আজঃ বৃহস্পতিবার ২৫ জুন, ২০২৬

ফ্যাসিবাদের দোসর দলবাজ সাংবাদিকরা মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করেছে ।

প্রেস রিলিজ

তথ্য উপদেষ্টার গণমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যের আলোকে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের বিবৃতি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

মাননীয় তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমের গতকাল ২৮ সেপ্টেম্বর রবিবার গণমাধ্যমে দেওয়া একটি বক্তব্য চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব নেতৃবৃন্দের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। এই বক্তব্যে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব ‘ দখল করা’ সংক্রান্ত তথ্য উপদেষ্টার মতো দায়িত্বশীল ব্যক্তির বক্তব্য চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের সদস্যদের মর্মাহত করেছে।

চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের অন্তবর্তীকালীন কমিটির নেতৃবৃন্দ মনে করেন, তথ্য উপদেষ্টাকে গণহত্যার উষ্কানিদাতা, ফ্যাসিবাদের দোসর দলবাজ সাংবাদিকরা মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভ্রান্ত করেছে । প্রকৃত পক্ষে ৫ই আগস্ট বিকেলে হাজার হাজার বিক্ষুব্ধ ছাত্র জনতা চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবকে ভারতীয় দালাল ও ফ্যাসিবাদের দোসর মুক্ত করেছিলো। সংক্ষুব্ধ ছাত্র জনতা চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে তালা লাগিয়ে দেয়। সৃস্ট অচলাবস্থা নিরসনে তৎকালীণ তথ্য উপদেষ্টা জনাব নাহিদ ইসলামের নির্দেশে সরকারের দায়িত্বশীল পর্যায় থেকে তদন্ত শেষে প্রতিবেদন অনুযায়ী ছাত্র জনতার আকাঙ্খার উপর ভিত্তি করে ২০২৪-এর নভেম্বরের শেষ সপ্তাহে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে জেলা প্রশাসকের নেতৃত্বে অন্তবর্তীকালীন কমিটি ঘোষণা করা হয়। গণমাধ্যমকে ব্যবহার করে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে বিতর্কিত করা, মুখরোচক সংবাদ পরিবেশন করে গণহত্যায় উষ্কানি দেয়া ছাড়াও চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে পাশ্ববর্তী একটি দেশের প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির জন্ম-মৃত্যু দিবস পালনসহ বিভিন্ন বিতর্কিত দিবস উদযাপন করে আসছিলো সংঘবদ্ধ চক্র।

চট্টগ্রামের সাংবাদিকদের পাশাপাশি সর্বস্তরের ছাত্র জনতা তিন যুগ ধরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে গজিয়ে উঠা দলবাজ চক্র- ফ্যাসিবাদের দোসর মুক্ত প্রেসক্লাব দেখতে চায় বলেই সরকার সেই উদ্দ্যেগ নিয়েছিলো। চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবের অচলাবস্থা নিরসনে গ্রহনযোগ্য ফ্যাসিবাদবিরোধী সাংবাদিক নেতাদের সমন্বয়ে অন্তবর্তীকালীন কমিটি গঠনের ব্যবস্থা গ্রহন করেছিলো।

কিন্তু সম্মানিত তথ্য উপদেষ্টার বক্তব্যে চট্টগ্রামের ছাত্র জনতার অর্জনকে ‘দখল’ তকমা দিয়ে ছাত্রজনতার গণ অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেয়া চট্টগ্রামের ছাত্র জনতার অবদানকে তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা হয়েছে।

উল্লেখ করা প্রয়োজন অন্তবর্তী কমিটি গঠনকল্পে বিবদমান সাংবাদিকদের দুইপক্ষের প্রতিনিধি হিসেবে তিনজন করে নাম দিতে বলা হলেও তৎকালীন কমিটি নাম জমা না দিয়ে জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে সময় নিয়ে প্রতারণা করে আদালতের দারস্থ হন। ইতিমধ্যে ৩১ শে ডিসেম্বও ২০২৪ চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে পুরোনো কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ (২ বছর) হয়ে যায়।

বছর জুড়ে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের অন্তবর্তীকালীন কমিটির নেতৃত্বে অধিকার বঞ্চিত প্রকৃত সাংবাদিকদের সদস্য পদ প্রদান, গণহত্যায় উষ্কানিদাতা সাংবাদিক নামধারী আওয়ামী লীগ কর্মীদের বহিষ্কার, ভবন থেকে বিতর্কিত কর্ণার ও ব্যক্তির ছবি অপসারণ, বঙ্গবন্ধু হলের নাম পরিবর্তন করে জুলাই বিপ্লব স্মৃতি হল করা, বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া সমন্বয়কদের স্বীকৃতি স্মারক প্রদান’সহ চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে প্রয়োজনীয় সংস্কার কাজে ইতিবাচক সফলতা দেখিয়েছে।

মাননীয় তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম ফ্যাসিবাদের দোসর সাংবাদিকদের দেয়া মিথ্যা তথ্যে বিভ্রান্ত হয়ে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে নির্বাচন করা হচ্ছে না বলে মন্তব্য করলেও প্রকৃতচিত্রে ভিন্ন। মনে রাখা প্রয়োজন ছাত্র জনতা- সাংবাদিকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে ফ্যাসিবাদের ঘাঁটির পতন হয়েছিলো । যাচাই বাছাই করে প্রেসক্লাবে নতুন যোগ্য সদস্য অন্তভূক্তকরণ, সংবিধানের প্রয়োজনীয় সংস্কার , সমাজসেবা অধিদপ্তরের অনুমোদন গ্রহনের আবেদন, ভোটার তালিকা তৈরির মতো প্রয়োজনীয় সংস্কার শেষে প্রেসক্লাবের নির্বাচন চায় ফ্যাসিবাদ বিরোধী সাংবাদিকরা। চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে গণ অভ্যুত্থানের বিরোধিতা করে সমাবেশ ডাকাসহ গণহত্যায় উষ্কানিদাতাদের কোন স্থান হবে না মর্মে প্রধান উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেছে বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের অধিকাংশ সমন্বয়ক, ছাত্রনেতারাও। কারণ এসব দোসর সাংবাদিকরাই দেশ ও দেশের মানুষের পক্ষে ভূমিকা না রেখে ফ্যাসিস্ট’ হাসিনাকে আরও হিংস্র হতে সাহস যুগিয়েছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে রক্ত ঝরানোর ইন্ধনদাতা ‘দালাল’ সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো হয়েছে সেই স্মারকলিপিতে।

তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে জুয়া চলছে মর্মে যে বক্তব্য দিয়েছেন সেটি আপত্তিকর। আপনি নিশ্চয় অবগত আছেন, ঢাকা জাতীয় প্রেস ক্লাবেও দীর্ঘসময় ধরে হাউজি খেলা চলে আসছে। সরকার অনুমোদিত হাউজির জন্য প্রেসক্লাবের হল ভাড়া দেয়া কোনভাবেই আইনের ব্যত্যয় নয়। বরং চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে দীর্ঘদিন ধরে ( আগের কমিটির সময়ও) হাউজির জন্য হলরুম ভাড়া দেয়া হয়ে আসছে – এটি নতুন কিছু নয়। ভাড়ার টাকায় প্রেসক্লাবের কর্মকর্তা কর্মচারীদের বেতন ভাতা পরিশোধ ছাড়াও সদস্যদের কল্যাণে আনুষঙ্গিক কার্যক্রম পরিচালনা করার রীতিও পুরোনো।

প্রসঙ্গত, প্রেসক্লাব সাংবাদিকদের একটি সার্বজনীন প্রতিষ্ঠান। এ প্রেসক্লাব বরাবরই দেশ ও জাতির দুঃসময়ে এগিয়ে এসেছে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবকে ভারতীয় তাঁবেদারীর ইজারাদার ও আওয়ামী প্রতিষ্ঠানে পরিণত করে এর পবিত্রতা ও ভাবমূর্তি ধ্বংস করে দিয়েছে একটি স্বার্থান্বেষী মহল। এখনো চট্টগ্রামে ফ্যাসিবাদের দোসর একজন কথিত সাংবাদিককেও আইনের আওতায় আনা হয়নি। অথচ সাংবাদিক নামধারীরা জুলাই আন্দোলন চলাকালে শিক্ষার্থীদের ধরে পুলিশে সোপর্দ করেছিলো, নারী সাংবাদিকদের অপদস্ত করেছিলো। এদের কাউকে আইনের আওতায় না এনে সরকার ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চাঁপাইনবাবগঞ্জে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত, এলাকায় উত্তেজনা

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জ শহরের হাসপাতাল সড়কের আমবাজার এলাকায় পূর্ব বিরোধের জেরে বন্ধুর ছুরিকাঘাতে মো. রজব (২৪) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। বুধবার (২৪ জুন) দুপুরে এ ঘটনা ঘটে।পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত রজব শহরের মসজিদপাড়া এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে। একই এলাকার দুই বন্ধু মো. মেহেদী (২৪) ও মো. জিসান (২৭) দীর্ঘদিন ধরে পূর্ব বিরোধে জড়িত ছিলেন বলে জানা গেছে।

বুধবার দুপুর আনুমানিক ১টার দিকে আমবাজার এলাকায় রজবের সঙ্গে জিসানের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে জিসান রজবের বুকের ডান পাশে ছুরিকাঘাত করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় মেহেদী রজবকে ধরে রাখে বলেও স্থানীয়দের বরাতে জানায় পুলিশ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার একরামুল হক জানান, ঘটনার সময় অভিযুক্ত দুই যুবকই মাদকাসক্ত অবস্থায় ছিলেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তাদের মধ্যে বিরোধের প্রকৃত কারণ এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়রা রজবকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একরামুল হোসাইন পিপিএম জানিয়েছে, অভিযুক্ত দুই যুবককে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

বিপুল পরিমাণ ভেজাল লুব অয়েল এবং লুব অয়েল তৈরির কাঁচামাল জব্দ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কর্ণফুলী নদীর ডাঙ্গারচরে একটি অননুমোদিত কারখানায় বিপুল পরিমাণ ভেজাল লুব অয়েল এবং লুব অয়েল তৈরির কাঁচামাল জব্দ করা হয়েছে। ২৩ জুন বিকেলে কোস্ট গার্ড মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন জানান-এঅবৈধ কারখানাটিতে তল্লাশি চালিয়ে বিপুল পরিমাণ ভেজাল লুব অয়েল, লুব অয়েল তৈরির কাঁচামাল এবং উৎপাদনে ব্যবহৃত বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়েছে।

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী থানাধীন ডাঙ্গারচর এলাকার একটি কারখানায় নষ্ট ও ব্যবহৃত তেল পুনঃপ্রক্রিয়াজাত করে ভেজাল লুব অয়েল উৎপাদন করা হচ্ছে। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে, সোমবার বিকেল ৩টায় কোস্ট গার্ড বেইস চট্টগ্রাম ও জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর, চট্টগ্রামের সমন্বয়ে ওই কারখানায় যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

পরবর্তীতে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন অনুযায়ী ভেজাল লুব অয়েল তৈরি ও মজুতের দায়ে মালিকপক্ষ থেকে ৩ লাখ টাকা জরিমানা আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা দেন এবং কারখানাটি ১৫ দিনের জন্য সিলগালা করা হয়।জব্দ করা ভেজাল লুব অয়েল, লুব অয়েল তৈরির কাঁচামাল এবং উৎপাদনে ব্যবহৃত সরঞ্জামাদির বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। জনস্বার্থ ও ভোক্তা অধিকার রক্ষায় কোস্ট গার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে বলে জানান এ কর্মকর্তা।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ