আজঃ মঙ্গলবার ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

মশার অত্যাচারে অতিষ্ঠ রাজশাহী নগরবাসী

মো: গোলাম কিবরিয়া রাজশাহী জেলা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চরম মশার অত্যাচারে অতিষ্ঠ রাজশাহী নগরবাসী।
পবিত্র রমজান মাস চলছে। সেই সঙ্গে রাজশাহীতে পাল্লা দিয়ে বেড়েছে মশার উপদ্রব। দিনে-রাতে রাজশাহী নগরীতে মশার কামড়ে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন বাসিন্দারা। বিশেষ করে ইফতারি ও সেহরির সময় মানুষ মশার জ্বালায় নিদারুণ ভোগান্তিতে পড়ছেন নগরবাসী। কয়েল, স্প্রে ও ইলেকট্রিক ব্যাট ছাড়াও মশারি টানিয়েও মশার অত্যাচার থেকে রেহাই পাচ্ছেন না তারা।

নগরবাসী বলছেন, জনপ্রতিনিধিরা না থাকার কারণে সিটি করপোরেশনের মশক নিধন কার্যক্রম ঝিমিয়ে পড়েছে। আর সিটি করপোরেশন বলছে, এখন প্রজনন মৌসুম বলে মশার উৎপাত বেড়েছে। অন্য শহরের তুলনায় এখানে মশা কম।

রাজশাহী নগরীতে সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা গেছে, দিনের বেলায় খোলা জায়গায় বসে থাকলেও মশার ভনভন শব্দ আর কামুড়ে অতিষ্ঠ হয়ে উঠছেন মানুষ। সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে মশার এ উপদ্রব বেড়ে যায় কয়েকগুণ। যাতে সাধারণ মানুষের ভোগান্তির যেন শেষ নেই। বিশেষ করে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোগী, স্বজন, বৃদ্ধ ও শিশুরা। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও দিনের বেলায় মশার কামড়ে কাহিল হয়ে পড়ছেন।

বহুতল ভবনের আট-দশ তলাতেও রেহাই পাচ্ছে না বাসিন্দারা। আর নিচের তলার অবস্থাটা দিনে-রাতে প্রায় সমান। হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, অফিস-আদালত, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, বিপণিবিতান, মসজিদ-মাদ্রাসাতেও মশার অবাধ বিচরণে জর্জরিত নগরজীবন।

রাজশাহী সিটিকর্পোরোশনের
পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা শেখ মো. মামুন ডলার বলেন, ‘মশা এখন বেড়েছে তা ঠিক। কারণ এখন এদের প্রজনন মৌসুম চলছে। তাছাড়া বাড়ির পাশের ঝোপঝাড় অনেকে পরিষ্কার রাখনছেন না। ছাদবাগানের টবের পানি থেকেও বংশ বৃদ্ধি হচ্ছে। এসব ব্যাপারে নগরবাসীকে একটু সচেতন থাকতে হবে। তাহলে মশার সংখ্যা কমবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের শহরে মশা তুলনামূলক কম। অন্য শহরে এখন আপনি দাঁড়াতেই পারবেন না। আমরা পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছি। মেয়র-কাউন্সিলর থাকলে তদারকিটা ভাল হয়। এখন তারা নেই। ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে সরকারি কর্মকর্তারা দায়িত্বে আছেন। তাদের আরও অনেক কাজ থাকে। তারপরও যতটা সম্ভব আমরা সব তদারকি করছি।’

তিনি আরও বলেন, এখন লার্ভিসাইড ওষুধ ও ফগার মেশিনের ওষুধের মজুত খুবই কম। ওষুধ কিনতে দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। রোববার দরপত্র দাখিলের শেষ দিন। সপ্তাহখানেকের মধ্যে ঠিকাদারকে কার্যাদেশ দেওয়া হবে। পরে ওষুধ এলে মশক নিধন কার্যক্রম আরও জোরদার করা হবে।’

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

খুলনা বিভাগ সফরে তারেক রহমান তারেক রহমান।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ ২২ বছর পর আজ সোমবার খুলনা আসছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। হেলিকপ্টারে খুলনায় এসে দুপুর ১২টায় খালিশপুর প্রভাতী স্কুল মাঠে জনসভায় বক্তব্য দেবেন। এই জনসভা শেষে দুপুর ১টার দিকে হেলিকপ্টারে তিনি যশোরের উদ্দেশে খুলনা ছাড়বেন। যশোর উপশহর ডিগ্রি কলেজ মাঠে নির্বাচনী জনসভায় অংশ নিয়ে ২টা ৪০ মিনিটে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন।

চমেক হাসপাতালে কারাবন্দী ক্যানসারাক্রান্ত আ.লীগ নেতার মৃত্যু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি অবস্থায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এক নেতার মৃত্যু হয়েছে। কারা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ৭০ বছর বয়সী এই নেতা ক্যানসারে ভুগছিলেন। শনিবার সকালে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। মৃত আবদুর রহমান মিয়া (৭০) চট্টগ্রাম নগরীর আগ্রাবাদ পূর্ব মহুরী পাড়ার বাসিন্দা। তিনি ২৪ নম্বর উত্তর আগ্রাবাদ ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ছিলেন। এদিকে আবদুর রহমান মিয়ার মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে কারা কর্তৃপক্ষ।

জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় মারামারি, হত্যাচেষ্টা ও বিস্ফোরক আইনে করা একটি মামলার আসামি হিসেবে পুলিশ আবদুর রহমান মিয়াকে গ্রেফতারের পর গত বছরের ১৭ নভেম্বর থেকে তিনি কারাগারে ছিলেন। ২৪ ডিসেম্বর তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে কারা কর্তৃপক্ষ। তিন সপ্তাহ চিকিৎসার পর ১৮ জানুয়ারি তাকে কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়।এরপর আবারও অসুস্থ হয়ে পড়লে গত ২৬ জানুয়ারি তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা গেছেন।
চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ শরীফ বলেন, দুই মাস আগে উনি (আবদুর রহমান মিয়া) কারাগারে আসেন। বয়স ৭০ হয়ে গেছে। বার্ধক্যজনিত বিভিন্ন রোগে ভুগছিলেন। তবে মূল সমস্যা ছিল ফুসফুসের ক্যানসার। কারাগারে আসার পর থেকে তিনি প্রায়ই হাসপাতালে ছিলেন। শনিবার তিনি মারা গেছেন।

আলোচিত খবর

বাংলার নবযাত্রা, জাহাজ বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের নতুন সংযোজন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি)এর বহরে যুক্ত হয়েছে এমভি ‘বাংলার নবযাত্রা’। জাহাজটি পূর্বে এক্সসিএল লায়ন (XCL LION) নামে পরিচিত ছিল।বিএসসি সূত্রে জানা যায় , চীনের তৈরি
জাহাজটির ক্লোজিং প্রোগ্রাম বিক্রেতা পক্ষের আইন প্রতিষ্ঠান স্টিভেনসন হারউড এর কার্যালয়ে শুরু হয়।

বিএসসি জানায়, জাহাজটির ডেলিভারি গত ২৯ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে চীনের জিংজিয়াং-এর নানইয়াং শিপইয়ার্ডে সম্পন্ন হয়েছে। সব আনুষ্ঠানিকতা শেষ হওয়ার মাধ্যমে বর্তমানে জাহাজটি সম্পূর্ণভাবে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের মালিকানায় এসেছে।এ বিষয়ে বিএসসি ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন-আজ আমাদের জন্য একটি আনন্দের দিন। ‘বাংলার নবযাত্রা’ আমাদের বহরে যুক্ত হওয়ায় বিএসসির সক্ষমতা আরও বাড়বে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ