চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতাল লিমিটেডের নতুন আঙ্গিকে আধুনিক চিকিৎসা সেবার প্রত্যয়ে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন

প্রেস রিলিজ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতাল লিমিটেড-এর BMRE (Balancing, Modernization, Rehabilitation & Expansion) project আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়েছে গতকাল ১৪ ফেব্রুয়ারি শুক্রবার সন্ধ্যায় নগরের জিইসি কনভেনশন হলে।

হাসপাতালের চেয়ারম্যান ডা: এ কিউ এম মোহসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কেন্দ্রীয় কমিটির নায়েব আমীর ডা: সৈয়দ আব্দুল্লাহ মো : তাহের, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা: শাহাদাত হোসেন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগর আমির মাওলানা শাহজাহান চৌধুরী, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালের প্রেসিডেন্ট এস এম মোরশেদ হোসেন।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন হাসপাতালের ব্যবস্হাপনা পরিচালক প্রফেসর ডা: এ কে এম ফজলুল হক।
বক্তারা বলেন, হাসপাতালের উন্নয়নের ক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন একটি নতুন মাইলফলক, যা আধুনিক চিকিৎসা সেবার পরিধি বাড়িয়ে চট্টগ্রামের স্বাস্থ্যসেবাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাবে। সেবার মান উন্নত করতে ও রোগীদের আরও ভালো চিকিৎসা সুবিধা দেওয়ার জন্য ২০ তলা বিশিষ্ট মেডিকেল গ্রেড একটি নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়, যা আধুনিক প্রযুক্তি ও সুযোগ-সুবিধার সমন্বয়ে তৈরি। নতুন ভবনটি শুধু স্থাপত্যগত দিক থেকে নয়, বরং স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নের দিক থেকেও এক গুরুত্বপূর্ণ সংযোজন। এর মাধ্যমে হাসপাতালের বেডসংখ্যা ১৩৫ বেড থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ২৫০ বেডে উন্নিত হল।
তারা আরও বলেন, এখানে সর্বাধুনিক প্রযুক্তিসমৃদ্ধ বিশ্বমানের ডায়াগনস্টিক সেন্টার স্থাপন করা হয়েছে যা আধুনিক চিকিৎসা সেবার এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করল। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি, বিশ্বমানের চিকিৎসা সরঞ্জাম ও দক্ষ বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে এই সেন্টারটি রোগ নির্ণয় ও নির্ভরযোগ্য স্বাস্থ্যসেবার নতুন মানদণ্ড স্থাপন করতে প্রস্তুত।
4th Generation 3 Tesla MRI Machine, 128 Slice Spiral CT Scan Machine, Modular OT, Modular System ICU, HDU, CCU, PCCU, CICU, World Standard Diagniostic Laboratory সহ সর্বাধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম সংযোজন করা হয়েছে।
বর্তমান যুগ প্রযুক্তির যুগ, এবং স্বাস্থ্যসেবাও তার ব্যতিক্রম নয়।এই হাসপাতাল ডিজিটাল স্বাস্থ্যসেবা ও স্মার্ট’ হসপিটাল ম্যানেজমেন্টের মাধ্যমে রোগীদের সর্বোত্তম সেবা প্রদান করবে চট্টগ্রামে।
তারা আরও বলেন, হাসপাতালের মূল লক্ষ্য হলো রোগীদের দ্রুত, নির্ভুল ও মানসম্মত চিকিৎসা প্রদান করা। এর জন্য হাসপাতালে চালু করা হয়েছে ডিজিটাল হেলথ রেকর্ড (EHR), যা রোগীর সম্পূর্ণ চিকিৎসা তথ্য একটি নিরাপদ ডাটাবেজে সংরক্ষণ করবে, যাতে যে কোনো সময় ডাক্তার সহজেই রোগীর পূর্বের চিকিৎসার ইতিহাস পর্যালোচনা করতে পারেন।
এছাড়া, স্মার্ট অ্যাপয়েন্টমেন্ট সিস্টেম এর মাধ্যমে রোগীদের অনলাইনে অ্যাপয়েন্টমেন্ট দেওয়ার কাজও চলমান রয়েছে, যা তাদের সময় ও ভোগান্তি কমাবে। টেলিমেডিসিন সেবা রোগীদের ঘরে বসেই বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ গ্রহণের সুযোগ দেবে। আধুনিক হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার ব্যবহার করা হয়েছে, যা চিকিৎসা প্রদান, ওষুধ সরবরাহ, রোগীর বিলিং ও অন্যান্য প্রশাসনিক কার্যক্রম সহজ ও স্বচ্ছ করেছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) এবং ইন্টারনেট অফ থিংস প্রযুক্তির মাধ্যমে রোগ নির্ণয় এবং রোগীদের নিরবচ্ছিন্ন পর্যবেক্ষণ নিশ্চিত করা হবে। এটি শুধু একটি হাসপাতাল নয়, বরং একটি ভবিষ্যৎমুখী স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান, যেখানে সেবার গুণগত মান নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তারা আরও বলেন, আজ থেকে কোম্পানির নতুন নাম চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতাল লিঃ থেকে চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন স্পেশালাইজড হসপিটাল লিঃ এ রূপান্তিত হল। চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন স্পেশালাইজড হসপিটাল লিঃ সংযোজনগুলো হলঃ
• Metropolitan Specialty Heart Center,
• Metropolitan Specialty Center for Kidney Diseases,
• Metropolitan Specialty Women’s Hospital Center with Neonatology & Pediatrics with Most Modern NICU & PICU,
• Metropolitan Specialty Center for Gastroenterology,
Metropolitan Specialty Center for Orthopaedics & Trauma,
Metropolitan Specialty Center for Neuroscience,
Metropolitan Specialty Center for Physical Medicine & Rehabilitation
• Metropolitan Specialty Center for Diabetes & Endrocrine Diseases
World Standard Cathlab
World Standard Cardiac Surgery
চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতাল লিঃ ইতোমধ্যে এর সুদীর্ঘ-৩৬ বছরের ঐতিহ্য, অবস্থান, বিশ্বমানের আধুনিক প্রযুক্তি, সুপরিসর রুম, আধুনিক অবকাঠামো, দক্ষ জনশক্তি, Sound Administration, Fair Financial Management এবং Personnel Management ইত্যাদির মাধ্যমে বৃহত্তর চট্টগ্রাম এবং নোয়াখালীর একটা বৃহৎ জনগোষ্টির কাছে স্বাস্থ্যসেবায় আস্থা ও নির্ভরতা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। চট্টগ্রামে প্রথম বেসরকারী পর্যায়ে CCU, ICU, HDU, Cardiac Surgery এবং Cathlab সহ, Complete Heart Center চালু করেছে। BMRE তে আমরা ২টি Cathlab এর provision রেখেছে, experienced cardiac team এর Slogan হচ্ছে “Opening the Door to a New Life”
উদ্বোধন উপলক্ষে আলোচনা সভা শেষে মেজবানি অনুষ্ঠিত হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

মির্জা ফখরুল রথযাত্রার অনুষ্ঠানে হঠাৎ অসুস্থ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রথযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। পরে তাকে দ্রুত বাসায় নিয়ে যাওয়া হয়। চিকিৎসকের পরামর্শে তিনি বর্তমানে বিশ্রামে রয়েছেন।

১৬ জুলাই বিকেলে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ইস্কন) আয়োজিত রথযাত্রার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মির্জা ফখরুল। বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে প্রচণ্ড গরমের মধ্যে তিনি অসুস্থ বোধ করলে অনুষ্ঠানস্থল থেকেই তাকে দ্রুত বাসায় নেওয়া হয়।

বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী বিএনপি মহাসচিব বর্তমানে বাসায় বিশ্রামে আছেন, তার শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন।

কুষ্টিয়ায় নষ্ট দাঁত রেখে তুলে ফেলা হলো সুস্থ দাঁত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওরাল অ্যান্ড ম্যাক্সিলোফেসিয়াল সার্জারি বিভাগে এক রোগীর নষ্ট দাঁতের পরিবর্তে সুস্থ দাঁত তুলে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় চিকিৎসায় গুরুতর অবহেলা, অস্ত্রোপচারের সময় চিকিৎসকের অনুপস্থিতি এবং এবং চিকিৎসা-নৈতিকতা লঙ্ঘনের অভিযোগ করেছেন রোগীর পরিবার। তারা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

ভুক্তভোগী আনোয়ারা খাতুন কল্পনা জানান, গত ১ জুলাই তীব্র দাঁতের ব্যথা নিয়ে তিনি কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বহির্বিভাগে চিকিৎসা নিতে যান। সেখানে সহকারী ডেন্টাল সার্জন ডা. শারমিন জাহান পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর জানান, তার একটি দাঁতে বড় ধরনের ক্ষয় (ক্যাভিটি) হয়েছে এবং সেটি অপসারণ ছাড়া অন্য কোনো কার্যকর চিকিৎসা নেই। পরে তাকে ১২ জুলাই হাসপাতালে এসে দাঁত অপসারণের জন্য নির্ধারিত তারিখ দেওয়া হয়।

পরিবারের সদস্যদের দাবি, নির্ধারিত দিনে অস্ত্রোপচারের পরও আনোয়ারা খাতুনের ব্যথা কমেনি। বরং ব্যথা আরও তীব্র হলে দুই দিন পর তিনি অন্য এক দন্ত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন। সেখানে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর চিকিৎসক জানান, যে দাঁতটি ক্ষতিগ্রস্ত ছিল সেটি অক্ষত রয়েছে। এর পরিবর্তে পাশের একটি সম্পূর্ণ সুস্থ দাঁত তুলে ফেলা হয়েছে।

রোগীর ছেলে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক মোঃ আসাদুজ্জামান অভিযোগ করেন, দাঁত অপসারণের দিন অপারেশন কক্ষের দায়িত্বে ছিলেন সহযোগী অধ্যাপক ডা. চন্দন কুমার পাল। কিন্তু তিনি অপারেশন কক্ষে উপস্থিত হওয়ার আগেই তার সহকারী একের পর এক কয়েকজন রোগীর দাঁত অপসারণ করেন।

তার ভাষ্য, “আমার মায়ের অস্ত্রোপচারের আগে ডা. চন্দন কুমার পাল মাত্র এক মিনিটের মতো অপারেশন কক্ষে অবস্থান করেন ও পরে চলে যান। এরপর তিনি পাশের কক্ষে বসে ফোন ব্রাউজ করছিলেন, সেই সময় তার সহকারী কোন চিকিৎসকের সরাসরি তত্ত্বাবধান ছাড়াই রোগীদের দাঁত অপসারণ করেন। আমি বিষয়টি দেখে আমার পরিচয় এবং মায়ের চিকিৎসার বিষয়টি বললে তিনি বলেন, ‘কোনো সমস্যা নেই, আমার সহকারীই করতে পারবে।'”

তিনি আরও বলেন, “অস্ত্রোপচারের পরও মায়ের ব্যথা না কমায় আমরা অন্য চিকিৎসকের কাছে যাই। তখন জানতে পারি, যে দাঁতটি তোলার কথা ছিল সেটি রয়ে গেছে, আর পাশের ভালো দাঁতটি তুলে ফেলা হয়েছে। এটি শুধু একটি চিকিৎসাগত ভুল নয়, একজন রোগীর প্রতি চরম অবহেলার উদাহরণ।”

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, “আমি একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে নিজের পরিচয় দেওয়ার পরও যদি এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়, তাহলে সাধারণ রোগীরা কী ধরনের চিকিৎসাসেবা পাচ্ছেন, তা নিয়ে বড় প্রশ্ন থেকেই যায়।”

এ অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সহযোগী অধ্যাপক ডা. চন্দন কুমার পাল অভিযোগের বিষয়ে স্পষ্ট কোনো ব্যাখ্যা দেননি। তিনি শুধু বলেন, “রোগীকে আগামী শনিবার নিয়ে আসুন, দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তবে অভিযোগের বিষয়ে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। রোগীর পরিবার ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত, দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

তিনি আরো উল্লেখ করেন, চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, দাঁত অপসারণের আগে রোগীর পরিচয়, সংশ্লিষ্ট দাঁতের অবস্থান এবং চিকিৎসা পরিকল্পনা একাধিক ধাপে নিশ্চিত করা আন্তর্জাতিক চিকিৎসা-প্রোটোকলের অংশ। এ ধরনের ভুল রোগীর জন্য দীর্ঘমেয়াদি শারীরিক ও মানসিক ভোগান্তির কারণ হতে পারে। তাই অভিযোগের সত্যতা নিরূপণে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন।

আলোচিত খবর

নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন ৩১ জুলাই পর্যন্ত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির সুযোগ পাচ্ছেন নিবন্ধিত না হওয়া নাগরিকরা। আগামী ৩১ জুলাই পর্যন্ত নতুন ভোটার হওয়ার আবেদন গ্রহণ করা হবে। ইসি জানিয়েছে, ২০০৮ সালের ৩১ জুলাই বা তার আগে জন্মগ্রহণকারী যেকোনো ব্যক্তি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন করলে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পাবেন। স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখেই এ কার্যক্রম পরিচালনা করছে নির্বাচন কমিশন।

এদিকে নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৯ আগস্ট খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা এবং উপজেলা বা থানা নির্বাচন অফিসে তালিকাটি প্রদর্শন করা হবে। তালিকায় নাম বাদ পড়া বা তথ্যগত ভুল থাকলে সংশ্লিষ্টরা ২৪ আগস্ট পর্যন্ত নতুন অন্তর্ভুক্তি বা তথ্য সংশোধনের আবেদন করতে পারবেন। সব আপত্তি নিষ্পত্তি শেষে ৩১ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে ১০ আগস্ট খসড়া ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করা হবে। এরপর আপত্তি গ্রহণ ও যাচাই-বাছাই শেষে ২৭ আগস্ট চূড়ান্ত ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশ করবে নির্বাচন কমিশন। এ-সংক্রান্ত নির্দেশনা সিনিয়র সহকারী সচিব মো. রশিদ মিয়া স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে জানানো হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনার আবদুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, আগামী অক্টোবর থেকে ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচন দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ লক্ষ্যে আগস্টের মাঝামাঝি বা শেষ সপ্তাহে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হতে পারে।

বর্তমানে দেশে মোট ভোটারের সংখ্যা ১২ কোটি ৮৩ লাখ ২৩ হাজার ২৪০ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৬ কোটি ৫২ লাখ ১২ হাজার ৭৩১ জন, নারী ভোটার ৬ কোটি ৩১ লাখ ৯ হাজার ২৬৬ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ১ হাজার ২৪৩ জন

আরও পড়ুন

সর্বশেষ