আজঃ শনিবার ২৪ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রামে আমদানি নির্ভর এলপিজি প্ল্যান্ট নির্মাণে প্রয়োজন ৫০ একর খালি জমি।

নিজস্ব প্রতিবেদক

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

 

চট্টগ্রাম মহানগরের দক্ষিণ কাট্টলী এলাকায় আমদানি নির্ভর এলপিজি প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন (বিপিসি)। আর এই প্ল্যান্ট নির্মাণে প্রয়োজন অব্যবহৃত ৫০ একর খালি জমি। প্ল্যান্টটি বানাতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) অব্যবহৃত জমি বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। তবে পাউবোর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এখনও কোনো সিদ্ধান্ত জানাননি বলে জানা গেছে।

বিপিসির কর্মকর্তারা বলছেন, নতুন প্ল্যান্ট নির্মাণ করা গেলে সরকারিভাবে এলপিজির অংশীদারিত্ব বাড়বে। বাজারে তুলনামূলক সাশ্রয়ী মূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার সরবরাহ করা সম্ভব হবে। দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা আরো নিশ্চিত হবে। সূত্র জানায়- নতুন এলপিজি প্ল্যান্ট বানাতে জমি চেয়ে সম্প্রতি পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ে একটি চিঠি দেয় সরকারের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ। বরাদ্দ পেলে সেই জমিতেই বার্ষিক ৪০ হাজার মেট্রিকটন ক্ষমতাসম্পন্ন আমদানি নির্ভর একটি এলপিজি প্ল্যান্ট নির্মাণ করা হবে।

জানা গেছে, চট্টগ্রাম বন্দরের কাছে বঙ্গোপসাগরের তীর ঘেঁষা পাউবোর এই জমি বরাদ্দ চাওয়ার যৌক্তিকতা তুলে ধরে চিঠিতে বলা হয়- দেশের বন্দর এলাকাসমূহে এলপিজি প্ল্যান্ট স্থাপন করা হলে অপেক্ষাকৃত স্বল্প পরিবহন খরচে রেফ্রিজারেটেড এলপিজি ও প্রেসারাইজড এলপিজি আমদানি করা সম্ভব হবে। এক্ষেত্রে বিপিসির আমদানি নির্ভর এলপিজি স্টোরেজ ও বটলিং প্লান্ট নির্মাণপূর্বক বাজারজাত করার কার্যক্রম গ্রহণ করা সহজ হবে।

চিঠিতে বলা হয়- চট্টগ্রাম নগরের ডবলমুরিং থানার দক্ষিণ কাট্টলী মৌজায় অধিগ্রহণমূলে পাউবোর মালিকানাধীন দুটি দাগে ২৫ একর ও ৩৩ দশমিক ৫১ একর ভূমি অব্যবহৃত রয়েছে। তবে পাউবো যে উদ্দেশ্যে ভূমি অধিগ্রহণ করেছিল-সে উদ্দেশ্যে ব্যবহার করছে না। কাজেই দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, পরিবেশ বান্ধব সাশ্রয়ী জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য পাউবোর অধিগ্রহণকৃত এসব ভূমি থেকে ৫০ একর ভূমি বিপিসির অনুকূলে বরাদ্দ প্রদানের বিষয়টি বিবেচনার অনুরোধ করা হয়েছে।

তবে এলপিজি প্ল্যান্ট নির্মাণে জমি চেয়ে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের দেওয়া চিঠির বিষয়ে পাউবো এখনও কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে জানিয়েছেন সংস্থাটির নির্বাহী প্রকৌশলী শওকত ইবনে সাদী। তিনি বলেন, পাউবোর ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এখনও কোনো সিদ্ধান্ত জানাননি। তারা যেভাবে নির্দেশনা দেবেন, আমরা সেভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। এ বিষয়ে বিপিসির সঙ্গে আমাদের নিয়মিত যোগাযোগ হচ্ছে।

জানা গেছে, দেশে এখন দুটি সরকারি এলপিজি স্টোরেজ ও বটলিং প্লান্ট থাকলেও দেশে ক্রমবর্ধমান বোতলজাত এলপি গ্যাসের চাহিদা মেটাতে তিন দশক পর নতুন প্ল্যান্ট তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। নগরের দক্ষিণ কাট্টলী এলাকায় এটি নির্মিত হচ্ছে।

সূত্র জানায়, নগরের উত্তর পতেঙ্গায় ‘চট্টগ্রাম এলপিজি স্টোরেজ ও বটলিং প্ল্যান্ট’ নির্মাণ করা হয় ১৯৭৭-৭৮ সালে। এরপর ১৯৯৫ সালে সিলেটের কৈলাশটিলায় আরো একটি এলপিজি স্টোরেজ, বটলিং ও ডিস্ট্রিবিউশন প্রকল্প গ্রহণ করা হয়। দাম কম হওয়ায় বাজারে সরকারি এলপিজির বিপুল চাহিদা থাকলেও এরপর আর কোনো এলপিজি প্ল্যান্ট নির্মিত হয়নি।

বিপিসির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, দেশে বোতলজাত এলপি গ্যাসের বার্ষিক চাহিদা প্রায় ১৭ লাখ মেট্রিকটন। তবে ২০৩০ সালের মধ্যে এই চাহিদা ৩০ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। কারণ দেশে পাইপলাইনের মাধ্যমে আবাসিকে গ্যাসের সংযোগ বন্ধ থাকায় এলপিজির চাহিদা দ্রুত বাড়ছে। পাশাপাশি শিল্প, বাণিজ্য এবং অটোমোবাইল খাতেও সংযোগ সীমিত থাকায় এলপিজির ব্যবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে।

কিন্তু বিপুল এই চাহিদার বিপরীতে সরকারিভাবে এলপিজি সরবরাহের সক্ষমতার পরিমাণ মাত্র ৩৩ হাজার মেট্রিকটন। এরমধ্যে এলপি গ্যাস লিমিটেডের চট্টগ্রাম প্ল্যান্ট থেকে ২৫ হাজার এবং সিলেটের কৈলাশটিলা প্ল্যান্ট থেকে ৮ হাজার মেট্রিকটন এলপিজি সরবরাহ করার সক্ষমতা রয়েছে। চাহিদার বাকি প্রায় ৯৯ শতাংশ এলপিজি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো সরবরাহ করছে। ফলে এই খাতে সরকারি অংশীদারিত্ব নেই বললেই চলে। এ প্রেক্ষাপটে দেশের অভ্যন্তরে চট্টগ্রাম নগরের দক্ষিণ কাট্টলী এলাকায় আমদানি নির্ভর এলপিজি প্ল্যান্ট স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে বিপিসি।

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

নেত্রকোনায় শারীরিক প্রতিবন্ধী হিরনের পাশে দাঁড়ালেন মদন বাংলাদেশ প্রেসক্লাব।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

নেত্রকোনার মদন উপজেলায় হতদরিদ্র প্রতিবন্ধী এক হাত এক পা বিকলাঙ্গ হিরন মিয়ার একটিমাত্র সম্বল ছিল তার একটি ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক।
গত ২২ জানুয়ারি রাতে এই ইজিবাইকটি কেবা কারা চুরি করে নিয়ে যায়। পরিবারের একমাত্র উপার্জনের বাহন হারিয়ে আজ পরিবার দু’মুঠো আহার যোগাতে দুচোখ দিয়ে অশ্রুজল ঝরছে প্রতিবন্ধী হিরন মিয়া।
এই চুরি হওয়া ঘটনাটি ঘটেছে মদন উপজেলার মদন ইউনিয়নের বাজিতপুর গ্রামে।প্রতিবন্ধী হিরণ মিয়া বাজিতপুর গ্রামের মৃত আব্দুল খালেক এর ছেলে।

পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসীর সূত্রে জানা যায়,
১০ বছর পূর্বে টাইফয়েড জ্বর হওয়ার পর হিরন মিয়া একটি পা এবং একটি হাত প্যারালাইস অবশ হয়ে যায়। এরপর থেকে পরিবার নিয়ে বিপাকে পড়ে প্রতিবন্ধী হিরন মিয়া পরে স্থানীয় এলাকাবাসীর সহায়তা তাকে একটি ইজিবাইক ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা কিনে দেন তাকে।

ব্যাটারি চালিত অটোরিক্সা দিয়ে যা উপার্জন হতো পরিবারের ৫ সদস্যদের কোনরকম ডাল ভাত খেয়ে জীবন যাপন করছিল।গত ২২ জানুয়ারি আনুমানিক রাত তিনটার দিকে কেবা কারা এই ইজি বাইকটি চুরি করে নিয়ে যায়।

অটোরিক্সা ৪টা ব্যাটারি অটো রিক্সার মটারটা নিয়ে গিয়ে মদন উচিতপুর ব্রিজের পাশে খালি অটো রিক্সাটা ফেলে রেখে চলে যায় চুরচক্রের সদস্যরা।প্রতিবন্ধী হিরনের স্ত্রী বলেন, অটোরিক্সা দিয়ে যা উপার্জন করত বিকেল বেলা চাল ডাল নিয়ে আসতো আমার স্বামী আমাদের পরিবার চলত । অটো রিক্সার ব্যাটারি চুরি হওয়াতে এখন আমরা খুব কষ্টে আছি।

এমন সময় হতদরিদ্র হিরন মিয়ার পাশে দাঁড়ালেন মদন উপজেলার বাংলাদেশ প্রেসক্লাব। নিজেদের উদ্যোগে এবং নিজেদের অর্থায়নে কিছু প্রয়োজনীয় সামগ্রী নিয়ে হিরন মিয়ার পাশে দাঁড়িয়েন। এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মদন উপজেলা বাংলাদেশ প্রেসক্লাবের প্রধান উপদেষ্ট কবি সাহিত্যিক সিনিয়র সাংবাদিক বীর মুক্তিযোদ্ধা আজহারুল ইসলাম হিরু।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, মদন সরকারি হাজী আব্দুল আজিজ খান ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক গিয়াস মাহমুদ রুবেল,বাংলাদেশ প্রেসক্লাব মদন উপজেলা শাখার সভাপতি দৈনিক আমাদের সময় উপজেলা প্রতিনিধি হাবিবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক সাংবাদিক শেখ আসাদুজ্জামান মাসুদ, সহ-সভাপতি দৈনিক অগ্নিশিখা জেলা প্রতিনিধি এ এম শফিক, দৈনিক যুগ যুগান্তর জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক রাজিব প্রমুখ। এলাকার স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

পাবনার ভাঙ্গুড়ার গুমানি নদীতে বাঁশের বেড়া দিয়ে চুরি, ডাকাতি ঠেকাতে গ্রামবাসীর উদ্যোগ।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার দিলপাশার ইউনিয়নের বেতুয়ান গ্রামে সম্প্রতি নৌ-পথে চুরি ও ডাকাতি বেড়ে যাওয়ায় গ্রামবাসী গুমানি নদীর মাঝেই বাঁশের বেড়া দিয়েছেন। নদীর মাঝ অংশে একটির পর একটি বাঁশ দিয়ে তৈরি করা হয়েছে এ বাঁশের বেড়া। একটি অংশে নৌ চলাচলের পথ রাখা হয়েছে। জানা গেছে, সম্প্রতি বেতুয়ান গ্রাম থেকে দুটি মহিষ ও একটি গরু চুরি হয়েছে। এছাড়াও উপজেলার অষ্টমণিষা বাজারে সোনার দোকানে ডাকাতি এবং কয়েকটি পৃথক স্থানে গরু চুরির ঘটনা এই গুমানি নৌ-পথেই হয়েছে।
দুর্বৃত্তরা ইঞ্জিনচালিত নৌকা ব্যবহার করে গুমানি নদী দিয়ে ভাটির দিকে পালিয়ে যায়। এ কারণেই নিজ এলাকা নিরাপদ রাখাতে গ্রামবাসীর স্বেচ্ছাশ্রমে গুমানি নদীর মাঝেই বাঁশের বেড়া দিয়েছেন।


বেতুয়ান গ্রামের তানজু শেখ বলেন, আমাদের গ্রাম থেকে সাম্প্রতিক সময়ে দুটি মহিষ ও একটি গরু নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। আমরা গ্রামে নিরাপত্তা বাড়াতে নিজেরাই নদীর মাঝ বরাবর বাঁশের বেড়া দিয়েছি।

একই গ্রামের বাসিন্দা রুমান উদ্দিন বলেন, রাতের বেলা নৌকা নিয়ে চোরদের গ্রামে ঢুকার ভয় ছিল। এখন বেড়া থাকায় আমরা অনেকটা নিরাপদ বোধ করছি।গ্রামের অন্য একজন বাসিন্দা রুকসানা আক্তার বলেন, গ্রামবাসী সবাই মিলে কাজ করেছে। আমাদের নিরাপত্তার জন্য এটি খুব জরুরি উদ্যোগ ছিল।

দিলপাশার ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোঃ শরিফুল ইসলাম সজীব খাঁন জানান, বাঁশের খুঁটি পুঁততে তিন দিন সময় লেগেছে। গ্রামের মানুষ রাতের অন্ধকারে স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করেছেন। বেড়ার একটি অংশে নৌ চলাচলের জন্য পথ রাখা হয়েছে যাতে দিনে নৌকা চলাচলে কোনো সমস্যা না হয়।

ভাঙ্গুড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মোস্তাাফিজুর রহমান বলেন, নৌ-পথে গরু চুরি ও ডাকাতির ঘটনায় গ্রামবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছিল। তারা গ্রামবাসী গুমানি নদীর মাঝ বরাবর বেড়া দেওয়ার উদ্যোগ নিয়ে বাঁশের বেড়া কাজ করেছে। দিনে নৌকা চলাচলে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেটা নিশ্চিত করতে গ্রামবাসীর পক্ষে সার্বক্ষণিক নজরদারি চলছে।

আলোচিত খবর

জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণায় বেশি সময় লাগতে পারে- ইসি সচিব।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের দুই ধরনের ব্যালটে ভোট দিতে হবে এবং প্রার্থীর সংখ্যাও তুলনামূলক বেশি হওয়ায় ভোটগ্রহণ ও গণনা—উভয় প্রক্রিয়াতেই স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বেশি সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে মোবাইল অপারেটর, ব্যাংক ও বিএনসিসি কর্মকর্তাদের সঙ্গে পৃথক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।

তিনি আরও জানান, এবারের নির্বাচনে প্রবাসী ভোটার ও দেশের অভ্যন্তরীণ ভোটারদের জন্য আলাদা ব্যালট ব্যবহৃত হবে। এর সঙ্গে প্রার্থীর সংখ্যা বেশি থাকায় ভোট গণনায় অতিরিক্ত সময় প্রয়োজন হবে। বিশেষ করে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পোস্টাল ব্যালট গণনা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াতে পারে।

উদাহরণ হিসেবে সচিব বলেন, ফেনী-৩ আসনে পোস্টাল ভোটার ১৬ হাজার ৩৮ জন, চট্টগ্রাম-১৫ আসনে ১৪ হাজার ২৭৪ জন এবং কুমিল্লা জেলায় ১৩ হাজার ৯৩৯ জন ভোটার পোস্টাল পদ্ধতিতে নিবন্ধিত। একটি কেন্দ্রে সাধারণত তিন হাজার ভোটার থাকলেও পোস্টাল ব্যালটের চাপ পাঁচ থেকে ছয় গুণ বেশি, যা ফল প্রকাশে বিলম্ব ঘটাতে পারে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ