আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

মাইজভাণ্ডার শরীফ গাউসিয়া হক মনজিলে মহান ২২ চৈত্র উরস শরীফের আনুষ্ঠানিকতা শুরু

বলাই আচায্য বলাই

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মহান ২২ চৈত্র গাউসুল আজম বিল বিরাসাত হযরত সৈয়দ গোলামুর রহমান মাইজভাণ্ডারী (কঃ) র পবিত্র বার্ষিক ওরশ শরীফ মাইজভাণ্ডার শরীফ গাউসিয়া হক মনজিল এ যথাযোগ্য মর্যাদা এবং ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে। অদ্য ২১ চৈত্র,৪ঠা এপ্রিল, দুপুর ৩টায়, গাউসুল আজম হযরত সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী (কঃ), গাউসুল আজম বিল বিরাসাত হযরত সৈয়দ গোলামুর রহমান মাইজভাণ্ডারী (কঃ),অছিয়ে গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী (কঃ) হযরত সৈয়দ দেলাওয়ার হোসাইন মাইজভাণ্ডারী (কঃ) এবং মারজাল বাহরাইন, মাজমাউল বাহরাইন বিশ্বঅলি শাহানশাহ হযরত সৈয়দ জিয়াউল হক মাইজভাণ্ডারী (কঃ)-র পবিত্র মাজার শরীফে আতর, গোলাপ সুগন্ধি পুষ্পার্ঘ্য অর্পণের মধ্য দিয়ে আওলাদে গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী (কঃ) রাহবারে আলম হযরত সৈয়দ মোহাম্মদ হাসান মাইজভাণ্ডারী (মঃ)-র সদারতে উরস শরীফের আনুষ্ঠানিকতা আরম্ভ হয়েছে।

পবিত্র মাজার শরীফ সমূহে আতর-গোলাপ-পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ ও জিয়ারত শেষে তিনি মাইজভাণ্ডার শরীফ গাউসিয়া হক মনজিল-এর কেন্দ্রীয় মিলাদ কিয়াম ও মোনাজাত এ অংশগ্রহণ করেন। মুনাজাতে তিনি বলেন,
“মহান ২২ চৈত্র- হুজুর গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী (ক.) কেবলা কাবা-র বেলায়তের বাগানের সর্বোত্তম ফুল,গাউসুল আজম বিল বিরাসাত, কুতুবুল আকতাব শাহসূফি সৈয়দ গোলামুর রহমান মাইজভাণ্ডারী (কঃ) কেবলা কাবা ‘র মহান ওরশ মোবারক। এই ওরশ মোবারককে সামনে রেখে ত্বরিকার ঐতিহ্য অনুসারে,হুজুর গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী (কঃ)-র এই দরবারের ঐতিহ্য অনুসারে,হুজুর গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী (কঃ)-র দরবারে,বাবা ভাণ্ডারী কেবলা আলম-এর দরবারে,
অছি এ গাউসুল আজম মাইজভাণ্ডারী(কঃ)-র দরবারে, শাহানশাহ হক ভাণ্ডারী (ক.)-র কদমে আমরা হাজির হয়েছি।” তিনি আতর গোলাপ নিয়ে-সুগন্ধি সুসজ্জিত করে এই পবিএ রওজা শরীফের খেদমত করার তৌফিক প্রদানের জন্য মওলা রব্বুল আলামিনের দরবারে অগণিত শোকরিয়া আদায় করেন। তিনি সকলের এই পবিত্র ওরশে পাকে হাজেরীকে সকলের জন্য গুনাহের-তওবার উসিলা হিসাবে কবুল করার জন্য, এই হাজেরীর ভূল-ত্রুটি ক্ষমা করার জন্য, সকলের গুনাহ-খাতা ক্ষমা করার জন্য এবং এই পবিত্র ওরশ মোবারককে কেন্দ্র করে আশেক- ভক্ত-জায়েরীন-মুহিব্বিন- আশেকিন যারা দূর দূরান্ত হতে হাজির হবার আশা পোষণ করেছেন,সকলে যাতে আরজু মোতাবেক দরবারে হাজির হতে পারে- সেই তৌফিক দান করার জন্য ফরিয়াদ করেন। তিনি এই পবিত্র ওরশ মোবারক উপলক্ষে যা কিছু এন্তেজাম হয়েছে, সমস্ত এন্তেজামকে কবুল করার জন্য এবং যে সমস্ত কর্মসূচিগুলো প্রণীত হয়েছে,সে সমস্ত কর্মসূচীগুলোকে কবুল করার জন্য আল্লাহর দরবারে ফরিয়াদ করেন। এই পবিত্র ওরশ মোবারকের বারাকাত-নেয়ামত সকলের উপর মঞ্জুর করার জন্য, এই পবিত্র দিনের বরকতে-উছিলায় সকল আশেক ভক্তের উপর আল্লাহর অফুরন্ত রহমত বর্ষণ করার জন্য, সকলের রিজিকের উপর বরকত দান,শারীরিক সুস্থতা ও পারিবারিক শান্তি দান করার জন্য এবং সকলকে একটি মর্যাদাপূর্ণ জীবন দান করার জন্য আল্লাহর দরবারে আকুল ফরিয়াদ জানান।

পরবর্তীতে তিনি পবিত্র উরস শরিফে আগত অগণিত আশেক ভক্ত জায়েরীণদের সাক্ষাৎ প্রদান করেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

গাউসিয়া হক ভাণ্ডারী খানকাহ্ শরিফের ব্যবস্থাপনায় শোহাদায়ে কারবালা মাহফিলের প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

১০ জুন ২০২৬খ্রি. বুধবার বাদ মাগরিব গাউসিয়া হক ভাণ্ডারী খানকাহ্ শরিফ এর ব্যবস্থাপনায় ৫ দিন ব্যাপী শোহাদায়ে কারবালা মাহফিল-২০২৬ উপলক্ষে ২য় প্রস্তুতি সভা কেন্দ্রীয় পর্ষদ সদস্য মোহাম্মদ আলীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভার আলোচ্য বিষয় ছিল মাহফিল এর অতিথি ও বক্তা নির্ধারণ, অনুষ্ঠানের দাওয়াত ও প্রচার, সার্বিক ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে, বিবিধ। এসময় উপস্থিত ছিলেন মোহাম্মদ আলী, মুহাম্মদ ছালেহ সুফিয়ান, কাজী হাবিবুল হোসাইন, মো.ফজলুল হক, মো. শওকত হোসাইন, মো. খোরশেদ আলম, মো.রুকুনুজ্জামান টুটুল, আবদুল মান্নান, মাওলানা মুজিবুল হক, মোহাম্মদ ওমর ফারুক, এসএম জাবেদ হোসাইন, হারুনুর রশিদ, কাজী আশরাফ হোছাইন, মো. জিয়াউল হাসান সাইফ, মো. শাহীন মুরাদ রাজা, সৈয়দ মোহাম্মদ হাবিব, মো. আকতার মিঞা সমন্বয়কারী, মোহাম্মদ আব্দুর রব, মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম রিমন, দিদারুল আলম লোকমান, মো. মুজিবুর রহমান রাসেল, লায়ন ডা.বরুণ কুমার আচার্য বলাই, বাবু প্রবোধপাল, দেবরাজ পাল, সৈযদ আবু আহমদ, মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন চৌধুরী, মো. নুরমিয়া, মো. রানা সরকার, মো. সাজ্জাদ হোসেন, মো. কামাল উদ্দীন, মো. শাহজাহান মনজু, মো. ইদ্রিস আলী, মুহাম্মদ মঞ্জুরুল ইসলাম, মু. আমান উল্লা খান চৌধুরী লিটন প্রমূখ।

চট্টগ্রামে জমিয়তুল ফালাহ্ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাতের নামাজ আদায়

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে জমিয়তুল ফালাহ্ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাতের নামাজ আদায় করেছেন হাজারো মুসল্লি। আজ বৃহস্পতিবার ২৮ মে সকাল ৭টায় প্রথম জামাতে ইমামতি করেন জমিয়তুল ফালাহ্ মসজিদের খতিব হযরতুল আল্লামা আলহাজ সৈয়দ আবু তালেব মোহাম্মদ আলাউদ্দীন আল কাদেরী। নামাজ শেষে তিনি ঈদের খুতবা প্রদান করেন এবং কোরবানির তাৎপর্য, ত্যাগের শিক্ষা ও মাংস বণ্টনের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ বয়ান তুলে ধরেন। নামাজ শেষে দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর শান্তি-সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

ঈদের প্রধান জামাতে বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও প্রশাসনিক ব্যক্তিত্ব সাবেক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাসিরুদ্দিন, চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন, ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন, সংসদ সদস্য মোহাম্মদ আবু সুফিয়ান, সংসদ সদস্য সাঈদ আল নোমান, সাবেক মেয়র মাহমুদুল ইসলাম চৌধুরী এবং জাতীয় পার্টির নেতা সোলায়ামান আলম শেঠসহ বিশিষ্টজনরা উপস্থিত ছিলেন।

নিরাপত্তা নিশ্চিতে ৩০টি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়। এছাড়া আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে দায়িত্ব পালন করেন।একই স্থানে সকাল ৮টায় দ্বিতীয় ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করবেন জমিয়তুল ফালাহ্ মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ আহমদুল হক।
এছাড়াও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের তত্ত্বাবধানে নগরের বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে ঈদুল আজহার জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। নামাজ শেষে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় পশু কোরবানি দেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ