আজঃ বৃহস্পতিবার ১৮ জুন, ২০২৬

সাবেক কাউন্সিলর আলহাজ শেখ এর ভাতিজার বিরুদ্ধে বাড়ী নির্মাণ কাজে বাধা প্রদানের অভিযোগে সাংবাদিক সম্মেলন

বগুড়া সংবাদদাতা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বগুড়া পৌরসভার সাবেক কাউন্সিলর আলহাজ শেখ এর ভাতিজা সুমনের বিরুদ্ধে বসতবাড়ী নির্মাণ কাজে বাধা প্রদানের অভিযোগে সাংবাদিক সম্মেলন করেছেন বগুড়া শহরের সুত্রাপুর ঈদগাহ লেনের বাসিন্দা মোঃ মোখলেছার রহমান (স্বপন)। লিখিত বক্তব্যে বলেন, “আমার পৈত্রিক টিনশেট বাড়ি জরাজীর্ণ হওয়ায় ০২.৭৫ শতক সম্পত্তিতে বিল্ডিং বাড়ি করার জন্য পৌরসভা, হইতে ৫ম তলা বিল্ডিং এর নকশা অনুমোদন করি। স্বানীয় কমিশনারের অনুমতি ক্রমে ০৩.০৫-২০২৩ ইং তারিখে আমার পুরাতন টিনশেট বাড়ি ভাঙ্গিয়া ১৫-০৭-২০২৩ ইং তারিখে বেলা আনুমানিক ১১:০০ ঘটিকায় নতুন করিয়া বিল্ডিং নির্মাণ শুরু করিলে (আলহাজ্ব এর ভাতিজা) সুমনের নির্দেশে আসামীরা আমার বাড়িতে আসিয়া নির্মাণ কাজে বাধা প্রদান করিয়া আমার নিয়োজিত মিস্ত্রিদের অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে বাহির করিয়া দিয়ে আমার কাছে ১০,০০০০/- (দশ লক্ষ) টাকা চাঁদা দাবি করে। তারা সবাই যুবলীগের ও আওয়ামীলীগের সন্ত্রাসী বাহিনী। উক্ত সময়ে আসামীদের রাজনৈতিক দাপটে ও ভয়ে আমি নির্মাণ কাজ বন্ধ রাখি। আমার বিবাহ যোয্যে দুই মেয়ে, দুই ছেলে নিয়ে দারে দারে ঘুরছি। স্থানীয় ভাবে গ্রাম্য সালিশে সমাধান করার চেষ্টা করেছি। কিন্তু গ্রাম্য শালিস সে মানে না। গ্রাম্য সালিশে ১ শতক জায়গা দাবি করে কিন্তু তাহারা দলিল আজ পর্যন্ত দেখাতে পারেনি অথচ আমার ১ শতক জায়গা ইতিপূর্বে দখল করে সাভিসিং সেন্টার দিয়েছে। এরপর আমাদের পুরাতন বাড়ী অবশিষ্ট জায়গা ২.৭৫ শতক দখল করার চেষ্টা করিতেছে। এই নিয়ে প্রথমে সেনা ক্যাম্প এর মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেছি এবং জেলা প্রশাসক থানা ও ফাঁড়ি এবং র‌্যাব অফিসে অভিযোগ দিয়েও সমস্যা সমাধান করতে পারিনি। আমার ছোট ভাই ইনসান আলী, মুদি খানার দোকান দখল করার চেষ্টা করিতেছে। এখন দেশের প্রেক্ষাপট পরিবর্তন হওয়ায় আমি আবার নির্মাণ কাজ ২য় বারের মত শুরু করিলে ইং ১৮-১১-২৪ তারিখে বেলা আনুমানিক ১২:০০ ঘটিকায় আলহাজ্ব বাহিনী সেকেন্ড কমান্ড মো: সুমন শেখ মোবাইল মারফতে আমাকে ডেকে নিয়ে এসে আসামীগন ১। মো: সুমন শেখ (৩৫) ২। মো: জাকির হোসেন (৪০) পিতা মৃত মো: ফেরদৌস আলম সহ অজ্ঞাত রতন, স্বপন, বাপ্পি মো: পাপ্পু, মো: সাব্বির, মে: সেলিম, পিতা-আনসার আলী, সাং-মালগ্রাম, বগুড়া সদর, বগুড়া সহ আরও অন্যান্য ৭/৮ ব্যক্তিবর্গ। আমাদের নির্মাণ কাজে বাধা দিয়ে পুনরায় আমার কাছে ১০ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করে ভয়-ভীতি দেখিয়ে জীবন নাশের হুমকি ধামকি দেয়। আসামীরা প্রকাশ্যে বলে বেড়াচ্ছে তাহাদের দাবিকৃত চাঁদার টাকা না দিলে আমাকে বিল্ডিং বাড়ি করতে দিবে না এবং আমি সেখানে নির্মাণ কাজ শুরু করলে আমার ছেলে এবং আমার ছোট ভাইকে খুন করার হুমকি ধামকি প্রদান করিতেছে। তফশিল সম্পত্তির বর্ণনা: বগুড়া সদর থানাধীন জেলা-বগুড়া, মৌজা-সুত্রাপুর, জেএল নং-৮২, খতিয়ান-৭৪২, ৩২৬, দাগ নং-১৮৯৮, ১৮৯৯ জমির পরিমান: ২.৭৫ শতক। আমি পারিবারিক ভাবে খুবই বিপদগ্রস্ত অবস্থায় আছি। এর পর আমার সমস্যা সমাধান না হলে এই জমির উপর আমার আত্মহত্যা ছাড়া আর কোন উপায় নাই। আপনারা জাতির বিবেক। আপনাদের প্রচার মাধ্যমে দেশ ও জাতির কাছে আমার ব্যাপারটি তুলে ধরার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ করছি এবং সন্ত্রাসী সুমন শেখসহ আসামীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য জোর দাবী জানাচ্ছি।”

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে আহত নিহতদের মাঝে চেক বিতরণ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁও জেলায় বিভিন্ন স্থানেসড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ নিহত ও আহত ৭ টি পরিবারের মাঝে চেক হস্তান্তর করা হয়েছে। বুধবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেল এর আয়োজনে এই চেক বিতরণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক গোলাম ফেরদৌস, ঠাকুরগাঁও বিআরটি এর সহকারী পরিচালক ইঞ্জি: মোহাম্মদ আলী আহসান মিলন, মোটরযান পরিদর্শক মাফুজ রানা, উচ্চমান সহকারী রুস্তম আলীসহ অন্যান্যরা।সেখানে সাতটি পরিবারের মাঝে ২১ লক্ষ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিজিবির পৃথক অভিযানে মাদক উদ্ধার, আটক- ২

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় পৃথক দুটি অভিযানে দুইজনকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় একটি ট্রাক, ২ হাজার ৮৫ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ, ৫৮৫ পিস ইয়াবা ও দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে। উদ্ধার করা মালামালের মোট আনুমানিক মূল্য প্রায় ৭০ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্ত এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)। পৃথক দুটি অভিযানে দুইজনকে আটক করার পাশাপাশি বিপুল পরিমাণ ভারতীয় নেশাজাতীয় সিরাপ, ইয়াবা, একটি ট্রাক ও দুটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে।

বিজিবি সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে ৫৯ বিজিবির ভারপ্রাপ্ত কোয়ার্টার মাস্টার এডি শেখ মনোয়ারুল ইসলামের নেতৃত্বে সোনামসজিদ বিওপির একটি টহল দল শিবগঞ্জ উপজেলার শাহাবাজপুর ইউনিয়নের বালিয়াদিঘী গ্রামের প্রাণিসম্পদ কোয়ারেন্টাইনের পাশের সড়কে অভিযান চালায়।

অভিযানের সময় ঢাকা মেট্রো-ট ২০-৯৯৯০ নম্বরের একটি ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে সাতটি প্লাস্টিকের বস্তায় রাখা ২ হাজার ৮৫ বোতল ভারতীয় নেশাজাতীয় ‘এসকাফ’ সিরাপ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ট্রাকচালক মো. রিয়াদ হোসেন (২০)কে আটক করা হয়েছে। তিনি কুমিল্লার লাকসাম উপজেলার পাশাপুর গ্রামের বাসিন্দা।এ সময় ট্রাকটির পাশাপাশি একটি মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়। উদ্ধার করা সিরাপ, ট্রাক ও মোবাইল ফোনের আনুমানিক মূল্য ৬৮ লাখ ৩৪ হাজার ৫০০ টাকা বলে জানিয়েছে বিজিবি।

অন্যদিকে একই দিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে চৌকা বিওপির নায়েক সুরজিত নাগের নেতৃত্বে একটি বিশেষ টহল দল শিবগঞ্জ উপজেলার বিনোদপুর ইউনিয়নের খাসেরহাট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় ৫৮৫ পিস ভারতীয় ইয়াবা ট্যাবলেট এবং একটি মোবাইল ফোনসহ মো. নাঈম ইসলাম (১৮) নামে এক যুবককে আটক করা হয়। তিনি শিবগঞ্জ উপজেলার জমিনপুর গ্রামের বাসিন্দা।উদ্ধার করা ইয়াবা ও মোবাইল ফোনের আনুমানিক মূল্য ২ লাখ ৫০০ টাকা।

বিজিবি জানিয়েছে, পৃথক দুটি অভিযানে জব্দ করা ট্রাক, নেশাজাতীয় সিরাপ, ইয়াবা ও মোবাইল ফোনের মোট সিজার মূল্য প্রায় ৭০ লাখ ৩৫ হাজার টাকা।
আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য শিবগঞ্জ থানায় হস্তান্তর প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি)-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, সীমান্ত এলাকায় চোরাচালান ও মাদক পাচার প্রতিরোধে বিজিবি জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ