আজঃ বৃহস্পতিবার ২৯ জানুয়ারি, ২০২৬

কক্সবাজার সরকারি কলেজ অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবি ছাত্রদলের।

কক্সবাজার প্রতিনিধি :

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কক্সবাজার সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো: সোলাইমান এর পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন কলেজ ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান ছাত্রনেতা’রা।

কক্সবাজার প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেন কক্সবাজার সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান ছাত্রনেতা’রা।

সংবাদ সম্মেলনে তারা জানান, গত ২৩ জানুয়ারী বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও তিন বারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিয়ে যেমন খুশি তেমন সাজো প্রতিযোগিতায় ব্যঙ্গাত্মক প্রকাশ করায় জড়িত থাকার অভিযোগে কলেজের অধ্যক্ষ সোলাইমান এর পদত্যাগ এবং প্রতিযোগিতা কমিটির আহবায়ক আজিজুল মোস্তফা ভুলু, সদস্য সচিব মোহাম্মদ নিজাম উদ্দিন ফারুকী, বিচারক কলেজের উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ উদ্দিন, পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মুফিদুল আলম ও প্রতিযোগী সাদিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানাই।

ইতোমধ্যে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে অবগত হয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া সেই প্রতিযোগীতার ভিডিও পর্যালোচনায় দেখা যায়, উক্ত প্রতিযোগী সাদিয়া সুলতানা সৌরভী নিজেকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া পরিচয় দিয়ে উপস্থিত সকলকে নিজের স্বামী বলে আখ্যায়িত করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মারাত্বকভাবে অপমানিত করেছেন। এছাড়া উক্ত প্রতিযোগীতায় অভিনয়ে এদেশের বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এ দেশের মানুষকে বাঁশ দিয়েছিলেন উল্লেখ করে চরমভাবে অপমানিত করেছেন।
এছাড়া আগামীতে বিএনপি রাষ্ট্র ক্ষমতায় গেলে খালেদা জিয়া এদেশের প্রত্যেক মানুষকে ১টি নয় ২টি নয় ৩টি করে বাঁশ দেবেন বলে অভিনয়ের মাধ্যমে এদেশের ১৮ কোটি মানুষের প্রাণপ্রিয় নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে জঘন্যভাবে উপস্থাপন করে তাঁর সম্মানহানি

করেছেন। এছাড়াও তিনি তার অভিনয়ে আগামীতে ক্ষমতায় আসলে কক্সবাজার সরকারি কলেজের ২টি পুকুর ভরাট করে সাংস্কৃতিক আয়োজন করার কথা বলে বেআইনী কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করে এদেশের গণমানুষের আস্থার ঠিকানা জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি ও বিএনপির চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে চরমভাবে অপমানিত করেছেন।

উক্ত ঘটনায় যখন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কক্সবাজার সরকারি কলেজে বর্তমান ও সাবেক নেতৃবৃন্দ অপমানিত ও ক্ষুব্ধ হয়েছেন তখন কক্সবাজার সরকারি কলেজের বর্তমানে ও সাবেক নেতৃবৃন্দ তার প্রতিবাদ জানানোর জন্য গত ২৬ শে জানুয়ারী/২৫ কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের কর্মসূচী ঘোষণা করেন। সেই দিন ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ কলেজ ক্যাম্পাসে শান্তিপূর্ণভাবে কর্মসূচী পালনের জন্য গেলে ফ্যাসিষ্ট সরকারের আমলে নিয়োগকৃত অধ্যক্ষ সোলায়মান পূর্ব পরিকল্পিতভাবে শত শত অছাত্র, নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের বিভিন্ন নেতাকর্মীদের কলেজের ভুয়া আইডি কার্ড তৈরী করে দিয়ে অধ্যক্ষের কার্যালয়ের সামনে জড়ো করে রাখেন এবং ছাত্রদলের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচী বানচালের ব্যর্থ চেষ্টা করেন।

এর ফলে অধ্যক্ষের ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা কলেজের ক্যাম্পাসকে অশান্তপূর্ন করে ভীতিশীল পরিবেশ সৃষ্টির চেষ্টা করেন। যা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রচারিত হয়।

সংবাদ সম্মেলনে তারা আরো জানান, ছাত্রদল সর্বোচ্চ ধৈর্য্য ধারণ করে পূর্ব ঘোষিত বিক্ষোভসমাবেশ ও মিছিলের কর্মসূচী শান্তিপূর্ণ ভাবে পালন করেন। উক্ত কর্মসূচীকে বানচাল করার জন্য অধ্যক্ষ সোলায়মান বহিরাগত, ভাড়াটে নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠনের নেতাদের ভূয়া আইডি কার্ড প্রদান করে যে ভীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছেন তার জন্য তিনি উক্ত পদে থাকার নৈতিকতা হারিয়েছেন। এজন্য বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল কক্সবাজার সরকারি কলেজের বর্তমান ও সাবেক নেতৃবৃন্দ তার পদত্যাগ দাবি করছি। পদত্যাগের মাধ্যমে কলেজের

পড়াশোনা সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবী জানাচ্ছি। উক্ত যেমন খুশি তেমন সাজো ইভেন্ট প্রতিয়োগীতার তালিকায় অনুমোদন দেওয়ার সাংস্কৃতিক প্রতিযোগীতার আহবায়ক, সদস্য সচিব ও বিচারক এবং উক্ত প্রতিযোগীর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক শান্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবী জানাচ্ছি।

উল্লেখ্য যে, উক্ত প্রতিযোগী সাদিয়া সুলতানা সৌরভীকে গত ২০২৪ সালের প্রতিযোগীতার এই ইভেন্টে একই ধরণের অভিনয় করে এই অধ্যক্ষসহ একই কমিটি ও বিচারকবৃন্দ পুরস্কৃত করেছিলেন। তাই সুনিদিষ্ট অভিযোগে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রীকে ব্যাঙ্গাত্মকভাবে প্রকাশ করার অভিযোগে অধ্যক্ষ সোলাইমান এর পদত্যাগ, উপরোক্ত কমিটি এবং অভিনয়কৃত ছাত্রীর বিরুদ্ধে প্রশাসনিক শান্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের পক্ষে কক্সবাজার সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান নেতৃবৃন্দ জোর দাবি জানাচ্ছি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, কক্সবাজার সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি মুজিবুল হক, সাবেক সাধারণ সম্পাদক রাশেদুল হক রাশেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাবীবুল্লাহ হাবীব, সাবেক সভাপতি আব্দুল করিম, সাবেক সভাপতি এম রাশেদুল করিম রাশেদ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ওসমান সরওয়ার রানা, সহ সভাপতি সাইদু সিকদার, সহ সভাপতি মোঃ নাসির উদ্দীন, বর্তমান আহ্বায়ক মোঃ রুবেল মিয়া, সদস্য সচিব কাউছার হাবীব তৌকি, যুগ্ম আহ্বায়ক বোরহান উদ্দিন কিবরিয়া, ক্যাম্পাস ছাত্রদল সভাপতি মো: জায়েদসহ প্রমুখ।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বিএনপি একমাত্র দল যারা যতবার ক্ষমতায় গিয়েছে, ততবার মানুষের জন্য কাজ করেছে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিএনপি দুর্নীতির টুটি চেপে ধরবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, যত পরিকল্পনা গ্রহণ করি, এগুলো বাস্তবায়ন করতে হলে দুটি বিষয় কড়াকড়িভাবে নজর দিতে হবে। একটি হলো, মানুষের নিরাপত্তা। যাতে করে মানুষ নিরাপদে চলাচল করতে পারে। অতীতে বিএনপি যখন দেশ পরিচালনা করেছে, আমাদের কেউ অন্যায় করলেও, আমরা ছাড় দিইনি। রোববার দুপুর ১টা ১৫ মিনিটের দিকে চট্টগ্রাম মহানগরের পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত নির্বাচনী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন।তিনি বলেন, আগামীতে সরকারে গেলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। আরেকটি বিষয়টি হচ্ছে দুর্নীতি। বিএনপি দুর্নীতির টুটি চেপে ধরবে।


অতীতে বেগম খালেদা জিয়া দুর্নীতি দমন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। তাই আগামীতে দুর্নীতি করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। তারেক রহমান বলেন, আগামীতে বিএনপির ওপর আস্থা রাখুন। ধানের শীষে ভোট দিন।
এবার ভোটের আগে তাহাজ্জুদের নামাজ পড়বেন, তারপর কেন্দ্রে যাবেন। সেখানে ফজরের নামাজ পড়ে লাইনে দাঁড়িয়ে যাবেন। গত ১৫ বছর আপনাদের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আবার এরকম একটি ষড়যন্ত্র হচ্ছে। তাই এবার ধানের শীষে ভোট দেন।

তিনি বলেন, আমরা আমাদের প্রতিদ্বন্দ্বী দলের অনেক সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু তাতে কারও পেট ভরবে না। কারও লাভ হবে না। বিএনপি একমাত্র দল যারা যতবার ক্ষমতায় গিয়েছে, ততবার মানুষের জন্য কাজ করেছে। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি রোধে উৎপাদন বাড়াতে হবে। তাই আমরা কৃষকের কাছে কৃষক কার্ড পৌঁছে দিতে চাই। যাতে করে তারা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পায়।


তিনি আরো বলেন, চট্টগ্রামের একটি বড় সমস্যা জলাবদ্ধতা। বিভিন্ন খাল-নালা বন্ধ হওয়ার কারণে এই সমস্যার সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে আমরা খাল কাটতে চাই। আপনারা কী আমাদের সঙ্গে খাল কাটা কর্মসূচিতে যোগ দিতে চান?। চট্টগ্রামে একাধিক ইপিজেড রয়েছে। যেখানে লাখ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে। এগুলো বিএনপির আমলে হয়েছিল। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আবার আমাদের ভোট দিয়ে ক্ষমতায় আনেন, তাহলে আরও ইপিজেড করা হবে। সবমিলিয়ে চট্টগ্রাম হবে বাণিজ্যিক রাজধানী।

ফরিদপুরে স্কুল শিক্ষার্থী সুরাইয়া হ-ত্যা-র বিচার দাবিতে হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে মানববন্ধন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ফরিদপুর উপজেলায় অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থী মোছা. সুরাইয়া খাতুন হ-ত্যা-র প্রতিবাদ ও হ-ত্যা-র সাথে জড়িতদের ফাঁ-সি-র দাবিতে বি-ক্ষো-ভ মিছিল ও মানববন্ধন করেছেন স্বজন, সহপাঠী ও এলাকাবাসী।
ফরিদপুর উপজেলার জন্তিহার খেলার মাঠে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও গ্রামবাসীদের আয়োজনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়।


এ সময় জন্তিহার গ্রামের বাসিন্দা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রদল নেতা, শিক্ষক সাংবাদিক ও সমাজকর্মী এস এম নাহিদ হাসানের ছায়া নির্দেশনায়, মানববন্ধনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার কালিয়াকৈর আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মচারী, শিক্ষার্থী ও ফরিদপুর উপজেলার জন্তিহার গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করে। ব্যানার-ফ্যাস্টুন হাতে ঘণ্টাব্যাপী চলা মানবন্ধনে বক্তারা নি-হ-ত সুরাইয়ার হ-ত্যা-র সাথে জড়িতদের দ্রুততম সময়ের মধ্যে বিচারের দাবি জানান। তা না হলে, আগামীতে বৃহত্তর আন্দোলনের ঘোষণা দেন বক্তারা।

আলোচিত খবর

ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

অনেক জল্পনা – কল্পনার অবসান ঘটিয়ে প্রায় দুই দশক ধরে ব্যাপক আলোচনার পরে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবং ভারত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। ভারত-ইইউ মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত হল যখন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ব্যবসা- বাণিজ্যে সম্পর্কের টানাপড়েন চলছে। এই চুক্তির মধ্যদিয়ে ইউরোপের ২৭টি দেশের সঙ্গে জনসংখ্যার বিচারে বিশ্বের বৃহত্তম দেশ ভারতের পণ্যের মুক্ত বাণিজ্য চলবে। ভারত এবং ইইউ সম্মিলিতভাবে বিশ্বের ২৫ শতাংশ মোট দেশজ উৎপাদন তাদের দখলে রেখেছে। দু’পক্ষের কাছে আছে দুশো কোটি ক্রেতার এক অতি বৃহৎ বাজার।

ইউরোপীয় পার্লামেন্ট এবং ইইউ-র সদস্য দেশগুলি এই চুক্তিতে মান্যতা দিলে তারপরেই এবছরেরই পরের দিকে চুক্তি সই হতে পারে।এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে বিভিন্ন পণ্য ও পরিষেবায় বিপুল অঙ্কের শুল্ক কম হবে, আবার সামরিক ক্ষেত্রেও ভারত আর ইউরোপীয় ইউনিয়নের মধ্যে সহযোগিতা বৃদ্ধি পাবে।

ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট এন্তোনিয়ো লুই সান্তোস দ্য কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উর্সুলা ভন ডের লেয়ন ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দিল্লিতে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হন।ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন – আজ ভারতের ইতিহাসে বৃহত্তম মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি চূড়ান্ত করেছে। আজ ২৭ তারিখ আর এটা অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ যে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ২৭টি দেশের সঙ্গে ভারত এই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি সম্পন্ন করল।
সংগৃহীত –

আরও পড়ুন

সর্বশেষ