আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

নেত্রকোনায় স্কাউট পরীক্ষার্থীর উপর ন্যক্কারজনক হামলার প্রতিবাদে বিক্ষোভ ও সড়ক অবরোধ

মোঃ নুর উদ্দিন মন্ডল দুলাল নেত্রকোনা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

।নেত্রকোনায় প্রেসিডেন্ট স্কাউট পরীক্ষা (২০২৪) দিতে গিয়ে পূর্বধলা জগৎমণি সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপর জালশুকা কুমুদগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের দ্বারা বর্বোচিত হামলার ঘটনায় দোষীদের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সড়ক অবরোধ করেছে শিক্ষার্থীরা।

এ ঘটনায় ৭ শিক্ষার্থী আহত হয়, এর মধ্যে ৩ জন শিক্ষার্থী গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। এছাড়াও হামলার শিকার হয়েছে ৩ মেয়ে শিক্ষার্থীও। হামলার ঘটনায় গতকাল রাতে আহত শিক্ষার্থীদের হয়ে শিক্ষকরা বাদী হয়ে মামলা করেছেন বলে জানা গেছে।

রবিবার (৯মার্চ) সকাল ১১ ঘটিকায় পূর্বধলা জগৎমনি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মিছিলটি বের হয়ে পূর্বধলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন করে। পরে শ্যামগঞ্জ বিরিশিরি মহাসড়ক ঘন্টাব্যাপী অবরোধ করে রাখে। এসময় বিক্ষোভ মিছিলে স্কুলের বর্তমান ও সাবেক প্রায় ৭ শতাধিক শিক্ষার্থী অংশগ্রহন করে।

এসময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত হোন, নেত্রকোনা জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব আবু তাহের তালুকদার, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহবায়ক ইশতিয়াক আহমেদ বাবুসহ বিএনপি অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত হন। তারা শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক আন্দোলনের সমর্থন জানান।

পরে পূর্বধলা থানার নবাগত ওসি নুরুল আমিন গিয়ে অবরোধকারীদের মহাসড়ক থেকে সরে যাওয়ার অনুরোধ করলেও অবরোধ কারীরা সরে যেতে রাজি হয়নি। অবশেষে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনা করে আগামীকাল সকাল ১০ ঘটিকার মধ্যে দোষীদের গ্রেফতারের আশ্বাসে পেলে আন্দোলনকারীরা আন্দোলন স্থগিত করে।

জানা যায়, উপজেলার শ্যামগঞ্জের জালশুকা কুমুদগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ে ২০২৪ সালের শাপলা কাব ও প্রেসিডেন্ট স্কাউট অ্যাওয়ার্ডের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে নেত্রকোনা সদর ও পূর্বধলা উপজেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ৮৩জন স্কাউট অংশ নেয়। লিখিত পরীক্ষা শেষে দুপুরে কেন্দ্রের পাশ্ববর্তী সোয়াই নদীতে সাঁতার মূল্যায়ন শেষে বিদ্যালয়ে ফেরার পথে পূর্বধলা জগৎমণি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপর হামলা চালায়।

বিক্ষোভ মিছিলে, আমার ভাইয়ের রক্ত বৃথা যেতে দিবো না, ‘ We Want Justice, তুমি কে আমি জেএম জেএম, সন্ত্রাসীদের আস্তানা ভেঙ্গে দাও গুড়িয়ে দাও, কুমুদগঞ্জের সন্ত্রাসীদের কালো হাত ভেঙ্গে দাও গুড়িয়ে দাওসহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

স্কুলের সাবেক শিক্ষার্থী‘ আমিন ইসলাম বলেন, পূর্বধলা জগৎমণি সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের স্কাউট শিক্ষার্থীদের উপর তারা ইলেকট্রিক শক, কারেন্টের তার এবং ধারালো অস্ত্র নিয়ে শিক্ষার্থীদের উপর অতর্কিত হামলা চালায়। এই ঘটনায় বাংলাদেশ স্কাউটস এর ইতিহাস একটি নিন্দনীয় ঘটনা। উক্ত ঘটনায় দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি। প্রশাসনের আশ্বাসে আগামীকাল সকাল ১০টা পর্যন্ত আন্দোলন স্থগিত করেছি। এর মধ্যে দোষীদের বিচারের সম্মুখীন না করতে পারলে আরও কঠোর আন্দোলন যেতে বাধ্য হবো।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

ঈদের আনন্দ অসহায় মানুষের মাঝেও ছড়িয়ে দিতে হবে: মেয়র শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চট্টগ্রামের নগরবাসী, বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী, পেশাজীবী এবং দেশ-বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীসহ সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, পবিত্র রমজান মাস ধৈর্য, সংযম, ত্যাগ এবং সহমর্মিতার এক অনন্য শিক্ষা দেয়। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর মাঝে বয়ে আনে আনন্দ ও প্রশান্তি। ঈদের মূল শিক্ষা হলো সব ভেদাভেদ ভুলে সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া।তিনি আরও বলেন, ঈদের আনন্দ শুধু ব্যক্তিগতভাবে উদযাপন না করে সমাজের অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত।শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি সাম্প্রতিক ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণের বিপুল সমর্থনের কথা উল্লেখ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া এই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও জনগণ পাশে থাকবে—এটাই প্রত্যাশা।

তিনি হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঈদের আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি চট্টগ্রাম শহরকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে সচেতন নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ