আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

রেলের রানিং স্টাফদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার, ট্রেনের সূচি এলামেলো

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রেলের রানিং স্টাফদের কর্মবিরতি প্রত্যাহারের পর চট্টগ্রামে ট্রেন ছাড়ার ও গন্তব্যে পৌঁছার নির্ধারিত সূচি এলোমেলো হয়েছে। বুধবার ভোর থেকে চট্টগ্রাম থেকে প্রায় সব ট্রেনই বিলম্বে স্টেশন ত্যাগ করেছে। ট্রেনগুলো ছাড়তে আধা ঘণ্টা থেকে দুই-তিন ঘণ্টা বিলম্ব হয়।

মাইলেজের ভিত্তিতে পেনশন ও আনুতোষিক দেওয়াসহ কয়েক দফা দাবিতে সোমবার (২৭ জানুয়ারি) রাত ১২টা থেকে সর্বাত্মক কর্মবিরতি শুরু করে রেলওয়ের রানিং স্টাফরা। এর ফলে সারা দেশে যাত্রীবাহী ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। দিনভর বন্ধ থাকার পর মধ্যরাতে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে নেন রানিং স্টাফরা।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের তথ্য অনুযায়ী, কর্মবিরতি প্রত্যাহারের পর চট্টগ্রাম স্টেশন থেকে সকাল ৬টার ঢাকাগামী চট্টলা এক্সপ্রেস সকাল ৮টা ১০ মিনিটে ছেড়ে যায়। ঢাকামুখী সুবর্ণ এক্সপ্রেস সাড়ে ৭টার বদলে সাড়ে ৮টায় ছাড়ে। সিলেটগামী পাহাড়িকা এক্সপ্রেস সকাল ৭টা ৫০ মিনিটে চট্টগ্রাম ত্যাগের কথা ছিল। সেটি ৮টা ৫০ মিনিটে ছেড়ে যায়। সকাল ৮টার চাঁদপুরগামী সাগরিকা এক্সপ্রেস গেছে ৯টা ৩৫ মিনিটে। এ ছাড়া জামালপুরগামী বিজয় এক্নপ্রেস সকাল ৯টায় ছাড়ার সূচি থাকলে সেটি সাড়ে ১০টায়

চট্টগ্রাম স্টেশন ত্যাগ করেছে। সকাল ৭টার কক্সবাজার স্পেশাল ট্রেন ১০টা ০৫ মিনিটে ছেড়ে যায়। তবে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকাগামী মহানগর এক্সপ্রেস নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ছেড়ে গেছে। এর আগে, সকাল সাড়ে ৭টায় ও ৭টা ৪০ মিনিটে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়গামী দুটি শাটল ট্রেন রেলস্টেশন ছেড়ে যায়। কর্মবিরতি প্রত্যাহারের পর চট্টগ্রাম রেলস্টেশনে প্রথম ট্রেন আসে চাঁদপুর থেকে মেঘনা এক্সপ্রেস ভোর সাড়ে ৫টায়।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম রেলস্টেশন ছেড়ে যাওয়া লোকাল ট্রেনগুলো ছাড়তেও আধা ঘণ্টা থেকে এক ঘণ্টা বিলম্ব হয়েছে। দুপুরে চট্টগ্রাম রেলস্টেশনের ব্যবস্থাপক আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, কর্মবিরতির কারণে আউটসাইড ওয়ার্ক বন্ধ থাকায় সকালের দিকে শিডিউলে কিছুটা সমস্যা হয়েছে। তবে এখন স্বাভাবিক হয়ে এসেছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মতিউর রহমান চৌধুরী নোয়াব সভাপতি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দৈনিক মানবজমিনের প্রধান সম্পাদক মতিউর রহমান চৌধুরী  মালিকদের সংগঠন- নিউজপেপার্স ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (নোয়াব) এর সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন।

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ