আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

চৌদ্দগ্রাম উপজেলা সহকারী শিক্ষক সমিতির কাউন্সিল অধিবেশন অনুষ্ঠিত

জহিরুল ইসলাম সুমন চৌদ্দগ্রাম প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক সমিতি(এস ১২০৬৮) কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম উপজেলা শাখার কাউন্সিল অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা জেলা সহকারী শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ শহিদুল ইসলাম।
এ উপলক্ষে শনিবার দুপুরে চৌদ্দগ্রাম বাজারস্থ এম এ করিম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে উপজেলা সহকারী শিক্ষক সমিতি আহবায়ক মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন কুমিল্লা জেলা সহকারী শিক্ষক সমিতির সাধারন সম্পাদক মোঃ রাশেদ মিয়া, সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল বাশাল, মিডিয়া সম্পাদক বিশ^জিৎ।
গুণবতী সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্যে রাখেন কাশিরনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোস্তফা কামাল, আঠারবাক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোজাম্মেল হোসেন, কালকোট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাহাবুদ্দিন, শাহ ইমরান, পায়ের খোলা বালক সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক দেবাশীষ, কোমারডগা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হাফেজ আনোয়ার, গোমারবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক হারুনুর রশিদ, শামুকসার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবদুর রহমান, রামরায়গ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোর্শেদা আক্তার, শ্রীপুর উত্তর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কাজী মাহমুদুল হক শাহাদাত, ঝিকড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক গাজী সাইফুল ইসলাম, ফালগুণকরা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ আবদুস সহিদ চৌধুরী, খিরণশাল ইসলামিয়া ফাযিল মাদ্রাসার প্রভাষক জহিরুল ইসলাম মজুমদার, দক্ষিণ শ্রীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক কাজী তারেক মাহমুদ, শ্রীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবু তাহের, ফুলের নাওড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ফরিদ আহমদ, বধুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাহমুদুর রহমান, ঝিকড্ডা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আমান উল্যাহ, নানকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আমির হোসেন, আলকরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সুমন চন্দ্র দেবনাথ, বধুড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবুল হোসেন মাহফুজ, কাশিনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক ওমর ফারুক মজুমদার ও পাঁচরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক চন্দন সাহা প্রমুখ।
কাউন্সিল অধিবেশন শেষে ১১১ সদস্য বিশিষ্ট চৌদ্দগ্রাম উপজেলা সহকারী শিক্ষক সমিতির কমিটি ঘোষণা করেন কুমিল্লা জেলা সহকারী শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ শহিদুল ইসলাম। কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন: সভাপতি মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, সিনিয়র সহসভাপতি মোঃ সেলিম মিয়া, মোঃ মহিউদ্দিন, গোলাম সারোয়ার, মোঃ আবু তাহের, ফরিদ উদ্দিন, আবুল হোসেন মাহফুজ, মোঃ আমির হোসেন, ছালেহ আহম্মদ, সাজেদা সুলতানা লিখা, ফেরদৌস আরা নাছিমা, সহসভাপতি মোঃ আমান উল্যাহ ভূঁইয়া, মোঃ শাহাদাত হোসেন, মোঃ মিজানুর রহমান, লুৎফুন নাহার মুক্ত, হাফেজ আনোয়ার হোসেন, শাহজাহান কবির সোহাগ, কামরুন নাহার শিমু, মোতালেব হোসেন, সুমন চন্দ্র দেবনাথ, পলাশ চন্দ্র সূত্রধর, হোসনা আক্তার, সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, সিনিয়র যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুস সহিদ চৌধুরী, ওমর ফারুক মজুমদার, ফখরুল ইসলাম, মোঃ শাহীন মিয়া, সাহাব উদ্দিন মজুমদার, মোঃ নজরুল ইসলাম, কামরুল হাসান, মনির আহম্মদ, গাজী মোঃ সোহরাব হোসেন, জাহিদুল ইসলাম শামীম, আবদুল গণি, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মাইনুর রশিদ সেলিম, ফজলুল করিম মজুমদার, মোঃ জামাল উদ্দিন, মোঃ দেলোয়ার হোসেন, জামাল উদ্দিন, কোহিনুর আক্তার, মোহাম্মদ ইলিয়াছ, মোঃ ইয়াছিন, সহসাধারন সম্পাদক আবুল হাছান, মোঃ শাহ আলম, সীমা রায়, তামান্না আক্তার, মাহফুজুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ সাইফুল ইসলাম, সহসাংগঠনিক সম্পাদক শাহ ইমরান, জাকির হোসেন, কাজী হোসাইন, মোজাম্মেল হক, মহিলা সম্পাদক আয়েশা আক্তার জুঁই, সহমহিলা সম্পাদক মোর্শিদা আক্তার, নিগার সুলতানা, হোসনেয়ারা, দপ্তর সম্পাদক চন্দন চন্দ্র সাহা, সহ দপ্তর সম্পাদক মোজাম্মেল হোসেন, অর্থ সম্পাদক কাজী মাহমুদুল হক, সহ অর্থ সম্পাদক চৌধুরী, জহির উদ্দিন, ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া সম্পাদক নুরুল আমিন, সহ ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া সম্পাদক মাহমুদুল হাসান, প্রচার সম্পাদক মাহমুদুর রহমান, সহ প্রচার সম্পাদক মোসাম্মৎ সায়েমা আক্তার, সোহেল রানা শুভ, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম, সহ ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক তোফায়েল হোসেন, রফিকুল ইসলাম, দেবাশীষ কর্মকার, সামাজিক ও যোগাযোগ মাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মহিউদ্দিন, সহ সামাজিক ও যোগাযোগ মাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক আকলিমা আক্তার, জাহিদ পাটোয়ারী, শিক্ষা প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক এফরানুল হক, সহ শিক্ষা প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক মামুনুর রশিদ মোল্লা, সায়মা, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক ছোটন হাজারী, সহ সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মায়মুনা আক্তার, শামিম হোসেন, আইন সম্পাদক আবু হানিফ, সহ আইন সম্পাদক সাব্বির আহমেদ, আলেয়া আক্তার, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মোস্তফা কামাল, ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক(অন্যান্য) জীবন কৃঞ্চ সূত্রধর, সহ ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক মাওলানা রহমান, অশোক কুমার, সমবায় ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম পাটোয়ারী, সহ সমবায় ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মহিবুল্লাহ, বিপুল ভট্টাচার্য, আপ্যায়ন সম্পাদক আবুল কাশেম রনি, সহ আপ্যায়ন সম্পাদক জোটন হাজারী, আবদুল হাকিম, তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ, সহ তথ্য ও প্রযুক্তি সম্পাদক কাজী তারেক মাহমুদ, আবু বক্কর ছিদ্দিক, প্রাক-প্রাথমিক বিষয়ক সম্পাদক রুবায়েত ইসলাম, প্রাক-প্রাথমিক বিষয়ক সম্পাদক নুরে আলম জিকু, যোবায়ের হোসেন, উদ্ভাবনী ও পরিকল্পনা সম্পাদক আবদুর রহিম, সহ উদ্ভাবনী ও পরিকল্পনা সম্পাদক মোহাম্মদ মোসাদ্দেক হোসেন, কাব বিষয়ক সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান, সহ কাব বিষয়ক সম্পাদক মনির হোসেন, আতিকুর রহমান, সদস্য তানজিনা আক্তার, ইভানা চৌধুরী, সেলিনা আক্তার, কাজী সিলভিয়া নেনসারিন, মোসাম্মৎ নাঈমা আক্তার, আইরিন সুমি, রাজিব আহম্মদ ও শারমিন আক্তার।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

যশোরের চাড়াভিটায় কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


যশোরে বাঘারপাড়ার চাড়াভিটা ও তার পার্শ্বতি এলাকায়  হঠাৎ নেমে আসে কালবৈশাখী ঝড়। আকস্মিক ঝড় ও বজ্রপাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বেলা ২টার দিকে হঠাৎ আকাশ মেঘে ডেকে   মেঘা আচ্ছন্ন হয়ে ঝড় বাতাসের সাথে বজ্র বূষ্টি শুরু হয়ে

টানা আড়াই ঘণ্টারও বেশি সময় চলে এই ঝড়।চাড়াভিটা বাজারে পাশেই বজ্রপাতের ঘটনা ঘটলে ও কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি উপ জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ঝড়ের কারণে দুপুরের পর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।, গত কয়েক দিন ধরে যশোর অঞ্চলে  তাপমাত্রা অসহনীয় পর্যায়ে ছিল। বিশেষ করে খেটেখাওয়া মানুষ গরমে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। দুপুরের পর আকাশ কালো মেঘে গুমোট আকার ধারণ করে শুরু হয় প্রচণ্ড ঝড়। সেই সঙ্গে বজ্রপাত।

বাঘারপাড়া  উপজেলার বাসুয়াড়ী ইউনিয়নের চাড়াভিটা বাজার সহ কয়েকটি  এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ে তীব্র আঘাত হানে। বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে পড়ে এবং অনেকের ঘরের চালের টিন উড়িয়ে নিয়ে যায়। বিভিন্ন গাছ ভেঙ্গে আঁচড়ে পড়ে বৈদ্যুতিক খুঁটির উপরে।যে কারণে  বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় কয়েকটি এলাকায় ভূতুড়ে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

অন্যদিকে কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক জায়গায় গাছ ভেঙে পড়েছে, বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গেছে এবং অসংখ্য স্থানে তার ছিঁড়ে পড়েছে। আম ও কাঁঠালেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।  উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা সম্ভব হয়নি।এলাকাবাসী জানান, এ ধরনের ঝড় অনেক দিন দেখা যায়নি।। একই সঙ্গে এলাকার কৃষকদের আম ও কাঁঠালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ভাঙ্গুড়ায় ন্যায্য মূল্যে কৃষকের ধান সংগ্রহের সময় শেষ, সরকারি মূল্য পাওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় চলতি বোরো মৌসুমে সরকারি খাদ্যগুদামের ধান সংগ্রহ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সরকারের নির্ধারিত মূল্যে ধান বিক্রির সুযোগ পেয়ে উপজেলার কৃষকদের মধ্যে সন্তোষ দেখা দিয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ৭৭৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা শতভাগ অর্জন করেছে খাদ্য বিভাগ।
খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বোরো/২০২৬ মৌসুমে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ৭৭৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় কর্তৃক তালিকাভুক্ত কৃষকদের মধ্য থেকে আগে আসলে আগে বিক্রয় ভিত্তিতে ধান ক্রয় করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, কৃষি বিভাগের নিবন্ধিত কৃষকরা কৃষি কার্ড ও ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সরকারি খাদ্যগুদামে ধান বিক্রির সুযোগ পান। সংগ্রহ নীতিমালা অনুযায়ী কৃষকদের কাছ থেকে ধান গ্রহণের পর মূল্য সরাসরি তাদের ব্যাংক হিসাবে পরিশোধ করা হয়েছে। এতে মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমেছে এবং কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পেয়েছেন।
উপজেলায় প্রায় ৪ হাজার ৭০০ নিবন্ধিত কৃষকের কৃষি কার্ড ও কৃষক হিসাব রয়েছে। ধান বিক্রি করা অনেক কৃষক জানান, বাজারমূল্যের তুলনায় সরকারি মূল্য বেশি হওয়ায় তারা আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন। উৎপাদন খরচ মিটিয়ে অতিরিক্ত আয় করতে পারায় তাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

খাদ্যগুদাম কর্তৃপক্ষ জানায়, ধান সংগ্রহের ক্ষেত্রে সরকারি বিধিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। কৃষকদের পরিচয়, কৃষি কার্ড এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পরই ধান গ্রহণ করা হয়েছে। সব অর্থ সরাসরি কৃষকদের ব্যাংক হিসাবে পরিশোধ করা হয়েছে।ভাঙ্গুড়া খাদ্যগুদামের উপ-পরিদর্শক নিরঞ্জন কুমার ঘোষ বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকেই ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। সব ধরনের কাগজপত্র যাচাই করে ধান গ্রহণ করা হয়েছে এবং কৃষকদের নিজস্ব হিসাবেই অর্থ প্রদান করা হয়েছে।

ভাঙ্গুড়া এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম জানান, সরকার চলতি বোরো/২০২৬ মৌসুমে গত ৩ মে থেকে সারাদেশে কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ শুরু করে। ভাঙ্গুড়া উপজেলায় নির্ধারিত ৭৭৫ মেট্রিক টন ধান ইতোমধ্যে সংগ্রহ সম্পন্ন হয়েছে। তিনি বলেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে বাজারে ধানের দাম কিছুটা কম থাকায় কৃষকরা প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে সরকারি গুদামে ধান দিতে আগ্রহী হয়েছেন। ফলে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নিরবচ্ছিন্নভাবে ধান সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হয়েছে।
উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা কৃষ্ণপদ বর্ম্মন বলেন, ধান সংগ্রহ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কৃষকদের কৃষি কার্ড ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাইয়ের পরই বিল অনুমোদন করা হয়েছে। সরকারি মূল্য পাওয়ায় কৃষকরা উপকৃত হয়েছেন।
স্থানীয় কৃষকদের আশা, আগামী মৌসুমেও সরকার একইভাবে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ অব্যাহত রাখবে। এতে কৃষকরা উৎপাদনে আরও উৎসাহিত হবেন এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি দেশের খাদ্যশস্য সংগ্রহ ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী হবে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ