আজঃ বুধবার ১৭ জুন, ২০২৬

সাঘাটায় নানা আয়োজনে যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন।

সুলতান আহমেদ, সাঘাটা (গাইবান্ধা):প্রতিনিধি ঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলা যুবদল।মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৬টা থেকে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এ দিবসটি পালিত হয়। সকালে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এরপর সকাল সাড়ে ৭টায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।

সাঘাটা উপজেলা যুবদল কার্যালয় থেকে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রায় হাজারো নেতা-কর্মীর অংশগ্রহণে এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।শোভাযাত্রা শেষে যুবদল কার্যালয়ের সামনে এক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ছিলেন—আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী, আহবায়ক, সাঘাটা উপজেলা বিএনপি ও মনোনয়ন প্রত্যাশী গাইবান্ধা-(৫, সাঘাটা-ফুলছড়ি)।প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—আলহাজ্ব ফারুক আলম সরকার, সহ-সভাপতি, গাইবান্ধা জেলা বিএনপি ও মনোনীত প্রার্থী (গাইবান্ধা-৩৩ সাঘাটা ও ফুলছড়ি ৫ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন— আ. মঈন প্রধান লাবু, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক, সাঘাটা উপজেলা বিএনপি; মতলুবর রহমান রেজা, যুগ্ম আহবায়ক, সাঘাটা উপজেলা বিএনপি;মো. নাজেমুল ইসলাম প্রধান নয়ন, উপদেষ্টা, জেলা বিএনপি গাইবান্ধা ও মনোনয়ন প্রত্যাশী (গাইবান্ধা-৩৩ সাঘাটা ও ফুলছড়ি ৫;
মো. ময়নুল ইসলাম (শামীম), সদস্য, জেলা বিএনপি, গাইবান্ধা ও মনোনয়ন প্রত্যাশী (গাইবান্ধা-৫);
জনাব মো. কামরুজ্জামান সোহাগ, সদস্য, জেলা বিএনপি, গাইবান্ধা ও মনোনয়ন প্রত্যাশী (গাইবান্ধা-৫);
জনাব মো. আলাউদ্দিন মন্ডল, যুগ্ম আহবায়ক, সাঘাটা উপজেলা বিএনপি মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল মিঠু, যুগ্ম আহবায়ক, সাঘাটা উপজেলা বিএনপি;এবং মো. মোস্তাক আহমেদ মিলন, যুগ্ম আহবায়ক, সাঘাটা উপজেলা বিএনপি।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন—আহম্মেদ কবীর (শাহীন), আহবায়ক, সাঘাটা উপজেলা যুবদল।

সঞ্চালনায় ছিলেন—জনাব মো. মামুন কাদির সুমন, সদস্য সচিব, সাঘাটা উপজেলা যুবদল।এ সময় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, শ্রমিক দল, কৃষক দল ও মৎস্যজীবী দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

বোয়ালখালীতে চার জনকে কারাদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বোয়ালখালীতে মদপান করে মাতলামির অভিযোগে ৪ জনকে জরিমানাসহ ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে উপজেলার ফুলতল এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করেন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) কানিজ ফাতেমা।

অভিযান চালিয়ে পূর্ব গোমদণ্ডী দাসপাড়ার মৃত সুবল বড়ুয়ার ছেলে মৃণাল বড়ুয়া (৪৭), মৃত আবুল কালামের ছেলে মো. ওসমাণ গণি (৪৭), কধুরখীল এলাকার মৃত লাল মিয়ার ছেলে ইনতাজুর রহমান (৩৫) এবং পূর্ব কালুরঘাট এলাকার মৃত আইয়ুব মিয়ার ছেলে মো. ইকবালকে (৩২) আটক করা হয়। অভিযানে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের ‘খ’ সার্কেলের সদস্যরা সহযোগিতা করেন।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট কানিজ ফাতেমা জানান, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮–এর ৩৬(৫) ধারা অনুযায়ী চারটি পৃথক মামলায় প্রত্যেককে ৫০ টাকা করে মোট ২০০ টাকা জরিমানা এবং ৭ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্তে নারীকে পুশ-ইনের চেষ্টা, বিজিবির তৎপরতায় ব্যর্থ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রোকনপুর সীমান্ত দিয়ে এক নারীকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বিরুদ্ধে। তবে বিজিবির তাৎক্ষণিক তৎপরতায় সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। এ ঘটনায় পুশ-ইনে সহায়তার অভিযোগে সাতজনকে আটক করেছে পুলিশ।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রোকনপুর সীমান্ত এলাকায় এক নারীকে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। সোমবার রাত পৌনে ১১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে বিজিবি।

বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, রোকনপুর বিওপির দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ২২৫/৩-আর-এর বিপরীতে ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের সদস্যরা স্থানীয় এক মাঝির সহায়তায় নৌকাযোগে ওই নারীকে বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা করে। খবর পেয়ে বিজিবির টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয় এবং পুশ-ইনের প্রচেষ্টা প্রতিহত করে।

বিজিবি জানিয়েছে, ঘটনাকালে ওই নারী সীমান্তের শূন্যরেখা সংলগ্ন ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করছিলেন। ফলে তাঁকে বাংলাদেশের ভূখণ্ডে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি।সীমান্ত পরিস্থিতি নিয়ে বিজিবি বলেছে, যেকোনো ধরনের অনুপ্রবেশ বা পুশ-ইনের চেষ্টা ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় সার্বক্ষণিক নজরদারি ও টহল কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে। সীমান্তের পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছে বাহিনীটি।

এদিকে পুশ-ইন প্রচেষ্টায় সহায়তার অভিযোগে সাতজনকে আটক করা হয়েছে। তাঁরা বর্তমানে গোমস্তাপুর থানা পুলিশের হেফাজতে রয়েছেন। গোমস্তাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরে আলম জানান, আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি চলছে এবং এ বিষয়ে মামলা দায়ের করা হবে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ