আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

চৌদ্দগ্রামে জন্মদাতার পিতার সম্পত্তি অধিকার চাওয়াকে কেন্দ্র করে লাঞ্ছিত শিকার গর্ভধারিনী মা ও ৫ বোন

জহিরুল ইসলাম সুমন (চৌদ্দগ্রাম) কুমিল্লা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জন্মদাতার পিতার মালিকানা সম্পত্তির সমান ভাগ চাওয়াকে কেন্দ্র করে লাঞ্ছনা হতে হচ্ছে পাঁচ বোন ও মা । ও মেয়ের পক্ষে কথা ভোলায় ঘুমাতে হচ্ছে খোলা আকাশের নিচে। এমন একটি ঘটনা ঘটেছে কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলা শ্রীপুর ইউনিয়ন নালঘর দক্ষিণ পাড়া মৃত আব্দুর রাজ্জাকের পরিবারে। সুত্রে জানাযায় চৌদ্দগ্রাম উপজেলা শ্রীপুর ইউনিয়ন ৮নং ওয়ার্ড নালঘর দক্ষিণ পাড়া মোঃ আব্দুর রাজ্জাক ৫ মেয়ে ও এক ছেলে স্ত্রী মোসাঃ হিরুনা বেগম সহ অসংখ্য ওয়ারিশ রেখে দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে মৃত্যু বরণ করে। রেখে যায় অসংখ্য জায়গা সম্পত্তি। সেই সম্পত্তি হয়ে উঠেছে মা বোন ও ভাইয়ের মধ্যে একটি বিশাল দেয়াল বাড়ির সংলগ্ন ২১ শতক জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে চলছে ভাই বোনের লড়াই সংগ্রাম। সেই ২১ শতক পুরো জায়গা ভোগদখল করতে চায় আপন ভাই।

ছেলের অন্যায় কাজে বাধা দিলে শেষ পর্যন্ত আপন মা কেও লাঞ্ছনা করতে একটুর জন্যে ও ভাবেনি আপন ছেলে। এই বিষয় মৃত্যু আব্দুর রাজ্জাক এর স্ত্রী মোসাঃ হিরুনা বেগম জানায় তার স্বামী মোঃ আব্দুর রাজ্জাক ৫ মেয়ে ও এক ছেলে রেখে মৃত্যু বরণ করে বড় ছেলে মোঃ রহমান ও ৫ মেয়ে নিয়ে অনেক কষ্টে জীবন যাপন করে আসছি। আমার একটি মাত্র ছেলে তাকে অনেক কষ্টে লেখা পড়া শিখিয়ে বড় করেছিলাম কিন্তু জানতামনা সম্পত্তির জন্য আপন মা কে ও আপন বোনদের কে বাড়ির থেকে বের করে দিবে। নালঘর বাজার সংলগ্ন আমার স্বামীর মালিকানা সাবেক ১০৪৪, ১০৪৫, ১০৪৬ দাগে বি এস ১৭৭৯ দাগে ২১ শতক সম্পত্তি বাবদে ৫২নং বি এস খতিয়ান ভুক্ত দলিলে আব্দুর রাজ্জাক উল্লেখ করে যান মৃত্যুর পর আব্দুর রাজ্জাক এর স্ত্রী ও ৫ মেয়ে এক ছেলে সহ ৭জনের সমান ভাগে ওয়ারিশ সুত্রে মালিকানা দলিলে উল্লেখ করে দিয়ে যান আব্দুর রাজ্জাক।

কিন্তু সম্পত্তির লোভে এই দাগে বোনদের ভাগ দিবেনা ভোলায় আমি প্রতিবাদ করার আমার ছেলে রহমান সহ ওর স্ত্রী মিলে সবসময় আমাকে পাগল বলে আমাকে মানসিক নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে, এবং আমার ৫ মেয়ে সম্পত্তির ভাগ চাওয়ে আমার মেয়েদের কেও মেরে বাড়ির থেকে বের করে। যে সম্পত্তির জন্য ছেলে মা বোন দের বের করে দিয়ে সেই সম্পত্তির মধ্যে আমি আমার ৫ মেয়ে নিয়ে এই খোলা আকাশের নিচে আজ তিন দিন খোলা আকাশের নিচে রয়েছি।

তাই ছেলের বিচারের দাবী জানান এই অসহায় মা বোনেরা,,, এই বিষয় আব্দুর রাজ্জাক এর মেয়ে মোসাঃ নুর জাহান আক্তার সুমি পৃর্থিক সম্পত্তি ওয়ারিশ সুত্রে মালিকানা দাবী করে কুমিল্লা বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ১নং আদালতে একটি অভিযোগ দায়েল করে আসছে বলে জানান সুমি আক্তার।।।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ