আজঃ বৃহস্পতিবার ৩০ এপ্রিল, ২০২৬

গাজীপুরের সালনায় অস্ত্রসহ ৩ ছিনতাইকারী গ্রেফতার

সুরুজ্জামান রাসেল গাজীপুর প্রতিনিধি:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সুরুজ্জামান রাসেল গাজীপুর প্রতিনিধি:

গাজীপুর মহানগরীর সদর থানার দক্ষিণ সালনা ইপসা গেইট এলাকায় ডাকাতির প্রস্ততি গ্রহন করাকালীন অস্ত্রসহ ৩ ছিনতাইকারীকে গ্রেফতার করেছে সদর থানা পুলিশ। গত মঙ্গলবার (১৮ মার্চ) রাতে তাদেরকে গ্রেফতার করা হয়।

অপরাধ (উত্তর) বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার রবিউল ইসলামের দিক-নির্দেশনায় সদর জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার দ্বীন-ই-আলমসহ ওসি মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে এসআই কামরুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ মহানগরীর সদর থানার দক্ষিণ সালনা ইপসা গেইট এলাকায় পুলিশ অভিযানে যায়। এসময় এসআই কামরুলের নিরলস প্রচেষ্টায় ইপসা গেইটের সামনে ময়মনসিংহ টু ঢাকা মহাসড়কের পূর্ব পাশে পাকা রাস্তার উপর পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ১৫/১৬ জন ডাকাত ছুটাছুটি করে দৌঁড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাদের মধ্যে ০৩ জনকে আটক করে এবং অজ্ঞাতনামা ১২/১৩ জন ডাকাত দৌড়ে পালিয়ে যায়। উপস্থিত জনসাধারণের সামনে পর্যাপ্ত বৈদ্যুতিক আলো ও টর্চ লাইটের আলোতে সাবধানতার সাথে আটককৃতদের দেহ তল্লাশী করে বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র
উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃত ডাকাত সদস্যরা হল- (১) ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল থানার নয়নপুর এলাকার মোঃ খোকন মিয়ার ছেলে সেলিম আহাম্মেদ (২৩),
(২) মুক্তাগাছা থানার আমোদপুর খাঁন বাড়া এলাকার মোঃ জাহেদ আলীর ছেলে মোঃ তোফাজ্জল হোসেন (২৭) এবং (৩) শেরপুর সদর থানার জুগনীবাগ এলাকার মৃত সুলতানের ছেলে মোঃ হানিফ (৪২)।

গ্রেফতারকৃতরা জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশকে জানায়, তারা গভীর রাতে এই এলাকা সহ মহাসড়কের আশেপাশের এলাকায় বিভিন্ন অলিগলি ও মোড়ের সামনে দাঁড়িয়ে থেকে প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, মোটরসাইকেল, অটোরিক্সা ও ইজিবাইক যোগে যাতায়াতকারী যাত্রীদের থামিয়ে দেশীয় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে আঘাত করে তাদের নিকট হতে নগদ টাকা-পয়সা, মোবাইল ফোন ও মালামাল ডাকাতি করে চলে যায়। মহাসড়কে যাতায়াতকারী যাত্রীদের টার্গেট করে তাদের সর্বস্ব ডাকাতি করার উদ্দেশ্যে গিয়ার, চাপাতি, চাকু সহ বর্ণিত ঘটনাস্থলে অবস্থান নিয়েছিল। আসামীরা সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সক্রিয় সদস্য। আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রটি বিভিন্ন স্থানে সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

এঘটনায় গ্রেফতারকৃত ছিনতাইকারীদের বিরুদ্ধে পেনাল কোডের ৩৯৯/৪০২ ধারায় সদর থানায় ৩৯ নং মামলাটি রুজু করা হয়েছে। এছাড়াও গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে একাধিক ডাকাতির মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

এ বিষয়ে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মেহেদী হাসান পিপিএম জানান, চুরি, ছিনতাই, মাদক, ডাকাতিসহ যেকোনো অপরাধ দমনে সদর থানা পুলিশ সর্বদা তৎপর রয়েছে এবং অভিযান অব্যাহত থাকবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

রাজশাহীতে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাজশাহীর চারঘাটে স্বামীকে বেঁধে রেখে স্ত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার রাত ১টার দিকে উপজেলার সরদহ রেলস্টেশনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আজ বুধবার চারঘাট মডেল থানায় একটি মামলা হয়েছে। ট্রেনে পপকর্ন বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন এই দম্পতি। পুলিশ ও ভুক্তভোগী সূত্রে জানা গেছে, নাটোর সদর উপজেলার ওই দম্পতি প্রতিদিনের মতো মঙ্গলবার বিকেলে ট্রেনে পপকর্ন বিক্রির জন্য বাড়ি থেকে বের হন।

ঢাকা থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী ‘ঢাকা মেইল’ ট্রেনে পপকর্ন বিক্রি শেষে রাত প্রায় ১টার দিকে তারা সরদহ স্টেশনে নামেন। পরে স্টেশনসংলগ্ন একটি চায়ের দোকানে বসে বিস্কুট খাচ্ছিলেন তারা। এ সময় এক ব্যক্তি লাঠি ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়।
হামলাকারী প্রথমে স্বামীকে লাঠি দিয়ে আঘাত করে গুরুতর আহত করে এবং তাকে একটি পরিত্যক্ত দোকানের পাশে বেঁধে রাখে। এরপর তার স্ত্রীকে স্টেশনসংলগ্ন জঙ্গলে নিয়ে ধর্ষণ করে। এসময় তাদের পপকর্ন বিক্রির টাকা ছিনিয়ে নিয়ে যায় বলেও অভিযোগ করেছেন তারা।

ভুক্তভোগী স্বামী জানান, তিনি চিৎকার করলে প্রায় ৪৫ মিনিট পর আশপাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে। পরে তিনি জঙ্গল থেকে তার স্ত্রীকে উদ্ধার করেন। স্থানীয়দের মাধ্যমে অভিযুক্তের নাম আশরাফুল ইসলাম বলে জানতে পারেন। আশরাফুল চারঘাট উপজেলার হলিদাগাছী জাগিরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

চট্টগ্রামের আবাসিক হোটেলে অভিযানে গ্রেফতার-১১

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে একটি আবাসিক হোটেলে অভিযান চালিয়ে অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত থাকার অভিযোগে ১১ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বাকলিয়া থানার রাজাখালী এলাকায় মঙ্গলবার রাত আড়াইটার দিকে রাজাখালীর ইউনিপার্ক হোটেলে এ অভিযান চালানো হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, মো. শাহীন (২০), মো. কামাল উদ্দীন (২৫), মো. নয়ন (২৬), শারমিন আক্তার (১৯), রিনা আক্তার (৩৮), বিউটি আক্তার (২০), শারমিন আক্তার (২০), মো. ইউসুফ (৩২), মনি আক্তার (২৫), মো. শাহাদাত হোসেন (২৫) এবং মনি আক্তার (১৯)।

বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সোলাইমান বলেন, এদের বিরুদ্ধে সিএমপি অধ্যাদেশের ৭৬ ধারায় নন-এফআইআর প্রসিকিউশন নম্বর মূলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাদেরকে বিধি মোতাবেক আদালতে সোপর্দ করা হয়।

আলোচিত খবর

সৌদি আরব থেকে আসছে আরো ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

সৌদি আরব থেকে ১ লাখ টন অপরিশোধিত তেল নিয়ে একটি জাহাজ চট্টগ্রামের পথে রয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, আগামী ৫ মে রাতে জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে বলে আশা করা যাচ্ছে। রোববার চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত এ তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে অপরিশোধিত তেল নিয়ে জাহাজটি আসছে।

জানা গেছে, চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত রাষ্ট্রায়ত্ত তেল শোধনাগার ইস্টার্ণ রিফাইনারীতে (ইআরএল) কাঁচামাল হিসেবে ক্রুড অয়েল ব্যবহৃত হয়। আমদানিকৃত ক্রুড এখানে পরিশোধনের পর সরবরাহ করা হয় জ্বালানি তেল বিপণনকারী কোম্পানিগুলোর কাছে। মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের কারণে ক্রুড অয়েল আনতে না পারায় কাঁচামাল সংকটে গত ১২ এপ্রিল থেকে রিফাইনারিটির প্রধান প্ল্যান্টসহ দুটি প্ল্যান্ট বন্ধ রয়েছে। নতুন চালান এলে ইউনিট দুটি পুনরায় উৎপাদনে ফিরতে সক্ষম হবে।

চট্টগ্রাম ইস্টার্ন রিফাইনারির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শরীফ হাসনাত জানান, সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নাইনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজ এক লাখ টন ক্রুড অয়েল নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে আসছে। এটি এরইমধ্যে লোহিত সাগর অতিক্রম করেছে এবং নিরাপদ রুট ধরে বঙ্গোপসাগরের দিকে এগোচ্ছে। ইয়েমেন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা এড়িয়ে জাহাজটি বিকল্প পথ ব্যবহার করছে।

তিনি বলেন, জাহাজটি সৌদি আরবের ইয়ানবু বন্দর থেকে ২১ এপ্রিল সকালে যাত্রা শুরু করে। এর আগে, রাতভর তেল লোডিং কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়। এই চালান দেশে পৌঁছালে ইস্টার্ন রিফাইনারির উৎপাদন কার্যক্রম স্বাভাবিক করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কাঁচামালের সংকটে সম্প্রতি শোধনাগারটির কার্যক্রম সীমিত হয়ে পড়েছিল। জাহাজ হরমুজ প্রণালীতে জটিল পরিস্থিতির কারণে আরেকটি তেলবাহী সৌদি আরবের রাস তানুরা বন্দরে আটকা পড়েছে।

জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, দেশে মোট চাহিদার বড় অংশই আমদানিনির্ভর। পরিবহন খাত সবচেয়ে বেশি জ্বালানি ব্যবহার করে। এরপর রয়েছে কৃষি, বিদ্যুৎ ও শিল্প খাত। এসব খাতে ডিজেলের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এর পরেই রয়েছে ফার্নেস অয়েলসহ অন্যান্য জ্বালানি। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন এই চালান দেশে পৌঁছালে জ্বালানি সরবরাহে স্থিতিশীলতা ফিরে আসবে এবং উৎপাদন কার্যক্রমও স্বাভাবিক হবে বলে তারা মনে করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ