আজঃ বৃহস্পতিবার ২৬ মার্চ, ২০২৬

বোয়ালখালীতে বিকল্প কাঠের সেতুর ভেঙ্গে যোগাযোগ বিছিন্ন।

এম মনির চৌধুরী রানা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

বোয়ালখালীতে শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ও চরণদ্বীপ ইউনিয়নকে যুক্ত করে খরনদ্বীপ এলাকায় সৈয়দ খালের উপর নির্মিত কাঠের বিকল্প সেতু ভেঙ্গে যোগাযোগব্যবস্থা পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন হয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে ওই গ্রামের মানুষ।
শ্রীপুর-খরণদ্বীপ ও চরণদ্বীপ ইউনিয়নকে যুক্ত করে খরনদ্বীপ এলাকায় সৈয়দ খালের উপর ৪৩ মিটার দীর্ঘ সেতু নির্মানের উদ্যোগ নেয় এলজিইডি। এর পাশেই পারাপারের জন্য কাঠের বিকল্প সেতু নির্মান করেছে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান।

স্থানীয় বাসিন্দা আবুল হোসেন বলেন, সেতুই ছিল যাতায়াতের একমাত্র ভরসা। এখন হাসপাতালে যাওয়া, বাজার করা বা জরুরি কাজে যাতায়াত অসম্ভব হয়ে পড়েছে। জানা যায়, ২০২০-২১ অর্থবছরে কালুরঘাট-ভান্ডালজুড়ি সড়কের কেরানী বাজার এলাকার কেরানী বাজার ব্রিজের শুরু হয় সেতু নির্মাণকাজ। চুক্তি অনুযায়ী ২০২২ সালের অক্টোবরের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও চার বছর পেরিয়ে গেলেও শেষ হয়নি প্রকল্পটি। প্রথমে ‘ACNT-JV’ নামক প্রতিষ্ঠানকে ৩ কোটি ৬৬ লাখ টাকায় কাজ দেওয়া হয়।

তবে নির্মাণসামগ্রীর মূল্যবৃদ্ধির অজুহাতে কাজ অসমাপ্ত রেখেই চলে যায় তারা। নতুন করে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মেসার্স নুর সিন্ডিকেট নামের প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হয় কাজের দায়িত্ব, যার ব্যয় ধরা হয় প্রায় ৪ কোটি ৫৬ লাখ টাকা। তবে জুন পর্যন্ত অগ্রগতি মাত্র ৪৫ শতাংশ।

দীর্ঘদিন ধরে নির্মাণাধীন সেতুর কাজ শেষ না হওযায় গাড়ি ও মানুষের পায়ে হেঁটে পারাপারের জন্য পাশে একটি কাঠের সাঁকো তৈরি করা হলেও এটিও জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে। বিকল্প সড়ক সেতু না থাকার ফলে বাধ্য হয়ে ঝুঁকি নিয়ে ভাঙ্গা কাঠের সাঁকো দিয়ে পারাপার করছিল তাও ভেঙ্গে যোগাযোগ বিছিন্ন হয়ে পড়েছে। শ্রীপুর-খরনদ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান মো: হাসান চৌধুরী বলেন, কাঠের সেতুটি ভেঙে পড়ায় ওই পাড়ের মানুষ খুবই দুর্ভোগে পড়েছে। কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে দ্রুত সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

বোয়ালখালী উপ-সহকারী প্রকৌশলী মো: ফারুক হোসেন বলেন, জোয়ারের পানিতে বিকল্প সেতু একপাশে ভেঙ্গে যায়, ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় অতি দ্রুত মেরামত করা হবে। সেতুটি দ্রুত নির্মিত হবে, দূর হবে দুই ইউনিয়নবাসীর দুর্দশা এমন প্রত্যাশা সাধারণ মানুষের।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টলা এক্সপ্রেসের পাওয়ার কারে অগ্নিকান্ডে ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাটে ঢাকাগামী আন্তঃনগর ‘চট্টলা এক্সপ্রেস’ ট্রেনের পাওয়ার কারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার দুর্ঘটনার পর ঘটনা তদন্তে এ কমিটি গঠন করা হয়।
বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে ইতোমধ্যে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তাকে (ডিটিও) কমিটির প্রধান করা হয়েছে।

কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে যান্ত্রিক ত্রুটি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে এবং সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে ফৌজদারহাটের বিএমএ গেট এলাকায় চলন্ত অবস্থায় ট্রেনটির পাওয়ার কারে আগুন লাগে। পরে আগুন পাশের একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) কোচে ছড়িয়ে পড়ে।

এতে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা দ্রুত ট্রেন থেকে নেমে নিরাপদ স্থানে সরে যান।খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।অগ্নিকাণ্ডের সময় কিছুক্ষণ রেল চলাচল ব্যাহত হলেও পরে তা স্বাভাবিক হয়।

বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যুগ্ম সচিব পরিদর্শনে সেবার মান নিয়ে সন্তোষ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বুধবার ২৫ মার্চ দুপুরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা শাখার যুগ্ম সচিব ডা. শাব্বির ইকবাল বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকমিক পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি সরাসরি রোগীদের সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়ে রক্তচাপ পরিমাপ করেন এবং চিকিৎসাসেবা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি চক্ষু বিশেষজ্ঞের কাছ থেকেও চিকিৎসা সেবার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অবহিত হন। হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।

পরিদর্শনকালে ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. তৌহিদ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জাফরিন জাহেদ জিতি, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সুফিয়ান সহ অন্যান্য চিকিৎসক, কনসালটেন্ট, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে পরিদর্শনের দিন ৯১ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। অতিরিক্ত রোগী সেবা প্রদান এবং হাসপাতালের উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীদের ধন্যবাদ জানান যুগ্ম সচিব ডা. শাব্বির ইকবাল।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ