আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

চট্টগ্রামে বিএসএএ নির্বাচন ৯ অক্টোবর, লড়ছেন ৩৩ প্রার্থী

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

চেয়ারম্যান প্রার্থীর বিরুদ্ধে প্রায় দুই কোটি টাকা সদস্য ফি ফাঁকি দেয়ার অভিযোগ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ শিপিং এজেন্টস এসোসিয়েশনের (বিএসএএ) ২০২৫-২০২৭ মেয়াদের নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীদের জমজমাট প্রচারণা চলছে। আগামী বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) অনুষ্ঠিত হবে ভোটগ্রহণ।দুই গ্রুপ, ঐক্য পরিষদ ও সম্মিলিত পরিষদ, এবং একক প্রার্থীর প্রতিদ্বন্দ্বিতায় সরগরম ভোটের মাঠ। তবে নির্বাচন ঘিরে বিতর্কও রয়েছে। সম্মিলিত পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থীর বিরুদ্ধে সংগঠনের প্রায় দুই কোটি টাকা সদস্য ফি ফাঁকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, এবারের নির্বাচনে ১৬১ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এরমধ্যে জেনারেল ক্যাটাগরিতে আছেন ৯২ জন এবং এসোসিয়েট ক্যাটাগরিতে আছেন ৬৯ জন ভোটার। নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের জন্য সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। প্রার্থীদের আচরণবিধি মেনে চলার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে ২৪টি পরিচালক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৩৩ জন প্রার্থী। এবার চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিন প্রার্থী। তারা হলেন- ঐক্য পরিষদ থেকে ক্যাপ্টেন এমডি সালাহ উদ্দিন চৌধুরী, সম্মিলিত পরিষদ থেকে আহসান ইকবাল চৌধুরী (আবির) এবং একমাত্র একক প্রার্থী হিসেবে রয়েছে আহসানুল হক চৌধুরী। এছাড়া সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান পদে রয়েছেন আজিম রহিম চৌধুরী, এমডি আলী আকবর (ঐক্য পরিষদ), মোহাম্মদ আব্দুল মালেক ও জহুর আহমেদ (সম্মিলিত পরিষদ)। ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোহাম্মদ মশিউল আলম, ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আলাউদ্দিন আল আজাদ (ঐক্য পরিষদ) ও আক্তার কামাল চৌধুরী (সম্মিলিত পরিষদ)। জেনারেল পরিচালক পদে ঐক্য পরিষদ থেকে রয়েছেন-ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ আলী, অঞ্জন মজুমদার, কাজী মনসুর উদ্দীন, শরফরাজ কাদের, মোহাম্মদ দিদারুল আলম চৌধুরী, মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন খান (হাসান), মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস, নূর উন নবী, এস এম এনামুল করিম, আকিব হাসনাত, মোহাম্মদ শফিউল আলম, এ টি এম জহিরুল ইসলাম ও মোহাম্মদ আনোয়ারুল কবির কামরুল। অপরদিকে সম্মিলিত পরিষদ থেকে আছেন-মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, আহমেদ তাসিন আসাদুল্লাহ ও মোহাম্মদ শহীদ উল্লাহ চৌধুরী।

অন্যদিকে এসোসিয়েট পরিচালক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মুয়াম্মার আহমেদ, মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির পাটোয়ারী, মোহাম্মদ শাহীন, ফরহাদুল আলম চৌধুরী, মোহাম্মদ মনসুর আলী ও মাসুদ আহমেদ (ঐক্য পরিষদ) এবং জুনাইদ আহমেদ রাহাত (একক প্রার্থী)। ঐক্য পরিষদ এবার পূর্ণ প্যানেল ঘোষণা করেছে। অপরদিকে সম্মিলিত পরিষদ প্রার্থী সংকটে পড়ায় ভোটের লড়াইয়ে নতুন কৌশল নিয়েছে দুই পক্ষই। প্রার্থীরা নির্বাচনী প্রচারণায় বন্দরের কার্যক্রম উন্নয়ন, নীতি-পরিকল্পনা প্রণয়ন, সেবা সম্প্রসারণ এবং আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যে গতি বৃদ্ধির নানা প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন। বিশেষ করে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান পদকে ঘিরে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

এদিকে নির্বাচন ঘিরে বিতর্কও রয়েছে। সম্মিলিত পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী আহসান ইকবাল চৌধুরী (আবির)-এর বিরুদ্ধে সংগঠনের প্রায় দুই কোটি টাকা সদস্য ফি ফাঁকি দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, বর্তমান চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আরিফের সহযোগিতায় এই অর্থ পরিশোধ এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে। যদিও এই বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দিয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান। পূর্ণ প্যানেল গঠন করতে না পারা এবং ফি ফাঁকির অভিযোগের কারণে শোনা যাচ্ছে আহসান ইকবাল চৌধুরী (আবির) ভোটের মাঠ থেকে সরে দাঁড়াতে পারেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রামে ৮০০ কেজি চিনিসহ ২ চোরাকারবারি আটক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম মহানগরে ৮০০ কেজি চোরাই চিনিসহ দুই চোরাকারবারিকে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। শুক্রবার ভোর ৫টার দিকে পতেঙ্গা থানার চরপাড়া ঘাট সংলগ্ন মেরিন ড্রাইভ সড়কে কোস্ট গার্ড আউটপোস্ট পতেঙ্গার সদস্যরা অভিযান পরিচালনা করে এদের আটক করে।

কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত জানান, একটি চক্র বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে অবৈধভাবে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে খালাস করা বিপুল পরিমাণ চিনি বাজারজাত করার উদ্দেশ্যে পরিবহন করবে গোপনে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ওই এলাকায় বিশেষ অভিযান চালানো হয়।অভিযান চলাকালে একটি সন্দেহভাজন ট্রাকে তল্লাশি চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্যের ৮০০ কেজি চিনি উদ্ধার করা হয়।

এ সময় চোরাচালানে ব্যবহৃত ট্রাকসহ দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সুমন আল মুকিত আরো বলেন, জব্দ করা চিনি, ট্রাক এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

স্ত্রীর মরদেহ রেখে পালালো স্বামী

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে খাদিজা আক্তার কাশফি নামের এক গৃহবধূর মরদেহ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে গেছেন স্বামী মো. মারুফ। বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাতে এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, কাশফিকে মৃত অবস্থায় আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন স্বামী মারুফ।

কর্তব্যরত চিকিৎসক কাশফিকে মৃত ঘোষণার পরপরই মরদেহ জরুরি বিভাগে রেখে কৌশলে হাসপাতাল থেকে পালিয়ে যান তিনি। নিহতের গলায় মোটা দাগ রয়েছে বলে জানিয়েছেন আনোয়ারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. উপমা চৌধুরী। পরে কাশফির মৃত্যুর খবর পেয়ে হাসপাতালে ছুটে আসেন স্বজনরা। পুলিশকে খবর দেওয়া হলে পুলিশ হাসপাতাল থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। ঘটনার পর থেকে স্বামী পলাতক রয়েছেন।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ