আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

আর্ত মানবতার কল্যাণে ও মানবিক উন্নয়নে কাজ করলে স্রষ্টার নৈকট্য লাভ করা সম্ভব

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের শীতবস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে জামাল উদ্দিন আহমেদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম নগরীর কাজির দেউরী মোড়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবের হলে সিলেট-চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটির উদ্যোগে চট্টগ্রামের ৫টি এতিমখানার শিক্ষার্থী ও শীতার্ত দুস্থ মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন সিলেট চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের স্থায়ী পরিষদের চেয়ারম্যান, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব মো: জামাল উদ্দিন আহমেদ। সাবেক সচিব জামাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, মানুষ মানুষের জন্য।

মানুষ সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ। মানুষের মাঝে কোন ধরনের ভেদাভেদ থাকা উচিত নয়। সকল ভেদাভেদ পরিহার করে মানুষের কল্যাণে ও মানবিক উন্নয়নে সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি বলেন, আর্ত মানবতার কল্যাণে ও মানবিক উন্নয়নে কাজ করলে স্রষ্টার নৈকট্য লাভ করা সম্ভব হবে। তাই সকলকে মানবিক হয়ে সমাজের পিছিয়ে পরা মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আসতে হবে। প্রধান বক্তা
ছিলেন জর্জ ওয়াশিংটন ইউনিভার্সিটির সাবেক অধ্যাপক, আধুনিক ই-লার্ণিং এর জনক অধ্যাপক ড. বদরুল হুদা খান। ড. বদরুল হুদা খান বলেন, আমি ভালো আছি এ ধারণা থেকে বেরিয়ে আমরা ভালো আছি এ ধারণায় এগিয়ে আসতে হবে আমাদের সকলকে। আমি ও আমরা একসাথে এ বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে হবে। সকল বিত্তশালীকে সাধ্যমত পিছিয়ে পরা মানুষের কল্যাণে ও আর্ত মানবতার উন্নয়নে ভূমিকা রাখতে হবে। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক অতিরিক্ত পরিচালক মো: একরাম হোসেন, সিলেট চট্টগ্রাম ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশন কেন্দ্রীয় কমিটির সহ সভাপতি,

চট্টগ্রাম সাংস্কৃতিক মোর্চার সদস্য সচিব মো. জসিম উদ্দিন চৌধুরী, সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আমিরুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও সিলেট থেকে আগত মো: ফয়সাল আহমেদ, মো: আব্দুল মালেক, সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য, জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশন চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিটির সভাপতি মো: নুরুল হুদা চৌধুরী, দারুচ্ছালাম মাদ্রাসার পরিচালক আলহাজ্ব মো : আব্দুল আলিম। সিলেট চট্টগ্রাম

ফ্রেন্ডশিপ ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সংগঠক মো: শহিদুল ইসলামের সভাপতিত্বে ও সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক স ম জিয়াউর রহমান ও সহ সমাজ কল্যান সম্পাদক ফারহানা আফরোজা এর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট সাংবাদিক সাহাব উদ্দিন খালেদ ফারুক, সাংবাদিক ও সংগঠক এইচ এম শামীম, পরিবেশ সংগঠক মো: আনোয়ার হোসেন, পরিবেশ সংগঠন এ্যাড ভিশন বাংলাদেশের সাধারণ সম্পাদক মো: মাসুদ রানা, সাংবাদিক জান্নাতুল ফেরদৌস রিয়া,

লিয়াকত হোসেন লিমন, আরিফুল আকবর চৌধুরী, সমাজসেবী আবুল হাশেম। আলোচনা সভা শেষে প্রধান অতিথি ও প্রধান বক্তা চট্টগ্রামের ৫টি এতিমখানার ১৫০জন শিক্ষার্থী ও অসহায় গরিবকে সংগঠনের পক্ষ থেকে শীত উপহার বিতরণ করেন। সবশেষে চা চক্র ও আড্ডা অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে শেষ হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব র‍্যাফেল ড্র বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের উদ্যোগে আয়োজিত র‍্যাফেল ড্র–এর বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সোমবার (২৬ জানুয়ারি) ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদ, সিনিয়র সহ-সভাপতি মুস্তফা নঈম, অর্থ সম্পাদক আবুল হাসনাত, ক্রীড়া সম্পাদক রুবেল খান, পাঠাগার সম্পাদক মো. শহিদুল ইসলাম, সমাজসেবা ও আপ্যায়ন সম্পাদক হাসান মুকুল, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফারুক আব্দুল্লাহ, কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী ও আরিচ আহমেদ শাহসহ প্রেসক্লাবের নেতৃবৃন্দ।

এ সময় বিজয়ী মোট ৩০ জন সদস্যের হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়। আনন্দঘন ও সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানটি সদস্যদের মধ্যে উৎসাহ ও ভ্রাতৃত্ববোধ আরও দৃঢ় করেছে। পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে সদস্যগণ পেশাগত জীবনে র‍্যাফেল ড্র’তে পুরস্কারপ্রাপ্তি এবং অপ্রাপ্তি নিয়ে তাদের স্মৃতিচারণ করেন। অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের আন্তরিক অভিনন্দন জানানো হয়।

সিভাসু’তে ‘দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনে শীর্ষক ১০ দিনের প্রশিক্ষণ ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিভাসু) ‘দ্গ্ধুজাত পণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ’ শীর্ষক দশ দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি আজ মঙ্গলবার শেষ হয়েছে। সিভাসু’র পোল্ট্রি রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং সেন্টার (পিআরটিসি) এবং ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এবং সমবায় অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ শীর্ষক প্রকল্পের অর্থায়নে এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় পিআরটিসি’র বোর্ড মিটিং কক্ষে প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন সমবায় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও নিবন্ধক মো. ইসমাইল হোসেন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে অনলাইনে যুক্ত ছিলেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় বিভাগ, ঢাকার যুগ্ম সচিব (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন) সুব্রত কুমার সিকদার। এছাড়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ এবং বাংলাদেশ ডেইরি অ্যান্ড ফ্যাটেনিং ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও সিভাসু’র সিন্ডিকেট সদস্য মোহাম্মদ ইকবাল হোসাইন। সভাপতিত্ব করেন পিআরটিসি’র পরিচালক প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারীদের সার্টিফিকেট প্রদান করা হয়।

দশ দিনের এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে দুধ থেকে দই, মিষ্টি, মাখন, ঘি, পনির, ছানা, লাবাং, বোরহানি, মাঠা ইত্যাদি তৈরির বিষয়ে হাতেকলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণ প্রদান করেন সিভাসু’র ডেইরি ও পোল্ট্রি সাইন্স বিভাগের প্রফেসর গৌতম কুমার দেবনাথ, প্রফেসর ড. এ. কে. এম. হুমায়ুন কবির, প্রফেসর ড. মোহাম্মদ আবুল হোসেন, প্রফেসর ড. মো: সাইফুল বারী ও ডা. উম্মে সালমা আমিন,

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম নিবন্ধক ও প্রকল্প পরিচালক (প্রেষণ) তোফায়েল আহম্মদ, সিভাসু’র প্রিন্সিপাল সাইন্টিফিক অফিসার ড. মো: ইনকেয়াজ উদ্দিন, জেলা কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র, চট্টগ্রামের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ ওমর ফারুক, বিএসটিআই চট্টগ্রামের ফিল্ড অফিসার (সার্টিফিকেশন মার্কস উইং) প্রকৌ. মো: মাহফুজুর রহমান এবং ট্রেড গ্লোবাল লিমিটেড, ঢাকার সিনিয়র সার্ভিস ইঞ্জিনিয়ার মো: শরিফ হোসেন।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে ব্রাহ্মনবাড়িয়া, কুতুবদিয়া ও চকরিয়া অঞ্চলের দুগ্ধ ঘাটতি উপজেলায় দুগ্ধ সমবায়ের কার্যক্রম সম্প্রসারণ প্রকল্পের ২৫ জন সমবায় সমিতির সদস্য অংশগ্রহণ করেন।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ