আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দর জানুয়ারির তুলনায় ফেব্রুয়ারিতে ১৮ হাজার ৬২৪ একক রপ্তানি কনটেইনার কম হ্যান্ডলিং

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরে প্রায় ১০ হাজার রপ্তানি ও প্রায় ১৭ হাজার একক আমদানি পণ্যবাহী কনটেইনার হ্যান্ডলিং কমেছে। বছরের শুরুতে জানুয়ারির তুলনায় সদ্য শেষ হওয়া ফেব্রুয়ারি মাসে রপ্তানি ও আমদানি উভয় পণ্যবাহী কনটেইনার হ্যান্ডলিং কমে গেছে।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, আমদানি ও রপ্তানি পণ্যবাহী কনটেইনার ছাড়াও প্রচুর পরিমাণে আমদানি ও রপ্তানির খালি কনটেইনার হ্যান্ডলিং করে চট্টগ্রাম বন্দর। পরিসংখ্যান অনুযায়ী চট্টগ্রাম বন্দরে ফেব্রুয়ারি মাসে রপ্তানি পণ্যবাহী ও খালি রপ্তানি কনটেইনার মিলে মোট ১ লাখ ৯ হাজার ৭৫৯ একক রপ্তানি কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে। যা জানুয়ারিতে ছিল ১ লাখ ২৮ হাজার ৩৮৩ একক। অর্থাৎ জানুয়ারির তুলনায় ফেব্রুয়ারিতে ১৮ হাজার ৬২৪ একক রপ্তানি কনটেইনার কম হ্যান্ডলিং হয়েছে। একইভাবে ভাটা পড়েছে মোট আমদানি কনটেইনার হ্যান্ডলিয়েও। ফেব্রুয়ারি মাসে আমদানি

পণ্যবাহী ও খালি আমদানি কনটেইনার মিলে মোট ১ লাখ ১৮ হাজার ৪২৫ একক আমদানি কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে। যা জানুয়ারিতে ছিল ১ লাখ ৩৫ হাজার ২৩১ একক। অর্থাৎ জানুয়ারির তুলনায় ফেব্রুয়ারিতে ১৬ হাজার ৮০৬ একক আমদানি কনটেইনার কম হ্যান্ডলিং হয়েছে।

চট্টগ্রাম বন্দরের প্রাপ্ত হিসেব অনুযায়ী, চট্টগ্রাম বন্দরে ফেব্রুয়ারি মাসে রপ্তানি পণ্যবাহী কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে ৬৫ হাজার ৪৫০ একক। যেটি জানুয়ারি মাসে ছিল ৭৫ হাজার ২৩৪ একক। অর্থাৎ জানুয়ারির তুলনায় ফেব্রুয়ারিতে ৯ হাজার ৭৮৪ একক রপ্তানি পণ্যবাহী কনটেইনার কম হ্যান্ডলিং হয়েছে।

অন্যদিকে একইভাবে কমেছে আমদানি পণ্যবাহী কনটেইনারও। বন্দরের হিসেবে ফেব্রুয়ারি মাসে আমদানি পণ্যবাহী কনটেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে ১ লাখ ৭ হাজার ৫৫ একক। যেটি জানুয়ারি মাসে ছিল ১ লাখ ২৪ হাজার ৩৯ একক। অর্থাৎ জানুয়ারির তুলনায় ফেব্রুয়ারিতে ১৬ হাজার ৯৮৪ একক আমদানি পণ্যবাহী কনটেইনার কম হ্যান্ডলিং হয়েছে বলে জানা গেছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কালিয়াকৈরে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে যুবক নিহত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার হাটুরিয়াচালা–লস্করচালা এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে আবারও একটি তাজা প্রাণ ঝরে গেছে। শনিবার (১৫ মার্চ) রাতে ড্রাম ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে মাসুম নামে এক যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পরিবহন কার্যক্রম চলছিল। শনিবার রাতে মাটি পরিবহনের সময় একটি ড্রাম ট্রাক চলাচলের সময় মাসুম নামে ওই যুবক ট্রাকের নিচে পড়ে যান। এতে ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।

এ ঘটনায় স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ মাটি কাটার সঙ্গে জড়িতদের বেপরোয়া কর্মকাণ্ডের কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। এলাকাবাসীর দাবি, প্রশাসনের নজরদারির অভাবে দীর্ঘদিন ধরে এসব অবৈধ কার্যক্রম চললেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

দুর্ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং বিষয়টি তদন্ত করছে।এ বিষয়ে কালিয়াকৈর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার নাছির উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্: চট্টগ্রাম মহানগরে ডেঙ্গুর বিস্তার রোধে মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু হয়েছে। শনিবার সকাল ১০টায় নগরীর ডিসি হিলে এই কার্যক্রমে অংশ নেন চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার মো. জিয়াউদ্দীন, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা এবং জেলার সিভিল সার্জন জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। এ সময় বিভাগীয় কমিশনার বলেন, সামনে বর্ষাকাল আসছে। তার আগেই যদি আমাদের শহরকে পরিচ্ছন্ন করতে পারি তাহলে ডেঙ্গু মশার বিস্তার রোধ করা সম্ভব হবে। এতে নগরবাসী উপকৃত হবে। ডেঙ্গু প্রতিরোধটাই সবচেয়ে বড় পদক্ষেপ। সরকার এ কাজে মাসব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞা বলেন, মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতামূলক কার্যক্রম মাসব্যাপী চলছে। এ কাজে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হচ্ছে মানুষকে সচেতন করা ও পরিষ্কার করা। চট্টগ্রামে যেসব জায়গা বেশি অরক্ষিত, যেখানে ডেঙ্গু বেশি বিস্তার ঘটতে পারে সেগুলো আমরা পরিষ্কার করব এবং নিরাপদ ও সুস্থ চট্টগ্রাম আমরা গড়ে তুলব।
বেলুন উড়িয়ে মাসব্যাপী এই পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এরপর পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমে প্রশাসনের কর্মকর্তারা, স্কাউটের সদস্য এবং পরিচ্ছন্ন কর্মীরা অংশ নেন। এরপর চট্টগ্রাম সার্কিট হাউজে ‘ডেঙ্গু রোগের ভয়াবহতা ও ডেঙ্গু প্রতিরোধে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে’ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ