আজঃ বুধবার ১৭ জুন, ২০২৬

নেত্রকোনায় বিজ্ঞান মেলায় বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় যারা জয়ী হলেন

মোঃ নুর উদ্দিন মন্ডল দুলাল, নেত্রকোনা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

নেত্রকোণার পূর্বধলায় জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী বিজ্ঞান মেলা গত বুধবার শেষ হয়েছে। মেলার দ্বিতীয় দিনে অলিম্পিয়াড ও বিজ্ঞান বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপজেলার বিভিন্ন মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের সিনিয়র এবং জুনিয়র গ্রুপে শিক্ষার্থীরা অংশ গ্রহন করেন। মেলার প্রথম দিনে আয়োজিত বিজ্ঞান বিষয়ক প্রজেক্ট তৈরি প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেছে পুর্বধলা জগৎমনি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় দল। দ্বিতীয় স্থান অধিকার করে ঘাগড়া দ্বিমুখী উচ্চ

 

বিদ্যালয় দল। তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে আগিয়া উচ্চ বিদ্যালয় দল। একই বিষয়ে সিনিয়র গ্রুপে প্রথম স্থান অধিকার করেছে পূর্বধলা সরকারি কলেজ দল, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে রাবেয়া আলী মহিলা ডিগ্রী কলেজ দল এবং তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে হাফেজ জিয়াউর রহমান ডিগ্রী কলেজ দল।

অলিম্পিয়াড প্রতিযোগিতায় জুনিয়র গ্রুপে প্রথম স্থান অধিকার করেছে ঘাগড়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী মোরসালিন ইমতিয়াজ নাফিউ, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে জালশুকা কুমুদগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফারদিন আল বায়েজিদ ও তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে একই বিদ্যালয়ের শিার্থী তাসমীম জাহান ইকরা।

অলিম্পিয়াড প্রতিযোগিতায় সিনিয়র গ্রুপে প্রথম স্থান অধিকার করেছে পূর্বধলা সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী মোঃ সিয়াম ইশতিয়াক, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে একই কলেজের শিক্ষার্থী ফাইজা হক সুমু, তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে একই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী সোহানুজ্জামান ইমন। জুনিয়র গ্রুপে বিজ্ঞান বিষয়ক কুইজ প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেছে জালশুকা কুমুদগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় দল। দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে

 

পূর্বধলার জগৎমণি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় দল। তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন ঘাগড়া দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় দল। কুইজ প্রতিযোগিতায় সিনিয়র গ্রুপে প্রথম স্থান অধিকার করেছে পূর্বধলা সরকারি কলেজ দল, দ্বিতীয় স্থান অধিকার করেছে রাবেয়া আলী মহিলা ডিগ্রী কলেজ দল, তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে হাফেজ জিয়াউর রহমান ডিগ্রী কলেজ দল।

বিজয়ীদের পুরস্কার হিসেবে ক্রেস্ট ও বই তুলে দেন অনুষ্ঠানের অতিথিবৃন্দ। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার রেজওয়ানা কবির। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মাধ্যমিক শিা অফিসার আবু বকর সিদ্দিক। একাডেমিক সুপারভাইজার আব্দুল লতিফ মাসুদ, বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি পূর্বধলা উপজেলা শাখার সভাপতি মো: বদরুজ্জামান, পূর্বধলা প্রেসকাবের সাধারণ সম্পাদক জায়েজুল ইসলাম, বিভিন্ন স্কুল কলেজের শিক্ষক/শিক্ষিকা ও ছাত্র-ছাত্রীবৃন্দ।

এর আগে গত মঙ্গলবার উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে নানা আয়োজনে ৪৬তম জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং বিজ্ঞান মেলা উদ্বোধন করা হয়। মেলায় ১৮টি স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা প্রদর্শন করে।

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

ঠাকুরগাঁওয়ে আহত নিহতদের মাঝে চেক বিতরণ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঠাকুরগাঁও জেলায় বিভিন্ন স্থানেসড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ নিহত ও আহত ৭ টি পরিবারের মাঝে চেক হস্তান্তর করা হয়েছে। বুধবার সকালে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষ জেলা প্রশাসন ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেল এর আয়োজনে এই চেক বিতরণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রফিকুল হক, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক গোলাম ফেরদৌস, ঠাকুরগাঁও বিআরটি এর সহকারী পরিচালক ইঞ্জি: মোহাম্মদ আলী আহসান মিলন, মোটরযান পরিদর্শক মাফুজ রানা, উচ্চমান সহকারী রুস্তম আলীসহ অন্যান্যরা।সেখানে সাতটি পরিবারের মাঝে ২১ লক্ষ টাকার চেক বিতরণ করা হয়।

সিএমএম ; শুধু সন্দেহে নয়, কারণ দেখিয়ে গ্রেফতার পুলিশকে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে উপযুক্ত কারণ ব্যাখ্যা ছাড়া কাউকে ‘শ্যোন অ্যারেস্ট’ দেখানোর আবেদন না করার জন্য পুলিশকে নির্দেশনা দিয়েছেন চট্টগ্রামের মুখ্য মহানগর হাকিম (সিএমএম) এজিএম মনিরুল হাসান সরকার। গত সোমবার বিকালে অনুষ্ঠিত পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্সে এ নির্দেশনা দেন তিনি। একই সঙ্গে ভিকটিমের মেডিকেল সনদ, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেট এবং বিচারপ্রার্থীদের হয়রানিসহ বিভিন্ন বিষয়ে মতামত তুলে ধরেন।

কনফারেন্সে প্রধান অতিথি ছিলেন মহানগর দায়রা জজ মোহাম্মদ হাসানুল ইসলাম। এতে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট, পুলিশের বিভিন্ন ইউনিট, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, কোস্ট গার্ড, সিডিএ, সিটি করপোরেশন, চমেক হাসপাতাল এবং আইনজীবী সমিতির প্রতিনিধিরা অংশ নেন।সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শ্যোন অ্যারেস্টের আবেদন করার ক্ষেত্রে কেস ডায়েরির অনুলিপি আদালতে উপস্থাপন করতে হবে এবং সেখানে গ্রেপ্তার দেখানোর যৌক্তিক কারণ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করতে হবে। শুধু সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা যাবে না বলেও পুলিশ কর্মকর্তাদের সতর্ক করেন সিএমএম।

কনফারেন্সে ভিকটিমকে পরীক্ষাকারী চিকিৎসকের জবানবন্দি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬১ ধারায় লিপিবদ্ধ করা, মেডিকেল অফিসারদের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর সংযুক্ত করা এবং নির্ধারিত সময়ে মেডিকেল সনদ সরবরাহ নিশ্চিত করার বিষয়েও গুরুত্বারোপ করা হয়।
সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের সূত্র ধরে চমেক হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে স্বপ্রণোদিত হয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার কথা উল্লেখ করেন সিএমএম। তিনি পুলিশ ও জেলা প্রশাসনকে এ সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালনার আহ্বান জানান।

বিচারপ্রার্থীদের হয়রানি ও ঘুষ দাবির অভিযোগ সরাসরি জানাতে ‘সিএমএম চট্টগ্রাম সমীপে’ নামে চালু করা উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন তিনি।
এ প্রসঙ্গে সিএমএম বলেছেন, বিচারপ্রার্থীদের অভিযোগ গ্রহণের জন্য একটি ইমেইল চালু করা হয়েছে এবং আদালত প্রাঙ্গণে অভিযোগ বক্স স্থাপন করা হয়েছে। এর মাধ্যমে তিনি সরাসরি অভিযোগ জানতে পারবেন এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে পারবেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ