আজঃ শনিবার ৩০ মে, ২০২৬

বাঘাবাড়ী নৌ বন্দরে বাংলাদেশ রোয়িং ফেডারেশন কর্তৃক আয়োজিত ৪৬তম জাতীয় নৌকা বাইচ-২০২৫ অনুষ্ঠিত।

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার পাবনা প্রতিনিধি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিখ্যাত চলনবিল অঞ্চল এর নাটোর, পাবনা ও সিরাজগঞ্জ জেলা। সেই বিখ্যাত চলনবিল অঞ্চলের অন্তর্গত সিরাজগঞ্জ জেলার শাহজাদপুর উপজেলার বাঘাবাড়ী নৌ বন্দরে বাংলাদেশ রোয়িং ফেডারেশন কর্তৃক আয়োজিত ৪৬তম জাতীয় পানশী নৌকা বাইচ উৎসব ২৭ সেপ্টেম্বর-২০২৫ অনুষ্ঠিত।

উত্তর বঙ্গের বিখ্যাত চলনবিল অঞ্চল এর ৮ টি সেরা পানশী নৌকার মধ্যে নৌকা বাইচ অনুষ্ঠিত হয়। ৮টি বাইচের নৌকা মধ্যে থেকে সেরা ৪ টি বাইচের নৌকা সেমিফাইনালে জয়ী হয়।
১.শেরে বাংলা ভিটাপাড়া প্রাং ফাইটার,বেড়া,পাবনা।
২.নিউ উড়ন্ত বলাকা বনগ্রাম,শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ
৩.শেরে বাংলা ভিটাপাড়া আজম ব্রাদার্স,বেড়া,পাবনা।
৪.বাংলার বাঘ রেশমবাড়ি,শাহজাদপুর, সিরাজগঞ্জ

প্রথম সেমিফাইনালে শেরে বাংলা ভিটাপাড়া প্রামাণিক ফাইটার নিউ উড়ন্ত বলাকা বনগ্রাম কে হারিয়ে জয়ী হয়, আর ২য় সেমিফাইনালে শেরে বাংলা ভিটাপাড়া আজম ব্রাদার্স বাংলার বাঘ রেশমবাড়ি কে হারিয়ে জয়ী হয়।
৩য় স্থান নৌকা বাইচে নিউ উড়ন্ত বলাকা বনগ্রাম বাংলার বাঘ,জয়ী হয় বাংলার বাঘ।আর ফাইনালে বাঘাবাড়ি নৌ বন্দরে ২৭ সেপ্টেম্বর নৌকা বাইচে শেরে বাংলা ভিটাপাড়া প্রামাণিক ফাইটার বনাম শেরে বাংলা ভিটাপাড়া আজম ব্রাদার্স নৌকা বাইচ প্রতিযোগিতায়-২০২৫ খ্রিঃ ফাইনাল নৌকা বাইচে প্রামাণিক ফাইটার চ্যাম্পিয়ন হোন।এই ফাইনাল পানসী নৌকা বাইচে হাজার হাজার দর্শক উপস্থিত থেকে আনন্দ উল্লাস করেন,নৌকা বাইচ টি সুন্দরভাবে শেষ হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় তরঙ্গ সাংস্কৃতিক ও নাট্য গোষ্ঠীর উদ্যোগে ঈদ আনন্দ মেলা ও সার্কাস অনুষ্ঠিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বিশেষ প্রতিনিধিঃ পাবনার ভাঙ্গুড়ায় তরঙ্গ সাংস্কৃতিক ও নাট্য গোষ্ঠীর উদ্যোগে ঈদ আনন্দ মেলা ও দি বুলবুল জয়ার সার্কাস অনুষ্ঠিত হয়েছে।শনিবার ৩০ মে ভাঙ্গুড়া উপজেলার ঐতিহাসিক বড়াল ব্রিজ খেলার মাঠ প্রাঙ্গণে তরঙ্গ সাংস্কৃতিক নাট্যগোষ্ঠীর উদ্যোগে শুরু হয়েছে ৭ দিন ব্যাপি ঈদ আনন্দ মেলা ও দি বুলবুল জয়ার সার্কাস।
প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে ঈদ আনন্দ মেলাটি উদ্বোধন করেছেন বাংলাদেশ কেন্দ্রীয় কৃষক দলের সভাপতি, কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। মেলাটিতে দর্শনার্থীদের বিনোদন দেওয়ার জন্য আনা হয়েছে দি বুলবুল জয়ার সার্কাস, নাগরদোলা ও হাতি।

এছাড়াও মেলাটিতে বসেছে বিভিন্ন রকমের কসমেটিকের দোকান, বিভিন্ন আসবাসপত্রের দোকান, বিভিন্ন খাবারের দোকান। সব মিলিয়ে মেলাটি দর্শনার্থীদের মন কেড়ে নিবে বলে জানিয়েছেন মেলা কতৃপক্ষ। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভাঙ্গুড়া উপজেলা বিএনপি’র আহবায়ক নূর মুজাহিদ স্বপন, সদস্য সচিব প্রভাষক জাফর ইকবাল হিরোক সরদার,ভাঙ্গুড়া পৌর বিএনপির সভাপতি মোঃ রফিকুল ইসলাম কমিশনার, সাধারণ সম্পাদক মোঃ ছাইদুল ইসলাম বুরুজ,সাবেক উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি অ্যাডভোকেট মজিবুর রহমান এবং সাবেক পৌর বিএনপি সভাপতি শামসুল হক সহ উপজেলা ও পৌর বিএনপি,র সকল সহযোগী অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।

উদ্বোধনী বক্তব্যে বক্তারা বলেন, দীর্ঘদিন পর ভাঙ্গুড়ায় এমন একটি মেলা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে এই জন্যে মেলাকে ঘিরে যেন কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা, হইচই, সংঘাত বা অপ্রীতিকর ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে বলেন। একই সঙ্গে মেলায় কোনো ধরনের অশ্লীলতা বা অসামাজিক কর্মকাণ্ড কে প্রশ্রয় দেওয়া হবে না বলেও তারা সকলেই উল্লেখ করেন।
এ সময় ভাঙ্গুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ সাকিউল আযম এর নেতৃত্বে উপস্থিত ছিলেন সেকেন্ড অফিসার সুব্রত কুমার ও অপূর্ব কুমার সহ নিরাপত্তার জন্য একাধিক পুলিশ সদস্যরা।

স্থানীয়দের মধ্যে মেলাকে ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা গেছে। আয়োজকরা আশা করছেন, সার্কাস ও নাগর দোলা মেলাটি সব শ্রেণি-পেশার সাধারণ মানুষের জন্য বিনোদনের একটি আকর্ষণীয় কেন্দ্র হয়ে উঠবে।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী পালিত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী পালন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে শনিবার দুপুরে প্রেস ক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে, শহীদ জিয়াউর রহমানের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের সভাপতি জাহিদুল করিম কচির সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা মুরাদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি ও বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) এর ব্যুরো প্রধান মো. শাহনওয়াজ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মো. শাহনওয়াজ বলেন, সমাজে চাটুকারিতার প্রবণতা বেড়ে যাওয়ায় অনেক সময় প্রকৃত মূল্যায়ন আড়ালে পড়ে যায়। ইতিহাসে যার যে অবস্থান, তাকে সে অনুযায়ী মূল্যায়ন করা উচিত। তিনি বলেন, কোনো ব্যক্তি বা দল ক্ষমতায় থাকলে তাদের নিয়ে কর্মসূচি আয়োজন করা হয়, কিন্তু ইতিহাসচর্চা কখনো একমুখী হওয়া উচিত নয়।

মো. শাহনওয়াজ বলেন, জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের রাজনীতির একটি উজ্জ্বল অধ্যায়ের নাম। জাতি গঠন ও পুনর্গঠনের যে উদ্যোগ তিনি নিয়েছিলেন, তা দেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অবদান হিসেবে বিবেচিত হবে। বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদের ধারণাকে রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি। তাঁকে ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা করলে ইতিহাসই সেই প্রচেষ্টাকে প্রত্যাখ্যান করবে।

তিনি আরও বলেন, অবিভক্ত পাকিস্তান সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা হয়েও পরবর্তীতে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পক্ষে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন জিয়াউর রহমান। স্বাধীনতার পর সেনানিবাসে ফিরে গেলেও পরবর্তী সময়ে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব নেন তিনি। তাঁর শাসনামলে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন, সামাজিক ন্যায়বিচার ও বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠায় বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সভাপতির বক্তব্যে জাহিদুল করিম কচি বলেন, জিয়াউর রহমানের শাহাদাতবার্ষিকী শুধু তাঁকে স্মরণের দিন নয়, এটি তাঁর আদর্শ, সততা, দেশপ্রেম ও জনগণকেন্দ্রিক রাজনৈতিক দর্শন নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপলক্ষ। তিনি বলেন, ১৯৭৫ এর পরবর্তী সংকটময় সময়ে দেশের পুনর্গঠন ও বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় জিয়াউর রহমানের অবদান জাতি আজীবন শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে।

আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের গ্রন্থাগার সম্পাদক মো. শহীদুল ইসলাম, ক্রীড়া সম্পাদক মো. রুবেল খান, একাত্তর টেলিভিশনের ব্যুরো প্রধান ও কার্যকরী সদস্য সাইফুল ইসলাম শিল্পী, দৈনিক ইনকিলাবের ডেপুটি ব্যুরো প্রধান ও কার্যকরী সদস্য রফিকুল ইসলাম সেলিম, গ্রিন টিভির সিইও ও কার্যকরী সদস্য ওয়াহিদ জামান, প্রেস ক্লাবের সিনিয়র সদস্য মো. আলী বাদশা, ভোরের ডাকের ব্যুরো প্রধান কিরণ শর্মা
ডেইলি ক্যাম্পাসের চট্টগ্রাম করেসপন্ডেন্ট মুহাম্মদ আজাদ, দৈনিক সাঙ্গুর স্টাফ রিপোর্টার মো. নজরুল ইসলাম, দৈনিক আমার দেশের স্টাফ রিপোর্টার এম কে মনির, এবং দৈনিক রূপালীর ব্যুরো প্রধান মো. গিয়াস উদ্দিন প্রমুখ।

আলোচিত খবর

আজ শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি, স্বাধীনতার ঘোষক, মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র প্রতিষ্ঠাতা এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী শনিবার (৩০ মে)। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে দেশি-বিদেশি চক্রান্তে সেনাবাহিনীর কিছু বিপথগামী সদস্য তাকে হত্যা করে।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বিএনপি গত ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত আট দিনব্যাপী বিশেষ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, ২৫ মে থেকে ১ জুন পর্যন্ত সারা দেশে বিশেষ পোস্টার প্রকাশ করা হচ্ছে এবং দলীয় নেতাকর্মীরা কালো ব্যাজ ধারণ করছেন। এছাড়া বিভিন্ন সংবাদপত্র ও অনলাইন পোর্টালে বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে।

কর্মসূচিতে রয়েছে, ৩০ মে ভোর ৬টায় নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের সব স্তরের দলীয় কার্যালয়ে দলীয় পতাকা অর্ধনমিত রাখা ও কালো পতাকা উত্তোলন করা। দেশের সব জেলা, মহানগর ও অন্যান্য ইউনিটেও একই কর্মসূচি রয়েছে। স্থানীয় সুবিধা অনুযায়ী আলোচনা সভা, দোয়া মাহফিল এবং দুঃস্থদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী ও বস্ত্র বিতরণ কর্মসূচিও পালন করা হবে।

একই দিন বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নেতৃত্বে দলের জাতীয় নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের নেতাকর্মীরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মাজারে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও জিয়ারত করবেন। জিয়ারত শেষে মাজার প্রাঙ্গণে জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হবে।এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণের প্রতিটি থানায় এবং দেশের অন্যান্য ইউনিটে অসচ্ছল ও দুঃস্থ মানুষের মধ্যে কাপড়, চাল, ডালসহ খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

পরদিন ৩১ মে দুপুর ২টায় রাজধানীর রমনায় ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইইবি) মিলনায়তনে বিএনপির উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।স্বাধীনতার ঘোষক জিয়াউর রহমান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার ও জেড ফোর্সের অধিনায়ক ছিলেন। তিনি দেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক দল বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা। তার প্রতিষ্ঠিত বিএনপি বর্তমানে বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হয়েছে।

জিয়াউর রহমান বাংলাদেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রবর্তন করেন। এজন্য তাকে বহুদলীয় গণতন্ত্রের জনক বলা হয়। বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ার সাতটি দেশ নিয়ে গঠিত সার্ক প্রতিষ্ঠারও স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন তিনি। জাতীয়তাবাদভিত্তিক একটি কালজয়ী রাজনৈতিক দর্শন প্রতিষ্ঠা করে গেছেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ