আজঃ শনিবার ২৮ মার্চ, ২০২৬

বাংলাদেশে প্রায় দুই কোটিরও বেশি মানুষ কিডনি রোগে ভুগছেন।

প্রভাষক গিয়াস উদ্দিন সরদার পাবনা প্রতিনিধি।

তাদের চিকিৎসার জন্য চিকিৎসক ও হাসপাতাল খুবই অপ্রতুল

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

দেশে প্রায় দুই কোটিরও বেশি মানুষ কিডনি রোগে ভুগছেন। তাদের চিকিৎসার জন্য চিকিৎসক ও হাসপাতাল খুবই অপ্রতুল। ফলে অনেকেই যথাযথ চিকিৎসা না পেয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। আবার সার্মথ্য না থাকায় চিকিৎসার অভাবে অনেক রোগী মারা যায়। জন চেতনা বাড়ানো ও সঠিক সময়ে চিকিৎসা করলে কিডনি রোগ প্রতিরোধ সম্ভব। পাবনায় কিডনি ফাউন্ডেশনের নবম বার্ষিক সভা ও বৈজ্ঞানিক সেমিনারের এ তথ্য জানানো হয়।

ডায়ালসিসের আগেই কিডনি ট্রান্সপ্লান্টেশন করা গেলে রোগীর সুস্থতার সম্ভাবনা বেশি বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। পাবনার বনগ্রামে অনুষ্ঠিন এ বৈজ্ঞানিক সেমিনারে চিকিৎসকরা জানান, বর্তমানে বাংলাদেশে প্রায় দুই কোটিরও বেশি মানুষ কিডনি রোগে ভুগছেন। প্রাথমিক পর্যায়ে কিডনি রোগ চিহ্নিত করা গেলে রোগী সহজেই সুস্থ হতে পারে। ডায়ালসিসের আগেই কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট করলে রোগী তুলনামূলক বেশিদিন সুস্থভাবে বাঁচতে পারে।

বাংলাদেশ কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতাল ও গবেষণা ইন্সটিটিউট পাবনার সভাপতি অধ্যাপক ডাঃ সাকিব উজ জামান আরেফিন এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কিডনি ফাউন্ডেশন হাসপাতাল ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি দেশবরেণ্য কিডনি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ডাঃ হারুন অর-রশিদ।

বৈজ্ঞানিক সেমিনারে কিডনি চিকিৎসা ও প্রতিস্থাপনের নীতিমালা, চিকিৎসার বিভিন্ন সুবিধা অসুবিধা তুলে ধরার পাশাপাশি নবীন চিকিৎসকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন ডাঃ আবু সাঈদ, অধ্যাপক ডাঃ খাজা নাজিমুদ্দিন, অধ্যাপক ডাঃ এ এইচ এম রওশন, কিডনি ফাউন্ডেশন বাংলাদেশের ব্যাবস্থাপনা পরিচালক টিনি ফেরদৌস রশিদ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ডাঃ হারুন অর রশিদ বলেন, দেশে কিডনি রোগীর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়ছে। সচেতনতা ও সঠিক সময়ে চিকিৎসায় এই রোগ মোকাবেলা সম্ভব।

ইনসেপ্টা ও কিডনি ফাউন্ডেশনের যৌথ আয়োজনে ব্যয়বহুল কিডনি রোগ প্রতিরোধ ও চিকিৎসায় সচেতনতা সৃষ্টিতে পাবনায় সায়েন্টিফিক সেমিনারে পাবনার ৬০ জন নবীন চিকিৎসক ছাড়াও শতাধিক কিডনি রোগী ও রোগীর স্বজন অংশ নেন।এ সময় কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট সচেতনতা, একিউট কিডনি ইনজুরি, ফ্যাটি লিভার ডিজিস, গোসেরুলোনেফ্রাইটিস আধুনিক ব্যাবস্থাপনা বিষয়ে ধারণা দেয়া হয়।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

চট্টলা এক্সপ্রেসের পাওয়ার কারে অগ্নিকান্ডে ৪ সদস্যের তদন্ত কমিটি।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ফৌজদারহাটে ঢাকাগামী আন্তঃনগর ‘চট্টলা এক্সপ্রেস’ ট্রেনের পাওয়ার কারে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় চার সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রেলওয়ে পূর্বাঞ্চল কর্তৃপক্ষ। বৃহস্পতিবার দুর্ঘটনার পর ঘটনা তদন্তে এ কমিটি গঠন করা হয়।
বিভাগীয় রেলওয়ে ব্যবস্থাপক (ডিআরএম) মোস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে ইতোমধ্যে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।বিভাগীয় পরিবহন কর্মকর্তাকে (ডিটিও) কমিটির প্রধান করা হয়েছে।

কমিটিকে দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে।তিনি আরও বলেন, প্রাথমিকভাবে যান্ত্রিক ত্রুটি থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে এবং সে অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে ফৌজদারহাটের বিএমএ গেট এলাকায় চলন্ত অবস্থায় ট্রেনটির পাওয়ার কারে আগুন লাগে। পরে আগুন পাশের একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) কোচে ছড়িয়ে পড়ে।

এতে যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং তারা দ্রুত ট্রেন থেকে নেমে নিরাপদ স্থানে সরে যান।খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।অগ্নিকাণ্ডের সময় কিছুক্ষণ রেল চলাচল ব্যাহত হলেও পরে তা স্বাভাবিক হয়।

বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যুগ্ম সচিব পরিদর্শনে সেবার মান নিয়ে সন্তোষ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বুধবার ২৫ মার্চ দুপুরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের শৃঙ্খলা শাখার যুগ্ম সচিব ডা. শাব্বির ইকবাল বোয়ালখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকমিক পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনকালে তিনি সরাসরি রোগীদের সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়ে রক্তচাপ পরিমাপ করেন এবং চিকিৎসাসেবা সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। এ সময় তিনি চক্ষু বিশেষজ্ঞের কাছ থেকেও চিকিৎসা সেবার বিভিন্ন দিক সম্পর্কে অবহিত হন। হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম পর্যালোচনা করে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।

পরিদর্শনকালে ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. তৌহিদ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. জাফরিন জাহেদ জিতি, আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডা. সুফিয়ান সহ অন্যান্য চিকিৎসক, কনসালটেন্ট, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে পরিদর্শনের দিন ৯১ জন রোগী ভর্তি ছিলেন। অতিরিক্ত রোগী সেবা প্রদান এবং হাসপাতালের উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক, নার্স ও কর্মচারীদের ধন্যবাদ জানান যুগ্ম সচিব ডা. শাব্বির ইকবাল।

আলোচিত খবর

আরও পড়ুন

সর্বশেষ