আজঃ সোমবার ১৬ মার্চ, ২০২৬

চৌদ্দগ্রামে জন্মদাতার পিতার সম্পত্তি অধিকার চাওয়াকে কেন্দ্র করে লাঞ্ছিত শিকার গর্ভধারিনী মা ও ৫ বোন

জহিরুল ইসলাম সুমন (চৌদ্দগ্রাম) কুমিল্লা প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

জন্মদাতার পিতার মালিকানা সম্পত্তির সমান ভাগ চাওয়াকে কেন্দ্র করে লাঞ্ছনা হতে হচ্ছে পাঁচ বোন ও মা । ও মেয়ের পক্ষে কথা ভোলায় ঘুমাতে হচ্ছে খোলা আকাশের নিচে। এমন একটি ঘটনা ঘটেছে কুমিল্লা চৌদ্দগ্রাম উপজেলা শ্রীপুর ইউনিয়ন নালঘর দক্ষিণ পাড়া মৃত আব্দুর রাজ্জাকের পরিবারে। সুত্রে জানাযায় চৌদ্দগ্রাম উপজেলা শ্রীপুর ইউনিয়ন ৮নং ওয়ার্ড নালঘর দক্ষিণ পাড়া মোঃ আব্দুর রাজ্জাক ৫ মেয়ে ও এক ছেলে স্ত্রী মোসাঃ হিরুনা বেগম সহ অসংখ্য ওয়ারিশ রেখে দুনিয়ার মায়া ত্যাগ করে মৃত্যু বরণ করে। রেখে যায় অসংখ্য জায়গা সম্পত্তি। সেই সম্পত্তি হয়ে উঠেছে মা বোন ও ভাইয়ের মধ্যে একটি বিশাল দেয়াল বাড়ির সংলগ্ন ২১ শতক জায়গা নিয়ে দীর্ঘদিন থেকে চলছে ভাই বোনের লড়াই সংগ্রাম। সেই ২১ শতক পুরো জায়গা ভোগদখল করতে চায় আপন ভাই।

ছেলের অন্যায় কাজে বাধা দিলে শেষ পর্যন্ত আপন মা কেও লাঞ্ছনা করতে একটুর জন্যে ও ভাবেনি আপন ছেলে। এই বিষয় মৃত্যু আব্দুর রাজ্জাক এর স্ত্রী মোসাঃ হিরুনা বেগম জানায় তার স্বামী মোঃ আব্দুর রাজ্জাক ৫ মেয়ে ও এক ছেলে রেখে মৃত্যু বরণ করে বড় ছেলে মোঃ রহমান ও ৫ মেয়ে নিয়ে অনেক কষ্টে জীবন যাপন করে আসছি। আমার একটি মাত্র ছেলে তাকে অনেক কষ্টে লেখা পড়া শিখিয়ে বড় করেছিলাম কিন্তু জানতামনা সম্পত্তির জন্য আপন মা কে ও আপন বোনদের কে বাড়ির থেকে বের করে দিবে। নালঘর বাজার সংলগ্ন আমার স্বামীর মালিকানা সাবেক ১০৪৪, ১০৪৫, ১০৪৬ দাগে বি এস ১৭৭৯ দাগে ২১ শতক সম্পত্তি বাবদে ৫২নং বি এস খতিয়ান ভুক্ত দলিলে আব্দুর রাজ্জাক উল্লেখ করে যান মৃত্যুর পর আব্দুর রাজ্জাক এর স্ত্রী ও ৫ মেয়ে এক ছেলে সহ ৭জনের সমান ভাগে ওয়ারিশ সুত্রে মালিকানা দলিলে উল্লেখ করে দিয়ে যান আব্দুর রাজ্জাক।

কিন্তু সম্পত্তির লোভে এই দাগে বোনদের ভাগ দিবেনা ভোলায় আমি প্রতিবাদ করার আমার ছেলে রহমান সহ ওর স্ত্রী মিলে সবসময় আমাকে পাগল বলে আমাকে মানসিক নির্যাতন চালিয়ে যাচ্ছে, এবং আমার ৫ মেয়ে সম্পত্তির ভাগ চাওয়ে আমার মেয়েদের কেও মেরে বাড়ির থেকে বের করে। যে সম্পত্তির জন্য ছেলে মা বোন দের বের করে দিয়ে সেই সম্পত্তির মধ্যে আমি আমার ৫ মেয়ে নিয়ে এই খোলা আকাশের নিচে আজ তিন দিন খোলা আকাশের নিচে রয়েছি।

তাই ছেলের বিচারের দাবী জানান এই অসহায় মা বোনেরা,,, এই বিষয় আব্দুর রাজ্জাক এর মেয়ে মোসাঃ নুর জাহান আক্তার সুমি পৃর্থিক সম্পত্তি ওয়ারিশ সুত্রে মালিকানা দাবী করে কুমিল্লা বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ১নং আদালতে একটি অভিযোগ দায়েল করে আসছে বলে জানান সুমি আক্তার।।।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

কিউলেক্স মশার প্রকোপ বেড়েছে: মেয়র ডা. শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেছেন, নালা-নর্দমা ও ড্রেনে ময়লা-আবর্জনা জমে থাকা এবং যত্রতত্র বর্জ্য ফেলার কারণে পানির প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। ফলে স্থির পানিতে মশার বংশবিস্তার ঘটছে। তাই নালা-নর্দমা পরিষ্কার রাখা এবং বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় নাগরিক সচেতনতা বাড়ানো জরুরি।’শনিবারের অঙ্গীকার, বাসাবাড়ি করি পরিষ্কার’—এই স্লোগান সামনে রেখে ডেঙ্গু ও মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযানের উদ্বোধনকালে মেয়র এসব কথা বলেন।

শনিবার (১৪ মার্চ) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ ও এর আশপাশের এলাকায় এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। কর্মসূচিটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় সারা দেশে পরিচালিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে চট্টগ্রামেও শুরু হয়েছে।মেয়র বলেন, নগরবাসীর সুস্বাস্থ্য ও পরিচ্ছন্ন পরিবেশ নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার করছে। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ এলাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি স্থান, কারণ প্রতিদিন এখানে হাজার হাজার মানুষ চিকিৎসাসেবা নিতে আসেন।তাই মশার উপদ্রব নিয়ন্ত্রণে ও ডেঙ্গুসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে এই এলাকাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করা হচ্ছে।

ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, বর্ষা মৌসুমে টব, ডাবের খোসা, নির্মাণাধীন ভবনের সামগ্রী বা প্লাস্টিকের পাত্রে জমে থাকা স্বচ্ছ পানিতে এডিস মশার লার্ভা জন্ম নেয়, যা ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার জন্য দায়ী। তবে বর্তমানে কিউলেক্স মশার বিস্তার বেশি দেখা যাচ্ছে, যার প্রধান উৎস নোংরা ড্রেন ও জমে থাকা বর্জ্য। নিয়মিত ড্রেন পরিষ্কার রাখা এবং আশপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব।তিনি জানান, নগরের ৪১টি ওয়ার্ডে একযোগে এই পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। প্রতিটি ওয়ার্ডে লার্ভিসাইড ও অ্যাডাল্টিসাইড ওষুধ সরবরাহ করা হয়েছে এবং ওয়ার্ডভিত্তিক তদারকির জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা কাজ করছেন।

এছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ নজরদারি ও অতিরিক্ত কার্যক্রম পরিচালনার জন্য প্রায় ১৬০ জনের একটি বিশেষ দল কাজ করছে।মেয়র বলেন, চকবাজার, বাকলিয়া, আগ্রাবাদ, ফিরিঙ্গিবাজার, হালিশহর, পাহাড়তলীসহ কয়েকটি এলাকাকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় বিশেষভাবে মশক নিধন ও ড্রেন পরিষ্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে।

কার্যকর ওষুধ ব্যবহারের কারণে বর্তমানে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়ার প্রকোপ অনেকটাই কমেছে। আমেরিকা থেকে আনা কার্যকর লার্ভিসাইড ব্যবহার করায় ডেঙ্গুর লার্ভা ধ্বংসে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে।

মেয়র নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, শহর শুধু সিটি করপোরেশনের নয়—এটি সবার শহর। তাই প্রত্যেক নাগরিককে নিজ নিজ বাসা-বাড়ির আঙিনা, ছাদ, বারান্দা এবং আশপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। সপ্তাহে অন্তত একদিন নিজেদের আশপাশ পরিষ্কার রাখলে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও স্বাস্থ্যকর নগর গড়ে তোলা সম্ভব।তিনি বলেন, চট্টগ্রাম সব সময় উন্নয়ন ও উদ্যোগে পথ দেখিয়েছে। পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার ক্ষেত্রেও চট্টগ্রাম দেশের অন্যান্য সিটি করপোরেশনের জন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।

উদ্বোধনের পর চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজের মেইন গেট, কেবি ফজলুল কাদের সড়ক এবং প্রবর্তক মোড় এলাকায় ড্রেন পরিষ্কার করা হয় এবং মশক নিধনে লার্ভিসাইড ওষুধ ছিটানো হয়। পাশাপাশি পরিচ্ছন্নতা বিভাগের কর্মীরা ফগার মেশিন ও স্প্রে মেশিন ব্যবহার করে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ তসলিম উদ্দীন, চসিকের প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ইখতিয়ার উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপ-পরিচালক ডা. মোহাম্মদ ইলিয়াছ চৌধুরী, উপপ্রধান পরিচ্ছন্নতা কর্মকর্তা প্রণব কুমার শর্মা, ম্যালেরিয়া ও মশক নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা মো. সরফুল ইসলাম প্রমুখ।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ