আজঃ শনিবার ২১ মার্চ, ২০২৬

সাঘাটায় নানা আয়োজনে যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন।

সুলতান আহমেদ, সাঘাটা (গাইবান্ধা):প্রতিনিধি ঃ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেছে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলা যুবদল।মঙ্গলবার (২৮ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৬টা থেকে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে এ দিবসটি পালিত হয়। সকালে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। এরপর সকাল সাড়ে ৭টায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।

সাঘাটা উপজেলা যুবদল কার্যালয় থেকে এক বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে উপজেলার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রায় হাজারো নেতা-কর্মীর অংশগ্রহণে এলাকা মুখরিত হয়ে ওঠে।শোভাযাত্রা শেষে যুবদল কার্যালয়ের সামনে এক পথসভা অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানের উদ্বোধক ছিলেন—আলহাজ্ব মোহাম্মদ আলী, আহবায়ক, সাঘাটা উপজেলা বিএনপি ও মনোনয়ন প্রত্যাশী গাইবান্ধা-(৫, সাঘাটা-ফুলছড়ি)।প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন—আলহাজ্ব ফারুক আলম সরকার, সহ-সভাপতি, গাইবান্ধা জেলা বিএনপি ও মনোনীত প্রার্থী (গাইবান্ধা-৩৩ সাঘাটা ও ফুলছড়ি ৫ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন— আ. মঈন প্রধান লাবু, সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক, সাঘাটা উপজেলা বিএনপি; মতলুবর রহমান রেজা, যুগ্ম আহবায়ক, সাঘাটা উপজেলা বিএনপি;মো. নাজেমুল ইসলাম প্রধান নয়ন, উপদেষ্টা, জেলা বিএনপি গাইবান্ধা ও মনোনয়ন প্রত্যাশী (গাইবান্ধা-৩৩ সাঘাটা ও ফুলছড়ি ৫;
মো. ময়নুল ইসলাম (শামীম), সদস্য, জেলা বিএনপি, গাইবান্ধা ও মনোনয়ন প্রত্যাশী (গাইবান্ধা-৫);
জনাব মো. কামরুজ্জামান সোহাগ, সদস্য, জেলা বিএনপি, গাইবান্ধা ও মনোনয়ন প্রত্যাশী (গাইবান্ধা-৫);
জনাব মো. আলাউদ্দিন মন্ডল, যুগ্ম আহবায়ক, সাঘাটা উপজেলা বিএনপি মো. আবু হেনা মোস্তফা কামাল মিঠু, যুগ্ম আহবায়ক, সাঘাটা উপজেলা বিএনপি;এবং মো. মোস্তাক আহমেদ মিলন, যুগ্ম আহবায়ক, সাঘাটা উপজেলা বিএনপি।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন—আহম্মেদ কবীর (শাহীন), আহবায়ক, সাঘাটা উপজেলা যুবদল।

সঞ্চালনায় ছিলেন—জনাব মো. মামুন কাদির সুমন, সদস্য সচিব, সাঘাটা উপজেলা যুবদল।এ সময় বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, মহিলা দল, শ্রমিক দল, কৃষক দল ও মৎস্যজীবী দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের বন্দিরা ঈদুল ফিতরের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলতে পারবেন। কারা কতৃপক্ষ জানিয়েছেন -বন্দিদের ঈদের দিন স্বজনদের সাথে কথা বলার সুযোগ দেয়া হবে। এর পাশাপাশি রয়েছে বিশেষ খাওয়া দাওয়ার আয়োজন।এছাড়া বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ মিলছে বলে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার সৈয়দ শাহ্ শরীফ জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, প্রতিবছরের মত এবারও ঈদের দিন সকালে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে। ঈদের দিন সকালে বন্দিদের জন্য থাকছে পায়েস ও মুড়ি। আর দুপুরে থাকবে পোলাও, গরু অথবা খাসি, সালাদ, মিষ্টি, পান-সুপারি। আর রাতের বেলায় সাদা ভাত, আলুর দম ও রুই মাছের আয়োজন করা হয়েছে।

জেলার শাহ্ শরীফ আরো জানান-এছাড়া ঈদের পরদিন বন্দিরা বাড়ি থেকে পাঠানো খাবার খাওয়ার সুযোগ পাবেন। ঈদের দিন থেকে তিন দিন বন্দিরা স্বজনদের সাথে পাঁচ মিনিট করে টেলিফোনে এবং একবার স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাত করতে পারবেন।

সাধারণ সময়ে হাজতিরা মাসে দুই বার এবং কয়েদীরা মাসে একবার করে স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাতের সুযোগ পেলেও ঈদের সময় বিশেষ ভাবে সাক্ষাতের সুযোগ পাবেন।একই ভাবে ১০ টাকার বিনিময়ে মাসে দুই বার স্বজনদের সাথে টেলিফোনে ১০ মিনিট কথা বলার সুযোগ পান বন্দীরা। তবে ঈদে বিনামূল্যে পাঁচ মিনিট করে কথা বলার সুযোগ পাবেন।বর্তমানে কারাগারে হাজতি ও কয়েদী মিলে পাঁচ হাজার ৮৫৮ জন বন্দি রয়েছেন।

ঈদের আনন্দ অসহায় মানুষের মাঝেও ছড়িয়ে দিতে হবে: মেয়র শাহাদাত

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে চট্টগ্রামের নগরবাসী, বিএনপির সর্বস্তরের নেতাকর্মী, পেশাজীবী এবং দেশ-বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীসহ সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন।

এক শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি বলেন, পবিত্র রমজান মাস ধৈর্য, সংযম, ত্যাগ এবং সহমর্মিতার এক অনন্য শিক্ষা দেয়। দীর্ঘ এক মাস সিয়াম সাধনার পর ঈদুল ফিতর মুসলিম উম্মাহর মাঝে বয়ে আনে আনন্দ ও প্রশান্তি। ঈদের মূল শিক্ষা হলো সব ভেদাভেদ ভুলে সাম্য, ভ্রাতৃত্ব ও মানবিকতার বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া।তিনি আরও বলেন, ঈদের আনন্দ শুধু ব্যক্তিগতভাবে উদযাপন না করে সমাজের অসহায় ও দুস্থ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত।শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি সাম্প্রতিক ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে জনগণের বিপুল সমর্থনের কথা উল্লেখ করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

তিনি বলেন, জনগণের দেওয়া এই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করে একটি আধুনিক, বৈষম্যহীন ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সবার সহযোগিতা কামনা করেন।ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, গণতন্ত্র ও অধিকার আদায়ের আন্দোলনে অতীতের মতো ভবিষ্যতেও জনগণ পাশে থাকবে—এটাই প্রত্যাশা।

তিনি হিংসা-বিদ্বেষ পরিহার করে পারস্পরিক সম্প্রীতি জোরদারের আহ্বান জানিয়ে বলেন, ঈদের আনন্দ উদযাপনের পাশাপাশি চট্টগ্রাম শহরকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য রাখতে সচেতন নাগরিক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশ ও জাতির কল্যাণে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ