রূপগঞ্জে খাল দখল করে বাড়ি নির্মাণ

মাহাবুবুর রহমান রনি,  রূপগঞ্জ (নারায়নগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নারায়নগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার সাওঘাট এলাকায় সরকারী খাল দখল করে বাড়ি নির্মানের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গ্রামের পানি নিস্কাশনের একমাত্র খালটি ভরাট করে একের পর এক বাড়ি নির্মাণের প্রতিযোগীতায় নেমেছে স্থানীয় দখলদাররা। ছাত্রদল ও যুবদল নেতাদের মোটা অংকের টাকা দিয়ে সরকারী খালের উপর বাড়ি নির্মাণ করছে বলে জানান এলাকাবাসী। এতে এলাকার পানি নিস্কাশন না হওয়ায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হচ্ছে। এতে শতশত পরিবার পানি বন্দি হওয়ার আশংকা রয়েছে। এলাকাবাসী জানায়, শত বছরের এ খালটি আগে আরও প্রশস্ত ছিল। দিনদিন এটি ভরাট হয়ে যাচ্ছে। সম্প্রতি আব্দুর রাজ্জাক ও জালাল মিয়া খালের উপর বালু ভরাট কওে বহুতল ভবন নির্মান করে। এতে খালটি বন্ধ হয়ে যায়। সাওঘাট গ্রামের পানি এ খাল দিয়েই টাটকী খালে এসে পরে। আবার বর্ষাকালে এ খাল দিয়ে পানি বিলে আসা যাওয়া করে। এ খালটি বন্ধ হয়ে গেলে গ্রামের প্রায় ১ হাজার পরিবার পানি বন্দিহয়ে পড়বে। পানি নিস্কাশন না হলে এক সপ্তাহের মধ্যে পুরু এলাকা পানিতে নিমজ্জিত হবে। ময়লা পানি ঘরে ঢুকে যাবে। এ গ্রামের অধিকাংশ মানুষ বাড়ি ভাড়ার উপর নির্ভরশীল। এখন খালটি ভরাট করে ফেলছে অনেকে। এতে করে পানি বন্ধ হয়ে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হবে পাশাপাশি পরিবেশেরও ব্যাপক ক্ষতি হবে। এ ব্যাপারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন এলাকাবাসী। গোলাকান্দাইল ইউনিয়র বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক মোস্তফা ভুইয়া জানান, রূপগঞ্জের মাটি ও মানুষের নেতা বিএনপির নির্বাহী কমিটির সহ অর্থ-বিষয়ক সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান ভুইয়ার নির্দেশ রূপগঞ্জের সরকারী খাল দখল মুক্ত করতে হবে। আমার নেতার নির্দেশ মতে এ খালটিও দখল মুক্ত করতে আমরা সব রকম সহায়তা করব। বিএনপি নেতা নুরুজ্জামান রাজা ও নাজমুল হাসান জানান, শত বছরের এ খালটি সারা গ্রামের পানি নিস্কাশনের জন্য ব্যবহৃত হয়। সরকারী খালের উপর এভাবে বাড়ি নির্মান দুঃখজনক। উপজেলা প্রশাসনকে অনুরোধ করব অতি শীঘ্রই যেন এ খালটি দখল মুক্ত করা হয়।স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা জাকির হোসেন বলেন, এ খালটি উদ্ধার না হলে আমরা এলাকাবাসী কঠোর কর্মসূচী দিতে বাধ্য থাকব। এ বিষয়ে রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার সাইফুল ইসলাম জানান, রূপগঞ্জে সরকারী খাল বা জমি উদ্ধারে অভিযান চলছে। এ খালটিও আমরা উদ্ধার করতে অভিযান পরিচালনা করব। সরকারী খাল ভরাটকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কাঁচপুরে ভাঙারি ব্যবসায়ী আইয়ুব আলী হত্যা: ২৪ ঘণ্টায় রহস্য উদঘাটন, আসামির স্বীকারোক্তি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুরে লোমহর্ষক ভাঙারি ব্যবসায়ী আইয়ুব আলী হত্যা মামলার মূল রহস্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই উদঘাটন করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃত দুই আসামির মধ্যে শাহিনুর ইসলাম আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

​গত বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে কাঁচপুর সোনাপুর এলাকার পরিত্যক্ত জালালাবাদ ওষুধ কারখানার পেছনের ডোবা থেকে হাত-পা বাঁধা বস্তাবন্দী অবস্থায় আইয়ুব আলীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহতের স্ত্রী মোসাঃ মাহফুজা আক্তার বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন নারায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার মোঃ হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (‘খ’ সার্কেল) দিপংকর ঘোষের নেতৃত্বে সোনারগাঁ থানা পুলিশের একটি চৌকস দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই

ঘটনার মূল রহস্য উন্মোচন করে। ​পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পূর্বপরিকল্পনার অংশ হিসেবে ১০টি ইয়াবা ট্যাবলেট ও টাকার লোভ দেখিয়ে সহযোগী শাহীনের মাধ্যমে আইয়ুব আলীকে ভাঙারি দোকানে ডেকে আনা হয়। এরপর অত্যন্ত সুকৌশলে তাকে হত্যা করা হয়। এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও কয়েকজন জড়িত রয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। ​গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হল
​১. শাহিনুর ইসলাম (৩০): পিতা- মানিক মিয়া, সাং- মাস্টারপাড়া, থানা- নাগেশ্বরী, জেলা- কুড়িগ্রাম; বর্তমান ঠিকানা- কাঁচপুর উত্তরপাড়া (আলতু মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া)। তিনি আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

জামির হোসেন (৫৭): পিতা- মৃত ছাহাদ আলী, সাং- কাঁচপুর উত্তরপাড়া, সোনারগাঁ, নারায়ণগঞ্জ।​পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপ ​সোনারগাঁ থানা পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বাকি পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার এবং ঘটনায় ব্যবহৃত আলামত উদ্ধারে তাদের সাঁড়াশি অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। অপরাধমূলক এই ঘটনার নেপথ্যে থাকা অন্যান্য জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় আনতে পুলিশের অভিযান চলমান রয়েছে। ​

মানবতাবিরোধী অপরাধে কাদের-আরাফাত -সাদ্দামসহ ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনানসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।

একই রায়ে আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ ও সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিলকেও মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাত আসামিই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন।

মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর সোয়া ১২টার দিকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় ঘোষণা করেন। প্যানেলের অন্য দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।

প্রসিকিউশন সূত্রে জানা যায়, এ মামলার তদন্ত শুরু হয় ২০২৫ সালের ১৮ জুন। তদন্ত শেষে একই বছরের ৭ ডিসেম্বর চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে প্রতিবেদন জমা দেন তদন্ত কর্মকর্তারা। যাচাই-বাছাই শেষে ১৮ ডিসেম্বর ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করা হয়। একই দিন অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল-২।

আলোচিত খবর

জাতীয় স্মৃতিসৌধে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

আজ শনিবার (২২ আগস্ট) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এরপর তিনি শহীদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন।শ্রদ্ধা নিবেদনের সময় তিন বাহিনীর একটি চৌকস দল ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতিকে ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন বিউগলে করুণ সুর বেজে ওঠে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ