আজঃ রবিবার ২৯ মার্চ, ২০২৬

মিরসরাইয়ে বসতঘর দখল করতে ৫ জনকে পিটিয়ে আহত।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মিরসরাই উপজেলার ১২ নং খৈয়াছরা ইউনিয়নের মসজিদিয়া ছরারকুল গ্রামে ৫ জনকে পিটিয়ে আহত করে ঘর থেকে বের করে মালামাল বাহিরে ফেলে দেয় প্রতিপক্ষ। প্রবাসীর স্ত্রীর বসতঘর দখল করতে এ ঘটনা ঘটায়। উক্ত ঘটনায় দু পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করলে এক পর্যায়ে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আসে।
গ্রামের প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, বুধবার ( ১৯ মার্চ) রাতে অতর্কিত লাঠিসোটা দা ছুরি নিয়ে কতিপয় হামলাকারী মমতাজ বেগম ( ৪০), হাসনা বানু (৬০), সাদিয়া সুলতানা ( ২০), স্কুল পড়ুয়া আরেফা আক্তার আন্নী ( ১৭), নুসরাত জাহান (১২) কে পিটিয়ে আহত করে । হামলায় আহত সাদিয়া সুলতানাকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ও পরে সেবা আধুনিক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। উল্লেখ্য পূর্বের দিন ও কয়েকজনকে পিটিয়ে আহত করার খবরও জানা গেছে। আবার তাদের ঘরের মালামাল সব রান্নাঘরের দিকে ফেলে দিয়ে বসতগৃহ দখল নেয়।
ভুক্তভোগী মমতাজ বেগম জানায়, আমার স্বামী সাইফুল ইসলাম প্রবাসে থাকে । গেল বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ হবার পর জামায়াতে ইসলামের নেতাকর্মীরা আমার এই ঘরটি বানিয়ে দেয়। কিন্ত উক্ত ঘরের দিকে নজর পড়ে প্রতিপক্ষ বেলাল ও হেলালদের। ওরা আমার তিন কন্যা ও জ্যা সহ সবাইকে পিটিয়ে বের করে অস্ত্রের মুখে আমাদের ঘর থেকে বের করে মালামাল বাইরে ফেলে দেয়।
বাড়ীর বৃদ্ধা বিবি আয়েশা ( ৭৪) এই বিষয়ে বলেন, জমি পেয়ে থাকলে বাড়ীর ও এলাকার মানুষ ও আইন আদালতের মাধ্যমে সমাধান সম্ভব। এভাবে শিশু নারী- পুরুষের উপর নগ্নভাবে হামলা করার সঠিক বিচার প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।
এ বিষয়ে হামলাকারীদের অন্যতম বেলাল হোসেনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এই জমিটি আমাদের, ওরা জোর করে ঘর নির্মান করেছে। উক্ত ঘটনার পর এলাকায় দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সহ মমতাজ বেগম ও তার দেবর ভ্যানচালক আরিফ তার পরিবার নিয়ে একটি রান্নাঘর ও আরেক পরিবার একটি গোয়াল ঘরে অবস্থান করছেন। এই বিষয়ে মিরসরাই থানার ওসি আতিকুর রহমান বলেন, আমরা উভয় পক্ষের চলমান বিভিন্ন অভিযোগাদি গ্রহন করেছি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন সহ সুষ্ট সমাধানের চেষ্টা ও অব্যাহত রয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামকে ‘সেফ সিটি’ হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছি: চসিক মেয়র।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক, মানবিক ও নিরাপদ ‘সেফ সিটি’ হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করার কথা জানালেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।তিনি বলেন, দায়িত্ব পালনের গত ১৬ মাসে নগরীতে কোনো সাম্প্রদায়িক সংঘাত ঘটেনি এবং ভবিষ্যতেও এ ধারা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট সকলকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করা হবে।

শুক্রবার রাতে নগরের আন্দরকিল্লাস্থ জেএমসেন হলে বাসন্তী পূজা উপলক্ষে চট্টগ্রাম জেলা বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের বসন্ত উৎসবে উদ্যোগে বসন্ত উৎসব ও মিলন মেলা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মেয়র বলেন, চট্টগ্রাম ঐতিহাসিকভাবে সম্প্রীতির শহর।এখানে মুসলিম, হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানসহ সব ধর্মের মানুষ যুগ যুগ ধরে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থানে বসবাস করছে। এই ঐতিহ্যকে ধারণ করে আমরা চট্টগ্রামকে একটি আধুনিক, মানবিক ও নিরাপদ ‘সেফ সিটি’ হিসেবে গড়ে তুলতে কাজ করছি।তিনি বলেন, মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের সময় তিনি একটি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, চট্টগ্রামকে নিরাপদ, পরিচ্ছন্ন ও শান্তিপূর্ণ নগরী হিসেবে গড়ে তুলবেন। গত ১৬ মাসে আমরা অন্তত একটি বিষয় নিশ্চিত করতে পেরেছি, নগরীতে কোনো সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বা বড় ধরনের সংঘর্ষ ঘটেনি।সব ধর্মের মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে বসবাস করতে পারছেন।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, চট্টগ্রাম শুধু দেশের বাণিজ্যিক রাজধানীই নয়, এটি বহুজাতিক ও বহু ধর্মের মানুষের সহাবস্থানের এক গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। এখানে ধর্মীয় স্বাধীনতা, নাগরিক অধিকার ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ নিশ্চিত করা আমাদের অঙ্গীকার। তিনি আরও বলেন, আমরা এমন একটি চট্টগ্রাম গড়তে চাই, যেখানে প্রতিটি নাগরিক তার সাংবিধানিক অধিকার নিয়ে নিরাপদে বসবাস করতে পারে।

এজন্য সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল হতে হবে।সনাতনী সম্প্রদায়ের সুবিধার্থে শ্মশান উন্নয়নের বিভিন্ন উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন মেয়র। তিনি বলেন, নগরীর কয়েকটি শ্মশানঘাটে আধুনিক সুযোগ সুবিধা নিশ্চিত করা হয়েছে এবং আরও নতুন শ্মশান নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠান নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করা যায়।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কেউ যদি কোনো ধরনের উসকানি বা সমস্যা সৃষ্টি করে, তাহলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর ব্যবস্থা নেবে। নাগরিকদের যেকোনো অভিযোগ জানাতে সংশ্লিষ্ট থানায় যোগাযোগ করার আহ্বান জানাচ্ছি।আমার দরজাও সব সময় সবার জন্য খোলা। নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে মেয়র বলেন, এই শহর শুধু আমার নয়, আমাদের সবার। তাই শহরকে পরিচ্ছন্ন রাখা আমাদের দায়িত্ব। যত্রতত্র ময়লা, প্লাস্টিক ও পলিথিন ফেলা থেকে বিরত থাকতে হবে।তিনি আসন্ন বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসন এবং ডেঙ্গু চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে নালা খাল পরিষ্কার রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

চট্টগ্রামের জেএমসেন হলে শ্রীশ্রী বাসন্তী পূজার নবমী ও মিলনমেলায় সভাপতিত্ব করেন চট্টগ্রাম জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নিবাস দাশ সাগর। প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান। বিশেষ অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাবেক সভাপতি দিলীপ কুমার মজুমদার, অধ্যাপক নারায়ণ কান্তি চৌধুরী, শ্রীশ্রী জন্মাষ্টমী উদযাপন পরিষদ বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যকরী সাধারণ সম্পাদক বিপ্লব দে পার্থ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুগ্রীব মজুমদার দোলন।

জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এর সহধর্মিণী চলে গেলেন নাফেরার দেশে।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম এর সহধর্মিণী, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ দিলারা হাফিজ- সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেছেন। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন!

মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন ভোলা জেলা সমিতি, চট্টগ্রাম এর নেতৃবৃন্দ। এক শোক বার্তায় নেতৃবৃন্দ বলেন – বাংলাদেশের ইতিহাসে ভোলা জেলার নন্দিত জননেতা মাননীয় স্পীকারের সহধর্মিণীর অকাল মৃত্যু আমাদের শোকের সাগরে ভাসিয়ে দিয়েছে। বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মরহুমা দিলারা হাফিজ জীবিতাবস্থায় সকল গণতান্ত্রিক আন্দোলন – সংগ্রামে জননেতা মেজর (অবঃ)উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের পাশে থেকে শক্তি ও সাহস যুগিয়েছেন।আমরা তাঁহার বিদেহী আত্মার সদাগতি কামনা করছি।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ