আজঃ সোমবার ৯ মার্চ, ২০২৬

আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সব সম্প্রদায়ের মানুষকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে : সিটি মেয়র

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম আইনজীবী বিজয়া সম্মিলন পরিষদের উদ্যোগে আইনজীবী অডিটরিয়ামে প্রতিবারের ন্যায় সমিতির কর্মচারী ও এতিম, দুস্থ এবং দরিদ্রদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ করা হয়। আজ রোববার উক্ত বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রামের সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

আইনজীবী বিজয়া সম্মিলন পরিষদের নব নির্বাচিত সভাপতিএডভোকেট মধুসূদন দাশ এর সভাপত্বিতে এবং নব নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শিপন কুমার দে এর সঞ্চালনায় বস্ত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সিনিয়র আইনজীবী যথাক্রমে রফিক আহমদ, জিয়া হাবীব আহসান, দিনমনি দে, শংকর প্রসাদ দে, তুষার সিংহ হাজারী, সমীর দাশগুপ্ত। এতে আরোও উপস্থিত ছিলেন মহানগর পিপি মো. মফিজুল হক ভূঁইয়া, জিপি মোহাম্মদ কাসেম চৌধুরী, চট্টগ্রাম আইনজীবী বিজয়া সম্মিলন পরিষদের সাবেক সভাপতি নিতাই প্রসাদ ঘোষ, লিটন কান্তি গুহ, সাবেক সাধারণ সম্পাদক যথাক্রমে চন্দন বিশ্বাস, উত্তম দত্ত, চট্টগ্রাম আইনজীবী বিজয়া সম্মিলন পরিষদের সাবেক সমন্বয়কারী চন্দন তালুকদার, বিবেকানন্দ চৌধুরী, রুপম কুমার ভট্টাচার্য্য, বর্তমান সমন্বয়কারী রক্তিম চন্দ্র নাথ সহ এডভোকেট প্রতীক কুমার দেব, দিলীপ চৌধুরী, ফৌজুল আমিন চৌধুরী, মো. কাসেম কামাল, মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন, হাসান মাহমুদ চৌধুরী, মো. দেলোয়ার, মো. জাহেদ, মো. তুহিন, নিজাম উদ্দিন, আবু তাহের, আলী আকবর সানজিক, নাজমুল হাসান সিদ্দিকী, বদরুল রিয়াজ, জালাল উদ্দিন পারভেজ, দীর্ঘতম বড়ুয়া, যিশু কান্তি দাশ, সুব্রত শীল রাজু, পান্না দাশ, টিপু শীল জয়দেব, পঙ্কজ কান্তি দে, ছোটন বোস,অর্পিতা দাশ, শুভ্রা দাশ, পলি ঘোষ, সুসজ্জিতা দাশসহ বিপুল সংখ্যক আইনজীবী।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিটি মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, অসাম্প্রদায়িক চেতনা সমুন্নত রেখে আমাদের সকলকে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সব সম্প্রদায়ের মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। সব সম্প্রদায়ের মানুষের আইনী অধিকার রয়েছে। এক্ষেত্রে আইনজীবীদেরকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। তাহলে আমরা একটা নিরাপদ নগরী গড়ে তুলতে পারব। মানুষের মধ্য মনুষ্যত্ব বোধ জাগিয়ে তোলার জন্য আমাদেরকে কাজ করতে হবে। আইনজীবী বিজয়া সম্মিলন পরিষদের উদ্যোাগে অসহায় মানুষদের মাঝে বস্ত্র বিতরণ আয়োজন কার্যক্রমকে স্বাগত জানিয়ে তিনি ভূয়সী প্রশংসা করেন।

মানব সেবার ব্রত গ্রহনের মাধ্যমে আমাদেরকে দেশ ও জাতির কল্যানে নিয়োজিত হতে হবে। অন্যান্য বক্তরা গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য তুলে ধরেন।অনুষ্ঠানের শুরুতে গীতা থেকে পাঠ করেন এডভোকেট অঞ্জন প্রসাদ। অনুষ্ঠানে শহীদ অ্যাডভোকেট সাইফুল ইসলাম আলিফ এবং বিজয়ার যে সকল সদস্য ইতিমধ্যে মুত্যুবরণ করেছেন তাঁদের স্মরণে এক মিনিট নীরবতা পালন করা হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নিউ জিল‍্যান্ডকে উড়িয়ে ফের টি-টোয়েন্টির বিশ্ব চ‍্যাম্পিয়ন ভারত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নিউ জিল‍্যান্ডকে উড়িয়ে ফের টি-টোয়েন্টির বিশ্ব চ‍্যাম্পিয়ন ভারত।

চট্টগ্রামে নিজের গলায় ছুরি চালিয়ে মানসিক ভারসাম্যহীন যুবকের আত্মহত্যা।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামে মানসিক ভারসাম্যহীন এক যুবকের আত্মহনন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাসাত্মক গল্প ভাইরাল হয়েছে। ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়েছে, স্ত্রীকে দামি জুতা কিনে দিতে না পারার হতাশা থেকে ওই যুবক গলায় ছুরি চালিয়ে আত্মহত্যা করেছে। চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের মর্গে গিয়ে তার স্বজন এবং পুলিশের সঙ্গে কথা জানা গেছে ভিন্ন কথা।

শুক্রবার দুপুরে কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ইকবাল হোসেন বলেন, বৃহস্পতিবার রাতে ১টার দিকে কামাল উদ্দিন (৪০) নামের এক যুবক নিউমার্কেটের সামনে আনারসের দোকান থেকে ছুরি নিয়ে নিজে গলায় চালিয়ে দেয়।রক্তাক্ত অবস্থায় আমাদের টহলটিম স্থানীদের সহযোগিতা চমেক হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে তার অস্ত্রোপচারে রক্ত প্রয়োজন হলে আমাদের সহকারী পুলিশ সুপার নুরে আলম মাহমুদ স্যার রক্ত প্রদান করেন। কিন্তু রাতেই কামাল মারা যান।নিহত কামাল উদ্দিনের বাড়ি ময়মনসিংহে, তিনি চট্টগ্রাম নগরের পতেঙ্গা এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন।

তিনি বলেন, ওই যুবকের স্ত্রী ইপিজেডে চাকরি করেন। ঘটনার সময় স্ত্রী কামালের সঙ্গেই ছিলেন না। এস এম রিদুয়ান নামের এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, রাতে আনারসের দোকান থেকে কামাল যখন ছুরি নিয়ে নিজের গলায় চালান তখন তিনি সেখানে উপস্থিত ছিলেন। পুলিশকে জানানো থেকে শুরু করে কামালের চিকিৎসা পর্যন্ত তিনি সঙ্গে ছিলেন।কামালের সঙ্গে কোনো নারী ছিল না। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া গল্পটি মিথ্যা।

কামালের স্ত্রী তসলিমা আক্তার জানান, রাত ৮টার দিকে কামাল তার ভাগিনার কাছ থেকে হাত খরচের কিছু টাকা চায়। ভাগিনা তার মামাকে টাকা দিলে টাকা নিয়ে কামাল উধাও হয়ে যান। তাকে পতেঙ্গা এলাকায় আর দেখা যায়নি।ভোরে ফোন পেয়ে পরিবারের সদস্যরা হাসপাতালে এসে কামালকে মৃত দেখতে পান।
কামালের ভাগিনা সামাদ বলেন, আমার মামা পেশায় রাজমিস্ত্রির হেল্পার হিসেবে কাজ করতেন। তিনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। মামা যখন আমার থেকে টাকা নিয়ে আসেন তখন মামি কারখানায় চাকরিতে ছিলেন। ঘটনার সঙ্গে মামির কোনো সম্পর্ক নেই। মামার চিকিৎসার জন্য আমরা অনেক চেষ্টা করেছি। কিছুদিন ভালো থাকেন, তারপর আবার সমস্যা শুরু হয়।

আলোচিত খবর

চরম বিপাকে হাজার হাজার যাত্রী শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে গত ৮ দিনে এই বিমানবন্দর থেকে মধ্যপ্রাচ্যগামী ও সেখান থেকে আসা মোট ৮০টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির যুদ্ধাবস্থায় দুবাই, আবুধাবি, শারজাহ ও দোহার এয়ারফিল্ডগুলো গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বন্ধ রয়েছে। শনিবার নতুন করে বাতিল হয়েছে আরো ১২টি ফ্লাইট। এই টানা ৮ দিন ধরে ফ্লাইট বাতিলে চরম বিপাকে পড়েছেন হাজার হাজার যাত্রী, যাদের বড় একটি অংশ মধ্যপ্রাচ্য প্রবাসী শ্রমিক। অনেক যাত্রী দূর-দূরান্ত থেকে বিমানবন্দরে এসে ফ্লাইট বাতিলের খবর শুনে কান্নায় ভেঙে পড়ছেন।

বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে যুদ্ধাবস্থার কারণে দুবাই, আবুধাবি ও দোহার মতো গুরুত্বপূর্ণ এয়ারফিল্ডগুলো বন্ধ থাকায় এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এয়ারফিল্ডগুলো খুলে দিলেই পুনরায় নিয়মিত ফ্লাইট চালু করা সম্ভব হবে।

সরেজমিনে দেখা গেছে, অনেক প্রবাসী তাদের ছুটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ার শঙ্কায় রয়েছেন। যথাসময়ে কর্মস্থলে ফিরতে না পারলে চাকরি হারানোর ভয় কাজ করছে তাদের মনে।অন্যদিকে, মধ্যপ্রাচ্য থেকে যারা দেশে ফেরার অপেক্ষায় ছিলেন, তারা সেখানের এয়ারফিল্ডে আটকা পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন। টিকিটের টাকা ফেরত পাওয়া বা রি-শিডিউল করা নিয়ে এয়ারলাইনস অফিসগুলোতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।

শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা প্রকৌশলী মোহাম্মদ ইব্রাহীম খলিল জানান, শনিবার সারাদিনে ১২টি আন্তর্জাতিক ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে: বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার।এয়ার আরাবিয়ারের ২টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১টি অ্যারাইভাল ও ২টি ডিপার্চার। সালাম এয়ারের ১টি অ্যারাইভাল ও ১টি ডিপার্চার।
পুরো সূচি বিপর্যস্ত হলেও শনিবার সীমিত কিছু ফ্লাইট সচল রয়েছে। এর মধ্যে সালাম এয়ারের মাস্কাট-চট্টগ্রাম রুটে দুটি (ওভি-৪০১ ও ওভি-৪০২) এবং বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের মদিনা (বিজি-১৩৮) ও মাস্কাট (বিজি-১২২) থেকে আসা দুটি ফ্লাইট অবতরণ করেছে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ