চুয়েটে তিনদিনব্যাপী আন্তর্জাতিক কনফারেন্স শুরু।

চুয়েট প্রতিনিধি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) এর চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. এস এম এ ফায়েজ মহোদয় বলেছেন, আমাদের একসাথে কাজ করার এবং দেশ ও সমাজের কল্যাণে নতুন কিছু করার এক অসাধারণ সুযোগ এসেছে। এই কনফারেন্স থেকে প্রাপ্ত সমাধানসমূহ আমাদের বৈশ্বিক অবস্থানকে শক্তিশালী করবে এবং আন্তর্জাতিক প্রযুক্তিগত উদ্ভাবনের মানচিত্রে আমাদের অবস্থানকে সুদৃঢ় করবে। আমি বিশ্বাস করি, এখানে যে জ্ঞান বিনিময় হচ্ছে তা সমাধানের সীমায় সীমাবদ্ধ থাকবে না বরং নীতিনির্ধারণ, প্রযুক্তি এবং আগামী প্রজন্মের ওপর দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলবে।

বুধবার সকালে চুয়েটের কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে যন্ত্রকৌশল বিভাগের উদ্যোগে আয়োজিত শীর্ষক তিনদিনব্যাপী আর্ন্তজাতিক কনফারেন্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অনলাইনের মাধ্যমে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এতে গেস্ট অব অনার ছিলেন চুয়েটের মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মাহমুদ আব্দুল মতিন ভূইয়া মহোদয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন মেকানিক্যাল অ্যান্ড ম্যানুফ্যাকচারিং অনুষদের ডীন অধ্যাপক ড. কাজী আফজালুর রহমান এবং ব্যুরো অব রিসার্চ, টেস্টিং অ্যান্ড কনসাল্টেন্সি এর পরিচালক ও যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. বদিউস সালাম। কনফারেন্স চেয়ার ও চুয়েটের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. শেখ মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কনফারেন্স সেক্রেটারি ও যন্ত্রকৌশল বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ সানাউল রাব্বী। এছাড়া আরও বক্তব্য রাখেন জাপানের সাগা ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক ড. আকিও মিয়ারা ও নরওয়ের আগডার ইউনিভার্সিটির সহযোগী অধ্যাপক ড. তরে ভেহুস। অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তিলাওয়াত করেন চুয়েট কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা ক্বারী নুরুল্লাহ। এতে সঞ্চালনা করেন যন্ত্রকৌশল বিভাগের ২০ ব্যাচের শিক্ষার্থী আহাদ বিন আজাদ ও ২১ ব্যাচের শিক্ষার্থী নাভিয়া হাসান নভেলী।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

কৃত্রিম কিডনি তৈরি করে সারা বিশ্বে চমক লাগান চট্টগ্রামের সন্তান ড. শুভ রায়।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

কিডনি ফেইলিউরে বিশ্বের লাখো মানুষের জন্য যিনি আশার আলো হয়ে এসেছেন, সেই কৃত্রিম কিডনির (Artificial Kidney) উদ্ভাবক একজন বাংলাদেশী বিশ্বখ্যাত বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ার ড. শুভ রায়। তিনি ‘বায়ো-এমইএমএস’ (Bio-MEMS) প্রযুক্তির সাহায্যে বিশ্বের প্রথম কৃত্রিম কিডনি তৈরি করে চিকিৎসা বিজ্ঞানে এক অভাবনীয় মাইলফলক স্থাপন করেছেন।

​শেকড় ও শিক্ষাজীবন:
১৯৬৯ সালে ঢাকায় জন্মগ্রহণ করা শুভ রায়ের পৈতৃক নিবাস চট্টগ্রামের ফটিকছড়িতে। বাবার পেশাগত কারণে ছোটবেলায় উগান্ডায় চলে যান এবং সেখানেই তাঁর স্কুলজীবন কাটে। এরপর যুক্তরাষ্ট্রে পাড়ি জমিয়ে তিনি মাউন্ট ইউনিয়ন কলেজ থেকে কম্পিউটার বিজ্ঞান, পদার্থবিজ্ঞান ও গণিতে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে কেস ওয়েস্টার্ন রিজার্ভ ইউনিভার্সিটি থেকে তড়িৎ প্রকৌশল ও ফলিত পদার্থবিজ্ঞানে মাস্টার্স এবং পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।

​গবেষণা ও বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ার:
১৯৯৮ সালে ক্লিভল্যান্ড ক্লিনিকের বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে যোগ দেওয়ার মাধ্যমে তাঁর পেশাগত জীবনের সূচনা। দীর্ঘ এক দশক সেখানে স্পাইন রিসার্চ এবং বায়ো-এমইএমএস ল্যাবে কাজ করার পর, ২০০৮ সাল থেকে তিনি ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (UCSF) জৈবচিকিৎসা এবং থেরাপিউটিক বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক হিসেবে নিজের মেধার স্বাক্ষর রেখে চলেছেন।
​চিকিৎসা বিজ্ঞান এবং আধুনিক প্রযুক্তির এই অপূর্ব সমন্বয়ে ড. শুভ রায়ের অসামান্য কাজ শুধু বাংলাদেশের জন্যই নয়, পুরো বিশ্বের জন্য এক বিশাল আশীর্বাদ। এমআইটি, নাসা থেকে শুরু করে বিশ্বমঞ্চে তাঁর এই অসামান্য অর্জনের জন্য চট্টগ্রাম বাসী গর্বিত, বিশ্বের দরবারে বাঙালিরা আবার প্রমান করে দিল আমরা ও পারি। এই বিজ্ঞানী জানাই অভিবাদন বীর চট্টলার গৌরব, এই স্মৃতি অম্লান।

রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে শুরুতে ৩ শত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের রিঅ্যাক্টরে ফুয়েল লোডিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। ২৮ এপ্রিল ফুয়েল লোডিং কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা রোসাটম এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি চর্চা এবং জ্বালানি নিরাপত্তা নিয়ে নির্বাচনী ইশতেহারে সরকার যে অঙ্গীকার করেছিল, তার একটি এটি।

পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে মন্তব্য করেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী।প্রকল্প পরিকল্পনা অনুযায়ী, জ্বালানি লোডিংয়ের পর তিন মাসের মধ্যে প্রথম ইউনিট থেকে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হতে পারে। শুরুতে প্রায় ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে। পরবর্তীতে ধাপে ধাপে উৎপাদন বাড়ানো হবেো।

আলোচিত খবর

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন আহমেদ পদত্যাগ করেছেন

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন মো. সাহাবুদ্দিন। আজ শুক্রবার ২৪ জুলাই বিকেলে তিনি গণমাধ্যমকে নিজেই পদত্যাগের বিষয়টি নিশ্চিত করেন জাতীয় সংসদের স্পিকারের কাছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র এরই মধ্যে পৌঁছানো হয়েছে।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিতে সংসদ ভবনে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেছেন।

কয়েক দিন ধরেই রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছিল। বঙ্গভবন সূত্রে জাবা যায়, রাষ্ট্রপতি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন এবং পদত্যাগপত্রও প্রস্তুত করেছেন। তবে স্পিকার বিদেশ সফরে থাকায় তা জমা দেওয়া সম্ভব হয়নি।

সংবিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত না হওয়া পর্যন্ত জাতীয় সংসদের স্পিকার রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন। একই সঙ্গে ৯০ দিনের মধ্যে জাতীয় সংসদে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে।

মো. সাহাবুদ্দিন ২০২৩ সালের ২৪ এপ্রিল বাংলাদেশের ২২তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ নেন। তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। তার পাঁচ বছরের মেয়াদ ২০২৮ সালের এপ্রিল পর্যন্ত থাকার কথা ছিল। দায়িত্ব পালনকালে তিনি সময়ের ব্যবধানে তিনজন সরকারপ্রধানকে শপথবাক্য পাঠ করান।

২০২৪ সালের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর বিভিন্ন মহল থেকে তার পদত্যাগের দাবি ওঠে। তখন তিনি পদত্যাগ করেনননি। গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বঙ্গভবন ঘেরাওসহ বিভিন্ন কর্মসূচিও পালিত হয়। তবে সংসদ ভেঙে দেওয়া, অন্তর্বর্তী সরকার গঠনসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় তিনি রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন অব্যাহত রাখেন।

২২ তম এরাষ্ট্রপতির পদত্যাগের মধ্য দিয়ে দেশের সর্বোচ্চ সাংবিধানিক পদে নতুন নেতৃত্ব নির্বাচনের প্রক্রিয়া শুরু হলো। নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সংবিধান অনুযায়ী স্পিকার ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করবেন।

রাষ্ট্রপতি হওয়ার আগে মো. সাহাবুদ্দিন জেলা ও দায়রা জজ এবং দুর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় পাবনা জেলার স্বাধীন বাংলা ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আহ্বায়ক ছিলেন এবং ১৯৭১ সালে প্রশিক্ষণ নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করেন।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ