আজঃ শুক্রবার ১ মে, ২০২৬

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতাল লিমিটেডের নতুন আঙ্গিকে আধুনিক চিকিৎসা সেবার প্রত্যয়ে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতাল লিমিটেড-এর BMRE (Balancing, Modernization, Rehabilitation & Expansion) project আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছে গতকাল ১৪ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সন্ধ্যায় নগরের জিইসি কনভেনশন হলে।

হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডা: এ কিউ এম মোহসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কমিটির নায়েব আমীর ডা: সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো : তাহের, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা: শাহাদাত হোসেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগর আমির মাওলানা শাহজাহান চৌধুরী, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের প্রেসিডেন্ট এস এম মোরশেদ হোসেন।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন হাসপাতালের ব্যবস্হাপনা পরিচালক প্রফেসর ডা: এ কে এম ফজলুল হক।
বক্তারা বলেন, হাসপাতালের উন্নয়নের ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন একটি নতুন মাইলফলক, যা আধুনিক চিকিৎসা সেবার পরিধি বাড়িয়ে চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যসেবাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে। সেবার মান উন্নত করতে ও রোগীদের আরও ভালো চিকিৎসা সুবিধা দেওয়ার জন্য ২০ তলা বিশিষ্ট মেডিকেল গ্রেড একটি নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়, যা আধুনিক প্রযুক্তি ও সুযোগ-সুবিধার সমন্বয়ে তৈরি। নতুন ভবনটি শুধু স্থাপত্যগত দিক থেকে নয়, বরং স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নের দিক থেকেও এক গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। এর মাধ্যমে হাসপাতালের বেডসংখ্যা ১৩৫ বেড থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২৫০ বেডে উন্নিত হল।
তারা আরও বলেন, এখানে সর্বাধুনিক প্রযুক্তিসমৃদ্ধ বিশ্বমানের ডায়াগনস্টিক সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে যা আধুনিক চিকিৎসা সেবার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করল। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, বিশ্বমানের চিকিৎসা সরঞ্জাম ও দক্ষ বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে এই সেন্টারটি রোগ নির্ণয় ও নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যসেবার নতুন মানদণ্ড স্থাপন করতে প্রস্তুত।
4th Generation 3 Tesla MRI Machine, 128 Slice Spiral CT Scan Machine, Modular OT, Modular System ICU, HDU, CCU, PCCU, CICU, World Standard Diagniostic Laboratory সহ সর্বাধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম সংযোজন করা হয়েছে।
বর্তমান যুগ প্রযুক্তির যুগ, এবং স্বাস্থ্যসেবাও তার ব্যতিক্রম নয়।এই হাসপাতাল ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা ও স্মার্ট’ হসপিটাল ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে রোগীদের সর্বোত্তম সেবা প্রদান করবে চট্টগ্রামে।
তারা আরও বলেন, হাসপাতালের মূল লক্ষ্য হলো রোগীদের দ্রুত, নির্ভুল ও মানসম্মত চিকিৎসা প্রদান করা। এর জন্য হাসপাতালে চালু করা হয়েছে ডিজিটাল হেলথ রেকর্ড (EHR), যা রোগীর সম্পূর্ণ চিকিৎসা তথ্য একটি নিরাপদ ডাটাবেজে সংরক্ষণ করবে, যাতে যে কোনো সময় ডাক্তার সহজেই রোগীর পূর্বের চিকিৎসার ইতিহাস পর্যালোচনা করতে পারেন।
এছাড়া, স্মার্ট অ্যাপয়েন্টমেন্ট সিস্টেম এর মাধ্যমে রোগীদের অনলাইনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট দেওয়ার কাজও চলমান রয়েছে, যা তাদের সময় ও ভোগান্তি কমাবে। টেলিমেডিসিন সেবা রোগীদের ঘরে বসেই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণের সুযোগ দেবে। আধুনিক হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়েছে, যা চিকিৎসা প্রদান, ওষুধ সরবরাহ, রোগীর বিলিং ও অন্যান্য প্রশাসনিক কার্যক্রম সহজ ও স্বচ্ছ করেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং ইন্টারনেট অফ থিংস প্রযুক্তির মাধ্যমে রোগ নির্ণয় এবং রোগীদের নিরবচ্ছিন্ন পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করা হবে। এটি শুধু একটি হাসপাতাল নয়, বরং একটি ভবিষ্যৎমুখী স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান, যেখানে সেবার গুণগত মান নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তারা আরও বলেন, আজ থেকে কোম্পানির নতুন নাম চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতাল লিঃ থেকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন স্পেশালাইজড হসপিটাল লিঃ এ রূপান্তিত হল। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন স্পেশালাইজড হসপিটাল লিঃ সংযোজনগুলো হলঃ
• Metropolitan Specialty Heart Center,
• Metropolitan Specialty Center for Kidney Diseases,
• Metropolitan Specialty Women’s Hospital Center with Neonatology & Pediatrics with Most Modern NICU & PICU,
• Metropolitan Specialty Center for Gastroenterology,
Metropolitan Specialty Center for Orthopaedics & Trauma,
Metropolitan Specialty Center for Neuroscience,
Metropolitan Specialty Center for Physical Medicine & Rehabilitation
• Metropolitan Specialty Center for Diabetes & Endrocrine Diseases
World Standard Cathlab
World Standard Cardiac Surgery
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতাল লিঃ ইতোমধ্যে এর সুদীর্ঘ-৩৬ বছরের ঐতিহ্য, অবস্থান, বিশ্বমানের আধুনিক প্রযুক্তি, সুপরিসর রুম, আধুনিক অবকাঠামো, দক্ষ জনশক্তি, Sound Administration, Fair Financial Management এবং Personnel Management ইত্যাদির মাধ্যমে বৃহত্তর চট্টগ্রাম এবং নোয়াখালীর একটা বৃহৎ জনগোষ্টির কাছে স্বাস্থ্যসেবায় আস্থা ও নির্ভরতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। চট্টগ্রামে প্রথম বেসরকারী পর্যায়ে CCU, ICU, HDU, Cardiac Surgery এবং Cathlab সহ, Complete Heart Center চালু করেছে। BMRE তে আমরা ২টি Cathlab এর provision রেখেছে, experienced cardiac team এর Slogan হচ্ছে “Opening the Door to a New Life”
উদ্বোধন উপলক্ষে আলোচনা সভা শেষে মেজবানি অনুষ্ঠিত হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

স্বাস্থ্যসেবা জ্বালানি বরাদ্দ না থাকায় ১৫ উপজেলায় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে চলছেনা জেনারেটর

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

: তীব্র লোডশেডিংয়েও জ্বালানি বরাদ্দ না থাকায় চট্টগ্রামের ১৫টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জেনারেটর থাকলেও তা চালু করা যাচ্ছে না।যার ফলে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হচ্ছে।

লোডশেডিংয়ের মধ্যে জ্বালানি বরাদ্দ প্রসঙ্গে চট্টগ্রামের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ তৌহিদুল আনোয়ার বলেন, জেনারেটরের জন্য একেবারে জ্বালানি বরাদ্দ নেই-এমন নয়। দুটি খাতে জ্বালানি বরাদ্দ দেওয়া হয়-একটি যানবাহনের জন্য, অন্যটি হাসপাতালের গ্যাস বাবদ। তবে তীব্র লোডশেডিংয়ের কারণে জ্বালানির চাহিদা বেড়ে গেছে, যা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ পর্যাপ্তভাবে বিবেচনায় নিচ্ছে না। ফলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।

জানা গেছে, জ্বালানি সংকটে চট্টগ্রামে বন্ধ রয়েছে ১০টি বিদ্যুৎকেন্দ্র। তীব্র লোডশেডিংয়ে নাকাল পুরো দেশ। এর প্রভাব পড়েছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতেও।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির ঘাটতির কারণে জরুরি স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।

এতে রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। এদিকে, গত এক সপ্তাহে নগরীর তুলনায় উপজেলাগুলোতে লোডশেডিংয়ের অবস্থা সবচেয়ে খারাপ বলে জানিয়েছেন পল্লী বিদ্যুৎ কর্মকর্তারা। কোথাও কোথাও দিনে-রাতে মিলিয়ে ৭ থেকে ১০ ঘণ্টারও বেশি সময় বিদ্যুৎ থাকছে না। ঘনঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে জরুরি বিভাগ, ল্যাব পরীক্ষা ও অন্যান্য সেবায় বিঘ্ন ঘটছে। বিশেষ করে রাতের পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়ে পড়ে। এতে শিশু ও বয়স্ক রোগীরা মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।

উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জ্বালানির জন্য স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (অর্থ) থেকে আলাদা কোনো বরাদ্দ থাকে না। ফলে কর্মকর্তারা হাসপাতালের অন্যান্য খাতের বরাদ্দ থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করে জেনারেটর চালু রাখার চেষ্টা করেন। তবে দিনে ৬ থেকে ৭ ঘণ্টা লোডশেডিং হওয়ায় জ্বালানি অপ্রতুল হয়ে পড়ছে।

পটিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্মকর্তা ডা. আবু তৈয়ব বলেন, সারা দেশের মতো লোডশেডিংয়ের প্রভাব আমাদের হাসপাতালেও পড়েছে। পর্যাপ্ত জ্বালানি না থাকায় রোগীদের সেবায় বিঘ্ন ঘটছে। তারপরও আমরা সাধ্যমতো সেবা দিয়ে যাচ্ছি।রাউজান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল কর্মকর্তা ডা. টিপলু কান্তি বলেন, আমরা জেনারেটর চালাতে পারছি না। লোডশেডিং বেশি হওয়ায় আইপিএস ব্যবহার করছি।

এদিকে হাসপাতালের জ্বালানি সংকট নিয়ে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জরুরি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানগুলোকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করা জরুরি। পাশাপাশি বিকল্প জ্বালানি ব্যবস্থার ওপর গুরুত্ব বাড়ানোর পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর জেনারেল ম্যানেজার নুর মোহাম্মদ বলেন, লোডশেডিং এখন সারা দেশের সমস্যা। তারপরও আমরা হাসপাতাল ও জরুরি সেবাকেন্দ্রগুলোতে লোডশেডিং কম রাখার চেষ্টা করছি। এ বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে নতুন নির্দেশনা এসেছে, যাতে জরুরি স্থাপনাগুলোতে পৃথক লাইন চালুর কথা বলা হয়েছে।

চট্টগ্রামে আরো ২৩ শিশু হাসপাতালে : হামের উপসর্গ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ২৩ শিশুকে চট্টগ্রামের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ছাড়া দুই শিশুর হাম শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে শনিবার পর্যন্ত চট্টগ্রামের সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন হাসপাতালে ৯২ শিশু চিকিৎসাধীন। আর হাম শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ৪১ জনে দাঁড়িয়েছে।এরমধ্যে সম্প্রতি এক শিশু মারা গেছে।
শনিবার বিকেলে চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন কার্যালয়ের দৈনিক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়।

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. জাহাঙ্গীর আলম জানান, শনিবার হাম শনাক্ত ও সন্দেহজনক ৯২ শিশু ভর্তি আছে। এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে বাসায় ফিরেছে ১৯ শিশু।নতুন করে এদিন হাম পরীক্ষার জন্য নমুনা দিতে কেউ না এলেও এ পর্যন্ত নমুনা সংগ্রহের পর পরীক্ষার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে ৪১৩টি। এরমধ্যে এখন পর্যন্ত ৪১ জনের হাম শনাক্ত হয়।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ