আজঃ মঙ্গলবার ২৪ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রামে দোকানে নেই, গুদামে সয়াবিন বোঝাই ঃ চার প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরীতে ভোজ্যতেলের সংকট দেখিয়ে গুদামে তেল মজুত করাসহ নানা অপরাধে চার প্রতিষ্ঠানকে ১ লাখ ৬২ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। রোববার মহানগরীর পাহাড়তলী বাজারে এ অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
অভিযান পরিচালনা করেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক ফয়েজ উল্যাহ, সহকারী পরিচালক আনিছুর রহমান, রানা দেবনাথ, মাহমুদা আক্তার।

জানা যায়, ভোজ্যতেলের সংকট দেখিয়ে গুদামে তেল মজুত করা এবং অনঅনুমোদিত ক্ষতিকর কেমিক্যাল ও রং খাবারের ব্যবহার যোগ্য রং হিসেবে বিক্রি করায় মেসার্স ইকরাই স্টোরেকে ১ লাখ ২০ হাজার টাকা, একই অপরাধে কায়সার এন্ড ব্রাদার্সকে ৩০ হাজার টাকা,মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করায় মেসার্স জাহাঙ্গীর স্টোরকে ২ হাজার টাকা ও বেশি দামে সয়াবিন তেল বিক্রি করায় মেসার্স ইকরা অ্যান্ড ব্রাদার্সকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পূর্বধলায় প্রাইভেটকারের ধাক্কায় যুবকের মৃত্যু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোণার পূর্বধলা উপজেলায় সড়ক দুর্ঘটনায় আশিক মিয়া (২৫) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল পৌনে নয়টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের ছোট ইলাশপুর এলাকায় দুর্গাপুর-শ্যামগঞ্জ মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত আশিক মিয়া ছোট ইলাশপুর গ্রামের আহেদ আলীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সকালে আশিক মিয়া রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এ সময় দুর্গাপুরগামী একটি অজ্ঞাতনামা প্রাইভেট কার তাকে ধাক্কা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। এতে আশিক মিয়া গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে পূর্বধলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পূর্বধলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. দিদারুল ইসলাম জানান, ঘটনার পর প্রাইভেটকারটি পালিয়ে গেছে। ঘাতক প্রাইভেটকারটি শনাক্তের চেষ্টা চলছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

নেত্রকোনা কুকুরের কামড়ে আহত অন্তত, হাসপাতালে ভ্যাকসিন সংকট।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় হঠাৎ করেই বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব ভয়াবহ আকার ধারণ করেছে। রাস্তাঘাটে বিনা উসকানিতে পথচারীদের ওপর আক্রমণ করছে এসব কুকুর। এতে পুরো উপজেলাজুড়ে সাধারণ মানুষের মাঝে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিশেষ করে শিশু ও কিশোর-কিশোরীরা সবচেয়ে বেশি ঝুঁকির মুখে পড়েছে। কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে হাসপাতালে ছুটছেন সাধারণ মানুষ, তবে সেখানেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত সরকারি ভ্যাকসিন।

সোমবার (২৩ মার্চ) কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সূত্রে জানা গেছে, গতকাল (রবিবার) সকাল থেকে দিনভর অন্তত ৭ জনকে কুকুরের কামড়ে গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।

তবে স্থানীয় বিভিন্ন সূত্র বলছে, প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি। পুরো উপজেলায় অন্তত ২০ জন কুকুরের হামলার শিকার হয়েছেন। এদের অনেকেই স্থানীয় ফার্মেসি বা পল্লি চিকিৎসকদের কাছে প্রাথমিক চিকিৎসা নেওয়ায় তাদের তথ্য হাসপাতালের খাতায় আনুষ্ঠানিকভাবে নথিভুক্ত হয়নি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, আক্রান্তদের মধ্যে বেশিরভাগই শিশু এবং ১৫ বছরের কম বয়সী কিশোর-কিশোরী। ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা জানান, এলাকার অধিকাংশ কুকুরই পূর্ণবয়স্ক এবং অত্যন্ত আক্রমণাত্মক হয়ে উঠেছে। রাস্তা দিয়ে হেঁটে যাওয়ার সময় বিনা উসকানিতেই কুকুরগুলো পথচারীদের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ছে। এমন পরিস্থিতিতে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া অনেকেই ঘর থেকে বের হতে ভয় পাচ্ছেন। শিশুদের স্কুলে পাঠানো নিয়েও দুশ্চিন্তায় পড়েছেন অভিভাবকরা।

কুকুরের কামড়ে আহতদের জন্য সবচেয়ে জরুরি হলো জলাতঙ্ক প্রতিরোধক ভ্যাকসিন বা অ্যান্টি-র‍্যাবিস ভ্যাকসিন। কিন্তু কেন্দুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এই ভ্যাকসিনের কোনো সরবরাহ নেই। ফলে আহত রোগীদের বাধ্য হয়ে বাইরের ফার্মেসি থেকে উচ্চমূল্যে এই ভ্যাকসিন কিনতে হচ্ছে। এতে নিম্নবিত্ত ও সাধারণ মানুষ চরম আর্থিক ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

এ বিষয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. নাইম হাসান হতাশা প্রকাশ করে বলেন, “সরকারিভাবে কুকুরের ভ্যাকসিন শুধুমাত্র বিশেষায়িত হাসপাতাল ও জেলা সদরেই সরবরাহ করা হয়। উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এই ভ্যাকসিন সরবরাহের কোনো ব্যবস্থা নেই।

কুকুরের এমন উপদ্রবে আহত হয়েছেন সাংবাদিক কাউসার তালুকদারসহ স্থানীয় বেশ কয়েকজন বাসিন্দা। ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অবিলম্বে কুকুরগুলোর উপদ্রব বন্ধে প্রশাসনের কাছে কার্যকর ও দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।

সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কেন্দুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং পৌর প্রশাসক মো. রিফাতুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “কুকুরের উপদ্রবের বিষয়টি নিয়ে আমরা ইতিমধ্যে আলোচনা করেছি। খুব শিগগিরই এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পাশাপাশি পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত তিনি সবাইকে রাস্তাঘাটে সতর্কতার সঙ্গে চলাফেরা করার পরামর্শ দিয়েছেন।

সচেতন মহলের মতে, বর্তমান এমন ভীতিকর পরিস্থিতিতে জনসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রশাসনের দ্রুত ও কার্যকর উদ্যোগই পারে কুকুর আতঙ্ক দূর করে জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনতে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ