আজঃ বুধবার ৬ মে, ২০২৬

ওয়াসিম যায় কবরে, আমি যাই আইসিওতে

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বলছি জুলাইয়ের গল্প,১৫ ই জুলাই রাত ওয়াসিম ফোন দেয়,তখন ফোন দেয়, বলে ভাই আগামীকাল প্রোগ্রাম কয়টায়, সাধারণত সেই ফোন দিয়ে সালাম দেয় এবং নরম সুরে কথা বলে কিন্তু সেইদিন তার কথাগুলো রুক্ষভাষী, আমিও বললাম আগামীকাল প্রোগ্রাম বর্তমান ওয়াসিম আকরাম স্টেশন (ষোলশহর স্টেশন) দুপুর ২ টায়।ঠিক আছে ভাই, এরপরে ফোন রাখলো সালাম দিয়ে।পরের দিন সকাল ১০ টা থেকেই ষোলশহর ওয়াসিম আকরাম স্টেশন এ ছাত্রলীগ, যুবলীগের ক্যাডাররা অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে অবস্থান নেয় যেনো শিক্ষার্থীরা ১৬ ই জুলাইয়ের সমাবেশ না করতে পারে।

চট্টলার রাজপথে থমথমে অবস্থা, সাধারণ শিক্ষার্থীরাও রাজপথে নামার সব প্ল্যান করে, এরই মধ্যে ১ টা বেজে গেলো তখন সবাই সবাইর বাসা থেকে বের হলো এদিকে কিছুক্ষন পরে ওয়াসিম ফোন দিলো বললো ভাই ২ নং গেইট, ষোলশহর, মুরাদপুরে ছাত্রলীগ, যুবলীগের ক্যাডাররা অবস্থান করে রাখছে ছাত্ররা যেনো প্রোগ্রাম করতে না পারে এরই মধ্যে অনেক জায়গায় ছাত্রদের উপরে হামলা করতেছে।

রাসেল রাফি ঘোষণা দিলো আলোচনা করে বললো সবাই মুরাদপুরে আসুন। আমরাও সাহস বুকে রেখে সবাই মুরাদপুরে আসি এবং অবস্থান নি,যেদিকে ছাত্রদের পাচ্ছে সেখানেই হামলা করছে ক্যাডাররা।

এরই মধ্যে নোমান ভাই বলে উঠলো ফারুক ওয়াসিম নাই,মানে বুঝিনি এরই মধ্যে আমি ফোন দিচ্ছি ওয়াসিম কে ফোন ধরছেনা,এরই মধ্যে ডা: মেহেদী ভাইকে ফোন দিয়ে বলি ভাই ইমার্জেন্সি চট্টগ্রাম মেডিকেলে যান, ওয়াসিম কে নাকি মেরে ফেলছে সন্ত্রাসীরা, এরই মধ্যে ভাই গিয়ে নিশ্চিত করে ওয়াসিম নাই,তখন আকাশ ভেঙ্গে পড়লো, আমি কি করবো বুঝতে পারছিলামনা,তখন মাইকে এনাউন্স করি আমাদের সহযোদ্ধা ওয়াসিম আকরামকে হাসিনার বাহিনীরা মেরে ফেলছে এই বলে সবাইকে নিয়ে ষোলশহর অভিমুখে রওনা দি,ক্যাডার বাহিনি আমাদের ছাত্রদের দিকে তেড়ে আসে আমি সামনে চলে আসি রক্ত তখন কেমন করছিলো বুঝতে পারছিলামনা আমার ভাই নেই, এরই মধ্যে আমিও হাসিনার ক্যাডার বাহিনীর গুলি খেয়ে শুয়ে পড়ি তখন আবার গায়ে লাঠি সোঠা দিয়ে হামলা করে, কয়েকজন ভাই আমাকে ধরে হামজারবাগে একটা প্রাইভেট হসপিটালে নেয়, সেখানে রাখেনা এরপরে নিয়ে যায় এভারকেয়ারে তখন আর হুশ নেই, যখন হুশ আসে তখন দেখি আমার পাশে শরিফুল ইসলাম তুহিন, সাব্বির, জুয়েল, ইয়াছিন ভাই সহ আমার বাবা, কাকারা সবাই, সেখানেও আমাকে থাকতে দেয়নি পরে নিয়ে যায় চট্টগ্রাম নিউ লাইফ হসপিটালে পরবর্তীতে আমাকে যে দেখতে আসে শরিফুল ইসলাম তুহিন ভাই ১৭ জুলাই গ্রেফতার হয়,আমি আমার ভাই ওয়াসিমের লাশটাকেও দেখতে পারলাম না, এই দু:খ কাকে বলি কিভাবে বলি, এই দু:খ আমার আজীবন থেকে যাবে।মো: ওমর ফারুক সাগর সমন্বয়ক, চট্টগ্রাম জেলা।সদস্য সচিব, চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রদল।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ব্লাড ব্যাংকের যাত্রা শুরু ৪৬ বছরে পা রাখলো মেডিকেল সেন্টার হাসপাতাল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মেডিকেল সেন্টার হাসপাতালের ৪৬ বছর পূর্তি উদযাপন উপলক্ষে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান ও ব্লাড ব্যাংকের উদ্বোধন একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতিত্ব করেন হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. মো মনিরুজ্জামান। এতে ডেঙ্গু রোগীদের ক্ষেত্রে রক্তের যথাযথ ব্যবহার বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক সেমিনারের আয়োজন করা হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম বিভাগের ডিভিশনাল ডিরেক্টর ডা. শেখ ফজলে রাব্বি। বিশেষ অতিথি ছিলেন অধ্যাপক ডা. মাসুদ আহমেদ, অধ্যাপক ডা. এ.এম. রায়হান উদ্দিন, অধ্যাপক ডা. হাফিজুল ইসলাম। হাসপাতালের জেনারেল ম্যানেজার মো.ইয়াছিন আরাফাতের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, সহযোগী অধ্যাপক ডা. জেবুন নেসা, সহযোগী অধ্যাপক ডা. মিজানুর রহমান (মিজান) এবং সহকারী অধ্যাপক ডা. আশরাফুল হক।

সেমিনারে বক্তারা ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসায় রক্ত ও রক্তজাত উপাদানের সঠিক ও প্রয়োজনীয় ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব প্রদান করেন। তারা বলেন, সঠিক সময়ে সঠিক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করা গেলে ডেঙ্গুজনিত জটিলতা অনেকাংশে কমানো সম্ভব। অনুষ্ঠানের মাধ্যমে হাসপাতালের সেবার মান উন্নয়ন ও আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার প্রসারে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন,মেডিকেল ডিরেক্টর ডা. তাহমিদ জুনায়েদ মাহমুদ, ডা. সাফওয়ান মাহমুদ, মার্কেটিং ম্যানেজার রতন কুমার নাথ, বিডিএম ম্যানেজার গোলাম রব্বানী, সার্ভিস ম্যানেজার লুৎফুর রহমান, আই টি ম্যানেজার মোঃ উছা, সহকারী ম্যানেজার মো. মিজানুর রহমানসহ হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসকবৃন্দ এবং অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে জব্দ ২৭ লাখ টাকার বিদেশি সিগারেট

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অভিযান চালিয়ে বিপুল সংখ্যক সিগারেটের চালান জব্দ করা হয়েছে। মাস্কাট থেকে আগত সালাম এয়ারের একটি ফ্লাইটের যাত্রী মো. শামসুদ্দিনের ব্যাগেজ তল্লাশি করে ২৮০ কার্টন সিগারেট উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে আন্তর্জাতিক আগমন হলের ১ নম্বর লাগেজ বেল্টে যাত্রীবিহীন অবস্থায় আরও ১ হাজার ৬৫ কার্টন সিগারেট ও একটি ল্যাপটপ পাওয়া যায়। রোববার দিবাগত রাতে বিমানবন্দরের আন্তর্জাতিক আগমন হলে এ অভিযান পরিচালিত হয়।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী ইব্রাহিম খলিল বলেন, জব্দ করা সিগারেট থেকে সম্ভাব্য রাজস্বের পরিমাণ প্রায় ২৭ লাখ ৩০ হাজার টাকা। উদ্ধারকৃত সিগারেট ও ল্যাপটপ ডিপার্টমেন্টাল মেমোরেন্ডাম মূল্যে জব্দ করে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসের হেফাজতে রাখা হয়েছে। আটক যাত্রীকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মৌখিকভাবে সতর্ক করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।

আলোচিত খবর

ক্রুড অয়েলের সরবরাহ স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরবে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির ক্রুড অয়েল প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে পুরো রিফাইনারিতে। ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) সংকট কেটে যাওয়ায় উৎপাদনে ফিরছে রিফাইনারিটি।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭ মে থেকে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল আসার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, রিফাইনারিতে সাধারণত সৌদি আরবের এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারবান ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। প্রতিবছর চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি।

এতে করে প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর নজিরবিহীন ঘটনা।পরবর্তীতে বিকল্প রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি। এর অংশ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা হচ্ছে। জাহাজটি ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে এবং ৬ মে থেকে তেল খালাস শুরু হবে। ইস্টার্ন রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষে ৭ মে থেকে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ক্রুড অয়েলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসেই আরও একটি জাহাজ তেল নিয়ে দেশে আসার কথা রয়েছে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ