আজঃ মঙ্গলবার ৫ মে, ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বিকডা’র মতবিরোধ আইসিডিতে প্রায় ৬৩ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তি চার্জ আদায় শুরু।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম বন্দরের আইসিডি ব্যবহারকারী ও অংশীজন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সঙ্গে বেসরকারি ডিপো মালিকদের সংগঠন বাংলাদেশ ইনল্যান্ড কনটেইনার ডিপো অ্যাসোসিয়েশনের (বিকডা) মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। বেসরকারি অভ্যন্তরীণ কনটেইনার ডিপোগুলোতে (আইসিডি) প্রায় ৬৩ শতাংশ পর্যন্ত বাড়তি চার্জ আদায় শুরু হওয়ায় এ বিরোধ তৈরী হয়। আইসিডি ব্যবহারকারীরা বাড়তি চার্জ নিয়ে কঠোরভাবে আপত্তি তুলেছেন।এদিকে বন্দর কর্তৃপক্ষ চার্জ বাড়ানোর বিরুদ্ধে নৌপরিবহণ উপদেষ্টার কাছে চিঠি দিয়েছে।

উল্লেখ্য, আমদানি-রফতানি ও খালি কনটেইনার মিলিয়ে বছরে মোট ২২ লাখ কনটেইনার হ্যান্ডলিং করে বেসরকারি ডিপোগুলো। প্রায় ৬৫ ধরনের আমদানি পণ্য এবং শতভাগ রফতানি পণ্য হ্যান্ডলিং করা হয় এসব আইসিডিতে। আইসিডি ব্যবহারকারীদের মতে, বিশ্ববাজারে শুল্ক নিয়ে এক ধরনের অস্থিরতা বিরাজ করছে। শিল্প কারখানায় উৎপাদন খরচ বেড়েছে। এ অবস্থায় আইসিডিতে একলাফে ৬৩ শতাংশ পর্যন্ত চার্জ বাড়ানোর ফলে পণ্য পরিবহনের খরচ বাড়বে অন্তঃত ৫০ শতাংশ। এর ফলে রফতানিতে খরচ বেড়ে যাবে। এর সরাসরি প্রভাব পড়বে রফতানিমুখী শিল্প কারখানাগুলোতে।

জানতে চাইলে বিকডা’র মহাসচিব রুহুল আমিন সিকদার বলেন, চার্জ বাড়ানো নিয়ে মতবিরোধ হয়েছে। কেন এই মতবিরোধ, সেটা আমাদের কাছে পরিষ্কার নয়। আবার চার্জ বাড়ানো ছাড়া আমাদের কাছে বিকল্পও নেই। আমরা সবসময় দেখি যে, আইসিডিতে চার্জ নিয়েই যত বাদ-প্রতিবাদ শুরু হয়। পণ্য রফতানির ক্ষেত্রে আমাদের জন্য যে খরচ হয়, তা মোট খরচের মাত্র তিন শতাংশের মতো। বাকি ৯৭ শতাংশের চার্জ নিয়ে কিন্তু কোনো মাতামাতি নেই।

তিনি বলেন, চট্টগ্রাম বন্দর থেকে আমেরিকায় একটি কনটেইনার পাঠাতে খরচ হয় ৬ লাখ টাকা। সেখানে আমাদের জন্য অর্থাৎ আইসিডি খাতে চার্জ আদায় হয় মাত্র ১০ হাজার টাকা, অর্থাৎ মোট খরচের এক শতাংশেরও কম। আমরা মনে করি, যে পরিমাণ চার্জ বাড়ানো হয়েছে, তাতে রফতানি ব্যয়ের ওপর কোনো প্রভাব পড়বে না। অহেতুক বিষয়টি নিয়ে মতবিরোধ কাম্য নয়।
এদিকে আইসিডি ব্যবহারকারী রফতানিকারকরা বলছেন, বিকডা’র এ সিদ্ধান্তের ফলে পণ্য পরিবহণ ও রফতানি খরচ বেড়ে গেছে। এর প্রভাব পড়বে দেশীয় কারখানাগুলোতে। দেশের বিদ্যমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে এ সিদ্ধান্ত একেবারেই অনুপযুক্ত বলে তাদের মত।

অন্যদিকে বিকডা’র সিদ্ধান্তে গত সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) থেকে ২১টি আইসিডিতে একযোগে রফতানি পণ্য ও কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের বিভিন্ন খাতে বাড়তি চার্জ আদায় করা হচ্ছে। বিকডা ১৫ জুলাই এ বিষয়ে তাদের সদস্যদের চিঠি দিয়ে বাড়তি চার্জের বিষয়ে নির্দেশনা দেয়।

বন্দর সূত্রে জানা গেছে, আইসিডিগুলোতে ২০ ফুট এককের একটি রফতানি কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের প্যাকেজ চার্জ ছিল ৬ হাজার ১২৭ টাকা। গত ১ সেপ্টেম্বর থেকে সেটা বাড়িয়ে ৯ হাজার ৯০০ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। ৪০ ফুট দীর্ঘ কনটেইনারের চার্জ ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ১৩ হাজার ২০০ টাকা। সব মিলিয়ে অন্তত ২০টি খাতে বর্ধিত চার্জ আদায় করছেন আইসিডি মালিকরা, যা সর্বোচ্চ ৬৩ শতাংশ পর্যন্ত।

সূত্রমতে, বর্ধিত চার্জ আদায়ের ঘোষণা আসার পর পরই বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন, বিজিএমইএ, বিকেএমইএসহ আইসিডি ব্যবহারকারী বিভিন্ন সংগঠন আপত্তি তোলে। সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে চিঠি দিয়ে বিকডাকে বর্ধিত চার্জ আরোপ থেকে বিরত থাকতে অনুরোধ করা হয়। তবে বিকডা বিষয়টি আমলে নেয়নি।
এদিকে আইসিডিতে বাড়তি চার্জ আরোপ নিয়ে গত ৩১ আগস্ট নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ে চিঠি দেন চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব মো. ওমর ফারুক। চিঠিতে বলা হয়েছে, বেসরকারি ডিপোগুলোতে শিপার কনসাইনি, এমএলও, শিপিং এজেন্ট, ফ্রেইট ফরওয়ার্ডারদের কাছ থেকে বর্ধিত হারে ট্যারিফ আদায় করা বেসরকারি আইসিডি নীতিমালার ১১.১ ও ১১.২ ধারা অনুযায়ী নিয়মবর্হিভূত। ২০১৯ সালে গঠিত ট্যারিফ নির্ধারণী কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কমিটিই আদায়যোগ্য ট্যারিফ নির্ধারণ করবে যা মন্ত্রণালয় অনুমোদন দেওয়ার পর কার্যকর করবে।

কিন্তু আইসিডিগুলো ট্যারিফ বাড়ানোর আগে নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন নেওয়ার বাধ্যতামূলক সিদ্ধান্ত অনুসরণ করেনি। এ অবস্থায় চট্টগ্রাম বন্দরসহ সকল অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে গ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর আগে বর্ধিত ট্যারিফ আদায় বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য চিঠিতে অনুরোধ করা হয়।
চট্টগ্রাম বন্দরের সচিব মো. ওমর ফারুক বলেন, আইসিডির ট্যারিফ নিয়ে বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে একটা মতবিরোধ তৈরি হয়েছে। আইসিডিগুলো যাতে নিয়ম বর্হিভূতভাবে ট্যারিফ আদায় করতে না পারে, সেজন্য নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়েছিল। তবে মন্ত্রণালয় থেকে এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত এখনো জানানো হয়নি।

বিকডা মহাসচিব রুহুল আমিন সিকদার আরো বলেন, বন্দর কর্তৃপক্ষ কেন একটা পক্ষভুক্ত হয়ে গেল, সেটা বুঝতে পারছি না। উনারা যে ট্যারিফ নির্ধারণী কমিটির কথা বলছেন, সেটা তো আমরা হাইকোর্টে চ্যালেঞ্জ করেছি। সেটার সুরাহা এখন হয়নি। তাহলে কমিটির বৈঠকের মাধ্যমে ট্যারিফ নির্ধারণের বিষয়টি এখনও বাধ্যতামূলক নয়।

উল্লেখ্য, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষও সম্প্রতি কনটেইনার হ্যান্ডলিং ও তাদের অন্যান্য পরিসেবার ওপর ৩০ থেকে ৩৫ শতাংশ শুল্ক বাড়ানোর প্রস্তাব করেছে। এ নিয়ে বন্দর ব্যবহারকারীদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে। নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয় গত ২৫ আগস্ট বন্দর ব্যবহারকারীদের সঙ্গে বৈঠক করলেও চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি তারা।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কলমাকান্দায় ক্ষতিগ্রস্ত হাওর ও খাল পরিদর্শনে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় ভারী বৃষ্টিপাতজনিত পানিতে ক্ষতিগ্রস্ত হাওর ও খাল এলাকা পরিদর্শন করেছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমান।৫ মে (মঙ্গলবার) দুপুরে তিনি উপজেলার খারনৈ ইউনিয়নের চিকন মাটিয়া, তেলেঙ্গা ও মেদি বিলসহ দমদমা খাল এলাকা সরেজমিনে ঘুরে দেখেন এবং ক্ষয়ক্ষতির চিত্র পর্যবেক্ষণ করেন।

পরিদর্শনকালে তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম মিকাইল ইসলাম, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. রুহুল আমীন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সাইফুল ইসলাম, খারনৈ ইউপি চেয়ারম্যান ওবায়দুল হক, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. মমিনুল ইসলাম, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মাহমুদুল হাসান, সমাজসেবক মজিবুর রহমান এবং প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ শামীমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সঙ্গে কথা বলে মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমান জানান, ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ইতোমধ্যে সরকারি সহায়তা কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে তা আরও জোরদার করা হবে।

তিনি বলেন, “আমরা শুরু থেকেই ক্ষতিগ্রস্ত জনগণের পাশে আছি। ভারী বৃষ্টিপাত শুরুর দিন থেকেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন। সুনামগঞ্জ, হবিগঞ্জ ও নেত্রকোনাসহ ক্ষতিগ্রস্ত জেলাগুলোতে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জিআর ক্যাশ ও চাল বিতরণের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। আজ থেকেই এসব সহায়তা কার্যক্রম বাস্তবায়ন শুরু হয়েছে।স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত হাওর ও খালের পুনর্বাসন এবং কৃষকদের সহায়তায় সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

পূর্বধলায় বকেয়া বিলের কারণে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোনা জেলার পূর্বধলা উপজেলার জারিয়া ইউনিয়নের দেওটুকোন বাজারে বকেয়া বিল আদায়ের লক্ষ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান পরিচালিত হয়েছে। সোমবার (৪ মে) সকাল সাড়ে ১১ টায় এ অভিযান পরিচালনা করেন এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) তাসনীম জাহান।

পূর্বধলা জোনাল অফিসের ডিজিয়েম মোঃ শাহিনুর আলম জানান, মোট ১২ জনের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। এর মধ্যে চারজন তাৎক্ষণিকভাবে বিকাশের মাধ্যমে প্রায় ৩০ হাজার ২০ টাকা পরিশোধ করেন। বাকি আটজনের কাছে প্রায় এক লক্ষ ৪৩ হাজার ৮০২ টাকা বকেয়া ছিল।

তিনি আরও জানান, জারিয়া, ধলামুলগাঁ ও ঘাগড়া ইউনিয়নের আওতায় মোট ১৩৭টি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। এতে প্রায় ৫ লাখ ৩৭ হাজার টাকার বেশি বকেয়া বিল আদায়ের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

আলোচিত খবর

ক্রুড অয়েলের সরবরাহ স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরবে একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দীর্ঘ এক মাস বন্ধ থাকার পর আবার চালু হতে যাচ্ছে দেশের একমাত্র রাষ্ট্রায়ত্ত জ্বালানি তেল পরিশোধনাগার ইস্টার্ন রিফাইনারি পিএলসি।মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে দীর্ঘ সময় ধরে ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) আমদানি ব্যাহত হওয়ায় গত ১৪ এপ্রিল প্রতিষ্ঠানটির ক্রুড অয়েল প্রসেসিং ইউনিট বন্ধ হয়ে যায়। যার প্রভাব পড়ে পুরো রিফাইনারিতে। ক্রুড অয়েল (অপরিশোধিত তেল) সংকট কেটে যাওয়ায় উৎপাদনে ফিরছে রিফাইনারিটি।সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৭ মে থেকে প্রতিষ্ঠানটির অপারেশন কার্যক্রম পুনরায় শুরু হবে। এদিকে, বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন জানিয়েছে, চলতি মাসের শেষদিকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকেও আরও এক লাখ টন ক্রুড অয়েল আসার কথা রয়েছে।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন সূত্রে জানা গেছে, রিফাইনারিতে সাধারণত সৌদি আরবের এরাবিয়ান লাইট এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের মারবান ক্রুড অয়েল পরিশোধন করা হয়। প্রতিবছর চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ১৫ লাখ মেট্রিক টন ক্রুড অয়েল আমদানি করা হয়ে থাকে। কিন্তু সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হওয়ায় গত ১৮ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনো ক্রুড অয়েল দেশে আসেনি।

এতে করে প্রথমবারের মতো উৎপাদন বন্ধ করতে বাধ্য হয় প্রতিষ্ঠানটি, যা ১৯৬৮ সালে বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরুর পর নজিরবিহীন ঘটনা।পরবর্তীতে বিকল্প রুট ব্যবহার করে তেল আমদানির উদ্যোগ নেয় বিপিসি। এর অংশ হিসেবে লোহিত সাগর হয়ে সৌদি আরব থেকে ‘এমটি নিনেমিয়া’ নামের একটি জাহাজে এক লাখ টন ক্রুড অয়েল দেশে আনা হচ্ছে। জাহাজটি ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরের বহির্নোঙরে পৌঁছাবে এবং ৬ মে থেকে তেল খালাস শুরু হবে। ইস্টার্ন রিফাইনারির উপ-মহাব্যবস্থাপক (প্ল্যানিং অ্যান্ড শিপিং) মো. মোস্তাফিজুর রহমান জানান, সৌদি আরব থেকে আমদানি করা এক লাখ টন ক্রুড অয়েলবাহী একটি জাহাজ ৫ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছাবে। জাহাজ থেকে তেল খালাস শেষে ৭ মে থেকে পরিশোধন কার্যক্রম শুরু হবে। তিনি আরও বলেন, আপাতত ক্রুড অয়েলের বড় ধরনের কোনো সংকটের আশঙ্কা নেই। চলতি মাসেই আরও একটি জাহাজ তেল নিয়ে দেশে আসার কথা রয়েছে, ফলে সরবরাহ স্বাভাবিক থাকবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ