আজঃ বুধবার ২৮ জানুয়ারি, ২০২৬

চট্টগ্রাম বন্দরে এক বছরে জাহাজ এসেছে ৪৩৯৬টি।

নিজস্ব প্রতিবেদক

শুল্ক কর্মকর্তাদের কর্মবিরতি, পরিবহন ধর্মঘটসহ নানা প্রতিকূলতার পরও বছর শেষ হওয়ার আগেই কন্টেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে রেকর্ড গড়েছে

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

চলতি বছর বিভিন্ন সময়ে দাবি আদায়ের জন্য এনবিআর কর্মকর্তাদের আন্দোলন ও কর্মবিরতি, পরিবহন শ্রমিক ও মালিকদের কয়েক দফা ধর্মঘটে চট্টগ্রাম বন্দরের আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ব্যাহত হলেও কন্টেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে রেকর্ড গড়েছে। বিশেষ করে শুল্ক কর্মকর্তাদের কর্মবিরতি, পরিবহন ধর্মঘটসহ নানা প্রতিকূলতার পরও বছর শেষ হওয়ার আগেই কন্টেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে রেকর্ড গড়েছে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। বেড়েছে বন্দরে জাহাজ আসার সংখ্যাও।

বন্দরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, চলতি বছরের ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত জাহাজ এসেছে ৪৩৯৬টি, ২০২৪ সালে বন্দরে মোট জাহাজ হ্যান্ডলিং হয়েছিল ৩৮৫৭টি।২০২৩ সালে এ সংখ্যা ছিল ৪১০৩; ২০২২ সালে ৪৩৬১টি, ২০২১ সালে ৪২০৯টি এবং ২০২০ সালে ৩৭২৮টি জাহাজ বন্দরে এসেছিল। অন্যদিকে ২০২৫ সালের ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত আমদানি-রপ্তানি মিলিয়ে কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছে ৩৩ লাখ ৬৩ হাজার ৫৭৭ টিইইউএস (প্রতিটি ২০ ফুট দৈর্ঘ্যের), যা সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে সর্বোচ্চ। ২০২৪ সালে কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছিল ৩২ লাখ ৭৫ হাজার ৬২৭ টিইইউএস।তার মানে চলতি বছর শেষ হওয়ার চারদিন আগেই চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ আগের বছরের চেয়ে ৮৭ হাজার ৯৫০ টিইইএস কন্টেইনার বেশি হ্যান্ডলিং করেছে।

বন্দরের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালে ৩০ লাখ ৫০ হাজার ৭৯৩ টিইইউএস, ২০২২ সালে ৩১ লাখ ৪২ হাজার ৫০৪ টিইইউএস, ২০২১ সালে ৩২ লাখ ১৪ হাজার ৫৪৮ টিইইউএস এবং ২০২০ সালে ২৮ লাখ ৩৯ হাজার ৯৭৭ টিইইউএস কন্টেইনার হ্যান্ডলিং হয়েছিল। অন্যদিকে চলতি বছরের ২৭ ডিসেম্বর পর্যন্ত কার্গো (খোলা পণ্য) হ্যান্ডলিং হয়েছে ১৩ কোটি ৬৩ লাখ ২৬ হাজার ৮৬ টন। আগের বছরে এই পরিমাণ ছিল ১২ কোটি ৩৯ লাখ ৮৩ হাজার ১৪ টন। অর্থ্যাৎ, চলতি পঞ্জিকাবর্ষে ১ কোটি ২৩ লাখ ৪৩ হাজার ৭২ ক টন বেশি পণ্য হ্যান্ডলিং হয়েছে।

বন্দর সূত্র জানা গেছে, ২০২৩ সালে ১২ কোটি ২ লাখ ৩০ হাজার ২৯৩ টন, ২০২২ সালে ১১ কোটি ৯৬ লাখ ৬৫ হাজার ৬৮২ টন, ২০২১ সালে ১১ কোটি ৬৬ লাখ ১৯ হাজার ১৫৮ টন এবং ২০২০ সালে ১০ কোটি ৩২ লাখ ৯ হাজার ৭২৪ টন খোলা পণ্য হ্যান্ডলিং হয়েছে।

বন্দর কর্মকর্তারা বলছেন, বন্দরের ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অক্লান্ত পরিশ্রম, বন্দর ব্যবহারকারীদের সহযোগিতার কারণে এ অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্মকর্তা বলেন, চলতি বছর শেষ হতে বেশ কয়েকদিন বাকি রয়েছে। তার আগেই কন্টেইনার ও কার্গো হ্যান্ডলিংয়ে এ অগ্রগতি বন্দরের সক্ষমতা বাড়ার দিকটাই নির্দেশ করে। আগামীতে আরও বেশি হ্যান্ডলিংয়ের জন্য আমরা কাজ করে যাচ্ছি।

এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বন্দরের সদস্য (হারবার ও মেরিন) কমডোর আমিন আহমেদ আবদুল্লাহ বলেন, এক পঞ্জিকাবর্ষে আমরা আগেরবারের চেয়ে বেশি কন্টেইনার হ্যান্ডলিং করেছি। বছর শেষ হতে বেশ কয়েকদিন বাকি রয়েছে। বছর শেষে এ পরিমাণ আরও বাড়বে।

তিনি বলেন, চলতি বছরে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছে। বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং বন্দরের ধারণক্ষমতা বৃদ্ধির ফলে রেকর্ড পরিমাণে কন্টেইনার এবং কার্গো হ্যান্ডলিং হয়েছে।জাহাজের অপেক্ষমান সময় প্রায় শূন্যে নামিয়ে আনা গেছে। এর ফলে জাহাজ সাথে সাথে বার্থিং পাচ্ছে এবং দ্রুত পণ্য খালাস সম্ভব হয়েছে। তিনি বলেন, “ই-গেট পাস, কন্টেইনার ট্র্যাকিং এবং স্বয়ংক্রিয় পেমেন্ট সিস্টেমের ফলে স্বচ্ছতা এসেছে এবং ভোগন্তিও কমেছে।

এছাড়া চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ প্রথমবারের মতো মার্কি কোস্ট গার্ডের আইএসপিএস অডিটে প্রথমবারের মতো ‘জিরো অবজারভেশন’ পেয়ে নিরাপদ ও আর্ন্তজাতিক মানসম্পন্ন বন্দরে পরিণত হয়েছে।

আমিন আহমেদ আবদুল্লাহ আরো বলেন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সময়োপযোগী নীতিমালা বিশ্ব সামুদ্রিক বাণিজ্যে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। এ অর্জন বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বন্দরের প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করেছে।

 

শেয়ার করুন-

Share on facebook
Share on whatsapp
Share on twitter
Share on linkedin

আরও খবর

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করলেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম মহানগরের দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ওয়ার সেমেট্রি পরিদর্শন করেছেন। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে ৯টা পর্যন্ত এ পরিদর্শন কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। পরিদর্শনকালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী শহীদ সেনাদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়। এ সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

মতবিনিময়কালে ওয়ার সেমেট্রির ঐতিহাসিক গুরুত্ব, সংরক্ষণ ব্যবস্থা, নান্দনিক পরিবেশ এবং পরিবেশগত দিক নিয়ে আলোচনা হয়। এ সময় রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন চট্টগ্রাম নগরের উন্নয়ন, পরিবেশ সংরক্ষণ, স্বাস্থ্যসেবা ও নাগরিক সেবাখাতে ভবিষ্যতে সহযোগিতার সম্ভাবনার কথাও উল্লেখ করেন বলে জানা যায়।

চট্টগ্রাম বন্দরে এলেন নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূতের নেতৃত্বে ৫ সদস্যের প্রতিনিধিদল।

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত Brent T. Christensen এর নেতৃত্বে ৫ সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধিদল চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শন করেছেন। প্রতিনিধিদল চট্টগ্রাম বন্দরে আগমনের পর চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল এস এম মনিরুজ্জামান, ওএসপি, এনডিসি, এনসিসি, পিএসসি এর সাথে এক সৌজন্য সাক্ষাতে মিলিত হন। চেয়ারম্যান জুলাই গণঅভ্যুত্থান-২০২৪ পরবর্তী অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে চট্টগ্রাম বন্দরের উল্লেখযোগ্য অর্জন সমূহ প্রতিনিধিদলকে অবহিত করেন।

তিনি বিগত সময়ের নানা অনিয়ম, শ্রম অসন্তোষ, বিভিন্ন প্রেশার গ্রুপের আধিপত্য, অগ্নী দূর্ঘটনা ও ডিজিটাইজেশনে বাধাসহ অন্যান্য চ্যালেঞ্জ সমূহ মোকাবেলা করে বন্দরের নানা যুগোপযুগি সংস্কার করেছেন। ফলে সাম্প্রতিক সময়ে চট্টগ্রাম বন্দর হ্যান্ডলিং রেকর্ড, জাহাজের টার্ন এরাউন্ড টাইম হ্রাস, ডুয়েল টাইম হ্রাস, পোর্ট লিমিট বৃদ্ধি, সর্বাধিক মুনাফা অর্জন, পানগাঁও আইসিটি ও লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনালে বিদেশী অপারেটর নিয়োগ, বে টার্মিনাল ও মাতারবাড়ি বন্দর উন্নয়ন প্রকল্প দ্রুত বাস্তবায়ন, ডিজিটাইজেশন, ইউএস কোস্টগার্ড কর্তৃক আইএসপিএস এর জিরো অবজারভেশন প্রভৃতি বিষয়ে অভূতপূর্ব অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে। তিনি প্রতিনিধিদলকে আরো জানান যে, মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্র বন্দর ও বে টার্মিনাল চালু হলে বন্দরটি বিশ্বের অন্যান্য বন্দরের সাথে সরাসরি জাহাজ চলাচল ও প্রতিবেশী দেশের মালামাল পরিবহনের মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার নৌ বাণিজ্যি হাবে পরিনত হবে যা দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করবে । এতে দেশে ব্যাপক কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে । চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে আমদানীকৃত রেফার কন্টেইনার সংরক্ষনে কোল্ড চেইন ইন্ডাস্ট্রি স্থাপনের ব্যাপারে মার্কিন সরকারের আগ্রহকে স্বাগত জানান। তাছাড়া বন্দরে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের ইতিবাচক ভূমিকা থাকার কারনে বন্দরে নির্বিঘ্নে অপারেশনাল কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে মর্মে মান্যবর রাষ্ট্রদূতকে অবহিত করেন।

রাষ্ট্রদূত চট্টগ্রাম বন্দরের বর্তমান ও ভবিষ্যত কর্মকান্ডে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং বন্দরকে আরো দক্ষ, অধুনিক ও বিশ্বমানের বন্দর হিসেবে গড়ে তুলতে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি বাংলাদেশে বন্দর কেন্দ্রিক বিদেশী বিনিয়োগ বৃদ্ধি, দক্ষ জনশক্তি তৈরিতে প্রশিক্ষণ ও অন্যান্য বিষয়ে সহযোগিতা প্রদানের আশ্বাস দেন। তিনি মার্কিন যুক্তরাস্ট্র থেকে রপ্তানীকৃত পণ্য খালাস কাজে চট্টগ্রাম বন্দরের সহযোগিত কামনা করেন। সৌজন্য সাক্ষাতে আরো উপস্থিত ছিলেন প্রতিনিধিদলেরে Micheal Pennell, Economic Unit Chief, Paul Frost, Commercial Counselor, Firoze Ahmed, Political Specialist, Asif Ahmed, Economic Specialist চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) মোঃ ওমর ফারুক ও সচিব মোহাম্মদ আজিজুল মওলাসহ অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

আলোচিত খবর

গণভোটের পক্ষে-বিপক্ষে প্রচার করতে পারবেন না নির্বাচনি কর্মকর্তারা: ইসি

সোশ্যাল শেয়ার কার্ড

এই কার্ডটি সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করুন

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে দায়িত্বে থাকা কোনো নির্বাচনি কর্মকর্তা গণভোটে কোনো পক্ষেই প্রচারণা চালাতে পারবেন না বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

তবে ভোটারদের গণভোটে অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করার অনুমতি থাকবে বলে জানিয়েছে কমিশন।
মঙ্গলবার ২৭ জানুয়ারি নির্বাচন ভবনের নিজ দফতরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান নির্বাচন কমিশনার মো. আনোয়ারুল ইসলাম সরকার।

তিনি বলেন-রিটার্নিং অফিসার কমিশনেরই লোক। সেজন্য আমাদের কাছে এলেও প্রাথমিক পর্যায়ে সেটা রিটার্নিং অফিসার আমাদের মাঠ পর্যায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত এবং ইলেক্টোরাল ইনকোয়ারি ও বিচারক কমিটি প্রত্যেকটা আসনে রয়েছে। আমাদের জয়েন্ট ডিস্ট্রিক্ট জাজ পর্যায়ের বিচারকরা রয়েছেন। তারা তাৎক্ষণিকভাবে সেগুলো আমলে নিচ্ছেন। তাদের বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

মোবাইল কোড প্রতিদিনই মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে চলেছেন এবং প্রতিদিনই আমরা রিপোর্ট দেয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে ৫০-৭০টি কেস রুজু হয়েছে। কোথাও জরিমানা হচ্ছে কোথাও শোকজ হচ্ছে। মানে কার্যক্রম একার্যক্রম জোরশোরে চলছে।

গণভোটের প্রচারের বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার বলেন-আমাদের বক্তব্য হচ্ছে গণভোটের জন্য আমরা উদ্বুদ্ধ করছি। নির্বাচনি কাজের দায়িত্বে যারা থাকবেন, তারা আইনগতভাবে কোনো পক্ষে কাজ করবেন না। এটি রিটার্নিং অফিসার (জেলা প্রশাসক), অ্যাসিস্টেন্ট রিটার্নিং অফিসার (ইউএনও) এবং অন্যান্য যারা নির্বাচনি দায়িত্ব পালন করবেন, তারা গণভোটের প্রচার করবে। কিন্তু পক্ষে-বিপক্ষে যাবে না।

সরকার এবং সরকারের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা গণভোটের ‘হ্যাঁ’ পক্ষে অবস্থান নিয়ে প্রচারণা করছেন। এটা আসলে কতটা আইনসঙ্গত বলে মনে করছেন? এমন প্রশ্নের জবাবে ইসির এই কর্মকর্তা বলেন-নির্বাচন কমিশনার হিসেবে আমি কোনো মন্তব্য করতে রাজি না। আমরা স্বাধীন। আমরা একটা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। আমরা কারও কাছে দায়বদ্ধ না।

সিসিটিভির বিষয়ে তিনি বলেন -সিসিটিভির আপডেট এখনো আমাদের কমিশনে আসেনি। আমরা এটা ফিল্ড লেভেল থেকে তথ্য নিয়ে কতগুলো কেন্দ্রে সিসিটিভি স্থানীয়ভাবে দিতে পারতেছে বা পারে নাই, এই তথ্যগত বিষয়টা আমরা নেব। যেহেতু আরো সময় আছে সেই সময়ের ভেতরে এই তথ্য আমাদের কাছে আসলে আপনাদেরকে জানানো হবে।

আরও পড়ুন

সর্বশেষ