আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

শহীদ জিয়ার ১৯ দফা কর্মসূচির আধুনিক সংস্করণ তারেক রহমানের ৩১ দফা রাষ্ট্র সংস্কার

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল চট্টগ্রাম উত্তর জেলার নেতা ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক ফোরাম জাতীয় নির্বাহী কমিটির সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম বলেছেন, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ১৯৭৫’র পটপরিবর্তনের পর বাংলাদেশকে তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে উত্তরণের জন্য ১৯ দফা কর্মসূচির ভিত্তিতে উৎপাদনমুখী রাজনীতির সুচনা করেছেন। একই ধারাবাহিকতায় ১৯৯১ সালে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের মাধ্যমে দেশে গণতান্ত্রিক পরিবেশ সৃষ্টি করেছিল। কিস্তু ২০০৮ সাল থেকে ২০২৪ আগস্টের ৫ তারিখ পর্যন্ত বাংলাদেশে একদলীয় শাসন ব্যবস্থার মাধ্যমে গণতান্ত্রিক পরিবেশকে সম্পূর্ণ বিনষ্ট করে লুটপাটের মাধ্যমে পার্শ্ববর্তী দেশের স্বার্থ সংরক্ষণে ফ্যাসিস্ট সরকার নিয়োজিত ছিল। ২০২৪’র আগষ্টে বাংলাদেশ দ্বিতীয় স্বাধীনতা অর্জন করেছে। কিন্তু ফ্যাসিস্ট সরকার এখনো পর্যন্ত ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আছে। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিএনপিকে তৃণমূল পর্যায়ে শক্তিশালী করার জন্য যে উদ্যোগ নিয়েছে, তার জন্য প্রবীণ বিএনপির নেতৃবৃন্দকে আন্তরিকতার সাথে দলকে সাধারণ মানুষের দৌড়গোড়ায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য এবং বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকারের সংস্কার কর্মকা-কে বেগবান করার মাধ্যমে দ্রুত নির্বাচন প্রত্যাশা করেন। প্রকৃত পক্ষে শহীদ জিয়ার ১৯ দফা কর্মসূচি, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ঘোষিত ভিশন ২০৩০ এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা কর্মসূচি স্বাধীন বাংলাদেশ রক্ষায় আগামীতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি গতকাল উত্তর হাটহাজারী এনায়েতপুরে প্রবীণ বিএনপির নেতৃবৃন্দের সাথে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এ কথা বলেন। মতবিনিময় সভায় বিভিন্ন দিক নিয়ে পর্যালোচনামূলক বক্তব্য রাখেন সভার সভাপতি সাবেক স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মোঃ ওবাইদুল আকবর, প্রবীন বিএনপি নেতা মোঃ সুলতানুল আলম চৌধুরী, মুহাম্মদ নুরুল আলম ছিদ্দিকী, মোঃ লোকমান, হাজী মোঃ আবুল বশর, মোঃ নুরুল ইসলাম, মুহাম্মদ আব্দুল মালেক, মুহাম্মদ আবু তাহের, মুহাম্মদ শফিউল্লাহ, মুহাম্মদ মহসিন, মোঃ জানে আলম প্রমুখ। বক্তাগণ আরও বলেন, অন্তবর্তীকালীন সরকারের দ্রুত কার্যক্রম শেষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি থেকে যাকে চট্টগ্রাম (হাটহাজারী)-৫ আসন সংসদীয় আসনে মনোনয়ন দিবেন তার জন্য সকলকে দল মত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধভাবে হাটহাজারীতে সর্বোচ্চ উন্নয়ন কর্মকা- সম্পন্ন করার জন্য নিরলসভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। সৈয়দ মোস্তফা আলম মাসুম আরও বলেন, শহীদ জিয়ার ১৯ দফা কর্মসূচি আধুনিক সংস্করণ তারেক রহমানের ৩১ দফা রাষ্ট্র সংস্কারের উদ্যোগ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ