আজঃ শনিবার ২০ জুন, ২০২৬

পূর্ব রেলের সরঞ্জাম দপ্তর নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদন কাল্পনিক ও ভুয়া

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম জুয়েলের প্রতিবাদ

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম: পূর্ব রেলওয়ের পাহাড়তলীস্থ সরঞ্জাম নিয়ন্ত্রক (সিসিএস) দপ্তরের সহকারী কর্মকর্তা (এএও) পদে কর্মরত আমিনুল ইসলাম জুয়েল সম্প্রতি প্রকাশিত “সরঞ্জাম ক্রয়ে জোচ্চুরি” শিরোনামের সংবাদকে সম্পূর্ণ ভুয়া, ভিত্তিহীন ও মনগড়া দাবি করেছেন। তিনি বলেন, সংবাদটি শুধু তার ব্যক্তিগত সম্মানহানি নয়, সরকারি দপ্তরের ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যপ্রণোদিত প্রচেষ্টা।

জুয়েল জানিয়েছেন, তার কর্মস্থল জেনারেল শাখা, যেখানে কোনো বড় ধরনের সরঞ্জাম ক্রয়, টেন্ডার বা মালামাল সরবরাহ হয় না। তিনি বলেন— “আমার দপ্তর থেকে কোনো বড়সর ক্রয় হয় না। মাসিক ইনপ্রেস বরাদ্দ দিয়ে শুধু নিত্যপ্রয়োজনীয় অফিস সামগ্রী কেনা হয়—কলম, পেন্সিল, কলিং বেল, পত্রিকার বিল, ব্যাটারি, সাবান, সিলের স্ট্যাপলার পিন, বিভিন্ন ফুল–ছলা ঝাড়ু ইত্যাদি। এর বাইরে কোনো সরঞ্জাম ক্রয়ের প্রশ্নই আসে না।”

প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জুয়েলের বিরুদ্ধে “এক বছরের অনিয়ম” রয়েছে। কিন্তু তিনি যোগদান করেছেন মাত্র ৬ মাস আগে। জুয়েল প্রশ্ন তুলেছেন—“আমি তখন দপ্তরে ছিলামই না। এই সময়ের অনিয়ম আমাকে কীভাবে চাপানো হলো? এটি স্পষ্টভাবে বিভ্রান্তিকর তথ্য।”

জুয়েল আরও জানান, যাচাই–বাছাই ছাড়া এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ করা সাংবাদিকতার নৈতিক দায়িত্ব লঙ্ঘন। তিনি বলেন—“সাংবাদিকরা জাতির বিবেক। তারা চাইলে কাউকে সম্মানিত করতে পারেন, আবার ভুল তথ্য দিয়ে অসন্মানও করতে পারেন। ব্যক্তিগত স্বার্থে মনগড়া তথ্য ছড়ানো গণমাধ্যমের জন্য হুমকিস্বরূপ। এটি শুধু ব্যক্তিকে নয়, পুরো সরকারি দপ্তরকে অস্থির করে তোলে। প্রয়োজনে আমি আইনি পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবো।”

প্রকাশিত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, প্রধান সহকারী জগদীশ চাকমা নাকি সাংবাদিকের সামনে ঘুষের টাকা জুয়েলের কাছে বুঝিয়ে দেন। জুয়েল কিছুই না জানার ভান করেন এবং পরে টাকা টেবিলে রেখে জগদীশ চলে যান।

এই বিষয়ে জগদীশ চাকমা সাংবাদিকদের বলেন— “আমি ২০ নভেম্বর চট্টগ্রাম সিআরবি সোনালী ব্যাংক থেকে ৪,৫৩৭ টাকা উত্তোলন করে নিয়ম অনুযায়ী সহকারী কর্মকর্তা জুয়েলের কাছে হস্তান্তর করেছি। এটিকে ঘুষ হিসেবে প্রচার করা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও দু:খজনক। এগুলো অফিসের টাকা, ইনপ্রেস বিলের নিয়মিত বরাদ্দের অংশ।”

তিনি আরও বলেন, সংবাদে ঘটনাটি যেমন দেখানো হয়েছে তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং সরকারি দপ্তরের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার প্রচেষ্টা।যাচাই–বাছাইয়ে দেখা গেছে, যেসব স্টক–রেকর্ড ও রিক্যুইজিশন ফাইলের উল্লেখ রয়েছে, তা বড় ক্রয় নয়, বরং নিত্যপ্রয়োজনীয় ইনপ্রেস সামগ্রীর হিসাব। যেহেতু জুয়েল এই পদে মাত্র ছয় মাস কর্মরত, তাই এক বছরের অনিয়মের অভিযোগ তার সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

পূর্ব রেলের সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বিষয়টি যাচাই করে প্রয়োজন অনুযায়ী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। জুয়েল জোর দিয়ে বলেছেন— আমি নির্দোষ। সত্য যাচাই করলেই প্রমাণিত হবে—সংবাদটি সম্পূর্ণ ভুয়া ও ভিত্তিহীন।উভয় কর্মকর্তা—জুয়েল ও জগদীশ চাকমা—সংবাদটিকে মনগড়া ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত উল্লেখ করে প্রতিবাদ জানিয়েছেন এবং গণমাধ্যমকে দায়িত্বশীলভাবে সত্য যাচাই করে সংবাদ প্রকাশের আহ্বান জানাচ্ছেন।

এদিকে, সূত্রে জানা গেছে, এর আগে পাহাড়তলীতে অবস্থিত রেলওয়ের বিভাগীয় ভুসম্পত্তি দপ্তরে এএও হিসেবে কর্মরত অবস্থায় জুয়েল লীজের নামে রেলের জায়গা বেচে খাওয়ার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ২০২৩ সালের ২২ ডিসেম্বর দৈনিক ঈশান-এর অনলাইন ও প্রিন্ট ভার্সনে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছিল। সেই ঘটনার তদন্ত শেষে রেলওয়ে ভুসম্পত্তি দপ্তর থেকে তাকে ওএসডি করা হয়। পরে তাকে পাহাড়তলীতে অবস্থিত সিসিএস দপ্তরের জেনারেল সেকশনে এএও পদে পদায়ন করা হয়।

জুয়েল বলেন, সংবাদে তাকে পুনরায় ওএসডি বা অতীতে ঘটানো অন্য কোনো কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত দেখানো সম্পূর্ণ মনগড়া এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এই ধরনের কোনো ঘটনা আমার চাকরি জীবনে ঘটেনি। তিনি জানিয়েছেন, এটি সরকারি দপ্তরের ভাবমূর্তি নষ্ট করার উদ্দেশ্যপূর্ণ প্রচেষ্টা ছাড়া আর কিছু নয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

যশোরের চাড়াভিটায় কালবৈশাখী ঝড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন


যশোরে বাঘারপাড়ার চাড়াভিটা ও তার পার্শ্বতি এলাকায়  হঠাৎ নেমে আসে কালবৈশাখী ঝড়। আকস্মিক ঝড় ও বজ্রপাতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বেলা ২টার দিকে হঠাৎ আকাশ মেঘে ডেকে   মেঘা আচ্ছন্ন হয়ে ঝড় বাতাসের সাথে বজ্র বূষ্টি শুরু হয়ে

টানা আড়াই ঘণ্টারও বেশি সময় চলে এই ঝড়।চাড়াভিটা বাজারে পাশেই বজ্রপাতের ঘটনা ঘটলে ও কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি উপ জেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ঝড়ের কারণে দুপুরের পর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।, গত কয়েক দিন ধরে যশোর অঞ্চলে  তাপমাত্রা অসহনীয় পর্যায়ে ছিল। বিশেষ করে খেটেখাওয়া মানুষ গরমে দিশেহারা হয়ে পড়েছিলেন। দুপুরের পর আকাশ কালো মেঘে গুমোট আকার ধারণ করে শুরু হয় প্রচণ্ড ঝড়। সেই সঙ্গে বজ্রপাত।

বাঘারপাড়া  উপজেলার বাসুয়াড়ী ইউনিয়নের চাড়াভিটা বাজার সহ কয়েকটি  এলাকায় কালবৈশাখী ঝড়ে তীব্র আঘাত হানে। বিভিন্ন স্থানে গাছ উপড়ে পড়ে এবং অনেকের ঘরের চালের টিন উড়িয়ে নিয়ে যায়। বিভিন্ন গাছ ভেঙ্গে আঁচড়ে পড়ে বৈদ্যুতিক খুঁটির উপরে।যে কারণে  বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকায় কয়েকটি এলাকায় ভূতুড়ে অবস্থা সৃষ্টি হয়েছে।

অন্যদিকে কালবৈশাখী ঝড় ও বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ে ঘরবাড়ি, গাছপালা ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। অনেক জায়গায় গাছ ভেঙে পড়েছে, বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে গেছে এবং অসংখ্য স্থানে তার ছিঁড়ে পড়েছে। আম ও কাঁঠালেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।  উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে বিদ্যুৎ সংযোগ পুনঃস্থাপন করা সম্ভব হয়নি।এলাকাবাসী জানান, এ ধরনের ঝড় অনেক দিন দেখা যায়নি।। একই সঙ্গে এলাকার কৃষকদের আম ও কাঁঠালের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

ভাঙ্গুড়ায় ন্যায্য মূল্যে কৃষকের ধান সংগ্রহের সময় শেষ, সরকারি মূল্য পাওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় চলতি বোরো মৌসুমে সরকারি খাদ্যগুদামের ধান সংগ্রহ কার্যক্রম সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সরকারের নির্ধারিত মূল্যে ধান বিক্রির সুযোগ পেয়ে উপজেলার কৃষকদের মধ্যে সন্তোষ দেখা দিয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ৭৭৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা শতভাগ অর্জন করেছে খাদ্য বিভাগ।
খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, চলতি বোরো/২০২৬ মৌসুমে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ৭৭৫ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কার্যালয় কর্তৃক তালিকাভুক্ত কৃষকদের মধ্য থেকে আগে আসলে আগে বিক্রয় ভিত্তিতে ধান ক্রয় করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, কৃষি বিভাগের নিবন্ধিত কৃষকরা কৃষি কার্ড ও ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সরকারি খাদ্যগুদামে ধান বিক্রির সুযোগ পান। সংগ্রহ নীতিমালা অনুযায়ী কৃষকদের কাছ থেকে ধান গ্রহণের পর মূল্য সরাসরি তাদের ব্যাংক হিসাবে পরিশোধ করা হয়েছে। এতে মধ্যস্বত্বভোগীদের প্রভাব কমেছে এবং কৃষকরা ন্যায্যমূল্য পেয়েছেন।
উপজেলায় প্রায় ৪ হাজার ৭০০ নিবন্ধিত কৃষকের কৃষি কার্ড ও কৃষক হিসাব রয়েছে। ধান বিক্রি করা অনেক কৃষক জানান, বাজারমূল্যের তুলনায় সরকারি মূল্য বেশি হওয়ায় তারা আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন। উৎপাদন খরচ মিটিয়ে অতিরিক্ত আয় করতে পারায় তাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

খাদ্যগুদাম কর্তৃপক্ষ জানায়, ধান সংগ্রহের ক্ষেত্রে সরকারি বিধিমালা কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। কৃষকদের পরিচয়, কৃষি কার্ড এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের পরই ধান গ্রহণ করা হয়েছে। সব অর্থ সরাসরি কৃষকদের ব্যাংক হিসাবে পরিশোধ করা হয়েছে।ভাঙ্গুড়া খাদ্যগুদামের উপ-পরিদর্শক নিরঞ্জন কুমার ঘোষ বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকেই ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। সব ধরনের কাগজপত্র যাচাই করে ধান গ্রহণ করা হয়েছে এবং কৃষকদের নিজস্ব হিসাবেই অর্থ প্রদান করা হয়েছে।

ভাঙ্গুড়া এলএসডির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. নাজমুল ইসলাম জানান, সরকার চলতি বোরো/২০২৬ মৌসুমে গত ৩ মে থেকে সারাদেশে কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ শুরু করে। ভাঙ্গুড়া উপজেলায় নির্ধারিত ৭৭৫ মেট্রিক টন ধান ইতোমধ্যে সংগ্রহ সম্পন্ন হয়েছে। তিনি বলেন, গত দুই সপ্তাহ ধরে বাজারে ধানের দাম কিছুটা কম থাকায় কৃষকরা প্রতি কেজি ৩৬ টাকা দরে সরকারি গুদামে ধান দিতে আগ্রহী হয়েছেন। ফলে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী নিরবচ্ছিন্নভাবে ধান সংগ্রহ কার্যক্রম পরিচালনা করে লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব হয়েছে।
উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা কৃষ্ণপদ বর্ম্মন বলেন, ধান সংগ্রহ কার্যক্রমে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কৃষকদের কৃষি কার্ড ও সংশ্লিষ্ট নথিপত্র যাচাইয়ের পরই বিল অনুমোদন করা হয়েছে। সরকারি মূল্য পাওয়ায় কৃষকরা উপকৃত হয়েছেন।
স্থানীয় কৃষকদের আশা, আগামী মৌসুমেও সরকার একইভাবে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে ধান সংগ্রহ অব্যাহত রাখবে। এতে কৃষকরা উৎপাদনে আরও উৎসাহিত হবেন এবং ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি দেশের খাদ্যশস্য সংগ্রহ ব্যবস্থাও আরও শক্তিশালী হবে।

আলোচিত খবর

আলোচিত রামিসা ধর্ষণ-হত্যা: সোহেল-স্বপ্না দম্পতির মৃত্যুদণ্ড

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ঢাকার পল্লবীতে আট বছর বয়সি রামিসা আক্তার ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তার দম্পতির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি সোহেলের পাঁচ লাখ টাকা এবং স্বপ্নার দুই লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়েছে। আজ রোববার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে এ রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন।এ সময় কাঠগড়ায় আসামি সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার ছিলেন। তাদের সাজা পরোয়ানা দিয়ে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। রায় ঘিরে সকাল থেকে আদালত এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়।


রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন রামিসার বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা।এর মধ্য দিয়ে দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে কম সময়ে ধর্ষণ-হত্যা মামলার বিচার কাজ শেষ হওয়ার নজির তৈরি হলো।বিচার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অতীতে এ ধরনের মামলার বিচার কাজ এতো কম সময়ে সম্পন্ন হয়নি। আলোচিত মামলাটি বিচার শুরু থেকে রায়ের পর্যায়ে এসেছে মাত্র পাঁচ কার্যদিবসে।

আত্মপক্ষ শুনানি শেষে ৪ জুন যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের দিন ঠিক করা হয়। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে রাষ্ট্রপক্ষে কৌঁসুলি আজিজুর রহমান দুলু আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে দাবি করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড চান। আসামিপক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী মুসা কালিমূল্যাহ দুই আসামির পক্ষে যুক্তিতর্কে অংশ নেন। তিনি আসামিদের লঘুদণ্ড প্রার্থনা করেন।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনকালে সোহেল রানার দেওয়া জবানবন্দি পড়ে শোনান রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি দুলু। সেখানে উঠে আসে, সোহেলকে পালানোর সুযোগ করে দিয়েই সেদিন রুমের দরজা খোলেন স্বপ্না।গত ২০ মে সোহেল রানা দোষ স্বীকার করে ঢাকার মহানগর হাকিম আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালতে জবানবন্দি দিয়েছিলেন।রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা ঘটনার ১৯ দিনের মাথায় বিচারক রায় ঘোষণা করলেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ