চট্টগ্রাম মহানগর উলামা দলের কর্মী সম্মেলন সম্পন্ন

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগর উলামা দলের কর্মী সম্মেলন মাওলানা মোহাম্মদ শাহ আলম আলকাদেরির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে প্রধান অতিথি ছিলেন, চট্টগ্রাম মহানগর এলডিপি’র আহবায়ক সৈয়দ গিয়াস উদ্দিন আলম। ওলমাদলের মাওলানা আবুল হায়াত নক্সবন্দী ও মোহাম্মদ করিমের উপস্থাপনায় বিশেষ অতিথি ছিলেন, মহানগর

এলডিপি’র আহবায়ক কমিটির সদস্য দোস মোহাম্মদ, কোতোয়ালি থানার সভাপতি মো.আবু সাঈদ,একরামুল করিম ইমন। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন, এনামুউদ্দিন এনাম, নুরুল আমিন, মাওলানা আবদুল রহমান আলকাদেরি, মুহাম্মদ মুছা, মাওলানা মোস্তাক, মাওলানা রবিউল হোসেন,সেলিম, আসলাম,মাসুদ, ওলানা দলের জাহেদ, আবু তালেব,মাওলানা ওয়ায়িছ, মো.সোলায়মান করিম প্রমূূখ।

প্রধান অতিথি বলেন, বাংলাদেশের সাড়া জাগানো রাজনৈতিক দল এলডিপি বাংলাদেশের এক নম্বর নিবন্ধিত দল। সন্ত্রাস ও দুর্নীতমুক্ত, সামাজিক মূল্যবোধের ভিত্তিতে দেশ গঠনে অঙ্গীকারবদ্ধ দল। তিনি বলেন, চট্টগ্রাম মহানগর ওলামা দলও শক্তিশালী দল, ওলামা দলের কার্যক্রমের মাধ্যমে কর্ণেল অলি আহমদ বীরবিক্রমের হাতকে শক্তিশালী করে এলডিপিকে সামনে এগিয়ে নেয়ার আহ্বান জানান। সভায় মাওলানা মুহাম্মদ শাহ্ আলম আলকাদেরিকে সভাপতি, মাওলানা মোহাম্মদ

আবুল হায়াত নক্সবন্দীকে সাধারণ সম্পাদক করে ৩১ সদস্য বিশিষ্ট মহানগর ওলামা দলের কমিটি ঘোষণা করা হয়। শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম ওম্মাহর কল্যাণ কামনায় মিলাদ কিয়াম ও দোয়া মোনাজাতের মাধ্যমে সম্মেলন সম্পন্ন হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

হবিগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রায় হামলার অভিযোগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

হবিগঞ্জে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), র পদযাত্রায় দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের গাড়িবহরে হামলার অভিযোগ উঠেছে।মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এই অভিযোগ করেন।

স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা এই হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে এনসিপি,র পক্ষ থেকে। এছাড়া এতে সাংবাদিক ও এনসিপির একাধিক নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন।
এছাড়া, হামলাকারীরা মোবাইল ফোন ও ক্যামেরাও ছিনিয়ে নিয়ে গেছে বলেও অভিযোগ করেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।

ছাত্র ইউনিয়ন থেকে মেঘমল্লার পদত্যাগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মেঘমল্লার বসু বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে পদত্যাগ করেছেন।ছাত্র ইউনিয়ন থেকে পদত্যাগ করার পর নতুন রাজনৈতিক সংগঠন নেটওয়ার্ক ফর পিপল অ্যাকশন (এনপিএ)-এ যোগ দিয়েছে মেঘমল্লার।

শনিবার ২৫ জুলাই ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শিমুল কুম্ভকারের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে মেঘমল্লার বসুর পদত্যাগের নিশ্চিত করা হয়েছে। এ সময় সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাঈন আহমেদের পদত্যাগের বিষয়টিও জানানো হয়েছে। মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদের জমা দেওয়া পদত্যাগপত্র কেন্দ্রীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ