আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

ওয়াসিম যায় কবরে, আমি যাই আইসিওতে

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বলছি জুলাইয়ের গল্প,১৫ ই জুলাই রাত ওয়াসিম ফোন দেয়,তখন ফোন দেয়, বলে ভাই আগামীকাল প্রোগ্রাম কয়টায়, সাধারণত সেই ফোন দিয়ে সালাম দেয় এবং নরম সুরে কথা বলে কিন্তু সেইদিন তার কথাগুলো রুক্ষভাষী, আমিও বললাম আগামীকাল প্রোগ্রাম বর্তমান ওয়াসিম আকরাম স্টেশন (ষোলশহর স্টেশন) দুপুর ২ টায়।ঠিক আছে ভাই, এরপরে ফোন রাখলো সালাম দিয়ে।পরের দিন সকাল ১০ টা থেকেই ষোলশহর ওয়াসিম আকরাম স্টেশন এ ছাত্রলীগ, যুবলীগের ক্যাডাররা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অবস্থান নেয় যেনো শিক্ষার্থীরা ১৬ ই জুলাইয়ের সমাবেশ না করতে পারে।

চট্টলার রাজপথে থমথমে অবস্থা, সাধারণ শিক্ষার্থীরাও রাজপথে নামার সব প্ল্যান করে, এরই মধ্যে ১ টা বেজে গেলো তখন সবাই সবাইর বাসা থেকে বের হলো এদিকে কিছুক্ষন পরে ওয়াসিম ফোন দিলো বললো ভাই ২ নং গেইট, ষোলশহর, মুরাদপুরে ছাত্রলীগ, যুবলীগের ক্যাডাররা অবস্থান করে রাখছে ছাত্ররা যেনো প্রোগ্রাম করতে না পারে এরই মধ্যে অনেক জায়গায় ছাত্রদের উপরে হামলা করতেছে।

রাসেল রাফি ঘোষণা দিলো আলোচনা করে বললো সবাই মুরাদপুরে আসুন। আমরাও সাহস বুকে রেখে সবাই মুরাদপুরে আসি এবং অবস্থান নি,যেদিকে ছাত্রদের পাচ্ছে সেখানেই হামলা করছে ক্যাডাররা।

এরই মধ্যে নোমান ভাই বলে উঠলো ফারুক ওয়াসিম নাই,মানে বুঝিনি এরই মধ্যে আমি ফোন দিচ্ছি ওয়াসিম কে ফোন ধরছেনা,এরই মধ্যে ডা: মেহেদী ভাইকে ফোন দিয়ে বলি ভাই ইমার্জেন্সি চট্টগ্রাম মেডিকেলে যান, ওয়াসিম কে নাকি মেরে ফেলছে সন্ত্রাসীরা, এরই মধ্যে ভাই গিয়ে নিশ্চিত করে ওয়াসিম নাই,তখন আকাশ ভেঙ্গে পড়লো, আমি কি করবো বুঝতে পারছিলামনা,তখন মাইকে এনাউন্স করি আমাদের সহযোদ্ধা ওয়াসিম আকরামকে হাসিনার বাহিনীরা মেরে ফেলছে এই বলে সবাইকে নিয়ে ষোলশহর অভিমুখে রওনা দি,ক্যাডার বাহিনি আমাদের ছাত্রদের দিকে তেড়ে আসে আমি সামনে চলে আসি রক্ত তখন কেমন করছিলো বুঝতে পারছিলামনা আমার ভাই নেই, এরই মধ্যে আমিও হাসিনার ক্যাডার বাহিনীর গুলি খেয়ে শুয়ে পড়ি তখন আবার গায়ে লাঠি সোঠা দিয়ে হামলা করে, কয়েকজন ভাই আমাকে ধরে হামজারবাগে একটা প্রাইভেট হসপিটালে নেয়, সেখানে রাখেনা এরপরে নিয়ে যায় এভারকেয়ারে তখন আর হুশ নেই, যখন হুশ আসে তখন দেখি আমার পাশে শরিফুল ইসলাম তুহিন, সাব্বির, জুয়েল, ইয়াছিন ভাই সহ আমার বাবা, কাকারা সবাই, সেখানেও আমাকে থাকতে দেয়নি পরে নিয়ে যায় চট্টগ্রাম নিউ লাইফ হসপিটালে পরবর্তীতে আমাকে যে দেখতে আসে শরিফুল ইসলাম তুহিন ভাই ১৭ জুলাই গ্রেফতার হয়,আমি আমার ভাই ওয়াসিমের লাশটাকেও দেখতে পারলাম না, এই দু:খ কাকে বলি কিভাবে বলি, এই দু:খ আমার আজীবন থেকে যাবে।মো: ওমর ফারুক সাগর সমন্বয়ক, চট্টগ্রাম জেলা।সদস্য সচিব, চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রদল।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ