আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

অসাধু ব্যবসায়ীরা ৬০০ জাহাজ কেটে ফেলেছে

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

বেকার হয়েছে ৮ হাজার শ্রমিক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ লাইটারেজ শ্রমিক ইউনিয়ন এর বাংলাবাজারস্থ অফিস কার্যালয়ে নৌ-যান শ্রমিকদের প্রতিবাদ সভা অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার উক্ত সভায় সংগঠনের সভাপতি মোঃ মিজানুর রহমান সভাপতিত্ব করেন। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ লাইটারেজ শ্রমিক ইউনিয়নের উপদেষ্টা হাজী শেখ মোঃ ইছামিয়া ও প্রধান বক্তা ছিলেন সংগঠনের সহ সাধারণ সম্পাদক মোঃ জসিম উদ্দিন (মাষ্টার)। সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ লাইটারেজ শ্রমিক ইউনিয়নের সহ সভাপতি মোঃ তালিম উল্লাহ ফকির (ড্রাইভার) ও মোঃ জাহাঙ্গীর আলম (মাষ্টার), সাংগঠনিক সম্পদক মোঃ শফিকুল ইসলাম (মাষ্টার), অর্থ সম্পাদক মোঃ আব্দুল আউয়াল আব্দুলাহ (ড্রাইভার), কার্যনির্বাহী সদস্য মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, মোঃ শাহাজাহান (মাষ্টার), আরো বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ নৌ-যান শ্রমিক ফেডারেশন এর কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি মোঃ খোরশেদ আলম ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সভাপতি মোহাম্মদ আলী (মাষ্টার) ও প্রচার সম্পাদক এম,এ রহমান (মাষ্টার) সহ আরো অনেকে।
সভায় বক্তারা বলেন, চট্টগ্রাম বহিঃনোঙ্গর থেকে চলাচলকারী লাইটার জাহাজ সমূহ জাহাজ মালিকদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত ওয়াটার ট্রান্সর্পোট সেল এর ছাড়পত্রের মাধ্যমে সিরিয়ালে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে পণ্য পরিবহন করে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছে দিত। সেই সাথে জাহাজ ব্যবসা উন্নতি সহ শ্রমিকদের বেকারত্বের হারও হ্রাস পেয়েছিল। বর্তমানে কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা এই নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে যেমন শিল্প ধ্বংস করছে তেমনি অনেক শ্রমিকও বেকার হচ্ছে। এ সমস্ত অসাধু ব্যবসায়ীদের কারণে এ পর্যন্ত প্রায় ৬০০ জাহাজ কেটে ফেলা হয়েছে। এতগুলো জাহাজ কেটে ফেলায় প্রায় ৮ হাজার শ্রমিক বেকার হয়েছে। এভাবে চলতে থাকলে মালিকরা ব্যবসা করতে না পারায় জাহাজ কেটে ফেললে আর কিছু মাসের মধ্য আরো ৮/১০হাজার শ্রমিক বেকার হবে। এই সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারিকৃত পণ্য পরিবহন নীতিমাল-২৪ ঘোষণা করা হলে বাংলাদেশ ওয়াটার ট্রান্সপোর্ট কো-অর্ডিনেশন সেল গঠন করে পুনরায় জাহাজ সমূহ সিরিয়ালে চলাচল শুরু হয়। এতে নৌ-শিল্পের মালিকেরা একটু সস্তির নিঃশ্বাস ফেলে এবং শ্রমিকদের চাকুরি হারানোর আশংকা কমে যায়। এমতাবস্থায় বাংলাদেশের সর্বোচ্চ আদালত গত ১৯ নভেম্বর উক্ত পণ্য পরিবহন নীতিমালা-২৪ ছয় মাসের জন্য স্থগিত করায় নৌ-শিল্পের মালিক ও শ্রমিকদের মধ্যে চরম হতাশা নেমে আশে। এতে শিল্প ধ্বংস হওয়ার যেমন সম্ভাবনা রয়েছে তেমনি শ্রমিকদের বেকারত্ব বৃদ্ধি পাবে। উচ্চ আদালতের এই আদেশ প্রত্যাহার না করা হলে শ্রমিকদের মধ্যে অসন্তোষ সৃষ্টি হয়ে শিল্প অচল হতে পারে এবং দেশে সংকট দেখা দিতে পারে। এই অব¯’া থেকে উত্তরণের জন্য সরকারের প্রতি বক্তারা জোর দাবী জানান। অন্যথায় যেকোন মূহুর্তে চট্টগ্রাম বন্দর থেকে লাইটার জাহাজ চলাচল বন্ধ হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিতে পারে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ