আমরা এলাকাবাসী কঠোর কর্মসূচী দিতে বাধ্য থাকব। এ বিষয়ে রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুল ইসলাম জানান, রূপগঞ্জে সরকারী খাল বা জমি উদ্ধারে অভিযান চলছে। এ খালটিও আমরা উদ্ধার করতে অভিযান পরিচালনা করব। সরকারী খাল ভরাটকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় বাল্কহেড থেকে সাড়ে ৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ গ্রেফদার-৫।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: চট্টগ্রাম মহানগরীর পতেঙ্গা থানার ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা মূল্যের ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭। বৃহস্পতিবার সকাল আনুমানিক ১০টা ২০ মিনিটে কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, চট্টগ্রামের বাকলিয়া এলাকার মো. ইমরান (২১), আনোয়ারার পূর্ব গহিরা এলাকার মো. আনিস (২৯), ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ভাঙ্গারা এলাকার মো. মনির হোসেন (৪৫), আনোয়ারার করুশকুল এলাকার মো. আলী (৪৭) এবং লক্ষীপুরের রামগতি উপজেলার চর কলাকুপা এলাকার মো. রুবেল (২৭)।
র‌্যাব সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে তারা জানতে পারে যে কয়েকজন মাদক কারবারি মিয়ানমার থেকে সমুদ্রপথে একটি বাল্কহেডে করে বিপুল পরিমাণ ইয়াবা চট্টগ্রাম মহানগরীতে নিয়ে আসছে। খবর পেয়ে র‌্যাব-৭ এর একটি আভিযানিক দল বাল্কহেডটির পিছু নেয়।

এক পর্যায়ে বাল্কহেডটি ১৫ নম্বর ঘাটে নোঙর করে কয়েকজন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে র‌্যাব সদস্যরা তাদের ধাওয়া করে আটক করেন। পরে বাল্কহেডে তল্লাশি চালিয়ে ইঞ্জিন রুমে রাখা দুটি প্লাস্টিকের ড্রাম থেকে ১ লাখ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫ কোটি ৫০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে র‌্যাব।

র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) সহকারী পুলিশ সুপার এ. আর. এম. মোজাফ্ফর হোসেন জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের লাশ মিলল ডোবায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে নিখোঁজ গাড়ি চালকের
লাশ মিলল ডোবায়
ছবি-৭
চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম মহানগরের বন্দর থানা এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম (৪৬) নামে এক ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিহত মঞ্জুর আলম ৩৮ নম্বর ওয়ার্ডের কলসিদিঘির পাড় আলী মিয়া চেরাগের বাড়ির বাদশা মিয়ার ছেলে। তিন গাড়িচালক ছিলেন। বুধবার সকাল ১১টায় কলসিদিঘির পাড় থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।নিহতের শ্যালক মো. হাসান বলেন, গত ৬ মার্চ থেকে আমার দুলাভাই নিখোঁজ ছিলেন। এ ঘটনায় আমরা থানায় জিডিও করেছিলাম। আমার দুলাভাইকে কেউ পরিকল্পিতভাবে কেউ মেরে ফেলে চলে গেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বন্দর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) তোফাজ্জল হোসাইন বলেন, কলসিদিঘির পাড় এলাকার একটি ডোবা থেকে মঞ্জুর আলম নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, গত শুক্রবারে তার মৃত্যু হয়েছে। তিনি মাদকাসক্ত ছিলেন বলে জানতে পেরেছি। লাশ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে কাজ চলছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ