আজঃ মঙ্গলবার ২৪ মার্চ, ২০২৬

উভয় পক্ষের অন্তত পাঁচজন আহত ।

গাজীপুরের কালিয়াকৈরে ঝুট ব্যবসাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উপজেলার তেলিরচালা এলাকার লগুজ এপারেলস লিমিটেড কারখানার ঝুট ব্যবসা দখল করারকে কেন্দ্র করে এই ঘটনা ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত ৫ আগস্টের পর থেকে লগুজ এপারেলস লিমিটেড কারখানার ঝুট কোনো দলেরই নিয়ন্ত্রণে ছিল না। সম্প্রতি বিএনপির ঢাকা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী ছাইয়েদুল আলম বাবুল ও গাজীপুর জেলা বিএনপির সদস্য সচিব চৌধুরী ইসরাক আহমেদ সিদ্দিকী সমর্থিত স্থানীয় বিএনপির দুটি গ্রুপ মরিয়া হয়ে ওঠেন ওই কারখানার ঝুটের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ নিতে।

শনিবার সকাল থেকেই কাজী ছাইয়েদুল আলম বাবুলের সমর্থক গাজীপুর জেলা যুবদলের বহিষ্কৃত সদস্য সচিব এডভোকেট রফিকুল ইসলাম ও তার কয়েকজন সমর্থক এবং চৌধুরী ইসরাক আহমেদ সিদ্দিকীর সমর্থক নজরুল ইসলাম ও তার কয়েকজন সমর্থক দফায় দফায় লগুজ এপারেলস লিমিটেড কারখানার সামনে মহড়া দেয়। মহড়ার এক পর্যায়ে দুই গ্রুপের সংঘর্ষ বাধে। এতে উভয় গ্রুপের অন্তত ১০ জন আহত হয়। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে কালিয়াকৈর থানা পুলিশ ঘটনা স্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে ওই এলাকায়।

এ বিষয়ের বিএনপি নেতা নজরুল ইসলাম বলেন, ‘বহিষ্কৃত যুবদল নেতা রফিকুল ইসলামের নেতৃত্বে ওই কারখানা থেকে ঝুটের মালামাল বের করতে গেলে স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা বাধা দেয়। এতে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে অন্তত দশজন আহত হয়েছেন।’

এডভোকেট রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘কাজী ছাইদুল আলম বাবুলের সমর্থক মোশারফ হোসেনের নামে কারখানা কর্তৃপক্ষ ঝুটের মালামালের ডিউ করে। পরে কারখানা থেকে মালামাল বের করতে গেলে অন্যরা বাধা দেয়। সকলেই দলীয় লোক, সামান্য ধাক্কা-ধাক্কির ঘটনা ঘটেছে। তবে কয়েকজন সমান্য আহত হয়েছে। তাদের প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।’

কালিয়াকৈর থানার মৌচাক পুলিশ ফাড়ির ইনচার্জ মো. আব্দুস সালাম জানান, বিএনপি নেতা কাজী সাইয়েদুল আলম বাবুল ও চৌধুরী ইসরাক আহমেদ সিদ্দিকীর দুগ্রুপ কারখানাটির ঝুটের ব্যবসা নিয়ন্ত্রণে নিতে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। ঘটনাস্থল গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে। কোনো পক্ষ অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রিয়াদ মাহমুদ জানান, দুইপক্ষের মধ্যে সামান্য উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল। ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে দুইপক্ষকে শান্ত করেছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। কেউ অভিযোগ করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নেত্রকোনা কুকুরের কামড়ে আহত অন্তত, হাসপাতালে ভ্যাকসিন সংকট।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় হঠাৎ করেই বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। রাস্তাঘাটে বিনা উসকানিতে পথচারীদের ওপর আক্রমণ করছে এসব কুকুর। এতে পুরো উপজেলাজুড়ে সাধারণ মানুষের মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিশেষ করে শিশু ও কিশোর-কিশোরীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে পড়েছে। কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে হাসপাতালে ছুটছেন সাধারণ মানুষ, তবে সেখানেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত সরকারি ভ্যাকসিন।

সোমবার (২৩ মার্চ) কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, গতকাল (রবিবার) সকাল থেকে দিনভর অন্তত ৭ জনকে কুকুরের কামড়ে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

তবে স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র বলছে, প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি। পুরো উপজেলায় অন্তত ২০ জন কুকুরের হামলার শিকার হয়েছেন। এদের অনেকেই স্থানীয় ফার্মেসি বা পল্লি চিকিৎসকদের কাছে প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ায় তাদের তথ্য হাসপাতালের খাতায় আনুষ্ঠানিকভাবে নথিভুক্ত হয়নি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আক্রান্তদের মধ্যে বেশিরভাগই শিশু এবং ১৫ বছরের কম বয়সী কিশোর-কিশোরী। ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা জানান, এলাকার অধিকাংশ কুকুরই পূর্ণবয়স্ক এবং অত্যন্ত আক্রমণাত্মক হয়ে উঠেছে। রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় বিনা উসকানিতেই কুকুরগুলো পথচারীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অনেকেই ঘর থেকে বের হতে ভয় পাচ্ছেন। শিশুদের স্কুলে পাঠানো নিয়েও দুশ্চিন্তায় পড়েছেন অভিভাবকরা।

কুকুরের কামড়ে আহতদের জন্য সবচেয়ে জরুরি হলো জলাতঙ্ক প্রতিরোধক ভ্যাকসিন বা অ্যান্টি-র‍্যাবিস ভ্যাকসিন। কিন্তু কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এই ভ্যাকসিনের কোনো সরবরাহ নেই। ফলে আহত রোগীদের বাধ্য হয়ে বাইরের ফার্মেসি থেকে উচ্চমূল্যে এই ভ্যাকসিন কিনতে হচ্ছে। এতে নিম্নবিত্ত ও সাধারণ মানুষ চরম আর্থিক ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাইম হাসান হতাশা প্রকাশ করে বলেন, “সরকারিভাবে কুকুরের ভ্যাকসিন শুধুমাত্র বিশেষায়িত হাসপাতাল ও জেলা সদরেই সরবরাহ করা হয়। উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এই ভ্যাকসিন সরবরাহের কোনো ব্যবস্থা নেই।

কুকুরের এমন উপদ্রবে আহত হয়েছেন সাংবাদিক কাউসার তালুকদারসহ স্থানীয় বেশ কয়েকজন বাসিন্দা। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অবিলম্বে কুকুরগুলোর উপদ্রব বন্ধে প্রশাসনের কাছে কার্যকর ও দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।

সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং পৌর প্রশাসক মো. রিফাতুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “কুকুরের উপদ্রবের বিষয়টি নিয়ে আমরা ইতিমধ্যে আলোচনা করেছি। খুব শিগগিরই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তিনি সবাইকে রাস্তাঘাটে সতর্কতার সঙ্গে চলাফেরা করার পরামর্শ দিয়েছেন।

সচেতন মহলের মতে, বর্তমান এমন ভীতিকর পরিস্থিতিতে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগই পারে কুকুর আতঙ্ক দূর করে জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে।

মুনশী আব্দুর রহমান মিয়া মসজিদ” এর কার্যনির্বাহী কমিটি ২০২৬ – ২০২৮ গঠিত হয়েছে ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

উপমহাদেশের প্রসিদ্ধ আলেম মুনশী আব্দুর রহমানের প্রপৌত্র , বীরমুক্তিযোদ্ধা শিক্ষাবিদ সালাউদ্দিন মিয়ার সন্তান, বদরপুর মহাবিদ্যালয়ের সিনিয়র প্রভাষক কবি শাহাবুদ্দিন রিপন শান কে সভাপতি এবং
মুনশী আব্দুর রহমানের পৌত্র, বিশিষ্ট সমাজসেবক মনির আহমদ মিয়ার সন্তান, চতলা সাতবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ ফয়েজ উল্যাহ মিয়াকে সাধারণ সম্পাদক করে # বীরমুক্তিযোদ্ধা সালাউদ্দিন মিয়া বাড়ির দরোজায় অবস্থিত মুনশী আব্দুর রহমান মিয়া মসজিদের একান্ন সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়েছে ।দক্ষিণ ধলীগৌরনগর চতলা সালাউদ্দিন মিয়া বাড়ির দরোজায় , ২১ মার্চ ২০২৬ যোহরবাদ মসজিদের মুসল্লিদের আন্তরিক বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এই কমিটি গঠিত হয় ।

কমিটির অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সদস্যগণ হচ্ছেন – প্রধান উপদেষ্টার মর্যাদায় নির্বাহী সভাপতি- ডাচ বাংলা ব্যাংকের সিনিয়র এসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট একেএম গিয়াসউদ্দিন মুরাদ । সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ হাফেজ আহমেদ মিয়া, সহ-সভাপতি গণ হচ্ছেন- মহিউদ্দিন আহমেদ মিয়া, আব্দুর রশিদ বেপারী এবং মোহাম্মদ হোসেন খন্দকার । যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকগণ হচ্ছেন- মোঃ অজিউল্যাহ মিয়া, মোঃ রফিকুল ইসলাম বাবুল, মোঃ জহিরুদ্দিন ফরহাদ এবং মোঃ আলমগীর বেপারী । কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন- মোঃ মিলন মোল্লা ।

সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন- মাহতাব উদ্দিন মিরাজ শান । সম্পাদকীয় বিভিন্ন পদে নির্বাচিত হয়েছেন -মোঃ রুবেল শান (মুক্তিযুদ্ধ ও মানবাধিকার), নেছার উদ্দিন রাসেল (তথ্য ও গবেষণা), কৌশিক আহমেদ (শিক্ষা ও সংস্কৃতি). মোঃ জসিম আহমেদ (প্রচার ও প্রকাশনা), সিয়াম আহমেদ (সমাজকল্যাণ ও আপ্যায়ন), তাসলিমা শরীফ আঁখি (নারী ও শিশুকল্যাণ), মাওলানা মফিজুল ইসলাম ( ধর্ম বিষয়ক), মোঃ রফিক বেপারী (ত্রাণ ও পূণর্বাসন), মোঃ মোসলেউদ্দিন (ক্রীড়া) , মোঃ কুদ্দুস মিয়া (মানবসম্পদ), মোঃ সুমন বেপারী (কৃষি ও সমবায়), মোঃ কামরুল ইসলাম (প্রশিক্ষণ) , মোঃ নুরুন্নবী (পাঠাগার), মোঃ জাহিদুর রহমান (অনুষ্ঠান) , মোঃ শাহাবুদ্দিন জুলহাস (মিলনায়তন) প্রমুখ ।

নির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন- মোঃ আজিম উদ্দিন লিটন, মোঃ শরিফ উদ্দিন টিপু, মোঃ গিয়াসউদ্দিন নিরব, মোঃ ফজলে করিম, মোঃ আব্দুল করিম, মোঃ মাফুল করিম , মোঃ হানিফ মোল্লা, মোঃ মোস্তফা মোল্লা , মোঃ মাকসুদ মিয়া , মোঃ আঃ রাজ্জাক, মোঃ বেলাল প্রমুখ ।।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ