আজঃ বৃহস্পতিবার ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

কালিয়াকৈরে যৌথ বাহিনীর সমন্বয়ে বন বিভাগের উচ্ছেদ অভিযান।

শাহিদুল ইসলাম কালিয়াকৈর প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার চন্দ্রা বিটের অধীনে সিনাবহ বাজার, ও বাঘাম্বর এলাকায় সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশ আনসার ও র‍্যাব সমন্বয়ে বন বিভাগের উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয় ।

উচ্ছেদ অভিযানে জনগণের রোশানলে পরে আহত হয় চন্দ্রা বিট অফিসের বন কর্মী মিনহাজ দেওয়ান। তার মাথায় গুরুতর জখম হওয়ায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে।


ঢাকা বন বিভাগের আয়োজনে পরিচালিত এই অভিযানে ৫ আগস্টের পর অবৈধভাবে বনের জমিতে নির্মিত ঘরবাড়ি, জমি দখল, গজারি গাছ কর্তন ও দখল বাণিজ্যের বিরুদ্ধে ঢাকা বন বিভাগের উদ্যোগ এই অভিযান চালানো হচ্ছে।

রোববার দিনব্যাপী এই অভিযানে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বন বিভাগের ডিএফও বশিরুল আল মামুন, ঢাকা বিভাগের এসিএফ ফাহিম মাসুদ, রেঞ্জ কর্মকর্তা, কালিয়াকৈর রেঞ্জের বিভিন্ন অফিসের বিট কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। এছাড়া অভিযানে ম্যাজিষ্ট্রট, সেনাবাহিনী,বিজিবি, পুলিশ, র‍্যাব, আনসার বাহিনী এবং উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারাও সহযোগিতা করছে

বনবিভাগ সুত্র জানায়, চন্দ্রা রেঞ্জের আওতাধীন সিনাবাহ বাজার ও বাগাম্বর এলাকায় অবৈধ দখলদারদেরকে সড়ে যাবার জন্য নোটিশ দিয়ে মাইকিং করে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এতে তারা কর্নপাত না করায় আজকে সকাল ১০টায় উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়।

উচ্ছেদ অভিযান শুরুর দিকে বাগাম্বর এলাকায় লোকজন বাধা প্রয়োগ করে। এক পর্যায়ে দখলদার এলাকাবাসী ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।এ সময় বনকর্মীরা কয়েকজনকে আটক করে পরে ছেড়ে দেয়।ইতিমধ্যেই ৪টি বুলডোজার দিয়ে শতাধিক ঘরবাড়ি এবং সিনাবহ বাজারে এলাকায় দোকানপাট গুড়িয়ে দেওয়া হয়।

বন বিভাগ জানিয়েছে, দখলদারদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং বনভূমি পুনরুদ্ধারে নিয়মিত অভিযান চালানো হবে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

জামায়াতের এজেন্টের স্বাক্ষরিত ২৩টি ফলাফল শিট জব্দ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ ও সদরের আংশিক) আসনের সলিমুন্নেছা বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোটের আগের দিন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের এজেন্টের স্বাক্ষরিত ২৩টি ফলাফল শিট উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ৮টার দিকে কালীগঞ্জ পৌরসভার ৫নং সলিমুন্নেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

এ কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদফতরের সহকারী প্রকৌশলী জেসমিন আরা। এ ঘটনার পর কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সেলিম রেজা, সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রিজওয়ানা নাহিদ।

কেন্দুয়ায় ভোট কেন্দ্রে আগুন, নাশকাতার চেষ্টা ব্যর্থ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় একটি ভোটকেন্দ্রে আগুন দেওয়ার চেষ্টার ঘটনা ঘটেছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ৪টার দিকে উপজেলার বীরমহুরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। তবে দুর্বৃত্তদের দেওয়া আগুন ছড়িয়ে পড়ার আগেই তা নিয়ন্ত্রণে আসায় বড় ধরনের কোনো ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।

প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গভীর রাতে একদল দুর্বৃত্ত জানালা দিয়ে ডিজেল ভেজানো চটের বস্তা ভেতরে ছুড়ে মেরে আগুন ধরিয়ে দেয়। তবে কক্ষের ভেতর আসবাবপত্র কম থাকায় এবং আগুন দ্রুত ছড়িয়ে না পড়ায় বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি এড়ানো সম্ভব হয়েছে। বিদ্যালয়ের মেঝেও দেয়ালের কিছু অংশে পোড়া দাগ লক্ষ্য করা গেছে।

ঘটনার বিষয়ে কেন্দুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী মাকসুদ জানান, এটি কোনো ভোটকেন্দ্রে আগুন দেওয়ার ঘটনা নয়, বরং একটি ভোট কক্ষ বা ভবনে আগুন দেওয়ার চেষ্টা ছিল।

তিনি উল্লেখ করেন, বীরমহুরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মোট তিনটি ভবন রয়েছে। এরমধ্যে যে দুটি ভবন ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে, সেগুলো অক্ষত আছে। দুর্বৃত্তরা এমন একটি ভবনের কক্ষে আগুন দেওয়ার চেষ্টা করেছে যা মূলত ভোটকেন্দ্রের অন্তর্ভুক্ত নয়।

ওসি আরও জানান, রাতের ডিউটি শেষে গ্রাম পুলিশ চলে যাওয়ার সুযোগ নিয়ে দুর্বৃত্তরা এ ঘটনা ঘটিয়েছে। বর্তমানে পুলিশ বিষয়টি গুরুত্বের সাথে তদন্ত করছে। তবে নির্বাচনের কাজে ব্যস্ত থাকায় এখনো কাউকে শনাক্ত বা গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।

বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে এবং বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। নির্বাচনের আগে জনমনে আতঙ্ক ছড়ানোর উদ্দেশ্যেই এ ধরণের অপচেষ্টা চালানো হয়েছে বলে ধারণা করছেন স্থানীয়রা।

আলোচিত খবর

নির্বাচনি দায়িত্বে থাকবেন প্রায় ৮ লাখ। কর্মকর্তা- ইসি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে বিশাল এক কর্মীবাহিনী মাঠে নামিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ভোটের কর্মযজ্ঞ সফল করতে সারা দেশে প্রায় ৮ লাখ কর্মকর্তা সরাসরি নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন। কমিশনের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই বিশাল তালিকায় প্রিজাইডিং অফিসার থেকে শুরু করে পোলিং অফিসার পর্যন্ত সর্বমোট ৭ লাখ ৮৫ হাজার ২২৫ জন দক্ষ কর্মকর্তা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন।  

নির্বাচন পরিচালনার ৬৯ জন রিটার্নিং অফিসার, ৫৯৮ জন সহকারী রিটার্নিং অফিসার। মোট ৪২ হাজার ৭৭৯টি ভোটকেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। এরই মধ্যে প্রায় ৯ লাখ পোস্টাল ব্যালট প্রতিটি কেন্দ্রের প্রধান দায়িত্ব সামলাবেন একজন করে প্রিজাইডিং অফিসার, সেই হিসেবে ৪২ হাজার ৭৭৯ জন প্রিজাইডিং অফিসার এখন কেন্দ্রগুলোতে যাওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। এছাড়াও ভোটকক্ষগুলোতে দায়িত্ব পালনের জন্য ২ লাখ ৪৭ হাজার ৪৮২ জন সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার এবং ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৯৬৪ জন পোলিং অফিসারকে চূড়ান্তভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ