আজঃ রবিবার ১৫ মার্চ, ২০২৬

ভাংগুড়ার বিএনপি’র নাম ব্যবহার কারি ভুয়া ফেসবুক আইডি দাতা ওয়ালিদ হাসান নীরব গ্রেফতার।

ভাঙ্গুরা, পাবনা সংবাদদাতাঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

  1.  ভাঙ্গুড়ায় রাজনৈতিক দল বিএনপির নাম ব্যবহার করে বিএনপি ভাংগুড়া এই নামে ফেসবুক আইডি খুলে মিথ্যা কুরুচিপূর্ণ তথ্য দিয়ে ভাঙ্গুড়া থানার বিভিন্ন যায়গার অনেক সম্মানিত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য লিখে সব সময় পোস্ট দিয়ে ভাইরাল হওয়ার চেষ্টা করত। তাদের হয়রানি করত, টাকা দাবি করত, প্রচার করত অশ্লীল কুরুচিপূর্ণ কথাবার্তা।

সে ওই আইডিতে প্রচারের তালিকায় বেছে নিয়েছিল সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গসহ ব্যবসায়ী প্রতিনিধি কে।পূর্বেই প্রচার করতো কোন দিন কি প্রচার হবে? ঠিক এই ভাবে যে সে যার নামে প্রচার করতে চাইত আগের দিন লিখত যে কালকে রহিম বা করিমের আমলনামা আপনাদের সামনে প্রকাশ করা হবে কিন্তু সে একের পর এক অসত্য, বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করেই গেছে। এর বিরুদ্ধে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের নিকট তাদের দলের নাম ভাঙিয়ে বিএনপি ভাঙ্গুড়া নামক কুরুচিপূর্ণ প্রচারের আইডি এর প্রতিকার চেয়েছিল একাধিক সংবাদকর্মী।

ভাঙ্গুড়া বিএনপি ওই আইডিটি তাদের নয় বলে থানায় অভিযোগও করেছেন। অবশেষে আইডি পরিচালনাকারী তার কৃতকর্মের ফল পেয়েছে। প্রযুক্তির মাধ্যমে তাকে শনাক্ত করে পুলিশ তাকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে। এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া থানা প্রশাসন কে অনেক অনেক ধন্যবাদ সহ সাধুবাদ জানিয়েছেন সুশীল সমাজের ব্যক্তিবর্গ। জানা গেছে, আটকৃত এই ছেলেটার নাম ওয়ালিদ হাসান নিরব (২৩) তিনি পৌর সদরের এসআর পাড়ার বাসিন্দা রবিউল হাসান ওরফে ভাদুর ছেলে।

আরো জানা গেছে, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির নাম সহ প্রায় অর্ধশত ফেইক আইডি তিনি চালাতেন। ২৪ সালের ৫ আগস্ট এর পর থেকে তিনি এই পথ বেছে নেন বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি স্বীকার করেছেন। তার এই মিথ্যা প্রচারের তালিকায় সাংবাদিক ও বিএনপি নেতা পর্যন্ত বাদ যায়নি। একসময় তার পোস্টে ভাঙ্গুড়ার দু এক জন বিএনপি নেতা পর্যন্ত কমেন্ট করে প্রথমে সমর্থন দিয়ে জানাতেও দেখা গিয়েছে। কিন্তু গত রবিবার(১৪ তারিখে) দিবা গত রাতে তাকে আটক করে ভাঙ্গুড়া থানা পুলিশ।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, আটককৃত ওয়ালিদ হাসান নীরব এর পিতা-দরিদ্র ভাদু এক সময় সাইকেলে করে দোকানে দোকানে পাউরুটি বেকারি,বিস্কিট বিক্রি করে সংসার চালাত। সাইকেল দুর্ঘটনায় নিরবের বাবা অসুস্থ হয়ে পড়লে বাবার ওই পেশা ছেলে বেছে নেন এবং সংসারের হাল ধরেন। অথচ সেই পরিবারের সন্তান হয়েও ওয়ালিদ হোসেন নীরব এমন ঘৃণ্য কর্মকাণ্ড সমালোচনার জন্ম দিয়েছে। সম্মানিত মহলের সকলে তাকে এবং তার সাথে জড়িত সকলকে আইনের আওতায় এনে সঠিক বিচারের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে ভাঙ্গুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ জনাব মোঃ শফিকুল ইসলাম বলেন, আটককৃত নীরব কে পাবনা জেল হাজতে পেরণ করা হবে এবং এদের সাথে জড়িত সকল কে আইনের আওতায় আনা হবে।

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

শাহ আমানত বিমানবন্দরে আরও ৭ ফ্লাইট বাতিল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আবারও ৭টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে শনিবার ফ্লাইট বাতিলের তথ্য নিশ্চিত করেছেন বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল।

বিমানবন্দর সূত্রে জানা গেছে, মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডে কার্যক্রম সীমিত বা বন্ধ থাকায় এসব ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। দুবাই, আবুধাবি ও শারজাহর এয়ারফিল্ড সীমিত পরিসরে পরিচালিত হচ্ছে এবং দোহা এয়ারফিল্ড পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।

বাতিল হওয়া ফ্লাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের দুবাই থেকে আসা একটি আগমন (এরাইভাল) ও দুবাইগামী একটি প্রস্থান (ডিপার্চার) ফ্লাইট। এছাড়া ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আসা একটি আগমন এবং দুটি প্রস্থান ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। অন্যদিকে সালাম এয়ারের মাস্কাট থেকে আসা একটি আগমন এবং মাস্কাটগামী একটি প্রস্থান ফ্লাইটও বাতিল করা হয়েছে।তবে সব ফ্লাইট বন্ধ না থাকায় কিছু আন্তর্জাতিক ফ্লাইট স্বাভাবিকভাবে চলাচল করেছে। বিভিন্ন এয়ারলাইনসের মধ্যপ্রাচ্য থেকে আগত ৬টি আগমন ফ্লাইট এবং ৪টি প্রস্থান ফ্লাইট চলাচল করেছে।শা

টররসহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস, এয়ার আরাবিয়া ও ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের শারজাহ ও দুবাই থেকে চট্টগ্রামগামী ফ্লাইটগুলো ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। তবে দোহা এয়ারফিল্ড এখনো পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় ধীরে ধীরে আরও কিছু রুটের ফ্লাইট স্বাভাবিক হবে বলে আশা করছি।’তিনি আরও জানান, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতির মধ্যে বৃহস্পতিবারের ৭টি বাতিল ফ্লাইটসহ এখন পর্যন্ত শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মোট ১১৬টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।’

নাড়ির টানে বন্দর নগরী ছাড়ছে মানুষ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

:পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে নাড়ির টানে গন্তব্যে ছুড়ছে মানুষ। পথে পথে ভোগান্তি এড়াতে মানুষ আগ থেকে বন্দর নগরী ছাড়তে শুরু করেছে। শনিবার সকাল থেকে চট্টগ্রাম রেল ষ্টেশন, বাস টার্মিনালগুলোতে ঘরমুখো মানুষের ভিড় দেখা গেছে। এর আগে শুক্রবার থেকে তাদের এই ঈদ যাত্রা শুরু হয়।

চট্টগ্রাম মহানগরের এ কে খান মোড়, অলংকার ও চট্টগ্রাম রেলস্টেশন এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, দূরপাল্লার বাস ও ট্রেনে বাড়ি ফিরতে শুরু করেছেন অনেকে। কেউ যাচ্ছেন কুমিল্লা, কেউ ঢাকা, কেউ সিলেট বা রাজশাহীর দিকে। যাত্রীর সংখ্যা এখনো খুব বেশি না হলেও ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করেছে বলে জানান পরিবহন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। সম্ভাব্য ঈদের তারিখ ধরা হচ্ছে আগামী ২১ মার্চ। ফলে এখনো কয়েক দিন সময় থাকলেও অনেকেই বাড়ির পথে রওনা দিচ্ছেন।মূলত ঈদের আগমুহূর্তে বাড়তি যাত্রী চাপের ভোগান্তি এড়াতে অনেকেই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আগেভাগে শহর ছাড়ছেন।

পরিবহন-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, দিন দিন ঈদযাত্রা আরও জমে উঠবে। বিশেষ করে সরকারি ও বেসরকারি অফিসে ছুটি শুরু হলে নগর ছাড়ার মানুষের ঢল নামতে পারে। তখন এ কে খান, অলংকার, কদমতলী বাস টার্মিনাল ও রেলস্টেশন এলাকায় যাত্রীদের বড় ভিড় দেখা যাবে।

এদিকে পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে দেশের পূর্বাঞ্চলের ঘরমুখো মানুষের ট্রেনযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে রেলওয়ের পক্ষ থেকে নানামুখী প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। এ বছর চট্টগ্রামের পাহাড়তলী ওয়ার্কশপে ১০৫টি অতিরিক্ত কোচ প্রস্তুত করা হয়েছে। বাড়তি যাত্রী পরিবহনে এসব কোচ বিভিন্ন ট্রেনে সংযোজন করা হচ্ছে। এ ছাড়া বিশেষ ট্রেন, বাড়তি ইঞ্জিন যুক্ত করাসহ নানা পদক্ষেপ নিয়েছে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল।

রেলওয়ে সূত্র জানায়, যাত্রীর চাপ বাড়ায় পূর্বাঞ্চলের আন্তঃনগর ট্রেনে ১০৫টি অতিরিক্ত কোচ সংযোজন করা হচ্ছে। চলমান ৭৫টি ইঞ্জিনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে আরও ১০টি ইঞ্জিন। এ ছাড়া চালানো হবে আটটি বিশেষ ট্রেন। এরমধ্যে চাঁদপুর ঈদ স্পেশাল-১ ও ২ চট্টগ্রাম থেকে চাঁদপুর আসা-যাওয়া করবে। এর যাত্রী ধারণক্ষমতা ৬৬৮ জন। এছাড়া ঈদযাত্রাকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ঠেকাতে স্টেশন এলাকায় অতিরিক্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।

এদিকে এ কে খান এলাকায় ঢাকাগামী যাত্রী আবুল কালামের সঙ্গে কথা হলো। তিনি বলেন, তিনি নগরের একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। এবার একটু আগেভাগেই বাড়ি যাচ্ছেন। কারণ, বাড়িতে একজন অসুস্থ আত্মীয় রয়েছেন।

ঈদের সময় পরিবারের সঙ্গে থাকতে চান বলেই আগে বেরিয়ে পড়েছেন। অন্যদিকে নোয়াখালীগামী একটি বাসে উঠেছিলেন সায়েরা আক্তার। দুই ছেলেকে নিয়ে তিনি গ্রামে ফিরছেন। সায়মা বলেন, পরে গেলে খুব ভিড় থাকে। বাচ্চাদের নিয়ে যাতায়াত কষ্ট হয়। তাই আগেই চলে যাচ্ছি। তবে তাঁর স্বামী হায়দার আলী এখনই যেতে পারছেন না। তিনি জানান, তাঁর স্বামীর এখনো ছুটি হয়নি। ঈদের আগের দিন তিনি বাড়ি যাবেন।

চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশন ম্যানেজার আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, এবারের ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের মাঝে প্রতিদিন পূর্বাঞ্চলের ১৬টি ট্রেনের ৮ হাজারের বেশি অগ্রিম টিকিট বিক্রি করা হয়েছে। গত ৩ মার্চ থেকে ট্রেনে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছিল। ৯ মার্চ শেষ হয়েছে। অগ্রিম টিকিটের যাত্রীরা যেতে শুরু করেছেন।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ