আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

আউলিয়ায়ে কেরাম-ইনসানে কামেলগণের আদর্শ হতে বিচ্যুত হওয়ার ফলশ্রুতিতে মুসলিম উম্মাহ জিল্লতি পূর্ণ অবস্থায় নিমজ্জিত হয়েছে।

বরুন আচায্য বলাই

রাহবারে আলম হযরত সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (মঃ)ঃ---

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

“আল্লাহ সুবহানাহুতাআ’লার আউলিয়ায়ে কেরাম-ইনসানে কামেলগণের আদর্শ থেকে বিচ্ছুত হয়ে মুসলিম উম্মাহ যে তক্ চলে গেছেন,যার ফলশ্রুতিতে আজ জিল্লতিপূর্ণ একটি অবস্থার মধ্যে পুরো মুসলিম উম্মাহ নিমজ্জিত হয়েছে-ফিলিস্তিনের মধ্যে হাজার হাজার অবরুদ্ধ শিশু-মাসুম শিশু আজকে হত্যার শিকার হয়ে পড়েছে। মুসলিম উম্মাহ শুধু তাকিয়ে দেখছে,কোনো প্রতিকার করা তাদের সাধ্যের অধিক হয়ে গেছে।”

পবিত্র “লাইলাতুল কদর” রজনীতে বাংলাদেশের উপর,বিশ্ববাসীর উপর,মুসলিম উম্মাহর উপর রহমত বর্ষণ করার জন্য মহান রব্বুল আলামীনের দরবারে ফরিয়াদ করে,দরবারে গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী (কঃ)-র গাউসিয়া হক মনজিল-এ বিশ্ব অলি শাহানশাহ্ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ)-র পবিত্র মাজার শরীফে কেন্দ্রীয় মিলাদ- কিয়াম শেষে আখেরী মুনাজাতে আওলাদে রাসূল (সাঃ),আওলাদে গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী (কঃ),রাহবারে আলম হযরত সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (মঃ)
এই কথা বলেন।

তিনি মহান আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ জানিয়ে বলেন,
“আপনার মহান আউলায়ে কেরাম-ইনসানে কামেলগণের আদর্শে উজ্জীবিত হয়ে এই বিশ্বের ভূপৃষ্ঠ থেকে সমস্ত জুলম কে যাতে দূরীভূত করতে পারে সেই তওফিক মুসলিম উম্মাহ কে দান করুন।
সাম্য-শান্তি-দয়ার একটি- ন্যায়বিচারের একটি-বিশ্ব,যাতে এই মুসলিম উম্মাহ উপহার দিতে পারে, তাদেরকে সেই তওফিক দান করুন। মিথ্যা, আত্মগৌরবের যে নেশার মধ্যে বুদ হয়ে আছে, এই অবস্থা থেকে আমাদেরকে পরিত্রাণ দান করুন। এই অহমিকাপূর্ণ অবস্থান পরিত্যাগ করে বিশ্বমানবতার খাদেম হিসেবে মুসলিম উম্মাহ যাতে দায়িত্ব পালন করতে পারে সেই তৌফিক দান করুণ।”

তিনি বিশ্বের প্রতিটি মজলুমের, প্রতিটি মানব সন্তানের মুক্তি কামনা করেন,তিনি জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে প্রতিটি মজলুমের মুক্তি কামনা করেন।

তিনি এই পবিত্র রমজান মাসের আখেরী জুমার রাত-পবিত্র লাইলাতুল কদর,এই দুই মহান নিয়ামত একসাথে পাওয়ায় শোকরিয়া আদায় করে এই পবিত্র রাতে সমস্ত নিয়ামাত, ফজিলত,বারাকাত মনজুর করার জন্য মহান আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করেন।

এই পবিত্র রাতে যে রহমত নাজিলের ঘোষণা আল্লাহ সুবহানাহুতাআ’লা দিয়েছেন,সকলে যাতে সে রহমতের ভাগীদার হতে পারে, সে খোশনসিবি সকলের জন্য মনজুর করার জন্য তিনি ফরিয়াদ করেন।
তিনি দেশে বিদেশে অবস্থান রত সকল আশেক ভক্ত জায়েরীণদের এবং সকল কর্মজীবীদের নিজ নিজ কর্মে তরক্কীর জন্য মহান আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করেন।

তিনি তার মুনাজাতে বলেন,”আপনার বান্দারা হুজুর গাউছুল আজম মাইজভান্ডারীর গোলাম- বিশ্বঅলি শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভান্ডারী (কঃ)-র খাদেমরা নিজেদের জীবনের নানান দুঃখ, কষ্টকে দূরে রেখে আপনার-আপনার পেয়ারা হাবিব (সাঃ)-র সন্তুষ্টি লাভের আকাঙ্ক্ষা নিয়ে মুর্শিদের কদমে হাজির হয়েছেন। সকলকে মনজিলে মকসুদে কবুল করুন।সকলের রিযিকে আপনি বরকত দান করুন। সকলকে শারীরিক সুস্থতা দান করুন।”

মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফে আগত আশেক ভক্ত জায়েরীণগণ মিলাদ কিয়াম,তাওয়াল্লাদে গাউসিয়া মাইজভাণ্ডারীয়া শরীফ পাঠ, নফল নামাজ আদায় সহ বিভিন্ন ইবাদত বন্দেগিতে রাতভর নিজেদের মশগুল রাখেন।

মহান লাইলাতুল কদর এর দিনে মাইজভাণ্ডার শরীফ গাউসিয়া হক মনজিল এর ব্যবস্থাপনায় কেন্দ্রীয় ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় এবং পবিত্র লাইলাতুল কদর
রজনীতে আগত আশেক ভক্ত জায়েরীণদের জন্য তবাররুকাত এবং সেহরি পরিবেশন করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গাউসিয়া হক ভাণ্ডারী খানকাহ্ শরিফের ব্যবস্থাপনায় শোহাদায়ে কারবালা মাহফিলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

১০ জুন ২০২৬খ্রি. বুধবার বাদ মাগরিব গাউসিয়া হক ভাণ্ডারী খানকাহ্ শরিফ এর ব্যবস্থাপনায় ৫ দিন ব্যাপী শোহাদায়ে কারবালা মাহফিল-২০২৬ উপলক্ষে ২য় প্রস্তুতি সভা কেন্দ্রীয় পর্ষদ সদস্য মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভার আলোচ্য বিষয় ছিল মাহফিল এর অতিথি ও বক্তা নির্ধারণ, অনুষ্ঠানের দাওয়াত ও প্রচার, সার্বিক ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে, বিবিধ। এসময় উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ আলী, মুহাম্মদ ছালেহ সুফিয়ান, কাজী হাবিবুল হোসাইন, মো.ফজলুল হক, মো. শওকত হোসাইন, মো. খোরশেদ আলম, মো.রুকুনুজ্জামান টুটুল, আবদুল মান্নান, মাওলানা মুজিবুল হক, মোহাম্মদ ওমর ফারুক, এসএম জাবেদ হোসাইন, হারুনুর রশিদ, কাজী আশরাফ হোছাইন, মো. জিয়াউল হাসান সাইফ, মো. শাহীন মুরাদ রাজা, সৈয়দ মোহাম্মদ হাবিব, মো. আকতার মিঞা সমন্বয়কারী, মোহাম্মদ আব্দুর রব, মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম রিমন, দিদারুল আলম লোকমান, মো. মুজিবুর রহমান রাসেল, লায়ন ডা.বরুণ কুমার আচার্য বলাই, বাবু প্রবোধপাল, দেবরাজ পাল, সৈযদ আবু আহমদ, মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন চৌধুরী, মো. নুরমিয়া, মো. রানা সরকার, মো. সাজ্জাদ হোসেন, মো. কামাল উদ্দীন, মো. শাহজাহান মনজু, মো. ইদ্রিস আলী, মুহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলাম, মু. আমান উল্লা খান চৌধুরী লিটন প্রমূখ।

চট্টগ্রামে জমিয়তুল ফালাহ্ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাতের নামাজ আদায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে জমিয়তুল ফালাহ্ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাতের নামাজ আদায় করেছেন হাজারো মুসল্লি। আজ বৃহস্পতিবার ২৮ মে সকাল ৭টায় প্রথম জামাতে ইমামতি করেন জমিয়তুল ফালাহ্ মসজিদের খতিব হযরতুল আল্লামা আলহাজ সৈয়দ আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দীন আল কাদেরী। নামাজ শেষে তিনি ঈদের খুতবা প্রদান করেন এবং কোরবানির তাৎপর্য, ত্যাগের শিক্ষা ও মাংস বণ্টনের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান তুলে ধরেন। নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি-সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

ঈদের প্রধান জামাতে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব সাবেক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন, চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান, সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী এবং জাতীয় পার্টির নেতা সোলায়ামান আলম শেঠসহ বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন।

নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৩০টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করেন।একই স্থানে সকাল ৮টায় দ্বিতীয় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করবেন জমিয়তুল ফালাহ্ মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ আহমদুল হক।
এছাড়াও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে নগরের বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। নামাজ শেষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় পশু কোরবানি দেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ