আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

রাবিতে আওয়ামীপন্থি সহকারী প্রক্টর নিয়োগ, বাতিলে আল্টিমেটাম মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি সহকারী প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ পাওয়া মো. তানজিদ হাসান মোল্লা, আন্দোলনের ৩ মাস পার হয়ে গেলেও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদেই বহাল আছেন আওয়ামীপন্থি শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এদিকে নতুন করে সহকারী প্রক্টর পদেও আওয়ামীপন্থি এক শিক্ষকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এতে ফুঁসে উঠেছেন শিক্ষার্থীরা। তার নিয়োগ বাতিল করতে ৭ দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছেন সমন্বয়কেরা। নতুন প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলানোর হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তারা। বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এ বিষয়ে পোস্ট করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রাজশাহীর অন্যতম সমন্বয়ক সালাহউদ্দিন আম্মার। তিনি বলেন, ‘৭ দিনের মধ্যে প্রশাসনের ফ্যাসিস্ট শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের বিচারের আওতায় না আনলে রাবি প্রশাসনিক ভবনে তালা দিবে শিক্ষার্থীরা। ৭ দিন পরে ভুলে যাবো আপনাদের সাথে আন্দোলন করেছি। শহিদের এক ফোটা রক্তের সাথে বেইমানি নয়। দায়িত্ব পালন করতে না পারলে পদত্যাগ করবেন।’ তিনি আরো বলেন, ‘আওয়ামী শাসনামলে আট বছর ধরে তাপসী রাবেয়া হলে হাউজ টিউটর ছিল তামজীদ হোসেন মোল্লা। তাকে সহকারী প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। সে আন্দোলনের বিরুদ্ধে মাঠে সোচ্চার ছিল। কীসের ভিত্তিতে তাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে?’ প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘আপনাদের বিরুদ্ধে কি যুদ্ধ ঘোষণা করতে হবে? অবিলম্বে তার নিয়োগ বাতিল এবং এর কারণ দেখাবেন প্রশাসন। একের পর এক ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসন করছেন আপনারা।’ আরেক সমন্বয়ক মেহেদী সজীব তার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘বিগত স্বৈরাচার রেজিমের মদদপুষ্ট শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ছাত্র নামধারী সন্ত্রাসীদের বিচার অনতিবিলম্বে নিশ্চিত করার জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ৭ দিনের আল্টিমেটাম দেওয়া হলো। আপনাদের উপর আমাদের একবুক আশা ভরসা ছিল। কিন্তু বারবার আপনারা সেই আশাকে নিরাশায় রূপ দিচ্ছেন। ফ্যাসিস্টদের বিচারের জন্য আর কোনো ছাড় হবে না। আর আপনাদেরকে কালক্ষেপণ করতে দেওয়া হবে না।’ মেহেদী বলেন, ‘রুটিন দায়িত্ব পালন করার জন্য আপনাদেরকে ওই চেয়ারে বসানো হয়নি। জুলাইকে ধারণ করতে না পারলে জায়গা ছেড়ে দিন। আগামী ৭ দিনের মধ্যে যদি দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা আমাদের চোখে না পড়ে তাহলে আপনাদের পদত্যাগ দাবি করতে আমরা দুবার ভাবব না।’ অন্যদিকে আরেক সমন্বয়ক নওসাজ জামান লিখেছেন, ‘এসব কী চলছে রাবি প্রশাসন? এগুলোতে কি আসলেই আপনাদের ইন্ধন আছে নাকি এদের ছাড়া অন্য কোনো সহযোদ্ধা খুঁজে পাচ্ছেন না নাকি রাজনৈতিক ব্যক্তিগুলো ফোর্স করছে? যেখানে এদেরকে বিচারের মুখোমুখি করার কথা সেখানে আপনারা এদেরকে রুমের মধ্যে জায়গা দিচ্ছেন কোন দৃষ্টিকোণ থেকে? অবিলম্বে তানজিদ হাসান মোল্লাকে বহিষ্কার করতে হবে। তার সাথে এমন দোসরদের বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।’ এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাবি উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীব বলেন, ‘সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী প্রক্টর মো. তানজিদ হোসেন যোগদান করবেন না। আর যদি কথা আসে আওয়ামীলীগের দোসর ও আন্দোলন বিরোধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে, সেগুলো নিয়ে আমরা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছি। কয়েকটি কমিটি কাজ করছে। তবে প্রশাসনের একার পক্ষে সকলকে খুঁজে বের করা সম্ভব নয়। যে কেউ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে সেটা আমরা তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব। শিক্ষার্থীদেরকে বলব আপনারা আমাদেরকে সহযোগিতা করুন।’ উল্লেখ্য, বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সহকারী প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ পান মো. তানজিদ হাসান মোল্লা। তিনি ৩ আগস্ট জুলাই বিপ্লবের বিরুদ্ধে সরাসরি অবস্থান নিয়ে শিক্ষকদের করা আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত রসায়ন ও রসায়ন প্রকৌশল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ রাবির ৪৬৭ নাম্বার ভোটার।

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সহকারী প্রক্টর হিসেবে নিয়োগরাবিতে আওয়ামীপন্থি সহকারী প্রক্টর নিয়োগ, বাতিলে আল্টিমেটাম মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি সহকারী প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ পাওয়া মো. তানজিদ হাসান মোল্লা, আন্দোলনের ৩ মাস পার হয়ে গেলেও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদেই বহাল আছেন আওয়ামীপন্থি শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এদিকে নতুন করে সহকারী প্রক্টর পদেও আওয়ামীপন্থি এক শিক্ষকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এতে ফুঁসে উঠেছেন শিক্ষার্থীরা। তার নিয়োগ বাতিল করতে ৭ দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছেন সমন্বয়কেরা। নতুন প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলানোর হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তারা। বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এ বিষয়ে পোস্ট করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রাজশাহীর অন্যতম সমন্বয়ক সালাহউদ্দিন আম্মার। তিনি বলেন, ‘৭ দিনের মধ্যে প্রশাসনের ফ্যাসিস্ট শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের বিচারের আওতায় না আনলে রাবি প্রশাসনিক ভবনে তালা দিবে শিক্ষার্থীরা। ৭ দিন পরে ভুলে যাবো আপনাদের সাথে আন্দোলন করেছি। শহিদের এক ফোটা রক্তের সাথে বেইমানি নয়। দায়িত্ব পালন করতে না পারলে পদত্যাগ করবেন।’ তিনি আরো বলেন, ‘আওয়ামী শাসনামলে আট বছর ধরে তাপসী রাবেয়া হলে হাউজ টিউটর ছিল তামজীদ হোসেন মোল্লা। তাকে সহকারী প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। সে আন্দোলনের বিরুদ্ধে মাঠে সোচ্চার ছিল। কীসের ভিত্তিতে তাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে?’ প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘আপনাদের বিরুদ্ধে কি যুদ্ধ ঘোষণা করতে হবে? অবিলম্বে তার নিয়োগ বাতিল এবং এর কারণ দেখাবেন প্রশাসন। একের পর এক ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসন করছেন আপনারা।’ আরেক সমন্বয়ক মেহেদী সজীব তার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘বিগত স্বৈরাচার রেজিমের মদদপুষ্ট শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ছাত্র নামধারী সন্ত্রাসীদের বিচার অনতিবিলম্বে নিশ্চিত করার জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ৭ দিনের আল্টিমেটাম দেওয়া হলো। আপনাদের উপর আমাদের একবুক আশা ভরসা ছিল। কিন্তু বারবার আপনারা সেই আশাকে নিরাশায় রূপ দিচ্ছেন। ফ্যাসিস্টদের বিচারের জন্য আর কোনো ছাড় হবে না। আর আপনাদেরকে কালক্ষেপণ করতে দেওয়া হবে না।’ মেহেদী বলেন, ‘রুটিন দায়িত্ব পালন করার জন্য আপনাদেরকে ওই চেয়ারে বসানো হয়নি। জুলাইকে ধারণ করতে না পারলে জায়গা ছেড়ে দিন। আগামী ৭ দিনের মধ্যে যদি দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা আমাদের চোখে না পড়ে তাহলে আপনাদের পদত্যাগ দাবি করতে আমরা দুবার ভাবব না।’ অন্যদিকে আরেক সমন্বয়ক নওসাজ জামান লিখেছেন, ‘এসব কী চলছে রাবি প্রশাসন? এগুলোতে কি আসলেই আপনাদের ইন্ধন আছে নাকি এদের ছাড়া অন্য কোনো সহযোদ্ধা খুঁজে পাচ্ছেন না নাকি রাজনৈতিক ব্যক্তিগুলো ফোর্স করছে? যেখানে এদেরকে বিচারের মুখোমুখি করার কথা সেখানে আপনারা এদেরকে রুমের মধ্যে জায়গা দিচ্ছেন কোন দৃষ্টিকোণ থেকে? অবিলম্বে তানজিদ হাসান মোল্লাকে বহিষ্কার করতে হবে। তার সাথে এমন দোসরদের বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।’ এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাবি উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীব বলেন, ‘সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী প্রক্টর মো. তানজিদ হোসেন যোগদান করবেন না। আর যদি কথা আসে আওয়ামীলীগের দোসর ও আন্দোলন বিরোধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে, সেগুলো নিয়ে আমরা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছি। কয়েকটি কমিটি কাজ করছে। তবে প্রশাসনের একার পক্ষে সকলকে খুঁজে বের করা সম্ভব নয়। যে কেউ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে সেটা আমরা তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব। শিক্ষার্থীদেরকে বলব আপনারা আমাদেরকে সহযোগিতা করুন।’ উল্লেখ্য, বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সহকারী প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ পান মো. তানজিদ হাসান মোল্লা। তিনি ৩ আগস্ট জুলাই বিপ্লবের বিরুদ্ধে সরাসরি অবস্থান নিয়ে শিক্ষকদের করা আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত রসায়ন ও রসায়ন প্রকৌশল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ রাবির ৪৬৭ নাম্বার ভোটার। পাওয়া মো. তানজিদ হাসান মোল্লা,

আন্দোলনের ৩ মাস পার হয়ে গেলেও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) প্রশাসনের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদেই বহাল আছেন আওয়ামীপন্থি শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। এদিকে নতুন করে সহকারী প্রক্টর পদেও আওয়ামীপন্থি এক শিক্ষকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এতে ফুঁসে উঠেছেন শিক্ষার্থীরা। তার নিয়োগ বাতিল করতে ৭ দিনের আল্টিমেটাম দিয়েছেন সমন্বয়কেরা। নতুন প্রশাসনিক ভবনে তালা ঝুলানোর হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তারা।

বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে এ বিষয়ে পোস্ট করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রাজশাহীর অন্যতম সমন্বয়ক সালাহউদ্দিন আম্মার।

তিনি বলেন, ‘৭ দিনের মধ্যে প্রশাসনের ফ্যাসিস্ট শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারীদের বিচারের আওতায় না আনলে রাবি প্রশাসনিক ভবনে তালা দিবে শিক্ষার্থীরা। ৭ দিন পরে ভুলে যাবো আপনাদের সাথে আন্দোলন করেছি। শহিদের এক ফোটা রক্তের সাথে বেইমানি নয়। দায়িত্ব পালন করতে না পারলে পদত্যাগ করবেন।’

তিনি আরো বলেন, ‘আওয়ামী শাসনামলে আট বছর ধরে তাপসী রাবেয়া হলে হাউজ টিউটর ছিল তামজীদ হোসেন মোল্লা। তাকে সহকারী প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। সে আন্দোলনের বিরুদ্ধে মাঠে সোচ্চার ছিল। কীসের ভিত্তিতে তাকে এই দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে?’

প্রশাসনকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘আপনাদের বিরুদ্ধে কি যুদ্ধ ঘোষণা করতে হবে? অবিলম্বে তার নিয়োগ বাতিল এবং এর কারণ দেখাবেন প্রশাসন। একের পর এক ফ্যাসিস্টদের পুনর্বাসন করছেন আপনারা।’

আরেক সমন্বয়ক মেহেদী সজীব তার ফেসবুকে লিখেছেন, ‘বিগত স্বৈরাচার রেজিমের মদদপুষ্ট শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও ছাত্র নামধারী সন্ত্রাসীদের বিচার অনতিবিলম্বে নিশ্চিত করার জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে ৭ দিনের আল্টিমেটাম দেওয়া হলো। আপনাদের উপর আমাদের একবুক আশা ভরসা ছিল। কিন্তু বারবার আপনারা সেই আশাকে নিরাশায় রূপ দিচ্ছেন। ফ্যাসিস্টদের বিচারের জন্য আর কোনো ছাড় হবে না। আর আপনাদেরকে কালক্ষেপণ করতে দেওয়া হবে না।’

মেহেদী বলেন, ‘রুটিন দায়িত্ব পালন করার জন্য আপনাদেরকে ওই চেয়ারে বসানো হয়নি। জুলাইকে ধারণ করতে না পারলে জায়গা ছেড়ে দিন। আগামী ৭ দিনের মধ্যে যদি দৃশ্যমান কোনো ব্যবস্থা আমাদের চোখে না পড়ে তাহলে আপনাদের পদত্যাগ দাবি করতে আমরা দুবার ভাবব না।’

অন্যদিকে আরেক সমন্বয়ক নওসাজ জামান লিখেছেন, ‘এসব কী চলছে রাবি প্রশাসন? এগুলোতে কি আসলেই আপনাদের ইন্ধন আছে নাকি এদের ছাড়া অন্য কোনো সহযোদ্ধা খুঁজে পাচ্ছেন না নাকি রাজনৈতিক ব্যক্তিগুলো ফোর্স করছে? যেখানে এদেরকে বিচারের মুখোমুখি করার কথা সেখানে আপনারা এদেরকে রুমের মধ্যে জায়গা দিচ্ছেন কোন দৃষ্টিকোণ থেকে? অবিলম্বে তানজিদ হাসান মোল্লাকে বহিষ্কার করতে হবে। তার সাথে এমন দোসরদের বিচারের মুখোমুখি করতে হবে।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে রাবি উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীব বলেন, ‘সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত সহকারী প্রক্টর মো. তানজিদ হোসেন যোগদান করবেন না। আর যদি কথা আসে আওয়ামীলীগের দোসর ও আন্দোলন বিরোধীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার ব্যাপারে, সেগুলো নিয়ে আমরা ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছি। কয়েকটি কমিটি কাজ করছে। তবে প্রশাসনের একার পক্ষে সকলকে খুঁজে বের করা সম্ভব নয়। যে কেউ তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলে সেটা আমরা তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেব। শিক্ষার্থীদেরকে বলব আপনারা আমাদেরকে সহযোগিতা করুন।’

উল্লেখ্য, বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সহকারী প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ পান মো. তানজিদ হাসান মোল্লা। তিনি ৩ আগস্ট জুলাই বিপ্লবের বিরুদ্ধে সরাসরি অবস্থান নিয়ে শিক্ষকদের করা আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফলিত রসায়ন ও রসায়ন প্রকৌশল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও মূল্যবোধে বিশ্বাসী প্রগতিশীল শিক্ষক সমাজ রাবির ৪৬৭ নাম্বার ভোটার।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কর্মস্থলে চুরি করা টাকা ফেরত না দেওয়ায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের আলোচিত চোর মেরাজ শ্রীঘরে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নিজ কর্মস্থলে চুরি করা ৬০ লক্ষ টাকা ফেরত দেওয়ার শর্তে আপস করে ১৫ লক্ষ টাকার চেক ও ১ বছরের মদ্ধে ৪৫ লক্ষ টাকা ফেরত দিবে মর্মে স্ট্যাম্প করেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের মেসার্স শাওন ট্রেডার্স এর ম্যানেজার জহির রায়হান মেরাজ (৩৪) নামে এক যুবক।

জানা গেছে, মের্সাস শাওন ট্রেডার্স এর দীর্ঘ ১৫ বছর যাবৎ অত্র প্রতিষ্ঠানে যাবতীয় মালামাল বিক্রয়ের নগদ টাকার হিসাব নিকাশ সহ অত্র প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ন কাজ কর্মে কর্মচারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করিয়া আসছিলেন মোঃ জহির রায়হান মেরাজ। প্রতিদিন মের্সাস শাওন ট্রেডাস এর কাজ কর্ম শেষে বিভিন্ন কায়দা কৌশলে প্রায় ৫,০০০/-টাকা থেকে ১০,০০০/- টাকা পর্যন্ত চুরি করত, যা সি সি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজের মাধ্যমে ধরা পাড়লে বিষয়টি জানাজানি হয়।

উক্ত ঘটনায় মেরাজকে জিজ্ঞেসাবাদ করলে উপস্থিত উভয় পক্ষের শালিশদারগনের সামনে মেরাজ চুরির কথা স্বীকার করেন। গত ৩ বছর যাবত সে বিভিন্ন কায়দা কৌশলের মাধ্যমে আনুমানিক ৬০,০০,০০০/- (ষাট লক্ষ) টাকা চুরি করেছে। ৩০/০৯/২০২৩ তারিখে চুরির ঘটনা সত্যতা স্বীকার করিয়া অত্র অঙ্গীকার নামা দলিলে স্বীকার ও অঙ্গীকার করে যে, উক্ত ৬০,০০,০০০/- (ষাট লক্ষ) টাকার মধ্যে আগামী ০৪/১০/২০২৩ ইং তারিখের নগদে ১৫,০০,০০০/- (পনের লক্ষ) টাকা মের্সাস শাওন ট্রেডাস এর নামে ফেরত দেবে এই মর্মে জহির রায়হান মেরাজ এর স্বাক্ষরিত ঢাকা ব্যাংক চাঁপাইনবাবগঞ্জ শাখা যাহার চলতি এ্যাকাউন্ট নং ৩০৫২০০০০০৬৬৫৩, চেক নং ১০৩২৩৭১ একখানা চেক প্রদান করেন এবং অবশিষ্ট ৪৫,০০,০০০/- (পঁয়চল্লিশ লক্ষ) টাকা পরবর্তী ১ বছরের মধ্যে মের্সাস শাওন ট্রেডাস কে পরিশোধ করিতে বাধ্য থাকিব।

যদি উক্ত ১৫,০০,০০০/- (পনের লক্ষ) টাকা ০৪/১০/২০২৩ ইং তারিখের মধ্যে পরিশোধ করিতে না পারি ও ৪৫,০০,০০০/- (পঁয়চল্লিশ লক্ষ) টাকা আগমী ১ বছরের মধ্যে মের্সাস শাওন ট্রেডাস কে পরিশোধ করিতে না পারে বা পরিশোধে কোন প্রকারে টালবাহানা করে তবে অত্র চেকের বলে ও অঙ্গীকার নামা দলিল বলে মের্সাস শাওন ট্রেডাস এর স্বত্বাধীকারী মেরাজের উপর যে কোন প্রকার আইনগত ব্যবস্থা লইতে পারিবেন। পরবর্তীতে মেরাজ কোন প্রকার টাকা ফেরত না দেওয়ায় মেসার্স শাওন ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী মোঃ সামিরুল আলম (শাওন) বাদী হয়ে আদালতে ২টি মামলা দায়ের করেন উক্ত ৪৫ লক্ষ টাকার স্ট্যাম্পের মামলায় (মামলা নাম্বার সিআর ১১২৪/২০২৪) আদালত গত ৩ নভেম্বর মেরাজের নামে ওয়ারেন্ট জারি করলে সদর মডেল থানার এএসআই মোতালের মেরাজকে গ্রেফতার করেন।

এ বিষয়ে সদর মডেল থানার সেকেন্ড অফিসার মোঃ রাজু আহমেদ বলেন, ৪৫ লক্ষ টাকার একটি স্ট্যাম্পের মামলায় ওয়ারেন্ট থাকায় আসামি জহির রায়হান মিরাজকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিপুল পরিমাণ নেশা জাতীয় ট্যাবলেট জব্দ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে বিপুল পরিমাণ নেশা জাতীয় ট্যাবলেট জব্দ করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (৫৯ বিজিবি)র সদস্যরা।রবিবার (২৩ নভেম্বর) মধ্যরাত ১.২০মিনিটে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এর অধীনস্থ চাঁনশিকারী বিওপি’র ০১টি বিশেষ টহল দল সীমান্ত পিলার ১৯৬/৫-এস হতে আনুমানিক ২০০ গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার ভোলাহাট উপজেলার ভোলাহাট ইউনিয়নের চামুচা গ্রামস্থ গড়ের মাঠ নামক স্থানে অবস্থিত একটি আখ ক্ষেতে অভিযান পরিচালনা করে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানা গিয়েছিল, অভিযানস্থলে বিপুল পরিমাণ নেশাজাতীয় ট্যাবলেট মজুদ রয়েছে এবং চোরাকারবারীরা সুযোগ বুঝে দেশের অভ্যন্তরে পাচার করবে।

সে সুনির্দিষ্ট তথ্যের প্রেক্ষিতেই তাৎক্ষণিকভাবে অভিযানটি পরিচালিত হয় এবং টহলদল আখক্ষেত তল্লাশী করে একটি প্লাস্টিকের বস্তায় অভিনব কায়দায় মোড়ানো অবস্থায় থাকা ৩,১৯০ পিস ভারতীয় নেশাজাতীয় ট্যাবলেট (TENSIWIN) উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। বর্তমানে উদ্ধারকৃত ট্যাবলেটগুলো সাধারণ ডায়েরীর মাধ্যমে ভোলাহাট থানায় হস্তান্তরের কার্যক্রম চলমান রয়েছে বলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান।

এ ব্যাপারে মহানন্দা ব্যাটালিয়ন (৫৯ বিজিবি) এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল গোলাম কিবরিয়া, বিজিবিএম, বিজিওএম বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, মাদকসহ সকল ধরনের চোরাচালানের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বিজিবি’র আভিযানিক কার্যক্রম বেগবান রয়েছে, যা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ